Monday, April 27, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

দু’ম্যাচে ১৫ উইকেট নিয়ে জবাব দিলেন সামি!‌ এবার বাদ কিভাবে?‌ ইডেনেই প্রত্যাবর্তন টেস্ট ক্রিকেটে?

‘আমার কাজ আমি করেছি’, দু’ম্যাচে ১৫ উইকেট নিয়ে জবাব সামির, ইডেনেই প্রত্যাবর্তন টেস্ট ক্রিকেটে? মহম্মদ সামিকে রঞ্জির প্রথম ম্যাচের তুলনায় অনেক বিপজ্জনক দেখিয়েছে দ্বিতীয় ম্যাচে। প্রথম ম্যাচে তাঁর সাত উইকেটের ছ’টিই ছিল টেলএন্ডারদের। দ্বিতীয় ম্যাচে আট উইকেটের চারটি টেলএন্ডারদের। রঞ্জি ট্রফির দ্বিতীয় ম্যাচে গুজরাতের বিরুদ্ধে জয়ের জন্য বাংলার মূল ভরসা ছিলেন মহম্মদ সামি। অভিমন্যু ঈশ্বরণ, লক্ষ্মীরতন শুক্লাদের হতাশ করেননি। ৩৮ রানে ৫ উইকেট তুলে নিয়েছেন ভারতীয় দলে ব্রাত্য হয়ে পড়া জোরে বোলার। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরতে মরিয়া সামিকে রঞ্জির প্রথম ম্যাচের তুলনায় অনেক বেশি বিপজ্জনক দেখিয়েছে দ্বিতীয় ম্যাচে। সামি এমন এক জন ক্রিকেটার, যিনি যত বল করেন তত ফিট হন। প্রথম ম্যাচের সাত উইকেটের ছ’টিই ছিল টেলএন্ডারদের। দ্বিতীয় ম্যাচে আট উইকেটের চারটি। বিখ্যাত সুইংয়েরও দেখা মিলেছে গুজরাত ম্যাচে। অজিত আগরকরেরা মুখ ফিরিয়ে থাকলেও সামি বল হাতে জবাব দিতে শুরু করেছেন। ২০১৩ সালের ৬ নভেম্বর ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে ইডেন গার্ডেন্সেই টেস্ট অভিষেক হয়েছিল সামির। তার ১২ বছর পর সেই ইডেনই শামির ফিরে আসার লড়াইয়ের সাক্ষী থাকল। সামনেই দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ়। প্রথম টেস্ট হবে ইডেনেই। ছন্দে ফিরতে শুরু করা বাংলার বোলার নিজের দাবি জোরালো করে রাখলেন।

আগরকর এ বার আর বলতে পারবেন না, সামির ফিটনেস সম্পর্কে তাঁর জানা নেই। পর পর দু’টি রঞ্জি ম্যাচে ১৫ উইকেট। চেনা ছন্দে বল করছেন। বাংলা-গুজরাত ম্যাচ দেখতে ইডেনে এসেছিলেন অন্যতম জাতীয় নির্বাচক রুদ্রপ্রতাপ সিংহ। খেলার ফাঁকে শামির সঙ্গে কিছুক্ষণ কথাও বলতে দেখা গিয়েছে ভারতীয় দলের প্রাক্তন জোরে বোলারকে। পারফরম্যান্স, ফিটনেস সবকিছুই এখন সামির পক্ষে। আগরকরের কাজটা চেনা ইডেনেই বোধহয় কঠিন করে দিলেন বাংলার জোরে বোলার। ম্যাচের পর শামি বলেছেন, ‘‘উইকেট নেওয়াই আমার কাজ। এত দিন ধরে এই কাজটাই করে আসছি। আমি আমার কাজ করেছি। আমি ভাগ্যে বিশ্বাসী। দেখা যাক ভাগ্য আমাকে কত দূর নিয়ে যায়। বাকিটা নির্বাচকদের ব্যাপার। অনেক বার বলেছি বাংলার শক্তি জোরে বোলিং। এই দলে একাধিক সেরা পেসার রয়েছে। আমরা ইডেনে দ্রুতগতির উইকেট চাই। যাতে জোরে বোলারেরা সাহায্য পায়। এখনও তেমন পিচ পাইনি আমরা। আশা করছি, আগামী ম্যাচে পাব।’’ পিচের সাহায্য ছাড়াই দু’ম্যাচে ১৫ উইকেট তুলেছেন। সামি আরও বলেছেন, ‘‘ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ক্রিকেটারদের ঘরোয়া ম্যাচ খেলতে বলেছেন। এর মধ্যে ভুল কিছু দেখি না। বিশেষ করে চোট সারিয়ে ফেরা ক্রিকেটারদের ঘরোয়া ম্যাচ খেলেই জাতীয় দলে ফিরতে হবে। নির্বাচকেরাও জাতীয় দলের জন্য ফিট ক্রিকেটারই চান। দেশের হয়ে খেলতে হলে ফিটতো থাকতেই হবে।’’ দু’ম্যাচে প্রায় ৬৯ ওভার বল করা সামি বোধহয় নিজের ম্যাচ ফিটনেসের কথাও আর এক বার মনে করিয়ে দিলেন। উল্লেখ্য, জাতীয় দলে শামিকে বিবেচনা না করার কারণ হিসাবে আগরকর বলেছিলেন, সামির ফিটনেস সংক্রান্ত কোনও তথ্য তাঁদের কাছে ছিল না। ম্যাচের পর সমাজমাধ্যমের স্টোরিতে সামি লিখেছেন, ‘‘কঠিন পরিশ্রম মূল্য দিচ্ছে। ছন্দ ফিরে পেয়ে ভাল লাগছে। নিজের দলের প্রতিনিধিত্ব করতে পারলে সব সময় গর্ব অনুভব করি।’’ বাংলার কোচ লক্ষ্মীও বলে দিলেন, সামির কারও কাছে কিছু প্রমাণ করার নেই। সামিকে সম্ভবত আর ভারতীয় দলের বাইরে রাখতে পারবেন না আগরকরেরা। বড় কোনও অঘটন না ঘটলে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ়েই ফিরতে পারেন বাংলার ক্রিকেটার। অভিষেকের ইডেনেই হতে পারে আম্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাঁর প্রত্যাবর্তন।

আগরকর এ বার আর বলতে পারবেন না, সামির ফিটনেস সম্পর্কে তাঁর জানা নেই। পর পর দু’টি রঞ্জি ম্যাচে ১৫ উইকেট। চেনা ছন্দে বল করছেন। বাংলা-গুজরাত ম্যাচ দেখতে ইডেনে এসেছিলেন অন্যতম জাতীয় নির্বাচক রুদ্রপ্রতাপ সিংহ। খেলার ফাঁকে সামির সঙ্গে কিছুক্ষণ কথাও বলতে দেখা গিয়েছে ভারতীয় দলের প্রাক্তন জোরে বোলারকে। পারফরম্যান্স, ফিটনেস সবকিছুই এখন সামির পক্ষে। আগরকরের কাজটা চেনা ইডেনেই বোধহয় কঠিন করে দিলেন বাংলার জোরে বোলার। ম্যাচের পর সামি বলেছেন, ‘‘উইকেট নেওয়াই আমার কাজ। এত দিন ধরে এই কাজটাই করে আসছি। আমি আমার কাজ করেছি। আমি ভাগ্যে বিশ্বাসী। দেখা যাক ভাগ্য আমাকে কত দূর নিয়ে যায়। বাকিটা নির্বাচকদের ব্যাপার। অনেক বার বলেছি বাংলার শক্তি জোরে বোলিং। এই দলে একাধিক সেরা পেসার রয়েছে। আমরা ইডেনে দ্রুতগতির উইকেট চাই। যাতে জোরে বোলারেরা সাহায্য পায়। এখনও তেমন পিচ পাইনি আমরা। আশা করছি, আগামী ম্যাচে পাব।’’ পিচের সাহায্য ছাড়াই দু’ম্যাচে ১৫ উইকেট তুলেছেন। সামি আরও বলেছেন, ‘‘ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ক্রিকেটারদের ঘরোয়া ম্যাচ খেলতে বলেছেন। এর মধ্যে ভুল কিছু দেখি না। বিশেষ করে চোট সারিয়ে ফেরা ক্রিকেটারদের ঘরোয়া ম্যাচ খেলেই জাতীয় দলে ফিরতে হবে। নির্বাচকেরাও জাতীয় দলের জন্য ফিট ক্রিকেটারই চান। দেশের হয়ে খেলতে হলে ফিটতো থাকতেই হবে।’’ দু’ম্যাচে প্রায় ৬৯ ওভার বল করা সামি বোধহয় নিজের ম্যাচ ফিটনেসের কথাও আর এক বার মনে করিয়ে দিলেন। উল্লেখ্য, জাতীয় দলে শামিকে বিবেচনা না করার কারণ হিসাবে আগরকর বলেছিলেন, সামির ফিটনেস সংক্রান্ত কোনও তথ্য তাঁদের কাছে ছিল না। ম্যাচের পর সমাজমাধ্যমের স্টোরিতে সামি লিখেছেন, ‘‘কঠিন পরিশ্রম মূল্য দিচ্ছে। ছন্দ ফিরে পেয়ে ভাল লাগছে। নিজের দলের প্রতিনিধিত্ব করতে পারলে সব সময় গর্ব অনুভব করি।’’ বাংলার কোচ লক্ষ্মীও বলে দিলেন, সামির কারও কাছে কিছু প্রমাণ করার নেই। সামিকে সম্ভবত আর ভারতীয় দলের বাইরে রাখতে পারবেন না আগরকরেরা। বড় কোনও অঘটন না ঘটলে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ়েই ফিরতে পারেন বাংলার ক্রিকেটার। অভিষেকের ইডেনেই হতে পারে আম্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাঁর প্রত্যাবর্তন।

ছন্দে মহম্মদ সামি। ভারতীয় দলে জায়গা না পেয়ে কি নিজেকে প্রমাণে মরিয়া হয়ে উঠেছেন বাংলার পেসার? ইডেন গার্ডেন্সে আগের ম্যাচে উত্তরাখণ্ডের বিরুদ্ধে ৭ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। ঘরের মাঠে দ্বিতীয় ম্যাচে গুজরাতের বিরুদ্ধে দুই ইনিংস মিলিয়ে নিলেন ৮ উইকেট। তার মধ্যে দ্বিতীয় ইনিংসে এল ৫ উইকেট। সামির দাপটেই খেলার শেষ দিন দুই সেশনে গুজরাতকে উড়িয়ে দিল বাংলা। ১৪১ রানে এই ম্যাচ জিতে চলতি রঞ্জির মরসুমের শুরুটা ভাল হল বাংলার। ঘরের মাঠে পর পর দু’ম্যাচ জিতল লক্ষ্মীরতন শুক্লার দল। দু’ম্যাচে বাংলার পয়েন্ট ১২। সামিদের ফর্ম খুশি করবে বাংলার ক্রিকেট সংস্থার নতুন সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে। সামিকে অস্ট্রেলিয়া সিরিজ়ের দলে না নেওয়ার পর ভারতের নির্বাচক প্রধান অজিত আগরকর জানিয়েছিলেন, সামির ফিটনেস সম্পর্কে কোনও তথ্য তাঁদের কাছে নেই। রঞ্জির প্রথম ম্যাচে নামার আগে জবাব দিয়েছিলেন সামি। জানিয়েছিলেন, তথ্য দেওয়া তাঁর কাজ নয়। তাঁর সঙ্গে বোর্ড যোগাযোগ করেনি। শামি প্রশ্ন করেন, তিনি যদি রঞ্জি খেলতে পারেন, তা হলে এক দিনের ক্রিকেট কেন খেলতে পারবেন না? সামি পর পর দু’ম্যাচে জবাব দিলেন। বার্তা দিলেন আগরকরদের। সামনেই দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজ। সেখানে কি শামিকে অবহেলা করতে পারবেন আগরকরেরা? বিশেষ করে তিনি যখন নিজেই বলেন যে জাতীয় দলে জায়গা পেতে হলে ঘরোয়া ক্রিকেটে ভাল খেলতে হবে। সামি তো সেই কাজটাই করলেন। পর পর দু’ম্যাচে।

বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচের ফয়সালার জন্য চতুর্থ দিন ঝুঁকি নিতে হত বাংলাকে। সেটাই করলেন অভিমন্যু ঈশ্বরণেরা। তৃতীয় দিনের শেষে বাংলার রান ছিল ৬ উইকেটে ১৭০। চতুর্থ দিন আর ৪৪ রান যোগ করে ৮ উইকেটে ২১৪ রানের মাথায় ইনিংস ডিক্লেয়ার করে দেয় বাংলা। অনুষ্টুপ মজুমদার করে ৫৮ রান। শেষ বেলায় ১৮ বলে ২৫ রানের ইনিংস খেলেন আকাশদীপ। গুজরাতের সামনে ৩২৭ রানের লক্ষ্য দেয় বাংলা। তারা জানত, গুজরাতের যা ব্যাটিং আক্রমণ তাতে এক দিনের কম সময়ে তাদের পক্ষে এই রান করা কঠিন। পাশাপাশি গুজরাতকে আউট করার জন্য পর্যাপ্ত সময় দরকার ছিল বাংলার বোলারদের। বাংলার ঝুঁকি তাদের ৩ পয়েন্টের জায়গায় ৬ পয়েন্ট এনে দিল। দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ৪৫.৫ ওভার টিকতে পারল গুজরাত। অর্থাৎ, দু’টি সেশনও নয়। একমাত্র ভাল দেখাল উইকেটরক্ষক উর্বিল পটেলকে। ১০৯ রান করে অপরাজিত থাকলেন তিনি। কিন্তু জয়মীত পটেল (৪৫) ছাড়া আর কেউ তাঁকে সঙ্গ দিতে পারলেন না। গুজরাতের আট ব্যাটার দুই অঙ্কে পৌঁছোতে পারেননি। ছ’জন শূন্য রানে আউট হন। ইনিংসের শুরু ও শেষে উইকেট নিলেন সামি। মাঝের ওভারে উইকেট তুললেন গুজরাতের প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেট নেওয়া শাহবাজ় আহমেদ। সামি এমন একজন বোলার, যিনি যত বেশি বল করেন তত ফিট হন। তত ছন্দ খুঁজে পান। চোট সারিয়ে ফেরার পর প্রথম ম্যাচের তুলনায় দ্বিতীয় ম্যাচে অনেক বেশি ভয়ঙ্কর দেখাল তাঁকে। নিজের অভিজ্ঞতা কাজে লাগালেন সামি। ১৮৫ রানে শেষ হয়ে গেল গুজরাত। সামি ছাড়া আকাশদীপ ১ ও শাহবাজ় ৩ উইকেট নিয়েছেন। দুই ইনিংস মিলিয়ে শাহবাজ় ৯ ও আকাশদীপ ২ উইকেট নিয়েছেন। অর্থাৎ, গুজরাতের ২০ উইকেটের মধ্যে ১৯টিই এই তিন বোলারেরা দখলে। বাকি একটি রান আউট।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles