পুজোর মুখেই হাওড়ায় বেধড়ক মার লালবাজারের গোয়েন্দাকে। গ্রেফতার রেস্তরাঁ মালিক-সহ চার অপরাধী। পুলিশ সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হয়েছে। তার ভিত্তিতেই মানস রায়-সহ চার জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন, ঘটনায় আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হাওড়ার হোটেলে অনৈতিক কাজকর্ম। হাওড়ায় চাঞ্চল্যকর ঘটনা। মাঝরাতে আবাসনের ভিতরে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগের এক অফিসারকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ। গুরুতর জখম অবস্থায় ওই পুলিশকর্তাকে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। ঘটনায় এক রেস্তরাঁ মালিক -সহ চার জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁদের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টা, শ্লীলতাহানি-সহ একাধিক গুরুতর ধারায় মামলা রুজু হয়েছে মানস রায় ও দলবলকে। ঘটনা হাওড়ার চ্যাটার্জিহাট থানা এলাকার এসএন গাঙ্গুলি রোডে। ঐ দিন ভোরে দু’পক্ষের মধ্যে শুরু হয় বিবাদ। অভিযোগ, সেই সময় বহিরাগতদের ডেকে এনে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগের সাব ইন্সপেক্টর অমিতকুমার সিংকে মারধর করা হয়। অভিযোগের আঙুল সরাসরি আবাসনেরই আর এক বাসিন্দা মানস রায়ের দিকে। আক্রান্ত অফিসারের স্ত্রী জানান, ‘‘মানস রায়ের রেস্তরাঁর কয়েকজন কর্মী আবাসনে থাকে। নিরাপত্তার কারণে তাঁদের পরিচয়পত্র জমা দিতে বলা হয়েছিল। সেই নিয়েই বচসা বাঁধে। তার পরেই মানস বাইরে থেকে লোক ডেকে আক্রমণ চালায়। আমাকে পর্যন্ত মারধর করা হয়েছে।’’ অন্যদিকে অভিযুক্ত মানসের পরিবারের দাবি, প্রথমে পুলিশ অফিসারই তাঁদের কর্মীদের মারধর করেছিলেন। মানসের ভাইপো তুহিন রায়ের বক্তব্য, ‘‘কোনও কারণ ছাড়াই আমাদের কর্মীদের উপর হামলা চালান উনি। তার পর থেকেই অশান্তি শুরু হয়।’’ পুলিশ সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হয়েছে। তার ভিত্তিতেই মানস রায়-সহ চার জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন, ঘটনায় আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
প্রশ্ন উঠছে, কে এই মানস রায়। কিভাবে চালান এই সব কাজকর্ম। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতার প্রভাব খাটিয়ে অবৈধ কাজকর্মের অভিযোগ রয়েছে এই মানস রায়ের বিরুদ্ধে। এমনকি শতাধিক অভিযোগের মামলায় অভিযুক্ত মানস রায়। এক সময়ে এক সাংবাদিককে প্রাণে মারার হুমকি ও প্রতারনাও করে এই মানস রায়, বলে গুরুতর অভিযোগ। প্রচ্ছন্ন হুমকি দিতেও বেশ সচল হাওড়ার মানস বলে অভিযোগ। সম্প্রতি হাওড়ায় বেধড়ক মার লালবাজারের গোয়েন্দাকে। গ্রেফতার রেস্তরাঁ মালিক-সহ চার অপরাধী। পুলিশ সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হয়েছে। তার ভিত্তিতেই মানস রায়-সহ চার জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন, ঘটনায় আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হাওড়ার হোটেলে অনৈতিক কাজকর্ম। হাওড়ায় চাঞ্চল্যকর ঘটনা। গোয়েন্দা অফিসারকে মারধোর করতেও রোয়াত করছে না এই মানস, বলে অভিযোগ। মানসের ভয়ে শঙ্কিত অনেকেই বলে অভিযোগ।





