Friday, July 10, 2026

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

ভারতে দরিদ্রের সংখ্যা কমেছে নরেন্দ্র মোদির রাজত্বে!‌ মোদি সরকারকে প্রসংশায় ভরিয়ে দিল বিশ্বব্যাঙ্ক!‌ ২০৪৭ সালের আগে বিশ্ববিকাশ?‌

ভারতে দরিদ্রের সংখ্যা কমেছে ২৭ কোটি! বিশ্বব্যাঙ্কের রিপোর্টে মোদী সরকারের প্রশংসা। ২০১১-১২ সালে যেখানে চরম দারিদ্রের হার ছিল ২৭.১ শতাংশ, তা ২০২২-২৩ সালে কমে ৫.৩ শতাংশ হয়েছে। করোনা পর্বে ভারতে দারিদ্রসীমার নীচে অন্তত ৫.৬ কোটি মানুষ নতুন করে চলে গিয়েছিলেন। করোনা অতিমারির অভিঘাত কাটিয়ে দারিদ্র দূরীকরণে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছে ভারত। বিশ্বব্যাঙ্কের সাম্প্রতিক রিপোর্ট জানাচ্ছে, সামগ্রিক ভাবেও গত এক দশকে ভারতে ‘চরম দারিদ্র’ উল্লেখযোগ্য ভাবে কমেছে। ২০১১-১২ সালে যেখানে চরম দারিদ্রের হার ছিল ২৭.১ শতাংশ, ২০২২-২৩ সালে তা কমে ৫.৩ শতাংশ হয়েছে। বিশ্বব্যাঙ্কের তথ্য বলছে, ওই এক দশকে প্রায় ২৭ কোটি আদতে ২৬ কোটি ৯০ লক্ষের কিছু বেশি মানুষকে চরম দারিদ্র থেকে মুক্ত করেছে ভারত। আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের নিরিখে এটি ‘উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ বলে রিপোর্টে বলা হয়েছে। ঘটনাচক্রে, ২০২০ সালের করোনা পর্বে ভারতে অন্তত ৫.৬ কোটি মানুষ নতুন করে দারিদ্রসীমার নীচে চলে গিয়েছিলেন বলে ২০২২ সালে বিশ্বব্যাঙ্কের ‘পভার্টি অ্যান্ড শেয়ার্ড প্রসপারিটি’ শীর্ষক রিপোর্টে প্রকাশ। ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’-র লক্ষ্যে এগোচ্ছে কেন্দ্র। মোদী সরকারের ১১ বছর পূর্তি উপলক্ষে ১০ ও ১১ জুন দেশজুড়ে নানা কর্মসূচি নিয়েছে বিজেপি। এরই মধ্যে মোদী সরকারের মুকুটে সাফল্যের নয়া পালক যোগ হল। বিশ্বব্যাঙ্ক জানাল, ভারতে চরম দারিদ্রের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। দারিদ্র দূরীকরণে মোদী সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচির জেরেই তা সম্ভব হয়েছে বলে দাবি বিজেপির। বিশ্বব্যাঙ্কের তথ্য অনুযায়ী, ২০১১-১২ সালে ভারতে চরম দারিদ্রের হার ছিল ২৭.১ শতাংশ। ৩৪ কোটি ৪৪ লক্ষের বেশি মানুষ চরম দারিদ্রসীমীর নিচে বসবাস করতেন। ২০২২-২৩ সালে সেটাই কমে হয় সাড়ে ৭ কোটির সামান্য বেশি। ২০২২-২৩ সালে দেশে চরম দারিদ্রের হার ছিল ৫.৩ শতাংশ। ফলে বিশ্বব্যাঙ্কের তথ্য অনুযায়ী, ১১ বছরে ২৬ কোটি ৯০ লক্ষ মানুষ চরম দারিদ্রসীমার বাইরে এসেছেন। ২০১১-১২ সালে যে রাজ্যগুলিতে সবচেয়ে বেশি চরম দারিদ্রসীমার নিচে থাকা মানুষ বসবাস করতেন, সেই রাজ্যগুলি হল উত্তর প্রদেশ, মহারাষ্ট্র, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ এবং মধ্যপ্রদেশ। দেশের চরম দারিদ্রসীমার নিচে বসবাসকারী মানুষের মোট সংখ্যার ৬৫ শতাংশ এই রাজ্যগুলিতে বাস করতেন। ২০২২-২৩ সালে চরম দারিদ্রসীমার নিচে থাকা মানুষের সংখ্যা কমার পিছনে আবার এই রাজ্যগুলির হাত রয়েছে। যে ২৬ কোটি ৯০ লক্ষ মানুষ চরম দারিদ্রসীমার বাইরে এসেছেন, তার দুই-তৃতীয়াংশ এই রাজ্যগুলি।

নরেন্দ্র মোদির প্রধানমন্ত্রীত্বে এক বড় অর্জন দেশের। দূরদর্শী সরকার পরিচালনার নীতিতে গত এক দশকে ভারত তার চরম দারিদ্র্যের হার গুরুত্বপূর্ণভাবে কমিয়ে ফেলেছে। ২০১১-১২ সালে ভারতে যেখানে দারিদ্র্যের হার ছিল ২৭.১ শতাংশ, সেখানে ২০২২-২৩ সালে সেই দারিদ্র্যের হার নেমে এসেছে ৫.৩ শতাংশে। ২০২২-২৩ সালে ভারতে প্রায় ৭৫.২৪ মিলিয়ন মানুষ চরম দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করতেন। ২০১১-১২ সালে একইভাবে এই চরম দারিদ্র্যসীমার নীচে বাস করা মানুষের সংখ্যা ছিল ৩৪৪.৪৭ মিলিয়ন। বিশ্বব্যাঙ্কের সমীক্ষা থেকে জানা যাচ্ছে প্রায় ১১ বছরে ২৬ কোটি ৯০ লক্ষ ব্যক্তি চরম দারিদ্র্যসীমা থেকে মুক্তি পেয়েছেন। ২০১১-১২ সালে ভারতের চরম দারিদ্র্যসীমার নিচে থাকা মানুষের ৬৫ শতাংশ ছিল উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ, মধ্যপ্রদেশে। ২০২২-২৩ সালের মধ্যে এই সমস্ত এলাকায় দারিদ্র্যের হার বিগত ১১ বছরে দুই-তৃতীয়াংশ কমে গিয়েছে। বিশ্বব্যাঙ্কের সাম্প্রতিকতম রিপোর্টে জানা যাচ্ছে যে চরম দারিদ্র্যের মধ্যে বসবাসকারী মানুষের সংখ্যা ৩৪৪.৪৭ মিলিয়ন থেকে কমে মাত্র ৭৫.২৪ মিলিয়নে এসে ঠেকেছে। বিশ্বব্যাঙ্কের মূল্যায়ন প্রতিদিন ৩.০০ ডলার হিসেবে আয়ের নিরিখে যে আন্তর্জাতিক দারিদ্র্য সীমা স্থির করা হয়েছে ২০২১ সালের পণ্যমূল্যের নিরিখে তাতে দেখা যাচ্ছে গ্রামীণ ও নগরাঞ্চলে দুই ক্ষেত্রেই দারিদ্র্যের হার অনেকাংশে কমেছে। বিশ্বব্যাঙ্কের অনুমান অনুসারে, এর আগের দারিদ্র্যসীমা স্থির করা হয়েছিল ২০১৭ সালের মূল্যের হিসেবে, আর তখন ভারতীয়দের মধ্যে চরম দারিদ্র্যসীমার নিচে ছিলেন ২.৩ শতাংশ মানুষ। ২০১১-১২ সালে যেখানে এই চরম দারিদ্র্যসীমার নিচে থাকা মানুষ ছিলেন দেশের ১৬.২ শতাংশ।

রিপোর্ট অনুসারে ভারত বহুমাত্রিক দারিদ্র্য হ্রাসে সক্ষম হয়েছে এই কয়েক বছরে। মাল্টিডাইমেনশনাল পভার্টি ইনডেক্স ২০০৫-০৬ সালে ছিল ৫৩.৮ শতাংশ আর তা ২০১৯-২১ সালে নেমে এসেছে ১৬.২ শতাংশে, ২০২২-২৩ সালে তা আরও কমে আসে ১৫.৫ শতাংশে। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা, প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনা, জনধন যোজনা, আয়ুষ্মান ভারত ইত্যাদি নানাবিধ কল্যাণকর প্রকল্পের মাধ্যমে ব্যাঙ্কিং, স্বাস্থ্য পরিষেবা, রান্নার গ্যাস সহ আরও অনেক বহুমূল্য জিনিস সহজলভ্য করে দেওয়া হয়েছে ভারতীয় নাগরিকদের জন্য। এই সমীক্ষা বলছে যে ভারতে ডিরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার, ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি এবং ব্যাপক গ্রামীণ উন্নয়নের ফলে ২৫ কোটিরও বেশি মানুষ দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে আসতে পেরেছেন। বিশ্বব্যাংকের মুখে মোদি-স্তুতি। ২০১১-১২ সাল থেকে ২০২২-২৩ অর্থবর্ষ, এই পুরো সময়টাই দেশ চালাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

এক দশকে ২৬ কোটি ৯০ লাখের বেশি মানুষকে চরম দারিদ্র্য থেকে মুক্ত করেছে ভারত। আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের নিরিখে একে উল্লেখযোগ্য সাফল্য বলে উল্লেখ করা হয়েছে রিপোর্টে। প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের করোনা অতিমারি পর্বে ভারতে অন্তত ৫.৬ কোটি মানুষ নতুন করে দারিদ্র্যসীমার নীচে চলে গিয়েছিলেন বলে ২০২২ সালে বিশ্বব্যাংকের পভার্টি অ্যান্ড শেয়ার্ড প্রসপারিটি শীর্ষক রিপোর্টে বলা হয়েছিল। গ্রামীণ ও শহুরে উভয় ক্ষেত্রেই দারিদ্র্য হ্রাসে ভারত অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছে। গ্রামীণ এলাকায় চরম দারিদ্র্য ২০১১-১২ সালে ১৮.৪ শতাংশ থেকে ২০২২-২৩ সালে ২.৮ শতাংশে নেমেছে। শহুরে এলাকায় এই হার ১০.৭ শতাংশ থেকে ১.১ শতাংশে কমেছে। গ্রামীণ ও শহুরে দারিদ্র্যের ব্যবধানও ৭.৭ শতাংশ পয়েন্ট থেকে মাত্র ১.৭ শতাংশ পয়েন্টে নেমে এসেছে, যা বার্ষিক ১৬ হ্রাসের ইঙ্গিত দেয়। আয়ের পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, স্যানিটেশন, পানীয় জল এবং বিদ্যুৎ অ্যাক্সেসের মতো ক্ষেত্রগুলি বিবেচনা করে বিশ্বব্যাঙ্কের বহুমাত্রিক দারিদ্র্য সূচক অনুসারে, ভারতের অ-আর্থিক দারিদ্র্যও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। ২০০৫-’০৬ সালে এই সূচক ছিল ৫৩.৮ শতাংশ, যা ২০১৯-২১ সালে ১৬.৪ শতাংশ এবং ২০২২-২৩ সালে আরও কমে দাঁড়িয়েছে ১৫.৫ শতাংশে। এই অগ্রগতি শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং মৌলিক পরিষেবাগুলিতে অ্যাক্সেস বৃদ্ধির ফল। উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও মধ্যপ্রদেশের মতো পাঁচটি রাজ্য ২০১১-১২ সালে ভারতের চরম দরিদ্র্য জনসংখ্যার ৬৫ শতাংশ নিয়ে গঠিত ছিল। এই রাজ্যগুলি ২০২২-২৩ সালের মধ্যে দারিদ্র্য হ্রাসে দুই-তৃতীয়াংশ অবদান রেখেছে। রাজ্যগুলি এখনও ২০২২-’২৩ সালে দেশের চরম দরিদ্র্য জনসংখ্যার ৫৪ শতাংশ এবং ২০১৯-’২১ সালে বহুমাত্রিক দরিদ্র জনসংখ্যার ৫১ শতাংশ নিয়ে গঠিত। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকারের বিভিন্ন কল্যাণমূলক প্রকল্প এই সাফল্যের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। আয়ুষ্মান ভারত, জন ধন যোজনা, প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনা এবং পিএম সূর্য ঘর মুফত বিজলি যোজনার মতো প্রকল্পগুলি মৌলিক পরিষেবাগুলিতে অ্যাক্সেস বাড়িয়েছে এবং দারিদ্র্য কমাতে সাহায্য করেছে। সরকারি বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, এই প্রকল্পগুলির কার্যকর করায় প্রায় ২৫ কোটি মানুষ দারিদ্র্য থেকে মুক্তি পেয়েছেন। অগ্রগতি নিঃসন্দেহে উল্লেখযোগ্য। তবে বিশ্বব্যাংক এবং অর্থনীতিবিদদের একাংশের মতে, দারিদ্র্যের মানদণ্ড খুবই কম হতে পারে। ২.১৫ মার্কিন ডলার প্রতিদিনের সীমা মাসিক ৫ হাজার ২০০ টাকার কম খরচের সমতুল, যা বাস্তব জীবনে পর্যাপ্ত নাও হতে পারে। এছাড়া, আয়ের বৈষম্য এখনও একটি চ্যালেঞ্জ। বিশ্ব বৈষম্য ডেটাবেস অনুসারে, ২০২৩ সালে ভারতের আয়ের গিনি সূচক ৫২ থেকে ৬২-তে উন্নীত হয়েছে এবং শীর্ষ ১০ শতাংশ জনগোষ্ঠী নিম্ন ১০ শতাংশের তুলনায় ১৩ গুণ বেশি আয় করে। ওই রিপোর্টে দারিদ্র্য হ্রাসের ভিত পোক্ত করতে বিশ্বব্যাংক শিক্ষা, স্যানিটেশন এবং আনুষ্ঠানিক কর্মসংস্থানে আরও উন্নতির ওপর জোর দিয়েছে। ২০১১-১২ সালে এই সংখ্যা ছিল ৩৪.৪ কোটি। অর্থাৎ প্রায় ২৬.৯ কোটি মানুষ দারিদ্র্যের বাইরে এসেছে। উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ এবং মধ্যপ্রদেশ এই পাঁচটি রাজ্য এই পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ২০১১-১২ সালে এই রাজ্যগুলিতে দেশের মোট দরিদ্রের ৬৫% ছিল, যেখানে ২০২২-২৩ সালে এই হ্রাসে তাদের অবদান দুই-তৃতীয়াংশ। বিশ্বব্যাঙ্ক দারিদ্রের সংজ্ঞা নির্ধারণের ক্ষেত্রে আগে দৈনিক ২.১৫ ডলার প্রায় ১৮৪ টাকা খরচের ক্ষমতাসীমা মেনে চলত। ২০২১ সালে তা বাড়িয়ে ৩ ডলার প্রায় ২৫৭ টাকা করা হয়। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে তার পরেও ভারতে কমেছে দরিদ্রের সংখ্যা।

এদিকে, সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তি স্থগিত করার পর থেকে ভারত সরকারকে পর পর চার বার চিঠি দিল পাকিস্তান। প্রতি বারই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার আর্জি জানানো হয়েছে। সূত্রের খবর, চিঠিগুলি এসেছে পাকিস্তানের জলসম্পদ মন্ত্রকের সচিব সৈয়দ আলি মুর্তাজার কাছ থেকে। ভারতের জলশক্তি মন্ত্রক চারটি চিঠিই গ্রহণ করেছে, তার পর তা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বিদেশ মন্ত্রকে। ২২ এপ্রিল পহেলগাঁও হামলার পর পাকিস্তানকে দায়ী করে তাদের বিরুদ্ধে একাধিক পদক্ষেপ করেছিল ভারত। তখনই স্থগিত করে দেওয়া হয় সিন্ধু চুক্তি। সিন্ধু এবং তার উপনদীগুলির জল বণ্টনের জন্য বিশ্বব্যাঙ্কের মধ্যস্থতায় ১৯৬০ সালে ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। পহেলগাঁওয়ের ঘটনার পর ভারত জানিয়ে দেয়, যত দিন পর্যন্ত পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদকে মদত দেওয়া বন্ধ না করছে, তত দিন এই চুক্তি স্থগিত থাকবে। প্রথম থেকেই ভারতের সিন্ধু চুক্তি সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে আসছে পাকিস্তান। পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ় শরিফ জানান, এই চুক্তির উপরে ২৪ কোটি পাকিস্তানির জীবন নির্ভর করে আছে। তিনি দাবি করেন, ভারতের সিদ্ধান্ত বেআইনি। এ বিষয়ে রাষ্ট্রপুঞ্জ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টিও আকর্ষণ করেছেন তিনি। শরিফের দাবি, সিন্ধু চুক্তি স্থগিত করে ভারত জলকে অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করতে চাইছে। তবে ভারত অবস্থানে অনড়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানিয়ে দিয়েছেন, জল এবং রক্ত পাশাপাশি বইতে পারে না। সন্ত্রাসবাদীদের মদত দেওয়া বন্ধ হলেই সিন্ধু চুক্তি বিবেচনা করবে নয়াদিল্লি। পহেলগাঁওয়ের হামলার পর পাকিস্তানে সেনা অভিযান চালিয়ে একাধিক জঙ্গিঘাঁটি ধ্বংস করেছে ভারত। প্রত্যাঘাতের সেই অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছিল ‘অপারেশন সিঁদুর’। এর পর পাকিস্তানও পাল্টা হামলা চালায় এবং দুই দেশের মধ্যে টানা চার দিন সংঘাত চলে। গত ১০ মে ভারত এবং পাকিস্তান সংঘর্ষবিরতিতে সম্মত হয়েছে। তবে সংঘর্ষবিরতি হলেও সিন্ধু চুক্তি নিয়ে ভারতের অবস্থান বদলায়নি, তা স্পষ্ট করে দিয়েছে নয়াদিল্লি। সূত্রের খবর, ‘সিঁদুর’ অভিযানের পরেও সিন্ধু চুক্তি পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানিয়ে পাকিস্তান থেকে একটি চিঠি এসেছিল। সিন্ধু এবং তার দু’টি উপনদী বিতস্তা ও চন্দ্রভাগা পাকিস্তানমুখী। এই তিন নদীর জলের উপর পাকিস্তানের ৮০ শতাংশ কৃষিকাজ নির্ভর করে থাকে। সিন্ধুর বাকি তিন উপনদী বিপাশা, শতদ্রু এবং ইরাবতী ভারতের উপর দিয়েই বইছে। পাকিস্তানের আশঙ্কা, সিন্ধু চুক্তির শর্ত না মানলে পাকিস্তানমুখী নদীগুলির জলপ্রবাহ অনিয়মিত হয়ে পড়বে। ফলে জলসঙ্কট দেখা দিতে পারে পাকিস্তান জুড়ে। সেই পরিস্থিতি যাতে তৈরি না হয়, তার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ইসলামাবাদ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles