Thursday, April 23, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

সুস্থ থাকার চাবিকাঠি খোঁজার উপায়!‌ ডায়েট বা ব্যায়াম নয়, কৌশলে ফিট

সুস্থ থাকার জন্য কী কী প্রয়োজনীয়? নিজেকে বেশি শক্তিশালী রাখতে স্বাস্থ্যসচেতন, ফিট গড়ে তোলা বিস্ময় বিশেষ। শরীরচর্চা মাইলের পর মাইল দৌড়। ৬টি নিয়মের কথা উল্লেখ, সংখ্যা এখানে অবান্তর। গুনে গুনে বলতে গেলে কিছু বাদ পড়ে যায়। তাই ফিট থাকার জন্য যা যা জরুরি, তা এমনিই উল্লেখ করা উচিত। সুস্থ থাকার বিষয়টা তেমন জটিল নয়। সুস্থ থাকতে ৬টি নিয়ম মেনে চলার প্রয়োজন নেই। একমাত্র দরকার, সুস্থ থাকার তাগিদ, ইচ্ছে। আপনি যদি সুস্থ থাকতে চান, তা হলে তার জন্য পদক্ষেপ করবেন। ইচ্ছে থাকলে উপায় থাকবে। কী ভাবে সুস্থ থাকেন, জটিল খাদ্যাভ্যাস বা শরীরচর্চার নিয়ম মেনে চলা নয়। সহজ কয়েকটি অভ্যাস রপ্ত করে তিনি সুস্থ থাকার চেষ্টা। দিনে ১০ মিনিট ব্যায়াম, ঘরোয়া খাবার, প্যাকেটজাত ও পরিশোধিত খাবার এড়িয়ে চলা। বাকি সব ধরনের খাবারই চলবে। খাওয়ার ইচ্ছে দমন না। স্বাস্থ্যকর খাবার সেটিই, যা হজম হয়। যাঁর যে খাবার বেশি ভাল হজম হয়, তিনি সেটিই খাবেন। তা হলেই সুস্থ থাকা যায়। তবে একই সঙ্গে সময়মতো পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমোনোকে গুরুত্ব দেওয়া। ডায়েট ও ব্যায়ামের চেয়ে বেশি জরুরি সচল থাকা। ঘড়ি ধরে শরীরচর্চা করার দরকার নেই। কেবল সক্রিয় থাকা দরকার। তাতেই কাজ হবে। মাটিতে বসা, শোয়া, সিঁড়ি ভাঙা, হাঁটাচলা, দৌড়োনো সহজ কিছু কাজকর্মকে দৈনন্দিন জীবনে অন্তর্ভুক্ত করলে এমনিতেই ফিট থাকা যায়। জিম যাওয়ার দরকার নেই। নিজেকে বুঝতে হবে, শরীর কী চায়, তবেই সুস্থ থাকার চাবিকাঠি খুঁজে পাওয়া যাবে।

শীতে টাটকা মটরশুঁটির পাওয়া যায়। প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই মটরশুঁটি দিয়ে নানা সুস্বাদু রান্না শুরু হয়। কিন্তু মটরশুঁটি ছাড়ানোর পর তার খোসাগুলি আমরা প্রায়ই অপ্রয়োজনীয় ভেবে আবর্জনায় ফেলে দিই। খুব কম মানুষই জানেন, এই মটরশুঁটির খোসাই ঘরের গাছের জন্য দারুণ প্রাকৃতিক সার হিসাবে কাজ করে। আসলে মটরশুঁটির খোসায় এমন বহু পুষ্টি উপাদান রয়েছে, যা মাটির উর্বরতা বাড়াতে সাহায্য করে। এতে প্রাকৃতিকভাবে নাইট্রোজেন, পটাশিয়াম ও ফাইবার থাকে, যা গাছের শিকড়কে মজবুত করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, রান্নাঘরের বর্জ্য সঠিকভাবে ব্যবহার করা গেলে দামি রাসায়নিক সারের খরচও অনেকটাই কমানো সম্ভব। বর্তমানে ছাদ ও বারান্দায় গার্ডেনিংয়ের চল দ্রুত বেড়েছে। অনেকেই টবে ফুল, সবজি এবং অন্যান্য গাছ লাগাচ্ছেন। কিন্তু প্রায়ই দেখা যায়, গাছ ঠিকমতো বাড়ছে না বা শুকিয়ে যাচ্ছে। এর অন্যতম কারণ হল মাটিতে পুষ্টির অভাব। এই পরিস্থিতিতে মটরশুঁটির খোসা দিয়ে তৈরি তরল সার গাছের জন্য অত্যন্ত উপকারী হতে পারে। মটরশুঁটির খোসা থেকে সার বানানো খুবই সহজ এবং এর জন্য আলাদা কোনও বিশেষ সরঞ্জামের প্রয়োজন হয় না। প্রথমে খোসাগুলি ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিতে হবে। তারপর সেগুলি মিক্সারে দিয়ে তিন গুণ জল যোগ করে ভাল করে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। তারপর মিশ্রণটি একটি ছাঁকনির সাহায্যে ছেঁকে নিতে হবে, যাতে মোটা অংশগুলি আলাদা হয়ে যায়। ছেঁকে নেওয়া এই জলটাই আসল টনিক। স্প্রে বোতল বা মগের সাহায্যে টবের মাটিতে এটি ঢেলে দিতে পারেন। প্রতিদিন অল্প অল্প করে ব্যবহার করলে মাটির আর্দ্রতা বজায় থাকে এবং গাছ প্রয়োজনীয় পুষ্টি পেতে থাকে। কয়েক দিনের মধ্যেই পাতাগুলি আরও সবুজ দেখাতে শুরু করে এবং নতুন কুঁড়ি বেরোতে থাকে। পরিবেশবিদরাও রান্নাঘরের বর্জ্যকে সার হিসেবে ব্যবহার করার পরামর্শ দেন। এতে একদিকে যেমন বাড়ির ভেজা আবর্জনা কমে, তেমনই পরিবেশের উপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে না। উপরন্ত এই পদ্ধতি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক হওয়ায় মাটি বা গাছের কোনও ক্ষতি হয় না। মটরশুঁটির খোসা ফেলনা নয়, বরং ঘরের বাগানের জন্য এক সহজলভ্য ও কার্যকর প্রাকৃতিক সার। রান্নাঘরের এই ছোট্ট বর্জ্যকে কাজে লাগালে যেমন গাছের স্বাস্থ্য ভাল থাকে, তেমনই কমে রাসায়নিক সারের উপর নির্ভরতা। পরিবেশবান্ধব এই অভ্যাস একদিকে গাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত করে, অন্যদিকে ঘরোয়া বাগানচর্চাকে আরও সুন্দর করে তোলে।‘ঘরোয়া ঔষধালয়’। সামান্য সর্দি-কাশি বা ছোটখাটো শারীরিক সমস্যায় চিকিৎসকের কাছে ছোটার আগে, একবার ছাদের টবের দিকে তাকালেই মিলতে পারে সমাধান। পাঁচটি ভেষজ উদ্ভিদের সন্ধান, যা সামান্য যত্নেই আপনার ছাদ বাগানকে ঔষধি গুণে ভরিয়ে তুলবে। বারান্দা হোক বা ছাদ, কিংবা বাড়ির বাগান, অথবা এক ফালি জানালা, সবুজের ছোঁয়া থাকলে যেমন দেখতে ভাল লাগে, তেমনই চোখের আরাম।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles