Friday, April 24, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

রুদ্রনীলের ‘‌চুমুকাণ্ড’‌এ ‘গান্ধীগিরি’ !‌ এই তৃণমূল কর্মীই বা কে?‌ অভিনেতা রুদ্রনীলকেও ‌‘‌মিথ্যা’‌ হেনস্থার অভিযোগ?‌ তুমুল ‘‌চুমু চর্চা’‌ শিবপুরে

RK NEWZ নির্বাচনের আগে বিভিন্ন প্রার্থী তাঁদের কাণ্ডকারখানার জন্য ভাইরাল হয়েছেন। ‘মেরেছ কলসির কানা, তা বলে কী প্রেম দেব না?’ এক ব্যক্তি ভাইরাল হয়েছেন শুধুমাত্র রুদ্রনীল ঘোষের চুমু খেয়ে। লোকসভা নির্বাচনে চুমু খেয়ে ভাইরাল হয়েছিলেন মালদা উত্তরের বিজেপি প্রার্থী খগেন মুর্মু। তীব্র বিতর্ক হয়েছিল সেই চুমু কাণ্ডে। এবার বিধানসভা নির্বাচনে প্রচার চলাকালীন ‘জয় বাংলা’ স্লোগান শুনে এক তৃণমূল সমর্থককে চুমুতে ভরিয়ে দিয়েছেন শিবপুর বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী রুদ্রনীল ঘোষ। সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় আপাতত ভাইরাল। কিন্তু বিজেপি প্রার্থীর থেকে একের পর এক চুমু খেয়ে কী বলছেন ওই তৃণমূল সমর্থক? ফেসবুকে একটি ভিডিও পোস্ট করে শক্তি দেবনাথ নামে ওই ব্যক্তি নিজেকে শিবপুরে তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের নেতা বলে দাবি করেন। তবে, সেটা শুনে তৃণমূলের জেলার অধিকাংশ নেতাকর্মী ‘‌স্বঘোষিত’‌ বলে জানান। কে ওকে তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের নেতা করেছে বলেও কটাক্ষ শোনা যায়। এছাড়া এলাকায় তোলাবাজি সহ নানান অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি করে খোদ দলের নেতাকর্মীরাই। ওই কর্মীর আরও এক তৃণমূলী সহকর্মী এক ওষুধ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে দশ লক্ষাধিক টাকা তোলাবাজি করেন। পরে মাথার উপর হাত থাকা হাওড়ার এক হেভিওয়েট নেতার সহযোগিতায় ধামাচাপা দেওয়া হয়। সেই তোলাবাজিতে অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মীর সাকরেদ ওই ‘‌স্বঘোষিত’ ‌শ্রমিক সংগঠনের নেতা বলে দাবি করা কর্মী শক্তি। বেশ কিছুদিন পলাতকও ছিলেন চুমু ভাইরাল এই ব্যক্তির তৃণমূলী ঘনিষ্ঠ সহকর্মী। নিজের স্ত্রীকে তৃণমূল থেকে কর্পোরেশন ভোটের টিকিট পাওয়ার নাম করে এলাকায় তোলাবাজির অভিযোগও রয়েছে।

ঘটনাটি ঘটে শিবপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ডব্লু রোডে। প্রচারে বেরিয়েছিলেন রুদ্রনীল। সেই সময় তাঁকে লক্ষ্য করে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন এক ব্যক্তি। তাঁকে জাপটে ধরে বিজেপি প্রার্থী ‘গান্ধীগিরি’ প্রদর্শণ করে চুমু খান। শিবপুরের তৃণমূল কর্মী শক্তি দেবনাথের দাবি, ‘‘আমি ৯ নম্বর ওয়ার্ডে আমাদের এক মহিলা নেত্রীর (‌‌সাকরেদের স্ত্রী)‌‌ বাড়ির সামনে দাঁড়িয়েছিলাম। তখন দেখি বিজেপি প্রার্থী রুদ্রনীল ঘোষ ওখানে অনুগামীদের নিয়ে প্রচার করছেন। তাঁকে দেখেই আমি জয় বাংলা, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জিন্দাবাদ বলতে থাকি। তখনই উনি মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে গিয়ে আমাকে এসে জড়িয়ে ধরেন ও আমার সঙ্গে ধস্তাধস্তি করতে থাকেন। তাতে আমার জামা ছিঁড়ে যায়।” জামা ছিঁড়ে যাওয়ার মিথ্যাচারিতা ছবিতে স্পষ্ট বলে দাবি রুদ্রনীলের। এই প্রসঙ্গে রুদ্রনীল বলেন, ‘‘এলাকার এক ভাই ‘জয় বাংলা’ বলেছিল। আমি তাঁকে জড়িয়ে ধরে চুমু খেয়েছি। আর কিছুই বলার নেই।’’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles