Friday, July 17, 2026

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

আলিপুরে ‘শিল্পান্ন’র উদ্বোধনে মুখ্যমন্ত্রী!‌ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে চর্ম ও কুটির শিল্পকেন্দ্রর শুভসূচনা

আলিপুর চিড়িয়াখানার বিপরীতে শপিং মল। ‘শিল্পান্ন’র উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উদ্বোধনের দিন ঘোষণাও করলেন। চর্ম ও কুটির শিল্পকেন্দ্র আলিপুরের ‘শিল্পান্ন’। সেখানে মোট ৪৬টি স্টল। ‘শিল্পান্ন’র ভাবনা প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি রাস্তায় যেতে যেতে তাকিয়ে থাকি। কোথায় আমাদের জমি খালি পড়ে আছে। কী করা যায়। সেইভাবেই ‘শিল্পান্ন’র ভাবনা এসেছিল। ভারতে লেদার শিল্পে বাংলা নম্বর ওয়ান। মহিলারা বাইরে গেলে চামড়ার ব্যাগ কিনতে পছন্দ করেন। বাইরে যে ব্যাগ ৩০-৪০ হাজার টাকায় কিনতে হয়, এখানে সেটাই তিন হাজার টাকায় পেয়ে যাবেন। জেলার হেডকোয়ার্টারে শপিং মল করছি। এক টাকায় জমি দেব। যারা বানাবে তাদের জন্য একটাই শর্ত দুটো ফ্লোর আমার চাই। বাকি জায়গায় আপনারা সিনেমাহল, কফিহাউস, যা খুশি করুন। শপিং মল আপনারা ছ’তলা, সাততলা বা আটতলা যত বড়ই বানান, আমার দেখার দরকার নেই। কিন্তু দুটো ফ্লোর আমার চাই আমার স্বনির্ভরগোষ্ঠীর মেয়েদের জন্য।” রাজ্যের উন্নয়নের পাশাপাশি কর্মসংস্থানের ভাবনা।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লার। পহেলগাঁও কাণ্ডের জন্য আতঙ্কিত না হয়ে বাংলার পর্যটকদের আরও বেশি করে কাশ্মীরমুখী হওয়ার আহ্বান জানালেন। এপ্রিলে পহেলগাঁও হামলার পর পর্যটকরা আতঙ্কে। ভয়ংকর জঙ্গি হানার ২ মাস পর নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা। বেশ কিছুক্ষণ বৈঠক। নবান্নের বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মমতা ও ওমর। বাংলা ও কাশ্মীরে সুমধুর সম্পর্কের কথা তুলে ধরে ওমর বলেন, “বাংলার সঙ্গে কাশ্মীরের বরাবরই অত্যন্ত ভালো সম্পর্ক। পর্যটকরা আসুন, ভয় পাবেন না। আরও বেশি করে পর্যটক কাশ্মীরে আসুন।” ওমর আবদুল্লার পাশে দাঁড়িয়েই রাজ্যবাসীকে কাশ্মীরে যাওয়ার পরামর্শ দিয়ে মমতা বলেন, “ওঁরা নিরাপত্তা দেবে।” বাঙালি পর্যটকরা আতঙ্ক কাটিয়ে আবার কাশ্মীরমুখী হলে সেখানকার পর্যটন শিল্প ফের চাঙা হবে, আশাবাদী ওমর।

দিল্লির বসন্তকুঞ্জের জয় হিন্দ কলোনিতে চূড়ান্ত হেনস্তার শিকার বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিক। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক্স হ্যান্ডেলে ক্ষোভ উগরে দিয়ে দাবি করেন, ওই এলাকায় বসবাসকারী একাধিক বাঙালির জল সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়। বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। সমস্যায় জর্জরিত বাসিন্দারা বাধ্য হয়ে জলের ট্যাঙ্কারের বন্দোবস্ত করেছিলেন। পুলিশ এবং আরপিএফ বিকল্প পথে জলের বন্দোবস্ত করতে দেয়নি বলেও অভিযোগ। বিজেপি শাসিত দিল্লিতে ইচ্ছাকৃতভাবে বাঙালিদের মৌলিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে বলেই দাবি বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর। দিনের পর দিন এভাবে চলতে থাকলে মোটেও চুপ করে থাকবে না বাংলা। অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই জারি বলেই জানান। বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের উপর বিভিন্ন রাজ্যে অত্যাচারিত হওয়ার অভিযোগ। মারধর, হামলা, লুটপাট, উপার্জন কেড়ে নেওয়া, পরিচয়পত্র ছিনিয়ে নেওয়ার মতো অভিযোগ। অভিযোগ জানালে স্থানীয় পুলিশের সাহায্য পাওয়া যাচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেছেন। রাজ্যের তরফে পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য গঠিত কমিটির তরফে দায়িত্বপ্রাপ্ত, রাজ্যসভার সাংসদ সামিরুল ইসলাম তড়িঘড়ি তাঁদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। রাজ্যে নিরাপদে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করেছেন। বিষয়টি যথেষ্ট গুরুত্ব সহকারে দেখছে তৃণমূল নেতৃত্ব। অমিত শাহকে চিঠি পাঠিয়ে কেন্দ্রের উপর চাপ তৈরি করেন দুই সাংসদ ইউসুফ পাঠান ও সামিরুল ইসলাম। হেনস্তার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতি অবিলম্বে মুখ্যসচিবকে পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট।

বিধানসভা নির্বাচনের আগে সরকারি খরচ বাঁচানো নিয়ে বড় গাইডলাইন তৈরি করল নবান্ন। কিছু ক্ষেত্রে খরচের উর্ধসীমা নির্ধারন করে নির্দেশিকা জারি। নবান্নের জারি করা নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, সেচ, পূর্ত, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ, পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন, পুর ও নগর উন্নয়ন দফতরের মতো দফতরগুলি সর্বোচ্চ ৩ কোটি টাকার প্রকল্পের অনুমোদন দিতে পারবে। তার বেশি অনুমোদন তারা দিতে পারবে না। এদিকে ২০২৩ সালের নির্দেশিকায় এটাই ছিল ৫ কোটি টাকা। উর্ধসীমা কিছুটা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে নয়া নির্দেশিকায়। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতর, পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন দফতর, সুন্দরবন উন্নয়ন দফতরের কাজের ক্ষেত্রে এই অনুমোদনের উর্ধ্বসীমা আগে ছিল ৩ কোটি টাকা। সেটা এবার থেকে কমিয়ে ১ কোটি টাকা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে আবাসন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প এমএসএমই, তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের ক্ষেত্রে উর্ধ্বসীমা ধার্য করা হয়েছে ৭৫ লাখ টাকা। অন্যান্য দফতরদের ক্ষেত্রে উর্ধ্বসীমা ধার্য করা হয়েছে ৫০ লাখ টাকা। অর্থাৎ একাধিক ক্ষেত্রে খরচের ক্ষেত্রে লাগাম টানল সরকার। সরকারি কোষাগার থেকে অতিরিক্ত খরচের ভার কমাতেই এই উদ্যোগ।

সরকারি চাকরিতে নিয়োগপ্রক্রিয়ার গতি বাড়াতে কড়া পদক্ষেপ নিল নবান্ন। এবার থেকে চাকরিপ্রার্থীদের পুলিশি যাচাই এবং স্বাস্থ্যপরীক্ষা দু’টিই ৩০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। নির্দেশ রাজ্যের সমস্ত দফতরকে জানিয়ে দিয়েছেন মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ। প্রয়োজনীয় ফর্মালিটিতে সময়ক্ষেপ রুখে যত দ্রুত সম্ভব প্রার্থীদের কাজে যোগদানের সুযোগ করে দেওয়াই লক্ষ্য। নবান্নের নজরে, অনেক সময় সুপারিশপত্র আসার পরেও নিয়োগে অযথা দীর্ঘসূত্রিতা দেখা যাচ্ছে। বিশেষত, পুলিশ ভেরিফিকেশন বা মেডিক্যাল রিপোর্ট পেতে বিলম্ব হচ্ছে বারবার। ফলে চাকরি পেয়ে যাওয়ার পরও দীর্ঘদিন অপেক্ষা করতে হচ্ছে প্রার্থীদের। অবস্থার পরিবর্তন করতেই এবার সময়সীমা বেঁধে দিল রাজ্য প্রশাসন।নতুন নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট নিয়োগ সংস্থা যেমন পাবলিক সার্ভিস কমিশন বা অন্য কোনও নিয়োগ কর্তৃপক্ষ সুপারিশপত্র পাঠানোর পর তৎক্ষণাৎ তা চাকরিপ্রার্থীদের জানাতে হবে। ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি জারি করে এবং ই-মেলের মাধ্যমে প্রার্থীদের বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে। কবে, কোথায় কী প্রক্রিয়া হবে তা-ও স্পষ্ট করে জানাতে হবে। পুলিশি যাচাইয়ের জন্য সশরীরে যাচাইয়ের প্রয়োজন হলেও সেই কাজও ৩০ দিনের মধ্যে শেষ করতে হবে। একই নিয়ম প্রযোজ্য স্বাস্থ্যপরীক্ষার ক্ষেত্রেও। একবার এই প্রক্রিয়াগুলি শেষ হলে প্রার্থীদের নির্দিষ্ট দফতর বা ট্রেনিং সেন্টারে রিপোর্ট করার নির্দেশ দিতে হবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে। মুখ্যসচিব স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এই সময়সীমা না মানলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের প্রথমে সতর্ক করা হবে। একই ধরনের বিলম্ব বারবার ঘটলে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে। রাজ্য সরকারের মতে, এই পদক্ষেপ সরকারি চাকরির নিয়োগপ্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ, গতিময় ও সময়ানুবর্তী করে তুলবে। প্রার্থীরা যাতে প্রয়োজনীয় পরীক্ষাগুলির জন্য বছরের পর বছর অপেক্ষা না করেন সেদিকেই জোর দিতে চাইছে প্রশাসন।

তারকেশ্বরে শুরু হল শ্রাবণী মেলা। ভক্তদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ‘‌বাংলার হুগলি জেলার ঐতিহ্যবাহী তারকেশ্বর শ্রাবণী মেলা আজ থেকে শুরু হচ্ছে। বাবা তারকনাথের মাহাত্ম্যধন্য এই পবিত্র তীর্থক্ষেত্রে প্রতিবছরই গোটা শ্রাবণ মাস জুড়ে ভগবান শিবের আশীর্বাদ কামনায় সমাগম ঘটে লক্ষ-লক্ষ ভক্তবৃন্দের। আমি এই মেলায় আগত সেই সকল ভক্তবৃন্দকে জানাই আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। তারকেশ্বর ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের সামগ্রিক উন্নয়নকল্পে এবং পুণ্যার্থীদের সুবিধার্থে আমাদের সরকার নানান পদক্ষেপ করেছে যার মধ্যে আছে এলাকাজুড়ে রাস্তাঘাটের সংস্কার,পানীয় জলের ব্যবস্থা, দুধপুকুরের সংস্কার, স্নানঘাট নির্মাণ, তীর্থযাত্রীদের জন্য বিশ্রামাগার, স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নয়ন, অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, তীর্থযাত্রীদের নিরাপত্তা আরো সুনিশ্চিত করার জন্য অতিরিক্ত পুলিশি ব্যবস্থা, সিসিটিভি, ইত্যাদি। আমাদের গড়ে দেওয়া তারকেশ্বর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এলাকার উন্নয়নে সদা সক্রিয়। সকল ভক্তবৃন্দকে বলব সাবধানে, আস্তে আস্তে যান। ভাল করে জল ঢেলে নিরাপদে ফিরে আসুন।’‌ লিখেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শ্রাবণী মেলায় আগত ভক্তদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সেই সঙ্গেই তারকেশ্বরের উন্নতিতে রাজ্য সরকার কী ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে উল্লেখ করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles