একই সঙ্গে জন্ম নেওয়া দুই যমজ সন্তানের বাবা দু’জন আলাদা ব্যক্তি? গল্প নয়, বাস্তবেই এমন ঘটনা ঘটেছে ব্রাজিলে। ১৯ বছরের এক তরুণী এমন যমজ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন, যাদের বাবা দুই ভিন্ন পুরুষ। এহেন বিরল ঘটনায় তাজ্জব বনে গিয়েছেন খোদ চিকিৎসকেরাও। ব্রাজিলের গোইয়াস প্রদেশের মিনেরিওস শহরের বাসিন্দা ওই তরুণী জানান, একই দিনে তিনি দু’জন ভিন্ন পুরুষের সঙ্গে মিলিত হয়েছিলেন। ‘ডেইলি মেল’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেই মিলনের পরেই তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। সন্তানদের আসল বাবা কে, তা নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষা করানোর সিদ্ধান্ত নেন তরুণী। আর ডিএনএ পরীক্ষার ফল দেখেই চক্ষু চড়কগাছ ডাক্তারদের। দুই সন্তানের বাবা দু’জন! চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় এই ঘটনাকে বলে ‘হেটেরোপ্যারেন্টাল সুপারফেকানডেশন’। তরুণীর চিকিৎসক জানিয়েছেন, এটি তখনই ঘটে যখন কোনও মহিলার ঋতুচক্রে নির্গত হওয়া দু’টি পৃথক ডিম্বাণু, যৌন মিলনের মাধ্যমে দু’জন ভিন্ন পুরুষের শুক্রাণু দ্বারা নিষিক্ত হয়। তরুণীর চিকিৎসক তুলিও জর্জ ফ্রাঙ্কো জানিয়েছেন, শিশুদুটি পৃথক অমরা বা প্ল্যাসেন্টাতে বেড়ে উঠেছে। তাঁর মতে, বিষয়টি এতই বিরল, যে সারা বিশ্বে এই ধরনের ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে মাত্র ২০টি। জন্মের পর সুস্থই আছে দুই ক্ষুদে। তাঁদের বয়স এখন ১৬ মাস। স্বস্তির বিষয়, দুই বাবার মধ্যে একজন ওই তরুণীর দুই সন্তানেরই দেখভালের দায়িত্ব নিয়েছেন।
শ্রদ্ধা কাপুর যে রাহুল মোদির সঙ্গে প্রেম করছেন, এখবর বলিউডে নতুন নয়! বহুবার একসঙ্গে তাঁদের কফিশপ, রেস্তরাঁ থেকে প্রিমিয়ার, বলিউডের হাইপ্রোফাইল পার্টিতে জুটিতে দেখা গিয়েছে তারকাজুটিকে। সেই ছবিও ক্যামেরাবন্দি করেছিলেন পাপারাজ্জিরা। কিন্তু তাই বলে, মাঝআকাশে প্রেমিকের সঙ্গে শ্রদ্ধার অন্তরঙ্গ মুহূর্ত লেন্সবন্দি করতে হবে? প্রতিবাদ ইন্ডাস্ট্রির ‘সিনিয়র’ রবিনা ট্যান্ডনের। মাঝআকাশে প্রেমিকের সঙ্গে শ্রদ্ধা কাপুর। ভাইরাল ভিডিওতে দেখা গেল, অন্তরঙ্গ কথোপকথনে মজে দুজনে। কোনও দিকে ভ্রুক্ষেপ নেই তাঁদের। শ্রদ্ধা তাঁর মোবাইলের স্ক্রিন দেখিয়ে কিছু একটা আলোচনা করছিলেন প্রেমিকের সঙ্গে। আর সুযোগ বুঝে সেলেবজুটির এহেন অন্তরঙ্গ মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করে ছড়িয়ে দিয়েছেন জনৈক বিমানসেবিকা। আর সেটা দেখেই রাগে ফেটে পড়েছেন রবিনা ট্যান্ডন। অতঃপর ওই ভিডিওর কমেন্ট সেকশনেই এহেন কুকীর্তি নিয়ে প্রতিবাদে গর্জে উঠচে পিছপা হননি ‘তু চিজ বড়ি হ্যায় গার্ল’। তারকা বলে কি কোনও ‘গোপনীয়তা’ বজায় থাকবে না? প্রশ্ন তুলেছেন অভিনেত্রী। রবিনার মন্তব্য, “এটা তো কারও গোপনীয়তা লঙ্ঘন করা। এহেন কাজ করার আগে ক্রুদের এই নিয়মটা ভালোভাবে জানা উচিত ছিল। সম্মতি নিতে হত ওদের কাছ থেকে। বিমানের ক্রু মেম্বারদের কাছ থেকে এহেন কর্মকাণ্ড একেবারেই অপ্রত্যাশিত।” অভিনেত্রীর মন্তব্যে সায় দিয়েছেন অনেকেই। রাহুল মোদী, যিনি ‘সোনু কে টিটু কি সুইটি’, ‘প্যায়ার কা পঞ্চনামা’ এবং ‘তু ঝুঠি ম্যায় মক্কর’-এর মতো ছবিতে কাজ করেছেন। তিনি পেশায় একজন লেখক। চব্বিশ সালে আম্বানিপুত্রের বিয়েতেও শ্রদ্ধা-রাহুলকে একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল। বলিউড সূত্র থেকে পাওয়া খবর অনুযায়ী, ‘তু ঝুঠি ম্যায় মক্কার’ ছবিতে কাজ করার সময়েই ঘনিষ্ঠতা বাড়ে শ্রদ্ধা কাপুর ও রাহুল মোদির। তারপর থেকেই একে-অপরকে ডেট করছেন তাঁরা। অতীতে একবার দুজনে জুটিতে একটি ছবিও শেয়ার করেছিলেন। সেই ছবির ক্যাপশনেই শ্রদ্ধা যা লেখেন, তাতে তোলপাড় পড়ে যায়। অভিনেত্রী কোনওরকম কুণ্ঠাবোধ না করেই সদর্পে লিখেছিলেন, ‘দিল রাখ লে, নিন্দ তো ওয়াপাস দে ইয়ার (আমার হৃদয় কেড়ে নাও, অন্তত আমার ঘুমটা ফিরিয়ে দাও)।’ সঙ্গে হাসিমুখ আর লাল হৃদয়ের ইমোজি। এরপর আর কারও বুঝতে বাকি থাকেনি যে তিনি রাহুল মোদির সঙ্গে প্রেম করছেন।
ডিম্বাণু ও শুক্রাণুতেও প্লাস্টিক? এ বার কি শরীরে প্লাস্টিক নিয়েই জন্মাবে শিশু?
রক্তে, মস্তিষ্কে গুঁড়ো প্লাস্টিক পাওয়া গিয়েছে আগেই। আর এখন ডিম্বাণু ও শুক্রাণুতেও খোঁজ পাওয়া গিয়েছে মাইক্রোপ্লাস্টিকের। রক্তে প্লাস্টিকের কণা পাওয়া গিয়েছে আগেই। মানুষের মস্তিষ্কেও প্রবেশ করেছে তারা। এমনকি মায়ের গর্ভেও প্লাস্টিকের সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম কণা বা মাইক্রোপ্লাস্টিকের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। আর এখন বিপদ নাকি আরও বেড়েছে। ডিম্বাণু ও শুক্রাণুতেও ঢুকে পড়েছে প্লাস্টিক। তা হলে কি এ বার শরীরে প্লাস্টিকের কণা নিয়েই জন্মাবে শিশু? ‘ইউরোপিয়ান সোসাইটি অফ হিউম্যান রিপ্রোডাকশন অ্যান্ড এমব্রায়োলজি‘-থেকে প্রকাশিত তথ্য অনুসারে, ডিম্বাশয়ের ভিতরে যে ফলিকিউলার ফ্লুইড ডিম্বাণুকে ঘিরে রাখে, তার মধ্যেও পাওয়া গিয়েছে গুঁড়ো প্লাস্টিক। আবার শুক্রাণুর ভিতরেও পাওয়া গিয়েছে প্লাস্টিকের কণা। গবেষকদের ধারণা, রক্তস্রোতে বাহিত হয়ে জনন কোষেও প্রবেশ করছে মাইক্রোপ্লাস্টিক। গবেষকেরা ২৯ জন মহিলার ফলিকিউলার ফ্লুইড (যে তরলের মধ্যে ডিম্বাণু বিকশিত হয়) ও ২২ জন পুরুষের সেমিনাল ফ্লুইড (যে তরলের মধ্যে শুক্রাণু থাকে) নিয়ে পরীক্ষা করে দেখেন। তাতে দেখা যায়, মহিলাদের ৬৯ শতাংশ ফলিকিউলার ফ্লুইড গুঁড়ো প্লাস্টিকে ভর্তি, আর পুরুষের ক্ষেত্রে তা প্রায় ৫৫ শতাংশ। বিজ্ঞানীরা আশঙ্কা করছেন, জনন কোষেই যদি প্লাস্টিক থাকে, তা হলে হয়তো ভ্রূণের শরীর গঠনের সময়ে তাতেও প্রবেশ করবে প্লাস্টিক। নেদারল্যান্ডের বিজ্ঞানীরা কিছু দিন আগেই এক গবেষণাপত্রে লিখেছিলেন, মানুষের রক্তে মাইক্রোপ্লাস্টিক বিপজ্জনক হারে বাড়ছে। রক্তে এক বার প্লাস্টিক ঢুকলে তা যে বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গে সহজে পৌঁছে যেতে পারে, তা বোঝা কঠিন নয়। ডেকে আনতে পারে নানাবিধ রোগব্যাধি, যা প্রাণঘাতীও হতে পারে। প্লাস্টিক দূষণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর অবস্থানে রয়েছে শিশুরা। কারণ গবেষণায় এ-ও স্পষ্ট যে, প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় শিশুদের শরীরে প্রায় দশগুণ বেশি মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যাচ্ছে। আর তা আসছে বিভিন্ন ভাবে। বাবা-মায়ের থেকে অথবা খাবার থেকে। জলের বোতল, খাবারের প্যাকেট, দুধের প্যাকেট থেকে শুরু করে ফেসওয়াশ, কসমেটিক্স, এমনকি প্রাণদায়ী ওষুধও বিকোচ্ছে এখন প্লাস্টিক কন্টেনারে। প্লাস্টিকের জলের বোতলেও লাখে লাখে থাকে গুঁড়ো প্লাস্টিক। ফলে তা শরীরেও প্রবেশ করছে অবাধে। বিজ্ঞানীদের মতে, প্লাস্টিকের ব্যবহার এখনই বন্ধ না করলে ২০৪০ সাল নাগাদ পৃথিবীতে প্লাস্টিক বর্জ্য বেড়ে যাবে প্রায় দ্বিগুণ। মাইক্রোপ্লাস্টিক দিনের পর দিন শরীরে ঢুকে রক্তে মিশতে থাকলে তা বিভিন্ন জটিল রোগের কারণ হয়ে উঠতে পারে। প্লাস্টিক রক্তে মিশলে ইনসুলিনের ক্ষরণে প্রভাব ফেলে। যা পরবর্তী সময়ে ডায়াবিটিসের কারণ হয়ে উঠতে পারে। শুধু তা-ই নয়, প্লাস্টিক শরীরে হরমোনের ভারসাম্যও বদলে দিতে পারে। আর জনন কোষও যদি প্লাস্টিকের কবলে পড়ে, তা হলে প্রজননের প্রক্রিয়াই ব্যাহত হবে, এতে যেমন বন্ধ্যত্বের সমস্যা বাড়বে, তেমনই জটিল রোগ নিয়ে জন্মাবে শিশু।




