Saturday, April 25, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

ভবানীপুরে ‘সিসিটিভি’ লাগিয়ে দিলেন মমতা-অভিষেক! সব দিকে ‘নজর’ রাখতে হবে, ভবানীপুর কেন্দ্রে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের নির্দেশ

দ্বিমুখী দিক থেকে ভবানীপুরের তৃণমূল কর্মীবাহিনীকে সতর্কবার্তা দিলেন মমতা-অভিষেক। বিজেপি-র বিরুদ্ধে (এবং এই ভোটে নির্বাচন কমিশনকেও জুড়ে নিয়ে) যে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে মমতা দলকে সতর্ক থাকতে বলেন, তা রবিবারের কর্মিসভাতেও বাদ যায়নি। তার সঙ্গে অভিষেক জুড়লেন দলীয় নেতাকর্মীদের শিথিলতা, নিষ্ক্রিয়তা, আত্মতুষ্টিতে না-ভুগে কাজ করার বার্তা। মমতা ভবানীপুরের কাউন্সিলরদের এ প্রসঙ্গেই সতর্ক করলেন, মৃদু সমালোচনাও করলেন। সব দিকে ‘নজর’ রাখতে হবে। ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের প্রতি নির্দেশ গেল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে। অভিষেক একই সঙ্গে কর্মিসভাকে জানিয়ে দিলেন, ‘নজর’ থাকবে তাঁদের উপরেও। কে কী করছেন, কী করছেন না কোনও কিছুই দলীয় শীর্ষনেতৃত্বের নজরের বাইরে থাকবে না। এক কথায়, ভবানীপুরের‌ রণাঙ্গনে অদৃশ্য সিসিটিভি বসিয়ে দিলেন মমতা-অভিষেক। কলকাতার মধ্যে ‘ফার্স্টবয়’ করতে হবে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রকে। অন্তত ৬০ হাজার ভোটে জেতাতে হবে তৃণমূলনেত্রীকে। আর সে ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা নিতে হবে কর্মীদেরই। মমতা-অভিষেকের বৈঠকে ছিলেন তৃণমূল কাউন্সিলর থেকে ব্লক স্তরের নেতানেত্রীরাও। বুথ স্তরের কর্মীদের অভিষেক বার্তা দেন, নিজেদের বুথ আগলাতে হবে অতন্দ্র প্রহরীর মতো। ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে ২৮৭টি বুথ রয়েছে। উপনির্বাচনে মমতা যখন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন, তখন ২৩১টি বুথে তৃণমূল জয় পেয়েছিল। এ বার সেই সংখ্যাকে ছাপিয়ে যেতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছেন তৃণমূলের সেনাপতি। তার জন্য বড় দায়িত্ব বুথস্তরের নেতাকর্মীদেরই। নিজের কেন্দ্রের ভোট পরিচালনার ক্ষেত্রে মমতা মৃদু সমালোচনা করেছেন কাউন্সিলরদের। তাঁর পর্যবেক্ষণ, কাউন্সিলদের অনেকেই সারাবছর চুপ থাকেন। পুরভোটে তাঁরা যতটা গা-ঝাড়া দিয়ে কাজকর্ম করেন, সেই সক্রিয়তা লোকসভা বা বিধানসভা ভোটে দেখা যায় না। কিন্তু এ বার এই ‘কর্মসংস্কৃতি’ বদলাতে হবে। নিজের ওয়ার্ডে ভোট করানোর সময় ঠিক যতটা একনিষ্ঠ হয়ে কাজ করেন, ঠিক ততটাই বিধানসভা ভোটে করতে হবে। তৃণমূলনেত্রী পরিষ্কার করে দেন, কোনও নির্বাচনকেই ছোট করে দেখা যাবে না। এ বার ভোটে কাউন্সিলদের কর্মকাণ্ডও তাঁর নজরে থাকবে। ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে মমতার ভবানীপুরকে জয় করার ‘দায়িত্ব’ তিনি নিজে নিয়েছেন বলে ঘোষণা করেছেন বিরোধী দলনেতা এবং মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিদ্বন্দ্বী শুভেন্দু অধিকারী। ব্যক্তিগত উদ্যোগে শুভেন্দু ভবানীপুরের জন্য পৃথক সমীক্ষাও করিয়েছেন। ধারাবাহিক ভাবে ভবানীপুর কেন্দ্রে দলের কর্মসূচিও করছেন তিনি। সেই প্রেক্ষাপটে তৃণমূলনেত্রীর তৎপরতা ‘তাৎপর্যপূর্ণ’। ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে পরাজিত হতে হয়েছিল মমতাকে। তার পরে তিনি ভবানীপুর থেকে উপনির্বাচনে জয়ী হন। সেই উপনির্বাচনে মমতা প্রায় ৫৯ হাজার ভোটে জেতেন। তার আগে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় জিতেছিলেন ৩০ হাজার ভোটে। ২০১৬ সালের বিধানসভা ভোটে ভবানীপুর থেকে মমতা জয়ী হয়েছিলেন ২৫ হাজার ভোটে।

কয়েক দিন আগে তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী ভবানীপুরের প্রিয়নাথ মল্লিক রোডের কার্যালয়ে এক বৈঠকে বসেছিলেন তৃণমূল কাউন্সিলরদের সঙ্গে। বৈঠকে কাউন্সিলরদের ভোটের কৌশল এবং প্রচারের রণনীতি ঠিক করে দেওয়ার পাশাপাশি, নতুন একটি স্লোগান ব্যবহার করতে নির্দেশ দেন রাজ্য সভাপতি। তা হল, ‘বাংলার উন্নয়ন ঘরে ঘরে, ঘরের মেয়ে ভবানীপুরে’। দক্ষিণ কলকাতা তৃণমূল সূত্রে খবর, প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে বাড়ি বাড়ি গিয়ে নম্র ভাবে জনসংযোগ করতে নির্দেশ দেওয়া হয় কাউন্সিলরদের। পাশাপাশি সব ওয়ার্ডে কর্মিসভা করতেও বলা হয়েছে। সেই সব কর্মিসভায় হাজির থাকবেন রাজ্য সভাপতি সুব্রত-সহ কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম এবং দক্ষিণ কলকাতা জেলা তৃণমূলের সভাপতি তথা রাসবিহারীর বিধায়ক দেবাশিস কুমার। দলীয় প্রচার যাতে কোনও ভাবেই অকারণে আগ্রাসী না-হয়, সেই বিষয়ে কাউন্সিলর এবং নেতাদের বিশেষ নজর রাখতে নির্দেশ দিয়েছিলেন বক্সী। কলকাতা পুরসভার ৬৩, ৭০, ৭১, ৭২, ৭৩, ৭৪, ৭৭ ও ৮২ ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ভবানীপুর বিধানসভা। বর্তমানে সব ক’টি ওয়ার্ডেই কাউন্সিলর তৃণমূলের। কিন্তু গত লোকসভা নির্বাচনে এই সব ওয়ার্ডগুলির মধ্যে কয়েকটিতে এগিয়ে ছিল বিজেপি। এ বার নির্বাচনী লড়াইয়ে বড় ‘ফ্যাক্টর’ হতে পারে এসআইআর-ও। নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনীতে ভবানীপুরে ৪৭ হাজার ৯৪ ভোটারের না‌ম বাদ গিয়েছে। বিবেচনাধীন ভোটারের সংখ্যা প্রায় ১৪ হাজার ১৫৫ জন। তাই বাড়তি সতর্কতা দেখা যাচ্ছে তৃণমূলে।

রাজনৈতিক টানাপড়েন আর ভোটের কৌশলের মাঝে এদিন মমতার গলায় উঠে এল ঘর ছাড়তে না চাওয়ার এক পারিবারিক কাহিনি। ভোটের আবহে নিজের খাসতালুকের মানুষের সঙ্গে তাঁর এই আত্মিক টান দিয়েই কর্মীদের কাছে টানল তৃণমূল। তবে শুধু আবেগ নয়, রবিবাসরীয় এই সভা থেকে কড়া রাজনৈতিক বার্তাও দিয়েছেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। চেতলার অহীন্দ্র মঞ্চে দাঁড়িয়ে সেই আবেগের কথাই শোনালেন তৃণমূল নেত্রী। রাজনৈতিক টানাপড়েন আর ভোটের কৌশলের মাঝে এদিন তাঁর গলায় উঠে এল ঘর ছাড়তে না চাওয়ার এক পারিবারিক কাহিনি। মমতা বলেন, “ভবানীপুরের সবাই আমাকে চেনেন। বাড়ি বদলের বিষয়ে কথা হলেও আমি ভবানীপুর ছাড়িনি। আসলে আমার মা আমাকে এই বাড়ি ছাড়তে দেননি।” ভোটের আবহে নিজের খাসতালুকের মানুষের সঙ্গে মমতার এই আত্মিক টান দিয়েই কর্মীদের কাছে টানল তৃণমূল। তবে শুধু আবেগ নয়, রবিবাসরীয় এই সভা থেকে কড়া রাজনৈতিক বার্তাও দিয়েছেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট করে দেন, ঘরের মাঠে কোনওভাবেই ‘আত্মতুষ্টির’ জায়গা নেই। গতবারের চেয়েও বেশি ব্যবধানে জিতে রেকর্ড গড়তে হবে এবার। মমতা এদিন তাঁর ভাষণে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন। তাঁর অভিযোগ, মানুষের রান্নার গ্যাস দেওয়ার ক্ষমতা নেই, অথচ ভোটের সময় টাকা বিলি করে ভোট কিনতে চাইছে বিরোধীরা। বাইরে থেকে লোক এনে এলাকায় অশান্তি পাকানোর চেষ্টা হচ্ছে বলেও তিনি সতর্ক করেন। এমনকি ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার জন্য গ্রেফতার হওয়া কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি জানান, দল সবরকম আইনি সাহায্য দেবে। নির্বাচন কমিশনকেও রেয়াত করেননি মুখ্যমন্ত্রী। গত তিন দিনে রাজ্যের ৫০ জন অফিসারকে সরিয়ে দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, “কোনও অঘটন ঘটলে তার দায় কে নেবে? শেষ পর্যন্ত মোদী সরকারকেই এর জবাব দিতে হবে।” ভোটের দিন কর্মীদের স্ট্রং রুমের ওপর কড়া নজর রাখার নির্দেশ দিয়ে তিনি জানান, লোডশেডিং করে কারচুপির ভয় থাকতে পারে। সবশেষে তাঁর লক্ষ্য যে এবার সুদূর দিল্লি, সেই বার্তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন মমতা। তাঁর কথায়, “বাংলায় জয়ের পরই আমাদের পরবর্তী গন্তব্য হবে দিল্লির পথ। ভোট শেষ মানেই বাড়ি চলে গেলাম, সেটা করবেন না।” ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে শুভেন্দু অধিকারীকে প্রার্থী করেছে বিজেপি। এদিনের বৈঠকে মমতা অবশ্য বিজেপি নেতার নাম মুখে আনেননি। শুধু ভিটের টান মনে করিয়ে দিয়ে কাছে টেনে নিয়েছেন দলের সমর্থকদের।

এপিসেন্টারে ফের উঠে এলো ভবানীপুর। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচন কেন্দ্রে প্রচার ও কৌশল নির্ধারণের জন্য কর্মিসভার বৈঠক ডাকা হয় চেতলার অহীন্দ্র মঞ্চে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম সহ দলের শীর্ষ নেতারা সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। সূত্রের দাবি, ওই কর্মিসভায় অভিষেক পষ্টাপষ্টিই বলেন, ভবানীপুরে আত্মতুষ্টির কোনও জায়গা নেই। গত ভোটের জয়ের ব্যবধানের মার্জিন আরও বাড়াতে হবে। ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে শুভেন্দু অধিকারীকে প্রার্থী করেছে বিজেপি। এদিনের বৈঠকে অভিষেক অবশ্য বিজেপি নেতার মুখে আনেননি। শুধু বিজেপিকে হারানোর টার্গেট বেঁধে দিয়েছেন। অভিষেক কত ব্যবধানে জয়ের টার্গেট স্থির করে দিয়েছেন তা নিয়ে আলোচনার আগে দেখে নেওয়া যাক ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে ভবানীপুরে ভোটাভুটির ছবিটা কেমন ছিল। একুশের বিধানসভা ভোটে ভবানীপুরে তৃণমূলের প্রার্থী ছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। বিজেপির প্রার্থী ছিলেন অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ। তাঁকে ২৮,৭১৯ ভোটে হারিয়েছিলেন শোভনদেব। পরে উপ নির্বাচনে ওই আসনে ৫৮,৮৩৫ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

অভিষেক এদিন ওই ৫৮,৮৩৫ ভোটের হাব্যবধানকেই বেঞ্চমার্ক ধরেছেন। কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ভবানীপুরে প্রত্যেক কর্মীকে অন্তত ৫টি করে ভোট বাড়ানোর লক্ষ্য নিতে হবে। ২৩১টি বুথে গত ভোটের লিডকে ছাপিয়ে যেতে হবে। শুধু জিতলে হবে না, ৬০ হাজারের বেশি ব্যবধানে জিততে হবে।

এদিনের কর্মিসভায় অভিষেক আর যা যা বলেছেন তা এইরকম—
কেন্দ্রীয় বঞ্চনার বিষয়টি মানুষকে বারবার মনে করিয়ে দিতে হবে, তা ভুলে গেলে চলবে না।
দলের ‘রিপোর্ট কার্ড’ সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরতে হবে।
দীর্ঘদিন জনসংযোগে না থাকা বিরোধীরা এখন ধর্মের রাজনীতি করছে—এই বিষয়টি মানুষকে বোঝাতে হবে।
রাজ্য সরকারের প্রকল্প ও কেন্দ্রের নীতির মধ্যে পার্থক্য স্পষ্ট করে তুলে ধরতে হবে মানুষের কাছে।
রাজ্য সরকার মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে, আর কেন্দ্রের সরকার মানুষকে লাইনে দাঁড় করিয়েছে—এই বার্তা পৌঁছে দিতে হবে।
লক্ষ্মীর ভান্ডার-এর মতো প্রকল্প অন্য কোনও বিজেপি-শাসিত রাজ্যে নেই—এটি তুলে ধরতে হবে।
আয়ুষ্মান ভারতের সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে ‘স্বাস্থ্যসাথী’-র তুলনামূলক সুবিধা মানুষের কাছে ব্যাখ্যা করতে হবে।
অন্তত তিনবার করে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছতে হবে, আত্মতুষ্টি থাকলে চলবে না।
তৃণমূল সরকার থাকলে লক্ষ্মীর ভান্ডার চালু থাকবে—এই আশ্বাস মানুষকে দিতে হবে।
কেন্দ্রীয় বঞ্চনা সত্ত্বেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করছে, ঘর করে দিয়েছে—এই বার্তাও পৌঁছে দিতে হবে।
‘দিদির ১০ প্রতিজ্ঞা’ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উপর জোর।
প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর ব্যক্তিগত জীবনযাত্রার তুলনা টেনে স্পষ্ট রাজনৈতিক বার্তা দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর মোদীর বেশভূষা, থাকা খাওয়া, চাল চলন বদলে গেছে। দিদি এখনও টালির চালের বাড়িতেই থাকেন।
নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্যবৃদ্ধির প্রসঙ্গ তুলে কেন্দ্রকে আক্রমণ করতে হবে।
বুথ সভাপতিদের নির্দেশ—কাউন্সিলরের ফোনের অপেক্ষা না করে নিজে থেকে মানুষের কাছে যেতে হবে।
বিজেপি বাংলার ঐতিহ্য-সংস্কৃতি বোঝে না—এই অভিযোগ তুলে প্রচার চালাতে হবে।
বিজেপিকে ‘দুর্নীতিগ্রস্ত দল’ হিসেবে মানুষের কাছে তুলে ধরতে হবে। হিমন্ত বিশ্ব শর্মা, নারায়ণ রানে, শুভেন্দু অধিকারী-সহ একাধিক নেতাকে দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত বলে সমালোচনা করতে হবে।
“এই বাংলা মাথা নত করবে না”—এই বার্তা দিয়ে কলকাতার মধ্যে ভবানীপুরকে প্রথম করার ডাক দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।‌

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles