Saturday, July 11, 2026

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

দক্ষিণ আফ্রিকার জয় দেখে উচ্ছ্বসিত সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়! ইডেনে বেঙ্গল প্রো টি-টোয়েন্টি লিগে হাওড়াকে হারাল কলকাতা

দক্ষিণ আফ্রিকাকে প্রশংসায় ভরালেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। দক্ষিণ আফ্রিকার জয় দেখে উচ্ছ্বসিত মহারাজ। ভারতীয় দলের প্রাক্তন কিংবদন্তি অধিনায়ক শনিবার বিকেলে ইডেনে এসেছিলেন বেঙ্গল প্রো টি-২০র ম্যাচ দেখতে। দীর্ঘ সাতাশ বছরের অপেক্ষার অবসান। ১৯৯৮ সালে ঢাকায় ব্রায়ান লারার ওয়েস্ট ইন্ডিজ়কে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি উইলস ইন্টারন্যাশনাল কাপ জিতেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। সেটাই ছিল প্রোটিয়াদের জেতা প্রথম আইসিসি ট্রফি। লর্ডসে প্রবল পরাক্রমী অস্ট্রেলিয়াকে ৫ উইকেটে হারিয়ে টেস্টে বিশ্বসেরা হল দক্ষিণ আফ্রিকা। ২৭ বছর পর দ্বিতীয় আইসিসি ট্রফি জিতল। ভারতীয় দলের প্রাক্তন কিংবদন্তি অধিনায়ক শনি বিকেলে ইডেনে বেঙ্গল প্রো টি-২০র ম্যাচ দেখতে এসে বলেন, ‘ দারুণ খবর। ‌দক্ষিণ আফ্রিকা একটা বিশ্ব ট্রফি জিতেছে। টেস্টে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছে। দারুণ খবর। মারক্রামের ইনিংসটা টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে অন্যতম সেরা ইনিংস। ফাইনালের চাপ সামলে অসাধারণ ব্যাটিং করেছে। চতুর্থ ইনিংসে এই ব্যাটিং করা সহজ নয়। মারাত্মক ইনিংস। বাভুমাকে নিয়ে কে ট্রোল করল তাতে কিছু যায় আসে না। ওকে নিয়ে গর্বিত। দক্ষিণ আফ্রিকাকে নিয়ে গর্বিত। আমরা নতুন এক চ্যাম্পিয়ন পেলাম। বিশ্ব ক্রিকেটের দারুণ একটা বিজ্ঞাপন। বিশ্ব ক্রিকেটে আরও শক্তিশালী দল থাকা ভাল। ক্রিকেটের জন্য ভাল দিন। ইতিবাচক ছবি। অস্ট্রেলিয়া কোথায় পিছিয়ে পড়ল বলে মনে হয় না। ব্যাটিং করতে পারেনি ভাল। বিশেষ করে দ্বিতীয় ইনিংসে রান করতে পারেনি। তবে এতগুলো ফাইনালে উঠলে এক আধটায় তো হারবেই।’‌

ইডেনে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিরুদ্ধে ভারত খেলবে নভেম্বরে। ১৪ তারিখ থেকে প্রথম টেস্ট। জানেন কি এটা সম্ভব হলো কীভাবে? জানুন ভিতরের তথ্য। ইডেন প্রথমে পেয়েছিল ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্ট। যেটি হওয়ার কথা ছিল অক্টোবরে। এর মধ্যেই জানা যায় পরিবেশগত কারণে দিল্লি থেকে ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা টেস্ট সরতে পারে। এরপরেই তৎপরতা দেখান সিএবি সভাপতি স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায়। ঘুরতে থাকে খেলা। ভারতের প্রতিপক্ষ হিসেবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের চেয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা যে অনেক বেশি শক্তিশালী, অনেক বেশি উপভোগ্য ম্যাচ হবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ, বিসিসিআই সচিব দেবজিৎ সাইকিয়াদের সঙ্গে ক্রমাগত কথা চালিয়ে যেতে থাকেন স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায়। অবশেষে সূচির অদলবদল। ইডেন পেল ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা টেস্ট। তেম্বা বাভুমার নেতৃত্বে আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ জেতা প্রোটিয়ারা চলতি মাসেই টেস্ট সিরিজ খেলতে যাবে জিম্বাবোয়েতে। এরপর টানা সাদা বলের সিরিজ খেলে লাল বলের ম্যাচে নামবে ইডেনে। দক্ষিণ আফ্রিকার নির্বাসন কাটিয়ে ফেরার সঙ্গে যেমন জড়িয়ে ইডেন, তেমনভাবেই বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়ে প্রথম ভারত সফরে এসে প্রথম ম্যাচটাই খেলবে ক্রিকেটের নন্দনকাননে। যা নিশ্চিত হলো সিএবি সভাপতির দূরদর্শিতায়। উৎসবের আবহে ইডেনে হবে ক্রিকেটের মহোৎসব।

আসন্ন ঘরোয়া ক্রিকেটের মরসুমে রঞ্জি ট্রফি হবে দুই ভাগে। তবে ফরম্যাটে সামান্য বদল আনা হচ্ছে। একই ভাবে বদলে যাচ্ছে সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফির ফরম্যাটও। বোর্ডের অ্যাপেক্স কাউন্সিলের বৈঠকের পর তেমনটাই জানা গিয়েছে। প্রথম পর্বে ১৫ অক্টোবর থেকে রঞ্জি শুরু হয়ে চলবে ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত। দ্বিতীয় পর্বের খেলা হবে ২২ জানুয়ারি থেকে ১ ফেব্রুয়ারি। নকআউট চলবে ৬-২৮ ফেব্রুয়ারি। বোর্ডের কর্তাদের মতে, দুই বিভাগে রঞ্জি আয়োজন করলে খেলোয়াড়দের উপর চাপ অনেকটাই কমানো যাবে। রঞ্জির দুই পর্বের মাঝে আয়োজন করা হবে সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফি এবং বিজয় হজারে ট্রফি। সৈয়দ মুস্তাক এবং মহিলাদের টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হবে সুপার লিগ ফরম্যাটে। অর্থাৎ প্রতিটি দল লিগ পর্যায়ে তিনটি করে ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে। গ্রুপ এ এবং গ্রুপ বি-র শীর্ষে থাকা দুই দল ফাইনালে মুখোমুখি হবে। প্রতিযোগিতা আরও উত্তেজক করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সৈয়দ মুস্তাক ও বিজয় হজারেতে আসছে প্লেট বিভাগ। নীচে থাকা ছ’টি দল প্লেট বিভাগে নেমে যাবে। মহিলা, পুরুষ সব বিভাগেই এই নিয়ম চালু হচ্ছে। রঞ্জি ট্রফিতে এ বার থেকে দু’টির জায়গায় একটি করে দলের উত্তরণ-অবনমন হবে। আগের কয়েক মরসুমে দু’টি করে দল প্লেট থেকে এলিটে উঠত। দু’টি করে দল এলিট থেকে প্লেটে নামত। বোর্ডের যুক্তি, প্লেট থেকে এলিটে ওঠা দলগুলি বাকি দলের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নিতে পারে না। তাই এই বদল। আগের বার মেঘালয় প্লেট থেকে এলিটে উঠে সাতটি ম্যাচই হেরেছিল। দলীপ এবং মহিলাদের চ্যালেঞ্জার্স ট্রফির খেলা হবে আঞ্চলিক ফরম্যাটে। ছ’টি আঞ্চলিক দল তৈরি হবে, যা বেছে নেবেন আঞ্চলিক নির্বাচক কমিটির সদস্যরা। অগস্টের শেষের দিকে দলীপ ট্রফি দিয়ে ঘরোয়া মরসুম শুরু হবে। ইরানি কাপ চলবে অক্টোবরে ১-৫ তারিখ পর্যন্ত। নিউজিল্যান্ড সিরিজ়‌ের সূচিও এ দিন ঘোষণা করা হয়েছে। এক দিনের ম্যাচগুলি হবে যথাক্রমে হায়দরাবাদ (১১ জানুয়ারি), রাজকোট (১৪ জানুয়ারি) এবং ইনদওরে (১৮ জানুয়ারি)। টি-টোয়েন্টিগুলি হবে নাগপুর (২১ জানুয়ারি), রাঁচী (২৩ জানুয়ারি), গুয়াহাটি (২৫ জানুয়ারি), বিশাখাপত্তনম (২৮ জানুয়ারি) এবং তিরুঅনন্তপুরমে (৩১ জানুয়ারি)।

বেঙ্গল প্রো টোয়েন্টি ক্রিকেটে রাজু কথা। ভোর পাঁচটার বনগাঁ লোকাল ধরে শিয়ালদা। তারপর ময়দান। ম্যাচ খেলে সন্ধ্যার ট্রেন ধরে বাড়ি। দিনের পর দিন একই রুটিন। রাজু স্বপ্ন দেখেন, একদিন বাংলা দলে সুযোগ পাবেনই। বাবার শ্রাদ্ধের আগেই দলের স্বার্থে মাঠে নেমে পড়লেন, ইডেনে রূপকথা বনগাঁর ক্রিকেটারের। বল হাতে নজর কাড়ছেন রাজু হালদার। বাবাকে হারানোর যন্ত্রণা সহ্য করেও বাংলার বাঁহাতি স্পিনার রাজু নেমে পড়েছিলেন মাঠে। শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের আগেই। বেঙ্গল প্রো টি-২০ লিগে সার্ভোটেক শিলিগুড়ি স্ট্রাইকার্সের জার্সিতে ইডেনে প্রথম ম্যাচে তিন উইকেট নেন। অ্যাডামাস হাওড়া ওয়ারিয়র্সের বিরুদ্ধে সেই ম্যাচে হেরে যায় শিলিগুড়ি। প্রশংসিত রাজুর বোলিং। নজর কাড়া মুণ্ডিতমস্তক চেহারায় বাবার ঘাটকাজ সেরে মাঠে নেমে ম্যাচ খেলে বাড়ি ফেরার পরের দিন শ্রাদ্ধানুষ্ঠান সারেন বনগাঁর বাড়িতে। ফের যোগ দেন দলের সঙ্গে। শনি সন্ধ্যায় ইডেনে রশ্মি মেদিনীপুর উইজার্ডসের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলতে নামেন। বাবা বিশ্বনাথ হালদার রিকশা চালাতেন। রাজু রেলে চাকরি পাওয়ার পর বাবাকে রিকশা চালাতে দেন না। একটা ছোট ব্যবসা করতেন। আচমকা মৃত্যু? বনগাঁ হাটে পড়ে গিয়ে তলপেটে চোটে পাকস্থলির পাশে ছিদ্র হয়ে পিত্তরস বেরতে শুরু করে। তার থেকেই সমস্ত অঙ্গ বিকল। বনগাঁয় চিকিৎসা হয় প্রথমে। অবস্থার অবনতি হওয়ায় কলকাতায় বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই ২৮ মে মৃত্যু হয় রাজুর বাবার। কলকাতা ময়দানে রাজু তিন বছর দ্বিতীয় ডিভিশন খেলার পর প্রথম ডিভিশনে সুযোগ। প্রথমে শ্যামবাজার, তারপর ওয়াইএমসিএ, বড়িশা স্পোর্টিং, ইস্টার্ন রেল হয়ে এই মরশুমে খেলেছেন নেতাজি সুভাষ ইনস্টিটিউটে। বাংলার অনূর্ধ্ব ২৩ দলে খেললেও সিনিয়র দলে খেলার সুযোগ পাননি। সৈয়দ মুস্তাক আলি টি-২০-র দলে ছিলেন। একাদশে সুযোগ মেলেনি। ইস্টার্ন রেলের হয়ে ৬৫ উইকেট নিয়ে গত মরশুমে স্থানীয় ক্রিকেটের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হয়েছিলেন। এই মরশুমে ৫৮ উইকেট নিয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংখ্যক উইকেটের মালিক। বাংলা দলে কোনও এক অজানা কারণে ব্রাত্য।

মেয়েদের ম্যাচে হারবার ডায়মন্ডস জিতল। লাক্স শ্যাম কলকাতাকে আট উইকেটে হারায় তারা। যাদবপুর ক্যাম্পাস মাঠে ১২.‌২ ওভারে ৩৭ রানে গুটিয়ে যায় লাক্স শ্যাম কলকাতার ইনিংস। অরিত্রিকা মান্না ৯ রানে ৩ উইকেট। রুপাল তিওয়ারী ৪ রানে ২ উইকেট ও প্রিয়াঙ্কা সরকার ৫রান খরচ করে দুটি পুকেট তুলে নেন। সৌমাশ্রী ভৌমিক একটি উইকেট নেন। মাত্র ৮.‌২ ওভারে দুটি উইকেট খুইয়ে জয়ের প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয় হারবার।

বেঙ্গল প্রো টি-২০ লিগে ইডেনে দুটি রুদ্ধশ্বাস ম্যাচ। জয়ী মালদা। প্রথম জয় পেল মনোজের হারবার ডায়মন্ডস। কাজি ও চন্দ্রহাসের দুরন্ত ইনিংস। প্রথম ম্যাচে শ্রাচী রাঢ় টাইগার্সকে ডাকওয়ার্থ লুইস নিয়মে মাত্র ১ রানে হারাল সোবিস্কো স্ম্যাশার্স মালদা। মুর্শিদাবাদ কিংসকে ৫ উইকেটে হারাল হারবার ডায়মন্ডস। বেঙ্গল প্রো টি-২০ লিগে মনোজ তিওয়ারিদের হারবার ডায়মন্ডসের এটা প্রথম জয়। প্রথমে ব্যাট করে শ্রাচী রাঢ় টাইগার্স নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৭১/৭ তুলেছিল। ৩৬ বলে ৫১ রান কাজি জুনেইদ সইফির। সায়নশেখর মণ্ডল ৩৩ ও গৌরব চৌহান ২৮ রান করেন। বল হাতে ঈশান পোড়েল নজর কাড়লেন। ফিটনেস নিয়ে দীর্ঘ সমস্যায় ছিলেন। ঈশান বেঙ্গল প্রো টি-২০ লিগে প্রত্যাবর্তন ঘটাচ্ছেন। এদিন ২৩ রানে নিলেন ৩ উইকেট। অখিল ২৯ রানে নিলেন ৩ উইকেট। জবাবে সোবিস্কো স্ম্যাশার্স মালদা ১৫.৩ ওভারে ১২৬/৪ অবস্থায় তাকাকালীন বৃষ্টি নেমে খেলা বন্ধ হয়ে যায়। টানা বৃষ্টিতে ম্যাচ আর শুরু করা যায়নিয ডাকওয়ার্থ লুইস নিয়মে ১ রানে জয়ী হয় সোবিস্কো স্ম্যাশার্স মালদা। শুভম দে ৪৩ ও গীতিময় বসু ৪২ রান করেন। দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল হারবার ডায়মন্ডস ও মুর্শিদাবাদ কিংস। সেই ম্যাচে হারবার ডায়মন্ডস ৫ উইকেটে হারায় মুর্শিদাবাদ কিংসকে। টুর্নামেন্টে এটা হারবার ডায়মন্ডসের প্রথম জয়। কারণ, গত মরশুমে সব ম্যাচেই হেরেছিল হারবার ডায়মন্ডস। ১৪৮ তাড়া করতে নেমে চন্দ্রহাস দাশ ৫১ বলে ৬১ রানের ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলেন। মনোজ এদিন নেমেছিলেন পিঠে ছেলের নাম লেখা জার্সি পরে। ফের বল হাতে নজর কাড়লেন মুর্শিদাবাদ কিংসের সৈয়দ ইরফান আফতাব। ম্যাচ হারলেও ৩টি উইকেট নেন তিনি। ১৯তম ওভারে দুই উইকেট নিয়ে ম্যাচ জমিয়ে দিময়েছিলেন। শেষ ওভারে দীপাঞ্জন মুখোপাধ্যায় ম্যাচ জেতান বাউন্ডারি মেরে। মহিলাদের বিভাগে প্রথম ম্যাচে শ্রাচী রাঢ় টাইগার্স ৩১ রানে হারায় সোবিস্কো স্ম্যাশার্স মালদাকে। প্রথমে ব্যাট করে রাঢ় টাইগার্স তুলেছিল ১০৮/৯। জবাবে স্ম্যাশার্স মালদা ১৫.৩ ওভারে মাত্র ৭৭ রানে গুটিয়ে যায়। দ্বিতীয় ম্যাচে রশ্মি মেদিনীপুর উইজার্ডস ৬ উইকেটে হারায় অ্যাডামাস হাওড়া ওয়ারিয়র্সকে। প্রথমে ব্যাট করে হাওড়া তোলে ১৩৩/৯। ১০ বল বাকি থাকতে মাত্র ৪ উইকেট হারিয়ে সেই রান তুলে নেয় মেদিনীপুর।

ধোনি পরবর্তী সময়ে ভারতীয় টেস্ট দলের অটোমেটিক চয়েস ছিলেন। দেশের সেরা উইকেট কিপার হিসেবেও তাঁর নাম সবার ওপরে। বেঙ্গল প্রো টি-টোয়েন্টি লিগে শিলিগুড়িকে চ্যাম্পিয়ন করার বিষয়ে আশাবাদী মেন্টর ঋদ্ধি। বেঙ্গল প্রো টি-টোয়েন্টি লিগে নিজেদের প্রথম ম্য়াচে হারতে হয়েছে শিলিগুড়ি স্ট্রাইকার্সকে। টুর্নামেন্টে ভাল খেলে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার বিষয়ে আশাবাদী শিলিগুড়ির মেন্টর ঋদ্ধিমান সাহা। নিজের জন্মভূমি। এই শহর থেকেই উঠে এসেছেন বাংলার পাপালি। দেশের জার্সিতে খেলেছেন দীর্ঘ সময়ে। আইপিএলে চুটিয়ে খেলেছেন। ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেও ২২ গজ থেকে সরে আসেননি। বেঙ্গল প্রো টি-টোয়েন্টি লিগে শিলিগুড়ি স্ট্রাইকার্সের মেন্টর হিসেবে দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। শিলিগুড়ি স্ট্রাইকার্সের মহিলা দল ৮ উইকেটে হেরে গিয়েছিল একদিকে, অন্যদিকে পুরুষ দলও অ্যাডামস হাওড়া ওয়ারিয়র্সের বিরুদ্ধে ৪ উইকেটে হেরে গিয়েছিল। ঋদ্ধি বলছেন, ”এটা সত্যি যে প্রথম ম্য়াচে ফল আমাদের পক্ষে একেবারেই যায়নি। কিন্তু যে লড়াইয়ের মানসিকতা দেখিয়েছে দলের প্রত্যেক প্লেয়ার, তা প্রশংসনীয়। আমরা একটা গোটা ইউনিট হিসেবে পরিশ্রম করছি। ছেলেরা অনুশীলন করছে প্রতিদিন। প্রত্যেকের মধ্য়ে পারফর্ম করার বাড়তি খিদে রয়েছে। আমি আশাবাদী টুর্নামেন্ট যত এগােবে, ততই আরও ভাল পারফর্ম করতে পারবে শিলিগুড়ি স্ট্রাইকার্স।” ঋদ্ধির নিজের দেশেক জার্সিতে অনেক ম্য়াচ খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। ধোনি পরবর্তী সময়ে ভারতীয় টেস্ট দলের অটোমেটিক চয়েস ছিলেন। এমনকী দেশের সেরা উইকেট কিপার হিসেবেও তাঁর নাম সবার ওপরে থাকে। ভারতের হয়ে ৪০ টেস্ট, ৯ ওয়ান ডে ও আইপিএলে ১৭০ ম্যাচ খেলেছেন। চলতি মাসের শুরুতে শিলিগুড়ি স্ট্রাইকার্স কলকাতায় ট্রায়ালে অংশ নিয়েছিল। এই টুর্নামেন্ট থেকেই বাংলার প্রচুর তরুণ প্রতিভা উঠে আসবে। তরুণ প্লেয়ারদের নিজেদের প্রমাণের মঞ্চ বেঙ্গল প্রো টি-টোয়েন্টি। শিলিগুড়ির বিরুদ্ধে যে ম্যাচে হাওড়ার দলটি জিতেছে, সেই হাওড়া দলের হয়ে বেঙ্গল প্রো টি-টোয়েন্টি লিগে অভিষেক হল অগস্ত্য শুক্লর। তাঁর আরও একটা পরিচয় তিনি প্রাক্তন ক্রিকেটার লক্ষ্মীরতন শুক্লর ছেলে। অ্যাডামাস হাওড়া ওয়ারিয়র্সের জার্সিতে বেঙ্গল প্রো টি-২০ লিগে অভিষেক হল। এক ওভারই বল করলেন। পঞ্চম বলে উইকেটও পেলেন। সার্ভোটেক শিলিগুড়ি স্টাইকার্সের সর্বোচ্চ স্কোরার অঙ্কুর পালের উইকেট। ৪৪ বলে ৫০ রান করেন অঙ্কুর। অগস্ত্যর বলেই উইকেটের পিছনে ধরা পড়লেন অঙ্কুর। বাবা বাংলা ক্রিকেটের কিংবদন্তি। বাংলার সর্বকালের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার। লক্ষ্মীরতন শুক্লা ভারতীয় দলে জায়গা করে নিয়েছিলেন। আইপিএলেও খেলেছেন। বাইশ গজে অনেক স্বপ্ন নিয়ে দৌড় শুরু করেছেন তাঁর পুত্র অগস্ত্য। মৌরি স্পোর্টিং ক্লাবের হয়ে সিএবি-র অনূর্ধ্ব ১৮ আমন্ত্রণমূলক টুর্নামেন্টে ময়দানে অভিষেক

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles