রেশন দুর্নীতিতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। একবছরের বেশি সময় জেলে ছিলেন হাবড়ার বিদায়ী বিধায়ক জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ওরফে বালু। তবে বর্তমানে জামিনে মুক্ত। রেশন দুর্নীতিতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। একবছরের বেশি সময় জেলে ছিলেন হাবড়ার বিদায়ী বিধায়ক জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ওরফে বালু। তবে বর্তমানে জামিনে মুক্ত তিনি। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে ফের বালুকেই ভরসা করেছে তৃণমূল। এবারও হাবড়া আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বারাসতের নির্বাচনী জনসভা থেকে বালুকেই দরাজ সার্টিফিকেট দিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন, “আমার সরকারে বালু যত ভালো কাজ করেছে, কেউ করতে পারেনি। ওর বিরুদ্ধে চক্রান্ত করা হয়েছে।” ছাব্বিশের নির্বাচনের দামামা বেজে গিয়েছে। রাজ্যজুড়ে চলছে ঝোড়ো প্রচার। সবদলের প্রার্থীরা বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন। আমজনতার কাছে গিয়ে তাঁদের সমস্যার কথা শুনছেন। রাজ্যজুড়ে দলের প্রার্থীদের হয়ে ঝোড়ো প্রচার করছেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার বারাসতে নির্বাচনী সভা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই উপস্থিত ছিলেন হাবড়ার প্রার্থী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, অশোকনগরের প্রার্থী নারায়ণ গোস্বামী-সহ অন্যান্যরা। সেই সভা থেকেই জ্যোতিপ্রিয়কে দরাজ সার্টিফিকেট দিয়ে মমতা বলেন, “আমার সরকারে বালু যত ভালো কাজ করেছে, কেউ করতে পারেনি। ওকে ফাঁসানো হয়েছে। বালুর নামে বদনাম করেছে। ওকে হিংসা করে গ্রেপ্তার করেছিল। কিন্তু কোনও প্রমাণ পায়নি। আসলে পচা সিপিএম দেড় কোটি ভুয়ো নামে রেশন কার্ড তৈরি করেছিল। বালু সেটা ধরিয়েছিল। সেই কারণেই বিজেপিকে দিয়ে ওরা এটা করেছিল। ডিজিটাল রেশন কার্ড বালু করেছে। সেই রাগে ছেলেটাকে ফাঁসানো হয়েছিল। ওদের তো সবেতেই সমস্যা। আমি কেন আঁকতাম তা নিয়েও প্রশ্ন করে। অভিষেক কেন ব্যবসা করে, তা নিয়েও প্রশ্ন। আরে কেউ খাবে না? কাজ তো করতে হবে। আপনার সমস্যা কী?”
এসআইআরে বিচারাধীন নামের নিষ্পত্তি শেষে সোমবার মাঝরাতে তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। তাতে দেখা গিয়েছে, বিচারাধীন ৬০ লক্ষের মধ্যে ৩২ লক্ষের একটু বেশি ‘যোগ্য’ ভোটার বলে বিবেচিত হয়েছেন। বাকি ৩২ হাজারের নাম বাদ পড়েছে। এখন এই বাদ পড়াদের তালিকায় ঠিক কারা? সব কি মৃত ভোটার অথবা অবৈধ? তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কার্যত চ্যালেঞ্জের সুরে বলেন, বাদ পড়া ভোটারদের নাম তুলতে ট্রাইব্যুনালে যাব। চেষ্টা করব ভোটের আগেই নাম তোলার। ওরা ষড়যন্ত্র করেছে ভোট শেষে নামগুলো তুলে দেওয়ার। কোনও মেয়ে হয়ত বিয়ে করে অন্য জায়গায় চলে গেছে, তার নাম কেটে দিয়েছে। এভাবেই নাম কেটেছে। এই নামগুলো তুলতে হবে। মতুয়াদের অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করবেন না। তাহলে আমার থেকে ভয়ংকর কেউ হবে না৷ হিন্দু-মুসলিমদের অধিকার কাড়বেন না, এর জবাব বদলা আমরা নেব৷ ঠাকুরবাড়িতে ভেদাভেদের রাজনীতি চলছে। আমি বলে রাখছি, এসব করে কোনও লাভ হবে না।ঠাকুরবাড়িতে ভেদাভেদের রাজনীতি চলছে। আমি বলে রাখছি, এসব করে কোনও লাভ হবে না।”





