রহিম নবি, মেহেতাব হোসেন, শিল্টন পাল
ফুটবল বাঁচাতে উদ্যোগী মিডিওরা। ফুটবলের বন্ধনে জমাটি আড্ডায় আবদ্ধ হলেন ভারতীয় ফুটবল দলের দুই প্রাক্তনী মেহতাব হোসেন এবং রহিম নবি। কীভাবে বেঁচে থাকবে বাঙালির সেরা খেলা ফুটবল? কেন্দ্র এবং রাজ্য। এই দুই সরকার ফুটবলের প্রতি আরও সহৃদয় হলেই বাঁচবে বাংলা ও বাঙালির ফুটবল। মেহতাবের কথায়, “বিদেশে ফুটবল খেলায় যে পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করা হয়, ভারতে তা হয় না। আর তা হয় না বলেই ভারতীয় ফুটবলের বিকাশ হচ্ছে না।” পুজোর বিষয়ে বলতে পারি বিশেষ কিছু পারিবারিক সমস্যার কারণে এবার আমার বাড়িতে দূর্গাপূজো হচ্ছে না।

রহিম নবি চাইছেন, ফুটবল হোক ‘কম্পালসরি’। ভারতীয় ফুটবলের উন্নতির জন্য তাঁর পরামর্শ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বাধ্যতামূলক করা হোক ফুটবল। ‘ইন্টার স্কুল’, ‘ইন্টার কলেজ’ ফুটবল প্রতিযোগিতার পক্ষেই সওয়াল নবির। পূজো প্রসঙ্গে নবি বলেন, দূর্গাপূজো বরাবরই দেখা হয়। তবে আমার মতে কোটি কোটি টাকা এরকমভাবে উৎসবে না উড়িয়ে যদি মানুষের কাজে ব্যয় করা হতো তাহলে হয়তো অনেক অনেক মানুষ উপকৃত হতেন।
বাবা, স্বামী, প্রশাসক, অভিনেতা, ব্যবসায়ী- শিল্টন বহু হাতে এখনও ‘গোলকিপিং’ এ ব্যস্ত। মোহনবাগানের ‘বাজপাখি’ এই বছর দ্বিতীয়বার বাবা হয়েছেন। নতুন দায়িত্বে ‘ঘরে’ ফিরেছেন। ‘কৃতজ্ঞতা’ নিয়েই শিল্টন মেতে উঠবেন দুর্গোৎসবে। গত বছর পুজোর ঠিক আগেই ফুটবলকে বিদায় জানান শিল্টন। অভিমান ছিল তাতে? মোহনবাগানের প্রাক্তন গোলকিপার এখন প্রশাসনিক দায়িত্বে, সবুজ-মেরুনের যুব ফুটবল সচিব পদে। আগস্টের শুরুতে দ্বিতীয়বার বাবা হয়েছেন। তিন থেকে চার হয়েছে শিল্টন-সায়নার পরিবার।। মোহনবাগানের হয়ে ২০১৫ সালে আই লিগ জয়ী অধিনায়ক শিল্টন পালের কথায়, “পুজোয় প্রথম দুয়েকদিন আমার কিছু উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আছে। এবার কয়েকটা পুজো পরিক্রমা আছে। নিজের ব্যবসা আছে, রিসর্ট বা রেস্টুরেন্ট সামলানো। অন্যান্য বার নবমী-দশমীতে বন্ধুবান্ধব, পরিবারের সঙ্গে বেরতাম। কলকাতাতেই থাকি, একটু রাতের দিকে ঘুরতে বেরতাম। প্রতি বছর বন্ধুবান্ধব আসে, বাড়িতেই পার্টি হয়। বলা যায়, বাড়িতেই একটা উৎসব। ২০২৫ এ দ্বিতীয়বার বাবা হওয়া আমার কাছে অন্যতম বড় প্রাপ্তি। ২০২৫-টা স্পেশাল।”





