রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস দাবি করেছিলেন, রাজনৈতিক কারণেই ম্যাচ সরানো হয়েছে। সেই দাবির সঙ্গে একমত নন রাজীব শুক্লা। আইপিএলের চেয়ারম্যানের দাবি, আবহাওয়ার কথা মাথায় রেখেই ম্যাচ সরানো হয়েছে। রাজীব বলেন, “আইপিএলের মাঠ বদলানোর পিছনে কোনও রাজনীতি নেই। এর মধ্যে রাজনীতি খোঁজা উচিত নয়। ম্যাচ সরানোর পিছনে কোনও রাজনৈতিক কারণ নেই। সম্প্রচারকারীদের তরফ থেকে বলা হয়েছিল কলকাতায় ওই সময় বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেস্তে গেলে বিরাট ক্ষতি হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান কলকাতায় হয়েছে। আগেও তো ম্যাচের ভেন্যু বদলেছে। এটা নতুন কিছু নয়। তাই এমন জায়গায় সরানো হয়েছিল, যেখানে বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। আইপিএল এক সপ্তাহ বন্ধ না থাকলে প্রথম সূচি অনুযায়ীই ম্যাচ হত। তখন ফাইনাল কলকাতায় এবং বাকি দুটো প্লে-অফ হায়দরাবাদে হত। সূচি বদলে যাওয়ার পর আবহাওয়ার বিষয়টি মাথায় রাখা হয়েছে। সম্প্রচারকারী চ্যানেলও চাইছিল মাঠ বদলাতে। সব মাঠ নিয়েই ভাবা হয়েছে। দিল্লি, লখনউ, চেন্নাই, বেঙ্গালুরু, চণ্ডীগড়, কলকাতা এবং অহমদাবাদ নিয়েও ভাবা হয়েছে। আবহাওয়ার রিপোর্ট অনুযায়ী, নিউ চণ্ডীগড় এবং অহমদাবাদে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে কম ছিল। হায়দরাবাদ থেকেও ম্যাচ সরানো হয়েছে। ওরা কিছু বলেনি। এর মধ্যে কোনও রাজনীতি নেই। জল্পনায় কান দেবেন না।”
রাজীব এমন যুক্তি দিলেও রবিবার দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারের দিন অহমদাবাদে বৃষ্টি হওয়ার কারণে ১৩৫ মিনিট পর খেলা শুরু হয়। একই দিনে কলকাতায় এক ফোঁটাও বৃষ্টি হয়নি। সিএবি প্রথম ডিভিশন লিগের ম্যাচ হয়েছে ইডেনে। আইপিএল ফাইনাল ও একটি কোয়ালিফায়ার হওয়ার কথা ছিল ইডেন গার্ডেন্সে। পরে সেটি সরিয়ে দেওয়া হয় আহমেদাবাদে। বলা হয়েছিল, বৃষ্টির পূর্বাভাসের জন্য এই সিদ্ধান্ত। ইডেনকে ‘বঞ্চিত’ করে ফাইনাল ও একটি কোয়ালিফায়ার রাখা হয় আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে। জুনের প্রথমে কলকাতায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। ঝুঁকি নিতে চায়নি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। ফাইনাল সরছে কলকাতা থেকে? পূর্ব সূচি অনুযায়ী ইডেনে একটি কোয়ালিফায়ার ম্যাচ ও ফাইনাল ম্যাচ হওয়ার কথা ছিল। ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গল হয়তো চেষ্টা করার পরও আইপিএল ফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ন ম্যাচ ইডেন থেকে হাতছাড়া না করার। এই বিষয়ে সিএবি প্রেসিডেন্ট স্নেহাশিষ গঙ্গোপাধ্যায় চেষ্টাও করেন ফাইনাল ম্যাচ কলকাতায় ফিরিয়ে নিয়ে আসার?। ভারত-পাকিস্তান সংঘর্ষবিরতির পর আবার শুরু আইপিএল। ১৭ মে থেকে ফের শুরু হয় আইপিএল। ভারতীয় বোর্ডের তরফ থেকে টুর্নামেন্টের বাকি ক্রীড়াসূচিতে ফাইনাল-সহ টুর্নামেন্টের বাকি সতেরো ম্যাচ ছ’টা শহরে। তালিকায় বাদ পড়ে ইডেনের নাম। ছ’টা শহর যথাক্রমে বেঙ্গালুরু, জয়পুর, দিল্লি, লখনউ, মুম্বই আর আমেদাবাদ। আইপিএলের কোয়ালিফায়ার আর ফাইনাল থাকে বাদ ইডেন। পূর্ব নির্ধারিত সুচি অনুযায়ী অবশ্য ইডেনেই ওই দুটো ম্যাচ হওয়ার কথা ছিল। পরিবর্তিত নতুন সূচিতে ইডেনে কোনও ম্যাচ দেওয়া হয়নি। মে মাসের শেষে ও জুনের প্পথম দিকে কলকাতায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, সেই কারণে বোর্ড কোনওরকম ঝুঁকি নিতে চায়নি। নতুন সূচি অনুযায়ী, কেকেআর ১৭ মে খেলে আরসিবির বিরুদ্ধে বেঙ্গালুরুতে। অজিঙ্ক রাহানের টিমের গ্রুপের শেষ ম্যাচ ছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে। হায়দরাবাদের ঘরের মাঠে না দেওয়ায় হবে দিল্লিতে। হায়দরাবাদেও প্লে অফের কোনও ম্যাচ নেই।
চেন্নাই এবং হায়দরাবাদে একটিও ম্যাচ রাখা হয়নি। বেঙ্গালুরুতে দু’টি ম্যাচ। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের বাকি ১৭ ম্যাচের ভেনু নির্বাচনের ক্ষেত্রে বোর্ড যে কথাটি মাথায় রেখেছে, তা হল আবহাওয়া। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি ম্যাচে বৃষ্টি হয়েছে। ধর্মশালায় পরিত্যক্ত হওয়া ম্যাচও বৃষ্টির জন্য বিলম্বিত হয়েছিল। আইপিএল শেষ করার জন্য হাতে সময় কম। বৃষ্টির জন্য কোনও ম্যাচ না ভেস্তে যায়, এমন কি ফাইনাল বা প্লে অফেও যাতে বৃষ্টির ভ্রুকুটি না থাকে, ইত্যাদি বিষয় মাথায় রেখেই এই ভেনু নির্ধারণ করা হয়েছে বলে মনে করছে ক্রিকেটমহল। ভারত-পাকিস্তান অশান্তির আবহে হয়ত ম্যাচ সীমান্তবর্তি এলাকার স্টেডিয়ামে না দিয়ে দক্ষিন ভারত এবং পূর্ব ভারতে দেওয়া হতে পারে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড নিজেদের পছন্দ মতো স্টেডিয়ামই বেছে নিলেন আইপিএলের বাকি ম্যাচগুলো আয়োজনের জন্য। গতবার কেকেআর আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর এবারের আইপিএল ফাইনাল হওয়ার কথা ছিল কলকাতা নাইট রাইডার্সের ডেরায়। সেই ভেন্যু বদল। আইপিএলের প্লে অফের ভেনু হতে চলেছে মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম। ফাইনালের সম্ভাব্য ভেন্যু হিসেবে উঠে আসছে আহমদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামের নাম, জানা যাচ্ছে ৩রা জুন এখানেই হবে ২০২৫ আইপিএল ফাইনাল।
আহমদাবাদে বৃষ্টির কারণেই পাঞ্জাব কিংস বনাম মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ম্যাচ নির্ধারিত সময়ে শুরু করা গেল না। ইডেন থেকে আইপিএলের প্লে-অফ সরানো হয়েছিল বৃষ্টির কারণ দেখিয়ে। রবিবার কলকাতায় সকাল থেকে বৃষ্টি হয়নি এবং রাতেও না। অথচ রবিবার আহমদাবাদে খেলা শুরু হল রাত ৯.৪৫ মিনিটে। এ বারের আইপিএলের কোয়ালিফায়ার ২ এবং ফাইনাল হওয়ার কথা ছিল ইডেনে। গত বার কলকাতা নাইট রাইডার্স ট্রফি জেতায় ফাইনাল হওয়ার কথা ছিল কলকাতায়। ভারত-পাকিস্তান সংঘাতের কারণে আইপিএল এক সপ্তাহের জন্য বন্ধ ছিল। প্রতিযোগিতা এক সপ্তাহের জন্য পিছিয়ে যেতেই বদলে যায় সূচি। নতুন সূচি প্রকাশ হতেই দেখা যায় কোয়ালিফায়ার ২ এবং ফাইনাল ইডেন থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে আহমদাবাদে।
বোর্ডের তরফে বলা হয়েছিল কলকাতায় জুনের প্রথম সপ্তাহে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই কারণেই ইডেন থেকে কোয়ালিফায়ার ২ এবং ফাইনাল সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় অহমদাবাদে। কিন্তু তাতেও বৃষ্টি এড়ানো গেল না। এড়ানো গেল না রাজনীতির প্রশ্নও। ইডেন থেকে আইপিএল ফাইনাল আহমদাবাদে সরানোর কারণ নিয়ে যদিও অন্য মতও ছিল। অনেকের মতে বৃষ্টি নয়, আসল কারণ রাজনীতি। আইপিএল ফাইনাল স্থানান্তরণের নেপথ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বনাম নরেন্দ্র মোদী-অমিত শাহ রাজনীতির লড়াইও বড় ভূমিকা নিয়েছে। ভারত-পাক সংঘাতে কেন্দ্রীয় সরকারের পাশে দাঁড়ালেও মোদী-দিদির রাজনৈতিক সম্পর্ক সুবিদিত। সেই কারণেই সুযোগ পাওয়া মাত্রই আইপিএল ফাইনালের মতো ইভেন্ট কলকাতা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে আবহাওয়ার কারণে ম্যাচ যদি ইডেন থেকে সরাতেই হয়, তা হলে আহমদাবাদে কেন?
পশ্চিমবঙ্গের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসও সেই প্রশ্ন তুলেছিলেন। রবিবার অহমদাবাদের বৃষ্টি দেখে আবার ক্ষোভ জানিয়ে এক বিবৃতিতে অরূপ বলেন, “আমি আগেই সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছিলাম, ইডেন থেকে প্লে-অফ এবং ফাইনাল সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার পিছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে। এ দিন এই বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়ে গেল। বিসিসিআই ও আইপিএলের গভর্নিং বডি স্যাটেলাইটের মাধ্যমে আবহাওয়াবিদ হয়ে বলেছিল এই সময়ে কলকাতায় বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই স্যাটেলাইট যে আবহাওয়া সংক্রান্ত বিষয় নয়, রাজনৈতিক সংক্রান্ত বিষয়ে প্রভাবিত হয়ে এই রিপোর্ট দিয়েছিল তা পরিষ্কার। সম্পূর্ণ রাজনৈতিক কারণে কলকাতার ক্রিকেটপ্রেমীরা আইপিএলের প্লে অফ মাঠে বসে দেখা থেকে বঞ্চিত হলেন।”আহমদাবাদের মাঠে নিকাশি ব্যবস্থা নিয়েও এর আগে প্রশ্ন উঠেছিল। অল্প বৃষ্টিতেই সেখানে মাঠের ক্ষতি হয়। ইডেনের মতো পুরো মাঠ ঠেকে ফেলার ব্যবস্থাও নেই অহমদাবাদে। তবুও বৃষ্টির পূর্বাভাস দেখে ইডেন থেকে ম্যাচ সরানো হয়েছে, অথচ অহমদাবাদের আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেখা হয়নি? রবিবার আহমদাবাদে খুব বেশি দর্শকও হয়নি। ইডেনে যে কোনও ম্যাচেই ৪০-৪৫ হাজার দর্শক থাকে। আইপিএলের প্লে-অফ হলে সেই সংখ্যা ৬০ হাজার ছুলেও অবাক হওয়ার থাকত না। কিন্তু অহমদাবাদের মাঠ অনেকটাই ফাঁকা। যদিও সেই মাঠে ১ লক্ষ ১০ হাজার দর্শক ধরে। ফলে ৫০ হাজার দর্শক এলেও অর্ধেক মাঠ ফাঁকা। কলকাতার থেকে সবদিক থেকেই পিছিয়ে গেল আহমেদাবাদ।
ভারতে অনুষ্ঠিত হবে মহিলাদের এক দিনের বিশ্বকাপ। সেই প্রতিযোগিতার সূচি ঘোষণা হয়ে গেল সোমবার। বেঙ্গালুরু, গুয়াহাটি, ইনদওর, বিশাখাপত্তনমের পাশাপাশি ম্যাচ হবে শ্রীলঙ্কার কলম্বোতেও। পাকিস্তান সব ম্যাচই খেলবে কলম্বোয়। তারা ভারতে খেলতে আসবে না। ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে মহিলাদের বিশ্বকাপ। ভারত প্রথম ম্যাচ খেলবে ৩০ সেপ্টেম্বরই। বেঙ্গালুরুতে হবে সেই ম্যাচ। প্রতিপক্ষের নাম ঘোষণা হয়নি। প্রথম সেমিফাইনাল হবে গুয়াহাটি বা কলম্বোয়। পাকিস্তান উঠলে তারা প্রথম সেমিফাইনালই খেলবে এবং সেটি হবে কলম্বোয়। তারা যদি ফাইনালে ওঠে, তা হলে কলম্বোয় ম্যাচ হবে। না হলে ফাইনাল হবে বেঙ্গালুরুতে। দ্বিতীয় সেমিফাইনাল হবে বেঙ্গালুরুতে। গত বারের এশিয়া কাপ এবং চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আয়োজক ছিল পাকিস্তান। কোনও বারই সে দেশে খেলতে যায়নি ভারত। এশিয়া কাপের ম্যাচগুলি কলম্বোয় খেলেছিল। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলেছিল দুবাইয়ে। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আগে দু’দেশের মধ্যে হওয়া চুক্তি অনুযায়ী, আইসিসি প্রতিযোগিতায় ভারত বা পাকিস্তানের মধ্যে কোনও দেশ আয়োজক হলে, অপর দেশটি নিরপেক্ষ মাঠে খেলবে। সে জন্যই পাকিস্তানের মহিলা দলের ম্যাচ রাখা হয়েছে কলম্বোয়। পহেলগাঁও হামলার পরে ভারতীয় বোর্ড আইসিসি-কে অনুরোধ করেছিল যাতে আগামী প্রতিযোগিতায় ভারত, পাকিস্তানকে এক গ্রুপে না রাখা হয়। এখন দেখার, আইসিসি সেই আবেদন মানে কি না। আইসিসি জানিয়েছে, পরের বছর মহিলাদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হবে ১২ জুন। প্রথম ম্যাচ বার্মিংহ্যামে। দু’টি সেমিফাইনাল হবে লন্ডনের দ্য ওভালে। ফাইনাল লর্ডসে। এ ছাড়া বাকি ম্যাচগুলি হবে ওল্ড ট্র্যাফোর্ড, হেডিংলে, হ্যাম্পশায়ার বোল এবং ব্রিস্টল কাউন্টিতে।
ইডেনে দিন-রাতের এই ফাইনাল। গোলাপি বলে হওয়া ফাইনালের প্রথম দিনের শেষে ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে ভবানীপুরের স্কোর ছিল ২৫৭/৩। দুরন্ত সেঞ্চুরি করেন সাকির হাবিব গান্ধী (১০২ ব্যাটিং)। তবে অল্পের জন্য সেঞ্চুরি হাতছাড়া হয় অভিষেক রামনের (৯৪)। সোমবার, দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই তুমুল বিতর্কের সৃষ্টি হয়। লাল-হলুদের বাঁ-হাতি পেসার কণিষ্ক শেঠের বলে স্লিপে সাকিরের ক্যাচ ধরেন সন্দীপন দাস। আম্পায়ার কৃষ্ণেন্দু পাল আউটও দিয়ে দেন। আউট হয়ে সাজঘরের পথে হাঁটা লাগান সাকির। তখনই বিপত্তি। সেই সময় স্কোয়ার লেগ আম্পায়ার অভিজিৎ ভট্টাচার্যের সঙ্গে আলোচনা করতে দেখা যায় কৃষ্ণেন্দুকে। এরপরেই তিনি জানান, আউট হননি সাকির। আউট না দেওয়ার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ক্যাচ নাকি ঠিকমতো ধরা হয়নি। প্রতিবাদে সোচ্চার হয় ইস্টবেঙ্গল ক্রিকেটাররা। কর্মকর্তারাও ক্ষোভ প্রকাশ করতে থাকেন। এমনকী তাঁরা দল তুলে নেওয়ার হুমকিও দেন। এই ঘটনায় চুপ থাকেনি ভবানীপুরও। তারাও জানিয়ে দেয়, আম্পায়ারের সিদ্ধান্তকেই মান্যতা দেওয়া উচিত। কারণ তাঁর যদি মনে হয় ওটা আউট ছিল না, তাহলে সিদ্ধান্ত বদল করতেই পারেন তিনি। সেই সময় সিএবি প্রেসিডেন্ট স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায় মধ্যস্থতার চেষ্টা করলেও বিতর্ক থামেনি। এরপর ইডেনে আসেন সৌরভ। দুই ক্লাবের সঙ্গে জরুরি আলোচনা করেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক। শেষমেশ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। সাকির গান্ধীকে নটআউট দেওয়া হয়। তবে, ইস্টবেঙ্গল এক্ষেত্রে আর গোঁসা করেনি। ম্যাচ খেলতে রাজি মশাল বাহিনী।




