রেস্তরাঁয় খেতে যাওয়া হোক কিংবা অনুষ্ঠান। তারকাদের দেখলেই ভিড় জমান ছবিশিকারিরা। বিনা অনুমতিতে ছবি তোলা একেবারেই পছন্দ করেন না অভিনেত্রী জয়া বচ্চন। ছবিশিকারিদের সঙ্গে প্রবীণ অভিনেত্রী জয়া বচ্চনের সম্পর্ক যে অম্লমধুর তা প্রায় সকলেরই জানা। ‘পাপারাৎজি’ সংস্কৃতিতে একেবারেই বিশ্বাসী নন তিনি। সে কথাও বলেছেন বহু বার। এ বার প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুললেন জয়া। বললেন, “নোংরা জামাকাপড় পরে চলে আসে, এরা কারা? ওদের কি কোনও পড়াশোনা আছে?” সমাজমাধ্যমে চোখ রাখলে মাঝে মাঝেই এমন অনেক ভিডিয়ো ঘুরেফিরে আসে। কখনও দেখা যাচ্ছে, রেগে গিয়ে জয়া প্রকাশ্যে বিরক্তির সুরে ধমকাচ্ছেন কাউকে। আবার কখনও কাউকে শিক্ষা দিচ্ছেন, অনুমতি না নিয়ে কখনও কারও ছবি তোলা উচিত নয়। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই ধারা এখন একেবারেই উল্টে গিয়েছে। অভিনেতারা বাড়িতে কী করছেন? সেটাও গাছের আড়ালে ক্যামেরা তাক করে ফ্রেমবন্দি করতে দ্বিধা করেন না অনেকে।
কিছু দিন আগে এই কারণে রেগে গিয়েছিলেন অভিনেত্রী আলিয়া ভট্ট। রণবীর কপূর এবং আলিয়ার নতুন বাড়ির ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছিল সর্বত্র। যেখানে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল বাড়ির ভিতরটা। তাতেই ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন কপূর বাড়ির বৌমা। এ বার এক অনুষ্ঠানে এসে ছবিশিকারিদের পড়াশোনা নিয়ে প্রশ্ন তুলে প্রবীণ অভিনেত্রী জয়া বলেন, “এরা মিডিয়া? আমিও একজন সাংবাদিকের মেয়ে। সুতরাং ভাল করে জানি মিডিয়া, সাংবাদিক কাদের বলে। নোংরা পোশাক পরে চলে আসে, হাতে চারটে ফোন নিয়ে। উদ্ভট প্রশ্ন করে। নানা ধরনের মন্তব্য করে। এদের কী করে সাংবাদিক বলা যায়?” ক্ষোভ উগরে দেন অভিনেত্রী। অভিনেত্রী জয়া ভাদুড়ির বাবা তরুণকুমার ভাদুড়ীও ছিলেন সাংবাদিক। দুটি নামী পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। একাধিক উপন্যাসও লিখেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘অভিশপ্ত চম্বল’। সাংবাদিকের মেয়ে হিসাবে কখনও এই সংস্কৃতি মেনে নিতে পারেন না জয়া। প্রকাশ্যে নিজের বিরক্তি দেখিয়ে ফেলেন।




