সিএবি-তে এখন নির্বাচনী। ১৪ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। বাংলার এক বয়সভিত্তিক টিমের কোচের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ। ওই কোচের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ জমা পড়েছে সিএবি-র কাছে। দু’জন মহিলা সাপোর্ট স্টাফ ওই কোচের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন। যার মধ্যে একজন ফিজিও রীতিমতো লিখিতভাবে অভিযোগ জমা দিয়েছেন সিএবি-র কাছে। একজন মৌখিকভাবে অভিযোগ করেছেন। দু’জনেরই যৌন হেনস্তার অভিযোগ। কেউ কেউ বলছেন, বাংলার ওই বয়সভিত্তিক টিমের কোচ ফিজিওদের যৌন উস্কানিমূলক মেসেজ করতেন। যা বেশ কিছুদিন ধরেই চলে আসছিল। শেষপর্যন্ত বাধ্য হয়ে ওই দুই ফিজিও সিএবি-র কাছে অভিযোগ জানান। পুরোটাই বাংলা ক্রিকেটে রীতিমতো নজিরবিহীন ঘটনা। স্মরণকালে বাংলার কোনও কোচের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ জমা পড়েছে বলে মনে করা যাচ্ছে না। সিএবি এখনই এটা নিয়ে কিছু সরকারিভাবে বলতে রাজি নয়। তারা তদন্তের অপেক্ষায়। তবে অভিযোগ যে জমা পড়েছে, সেটা সিএবি-র তরফে স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে। মহিলা ক্রিকেট নিয়ে সিএবি’র এক বিশেষ কমিটি রয়েছে। যেখানে বেশ কয়েকজন প্রাক্তন ক্রিকেটার রয়েছেন। সিএবি’র তরফে বলা হচ্ছে, পুরো ব্যাপারটার তদন্ত হবে। তবে যেহেতু এখন নির্বাচনী প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে, তাই বর্তমানে কোনও কমিটি নেই। আগামী ২২ সেপ্টেম্বর সিএবির বার্ষিক সাধারণ সভা। সেদিনই নতুন কমিটি তৈরি হবে। যৌন হেনস্তার এই অভিযোগ নিয়ে সিদ্ধান্ত নতুন কমিটিই নেবে। সিএবির তরফে কেউ কেউ বলছিলেন, এটা মারাত্মক অভিযোগ। পুরো ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হবে। তদন্তে যদি প্রমাণ হয় যে সংশ্লিষ্ট বাংলার ওই কোচ সত্যি দোষী, তাহলে তাঁকে কঠোরতম শাস্তি দেওয়া হবে।
বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন শচীন তেণ্ডুলকর! বোর্ডের নির্বাচনী দামামা বাজতেই এমন জল্পনা ছড়িয়েছিল ক্রিকেটমহলে। গোটা বিষয়টি নিয়ে এবার ক্রিকেটের ঈশ্বর স্বয়ং মুখ খুললেন। সাফ জানিয়ে দিলেন, বোর্ড প্রেসিডেন্ট হওয়া নিয়ে তিনি কিছুই জানেন না। এই প্রসঙ্গে যা কিছু রটনা হচ্ছে সেসব ভুল বলেও দাবি করা হয়েছে শচীনের তরফে। চলতি মাসের শেষের দিকেই হতে চলেছে ভারতীয় বোর্ডের নির্বাচন। তা আপাতত হচ্ছে লোধা আইন মেনে। কারণ, জাতীয় ক্রীড়া আইনের নিয়মকানুন ঠিক হতে এখনও সময় লাগবে। অত অপেক্ষা নাকি আর করতে ইচ্ছুক নয় ভারতীয় বোর্ড। যেহেতু রজার বিনির বয়স ৭০ বছর পেরিয়ে গিয়েছে, তাই লোধা আইনে তাঁর পক্ষে আর প্রেসিডেন্ট হওয়া সম্ভব নয়। বিশ্বকাপজয়ী বিনির পরিবর্ত হিসাবে কোনও হেভিওয়েট ক্রিকেটারকেই বোর্ডের প্রেসিডেন্ট পদে বসানোর বিষয়ে ভাবনাচিন্তা চলছে বিসিসিআইয়ের অন্দরে। বিনির আগে বোর্ড প্রেসিডেন্ট ছিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। যিনি দেশের সর্বকালের অন্যতম সেরা অধিনায়ক হিসেবে পরিচিত। তাই বিনির উত্তরসূরি হিসাবেও বিরাট মাপের কোনও ক্রিকেটার কুর্সিতে বসুন, এমনটাই চাইছে বিসিসিআই। তখনই চর্চায় উঠে আসে স্বয়ং ক্রিকেটের ঈশ্বরের নাম। খবর ছড়ায়, আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ নিজেই বহুদিন ধরে এই বিষয়টি নিয়ে উদ্যোগী হয়েছেন। তিনিই শচীনকে প্রস্তাব দিয়েছেন বোর্ডের প্রশাসনে আসার জন্য়। মাসখানেক আগে অ্যান্ডারসন-তেন্ডুলকর ট্রফি চলাকালীন লর্ডস টেস্টে এই নিয়ে শচীনের সঙ্গে শাহর আলোচনাও হয়েছে বলে শোনা যায়। যাবতীয় জল্পনায় জল ঢেলে দিলেন শচীন। বৃহস্পতিবার শচীনের ম্যানেজমেন্টের তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়, ‘বিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট পদে শচীন তেণ্ডুলকরের নাম ভাবা হচ্ছে বা মনোনীত করা হয়েছে, এমন বেশ কিছু খবর আমাদের নজরে এসেছে। আমরা বিশেষভাবে জানাতে চাই, এমন কোনও ঘটনা ঘটেনি।’ ফলে ২৮ সেপ্টেম্বরের নির্বাচনে কে বোর্ড প্রেসিডেন্ট হতে চলেছেন, সেই নিয়ে আগ্রহ আরও বাড়ল।





