RK NEWZ আইপিএলে চারটে ম্যাচ খেলে ফেলল কেকেআর। কিন্তু এখনও জয়ের স্বাদ জুটল না অজিঙ্ক রাহানেদের। বৃহস্পতিবারের ইডেনে লড়াই করল নাইটরা। প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে বল করলেন ক্যামেরন গ্রিন। কিন্তু দিনের শেষে নিট ফল শূন্য। আইপিএলে হারের ‘হ্যাটট্রিকে’র পর এখন কেকেআরের ঝুলিতে স্রেফ এক পয়েন্ট। বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে ফিন অ্যালেনের ঝোড়ো শতরান দেখে কেকেআর ভক্তরা আনন্দে আত্মহারা হয়েছিলেন। কিন্তু নাইটদের জার্সিতে একেবারে মিইয়ে গিয়েছেন কিউয়ি ওপেনার। ঝোড়ো ইনিংস খেললেন অজিঙ্ক রাহানে। অধিনায়কের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ইনিংস গড়লেন তরুণ তুর্কি অঙ্গকৃশ রঘুবংশী। কিন্তু কেকেআর ব্যাটিংয়ের হতশ্রী দশা লুকনো গেল না। রাহানের দাপটে একটা সময়ে মনে হচ্ছিল নাইটরা অবশ্যই দুশো পেরবে। লড়াই করার পুঁজি পাবেন কেকেআর বোলাররা। কিন্তু যাবতীয় আশায় জল ঢেলে দিলেন রিঙ্কু সিংরা। ২০ ওভার শেষে কোনওমতে ১৮০র গণ্ডি পেরল নাইটরা। চার উইকেট হারিয়ে কেকেআর তুলল ১৮১ রান। টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে কেকেআর। প্রিয় ইডেনে প্রথম ওভার নিয়ে আসেন মহম্মদ শামি। গত ম্যাচে চার ওভারে মাত্র ৯ রানে তুলে নিয়েছিলেন জোড়া উইকেট। পরিসংখ্যানের নিরিখে বৃহস্পতিবারের ইডেনে পারফরম্যান্স অত ভালো নয়। কিন্তু এদিন আঁটসাট বোলিং করলেন তারকা পেসার। উইকেট না পেলেও চার ওভারে দিলেন মাত্র ২৭ রান। তাঁর তৈরি করা চাপের ফসল তুললেন প্রিন্স যাদবরা। লখনউয়ের দলগত উদ্যোগের সামনে আটকে গেল কেকেআরের ২০০ তোলার স্বপ্ন। বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে ফিন অ্যালেনের ঝোড়ো শতরান দেখে কেকেআর ভক্তরা আনন্দে আত্মহারা হয়েছিলেন। কিন্তু নাইটদের জার্সিতে একেবারে মিইয়ে গিয়েছেন কিউয়ি ওপেনার। এদিন ৮ বল খেলে মাত্র ৯ রান করলেন। আউট হলেন প্রিন্সের বলে। তারপর ইডেনে রাহানে-রঘুবংশী শো। স্ট্রাইক রেট নিয়ে প্রবল সমালোচনার মধ্যে নাইট অধিনায়কের ব্যাট থেকে এল ২৪ বলে ৪১ রানের ইনিংস। জোড়া ছক্কার সঙ্গে চারটি বাউন্ডারি মারলেন। ৩৩ বলে ৪৫ রান করে গেলেন তরুণ অঙ্গকৃশ। টিম ম্যানেজমেন্টের ভরসা আরও একবার রাখতে ব্যর্থ রিঙ্কু। ৭ বল খেলে মাত্র ৪ রান এল তাঁর ব্যাট থেকে। ২৫ কোটি দামের প্রতি এদিন ব্যাট হাতে সুবিচার করতে পারলেন না ক্যামেরন গ্রিন। ২৪ বলে তাঁর সংগ্রহ মাত্র ৩২। একটা সময়ে রানের থেকে বলের সংখ্যা বেশি ছিল তাঁর। তবে শেষ লগ্নে নাইটদের উদ্ধারকর্তা হয়ে উঠলেন রভম্যান পাওয়েল। ২৪ বলে ৩৯ করে নাইটদের ১৮০র গণ্ডি পার করালেন।

কেকেআর ভক্তদের অনেকেই তখন ভাবছেন, মরশুমের তৃতীয় হার স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। এই পুঁজি বৈভব-কার্তিকদের পক্ষে যথেষ্ট নয়। সেই আশঙ্কাই সত্যি করে দিয়েছিলেন এডেন মার্করামরা। প্রথম চার ওভারে ওপেনিং জুটিতেই উঠে গেল ৪০ রান। মার্করাম আউট হতে ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার আয়ুশ বাদোনির হাত ধরে তরতরিয়ে এগোচ্ছিল সঞ্জীব গোয়েঙ্কার দল। ৩৪ বলে ৫৪ করে বাদোনি আউট হতে আবার জয়ের গন্ধ পেতে শুরু করলেন সুনীল নারিনরা। সাত উইকেট ফেলে দিয়ে কেকেআর শিবিরে তখন খুশির হাওয়া। কিন্তু চৈত্রের শেষদিকে কলকাতার হাসি কেড়ে নিলেন এক মুকুল চৌধুরী। হারের মুখে অবিশ্বাস্য ইনিংস খেলে পালটে দিলেন ম্যাচের ভাগ্য। ২৭ বলে ৫৪ রান করে একা হাতে জেতালেন লখনউকে। কেকেআরের জন্য পড়ে রইল স্রেফ হতাশা।ম্যাচ দেখতে ইডেনে হাজির মোহনবাগান তারকা দিমিত্রি পেত্রাতোস এবং জেমি ম্যাকলারেন। ম্যাচ দেখতে ইডেনে হাজির মোহনবাগান তারকা দিমিত্রি পেত্রাতোস এবং জেমি ম্যাকলারেন।





