নির্যাতিতার সুবিচার চেয়ে পথে নেমেছিল অসংখ্য মানুষ। তাঁদের অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রত্না দেবনাথের রাজনীতিতে আসা নিয়ে। কিন্তু বিজেপির হয়ে ভোটে দাঁড়িয়ে কি আন্দোলনকারীদের অমর্যাদা করা হল? আরজি কর নির্যাতনের ঘটনা ঘটে গেছে, পেরিয়ে গেছে দুটি বছর। দেশ কাঁপিয়ে দেওয়া সেই ঘটনায় মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছিলেন প্রতিবাদে। সিবিআই তদন্ত শুরু হলেও বিচার সেই অর্থে মেলেনি। এসেছে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন। বিজেপির প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হতেই জানা যায়, পানিহাটিতে বিজেপির প্রার্থী হয়ে দাঁড়িয়েছেন সেই আরজি কর নির্যাতিতার মা রত্না দেবনাথ। ছাপোষা মধ্যবিত্ত এই পরিবার কি কখনও ভেবেছিল সক্রিয় রাজনীতিতে আসতে হবে তাঁদের? বিধানসভা নির্বাচনের বিজেপি প্রার্থী রত্না দেবনাথ জানান, ”কোনওদিনই ভাবিনি রাজনীতি করতে হবে। আমাদের তিনজনের সাধারণ পরিবার। মেয়েটা অনেক পরিশ্রম করত। আমরাও পরিশ্রম করতাম। ওকে ভাল মানুষ তৈরি করেছিলাম, ভাল ডাক্তার হয়েছিল সে। এটাই আমাদের গর্ব ছিল। কিন্তু তাকে তার কর্মস্থলেই নির্মমভাবে খুন করা হল। প্রায় দু’বছর হয়ে গেল। প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির শিকার সে।” শুধু তাই নয়, পুরনো কথা মনে করিয়ে তিনি জানান, সেই রাতে যারা তাঁদের মেয়ের সঙ্গে শেষ খাবার খেয়েছিল, তাদেরও কিছু করতে পারেনি পুলিশ। তাঁর কথা, ”এটা আমরা বলছি না, বিচারপতি অনির্বাণ দাস নিজেই তার রায়ে লিখেছেন। পুলিশ কোনও কাজ করেনি আর সিবিআই তাতেই শিলমোহর দিয়েছে।” নির্যাতিতার সুবিচার চেয়ে পথে নেমেছিল অসংখ্য মানুষ। তাঁদের অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রত্না দেবনাথের রাজনীতিতে আসা নিয়ে। কিন্তু বিজেপির হয়ে ভোটে দাঁড়িয়ে কি আন্দোলনকারীদের অমর্যাদা করা হল? এখানেই নির্যাতিতার বাবা শেখর রঞ্জন দেবনাথ বলেন, ”মানুষ তাঁদের আবেগের জায়গা থেকে এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু যারা এই আন্দোলন সংগঠিত করেছিল, এখন তারা তাদের দাঁত-নখ বার করছে, সেটা খুবই ভয়ঙ্কর। আমাদের জন্য সেটা খুবই কষ্টকর। তাদের যদি এই উদ্দেশ্যই থাকবে, তাহলে তারা আন্দোলন করল কেন? তাদের উদ্দেশ্য (রাজনীতি করছে তারা, বক্তব্য নির্যাতিতার পরিবারের) আমাদের কাছে বেদনাদায়ক।”
বিজেপি সরকার এখন কেন্দ্রে ক্ষমতায় রয়েছে। আর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই এখনও তাঁদের সুবিচার দিতে পারেনি। এই প্রসঙ্গে নির্যাতিতার বাবা বলেন, ”যে সমস্ত কাগজপত্র আমরা সিবিআইয়ের কাছ থেকে পেয়েছি, তাতে আশা করছি, আমরা খুব তাড়াতাড়ি সুফল পাব। নির্বাচনের আগেই হয়তো পেতে পারি। সেটা নিয়ে সিবিআই-এর উপর চাপ তৈরি করব আমরা। আমাদের লক্ষ্য ২০০% স্থির, বিচার আমরা পাবই।” মেয়েকে হারিয়ে মা রত্না দেবনাথের একটাই বক্তব্য, ”আপনারা এগিয়ে আসুন, আমি নই, আপনারাই জিতবেন। আপনাদের কথাই আমি তুলে ধরব বিধানসভায়।” রাজ্যের সরকারে থাকা রাজনৈতিক দল তৃণমূলকে ক্ষমতা থেকে সরাতে পারলেই মেয়ের বিচার পাওয়া যাবে বলে মনে করছেন নির্যাতিতার বাবা-মা। মেয়েরা কাজের জন্য বাইরে বেরলে ফিরতে রাত হবেই, তখন যাতে কোনও মা মেয়ের সঙ্গে খারাপ কিছু হওয়ার চিন্তায় না থাকেন, সেই চিন্তা দূর করতে পারবেন বলেই বিশ্বাস তাঁদের। আর কোনও ‘নির্যাতিতা’ যেন না হয়! বিভীষিকার সেই ৯ তারিখ যেন কোনও পরিবারের কাছে ঘুরে না আসে, এটাই তাঁদের একমাত্র লক্ষ্য। প্রচারে নামলে তো সেই দলের বিরুদ্ধেই তাঁদের কথা বলতে হবে, যারা একসময় এই আন্দোলনে তাঁদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছিলেন। তাঁরা জানান, সেই বামেদের বিরুদ্ধে একটা কথাও বলতে চান না। বাবার সাফ কথা, ‘ওরা যদি আমাদের বিরুদ্ধে বলে চায়, বলুক। আমাদের তাতে কোনও সমস্যা নেই।’
ছাপোষা মধ্যবিত্ত এই পরিবার কি কখনও ভেবেছিল সক্রিয় রাজনীতিতে আসতে হবে তাঁদের? দ্য ওয়ালের মুখোমুখি হয়ে বিধানসভা নির্বাচনের বিজেপি প্রার্থী রত্না দেবনাথ জানান, ”কোনওদিনই ভাবিনি রাজনীতি করতে হবে। আমাদের তিনজনের সাধারণ পরিবার। মেয়েটা অনেক পরিশ্রম করত। আমরাও পরিশ্রম করতাম। ওকে ভাল মানুষ তৈরি করেছিলাম, ভাল ডাক্তার হয়েছিল সে। এটাই আমাদের গর্ব ছিল। কিন্তু তাকে তার কর্মস্থলেই নির্মমভাবে খুন করা হল। প্রায় দু’বছর হয়ে গেল। প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির শিকার সে।” শুধু তাই নয়, পুরনো কথা মনে করিয়ে তিনি জানান, সেই রাতে যারা তাঁদের মেয়ের সঙ্গে শেষ খাবার খেয়েছিল, তাদেরও কিছু করতে পারেনি পুলিশ। তাঁর কথা, ”এটা আমরা বলছি না, বিচারপতি অনির্বাণ দাস নিজেই তার রায়ে লিখেছেন। পুলিশ কোনও কাজ করেনি আর সিবিআই তাতেই শিলমোহর দিয়েছে।” নির্যাতিতার সুবিচার চেয়ে পথে নেমেছিল অসংখ্য মানুষ। তাঁদের অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রত্না দেবনাথের রাজনীতিতে আসা নিয়ে। কিন্তু বিজেপির হয়ে ভোটে দাঁড়িয়ে কি আন্দোলনকারীদের অমর্যাদা করা হল? এখানেই নির্যাতিতার বাবা শেখর রঞ্জন দেবনাথ বলেন, ”মানুষ তাঁদের আবেগের জায়গা থেকে এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু যারা এই আন্দোলন সংগঠিত করেছিল, এখন তারা তাদের দাঁত-নখ বার করছে, সেটা খুবই ভয়ঙ্কর। আমাদের জন্য সেটা খুবই কষ্টকর। তাদের যদি এই উদ্দেশ্যই থাকবে, তাহলে তারা আন্দোলন করল কেন? তাদের উদ্দেশ্য (রাজনীতি করছে তারা, বক্তব্য নির্যাতিতার পরিবারের) আমাদের কাছে বেদনাদায়ক।” বিজেপি সরকার এখন কেন্দ্রে ক্ষমতায় রয়েছে। আর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই এখনও তাঁদের সুবিচার দিতে পারেনি। এই প্রসঙ্গে নির্যাতিতার বাবা বলেন, ”যে সমস্ত কাগজপত্র আমরা সিবিআইয়ের কাছ থেকে পেয়েছি, তাতে আশা করছি, আমরা খুব তাড়াতাড়ি সুফল পাব। নির্বাচনের আগেই হয়তো পেতে পারি। সেটা নিয়ে সিবিআই-এর উপর চাপ তৈরি করব আমরা। আমাদের লক্ষ্য ২০০% স্থির, বিচার আমরা পাবই।”





