Friday, April 24, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

ঘরে ঘরে উন্নয়নের পাঁচালি পৌঁছে দিতে মরিয়া তৃণমূল!‌ ভোটের হাতিয়ার মুখ্যমন্ত্রীর চিঠি, মমতা জমানার উন্নয়নের রিপোর্ট কার্ডও

ভোটের দেরি নেই বেশি। সেই অর্থে দামামা এখনও না বাজলেও, জোর কদমে শুরু হয়েছে প্রস্তুতি, তা স্পষ্ট। একদিকে যেমন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক পৌঁছে যাচ্ছেন জেলায় জেলায়, তেমনই উন্নয়নের পাঁচালি নিয়ে তৃণমূল নেতৃত্ব পৌঁছে যাবে রাজ্যের দিকে দিকে। শাসক দলের পরিকল্পনা তেমনটাই। বাড়িতে বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে উন্নয়নের পাঁচালি বাক্স। তাতে রয়েছে মমতা জমানার উন্নয়নের রিপোর্ট কার্ড এবং খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির চিঠি। বঙ্গে তিনবার ভোট জিতেছে তৃণমূল কংগ্রেস। মুখ্যমন্ত্রীর একাধিক প্রকল্প বাংলার ভোটে বারে বারে গেম চেঞ্জারের কাজ করেছে। তবে এবার দলের ভাবনা আরও কিছুটা আলাদা। চতুর্থ দফায় মসনদে বসতে, তৃণমূল কংগ্রেস হাতিয়ার করেছে গত তিনদফার সময়কালের অর্থাৎ তৃণমূল জমানায় রাজ্যের উন্নয়নকে। সেই উন্নয়নকে হাতিয়ার করে, সকলের সামনে তুলে ধরতে চাইছে ঘাসফুল শিবির। তৃণমূল জমানায় উন্নয়নের খতিয়ান এর আগেও নেতৃত্ব নানা জায়গায় জানিয়েছে। কিন্তু এবার, সামগ্রিক সময়কালের উন্নয়নমূলক কাজের খতিয়ানকে একত্রিত করে ‘উন্নয়নের পাঁচালি’ প্রকাশ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। লক্ষ্য, রাজ্যের সব প্রান্তে, সব ভোটারদের কাছে ‘উন্নয়নের পাঁচালি’ পৌঁছে দেওয়া। তৃণমূল সূত্রে খবর, নিখুঁতভাবে সকলের মধ্যে এই উন্নয়নের খতিয়ান ছড়িয়ে দিতে, বিশেষ টিম গঠন করেছে শাসক দল। দলের সাংসদ থেকে ব্লক স্তরের কর্মী, এক একটি টিমে থাকছেন তাঁরা সকলেই। ‘উন্নয়নের পাঁচালি’ বাক্স তুলে দেওয়া হবে সাধারণের হাতে। ইতিমধ্যেই বসিহিষ্ট ব্যক্তিদের বাড়িতে বাড়িতে দলীয় নেতৃত্বের উন্নয়নের পাঁচালি’র বাক্স তুলে দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।

উন্নয়নের পাঁচালি নিয়ে এবার বিভিন্ন অঞ্চলে যাবে তৃণমূল কংগ্রেস। বুথ ভিত্তিক জনসংযোগে নয়া কর্মসূচি শাসক দলের। বিধানসভা ভিত্তিক এখন গঠিত হচ্ছে দল। জনসংযোগ বাড়াতে দলের শীর্ষ নেতারা অঞ্চলে অঞ্চলে ঘুরবেন এই দলের সঙ্গে। সেখানে ছোটো গাড়িতে বাজবে অদিতি মুন্সির গাওয়া উন্নয়নের পাঁচালি। এক মাস ব্যাপী এলাকায় এই ভাবে চলবে প্রচার। দুপুরে এলাকার মানুষের বাড়িতে আহার ৷ সন্ধ্যায় স্থানীয় সংস্কৃতির অনুষ্ঠান ও জনসংযোগ সভা রয়েছে। ২০২১-এর বিধানসভা ভোটের আগে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেছিলেন মমতা। সে বারের বিপুল জয় বুঝিয়ে দিয়েছিল, ওই প্রকল্প কার্যত গেমচেঞ্জার হয়েছে। গত বছর লোকসভা ভোটের আগে ভাতার অঙ্ক বাড়িয়ে যেন আরও একবার প্রকল্পটির গুরুত্ব যাচাই করে নিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। আগামী বিধানসভা ভোটের আগে হাতে আছে মাসচারেক। তার আগে, রাজ্যে তিন দফায় জোড়াফুল সরকারের সাড়ে ১৪ বছরে উন্নয়নের খতিয়ান পেশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles