Tuesday, July 28, 2026

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

অবনমন রাউন্ডে খেলতে হবে শতাব্দিপ্রাচীন দলকে?‌ কলকাতা লিগে ১৪ বারের চ্যাম্পিয়ন মহমেডান খেলবে ‘রেলিগেশন রাউন্ড’-এ

কলকাতা লিগে ১৪ বারের চ্যাম্পিয়ন মহমেডানকে এ বার খেলতে হবে ‘রেলিগেশন রাউন্ড’। শুক্রবার ব্যারাকপুরে লিগের শেষ ম্যাচে মহমেডান ১-১ ড্র করে ইউনাইটেড কলকাতার সঙ্গে। অন্য ম্যাচে কল্যাণীতে কলকাতা পুলিশকে ১-০ গোলে হারিয়ে ‘রেলিগেশন রাউন্ডে’ খেলার হাত থেকে বাঁচল এরিয়ান। ‘রেলিগেশন রাউন্ড’-এ খেলা থেকে বাঁচার লড়াইয়ে মহমেডান এবং এরিয়ান ছিল। ১২ ম্যাচে মহমেডানের পয়েন্ট হল ১১। পয়েন্ট তালিকায় তারা একাদশ স্থানে নেমে গেল। এরিয়ান ১ পয়েন্ট বেশি নিয়ে চলে এল দশম স্থানে। তাদের আর ‘রেলিগেশন রাউন্ড’ খেলতে হবে না। এই গ্রুপে কলকাতা পুলিশ এবং সাদার্ন সমিতি আগেই ‘রেলিগেশন রাউন্ড’-এ চলে গিয়েছে। সুপার সিক্সে উঠেছে ইউনাইটেড এসসি, ইউনাইটেড কলকাতা এবং ভবানীপুর। মরণ-বাঁচন ম্যাচে একেবারেই ভাল খেলতে পারেনি মহমেডান। প্রথমার্ধেই গোল খেয়ে যায় তারা। ম্যাচের একেবারে শুরুতে ৬ মিনিটের মাথায় বাবাই পৈলান ইউনাইটেড কলকাতাকে এগিয়ে দেন। পিছিয়ে পড়ে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি মহামেডান। দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে ফেরার প্রবল চেষ্টা করেন মেহরাজউদ্দিন ওয়াডুর দল। ৫৫ মিনিটে লালঙ্গাইলসাকার গোলে সমতায় ফেরে তারা। এরপর বেশ কিছু সুযোগ পেলেও ব্যবধান বাড়াতে পারেনি শতাব্দী প্রাচীন মহামেডান। দুই গ্রুপের প্রথম তিনটি দলকে নিয়ে ‘চ্যাম্পিয়নশিপ রাউন্ড’এর মতোই শেষ তিনটি দলকে নিয়ে হয় ‘রেলিগেশন রাউন্ড’। এই রাউন্ডে প্রতিটি দল একে অপরের বিরুদ্ধে এক বার করে খেলবে। পয়েন্টের বিচারে যে দু’টি দল সকলের নীচে শেষ করবে, তারা নেমে যাবে প্রথম ডিভিশনে। ‘রেলিগেশন রাউন্ড’-এ গ্রুপ পর্বের পয়েন্ট যোগ করা হবে। মহমেডানের পয়েন্ট ১১ থাকায় কিছুটা সুবিধাজনক পরিস্থিতিতে।

বিরাট জয় দিয়ে জাতীয় মহিলা চ্যাম্পিয়নশিপ, রাজমাতা জিজাভাই ট্রফিতে যাত্রা শুরু বাংলার মেয়েদের। প্রতিপক্ষ মেঘালয়ের বিরুদ্ধে ‘সেভেন স্টার’ পারফরম্যান্স সুলঞ্জনা, সুস্মিতাদের। হ্যাটট্রিক করলেন সুলঞ্জনা রাউল। বাংলার প্রমীলা ব্রিগেডের ঝড়ের সামনে কার্যত খড়কুটোর মতো উড়ে গেল মেঘালয়। ৭-০ গোলে জয় পেল বাংলা। কৃষ্ণনগরের রায় মেমোরিয়াল ডিস্ট্রিক্ট স্টেডিয়ামে শুরু থেকে দাপুটে মেজাজে দেখা যায় বাংলার মেয়েদের। তাঁদের একের পর এক আক্রমণ আছড়ে পড়ে মেঘালয়ের রক্ষণভাগে। ডিফেন্সিভ কৌশল নিয়েও কাজের কাজ করতে পারেনি উত্তর-পূর্বের এই দল। বরং সুযোগ কাজে লাগিয়ে বিপক্ষকে গোলের মালা পরাল বাংলা। প্রথমেই সুলঞ্জনা রাউলের গোলে এগিয়ে যায় বাংলা। মেঘালয়ের দুই ডিফেন্ডারকে পরাস্ত করে গোলটি ছিল দর্শনীয়। তাঁর গোলেই ব্যবধান দ্বিগুণ করে বাংলা। অসাধারণ এক ডিফেন্স চেরা বল পেয়ে বিপক্ষের রক্ষণভাগের খেলোয়াড়কে বোকা বানিয়ে পেনাল্টি বক্সে বাঁ পায়ে শট নেন সুলঞ্জনা। বাঁ-দিকে ঝাঁপিয়েও নাগাল পাননি মেঘালয়ের গোলকিপার। দূরপাল্লার শটে বিশ্বমানের গোল করেন সুস্মিতা লেপচা। চতুর্থ গোল মৌসুমি মুর্মুর। গোল করেন রিম্পা হালদার, মমতা হাঁসদাও। ৫৪ মিনিটে সুলঞ্জনাকে রুখতে পেনাল্টি বক্সের বাইরে বেরিয়ে এসেছিলেন মেঘালয় গোলকিপার। গোলকিপারের সেই ‘ভুল’কে কাজে লাগান তিনি। গোলকিপার এবং আরেক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে ফাঁকা গোলে বল জড়িয়ে দিয়ে হ্যাটট্রিক সম্পন্ন করেন সুলঞ্জনা। ৩০তম রাজমাতা জিজাভাই ট্রফিতে বাংলার পরের ম্যাচ ৮ সেপ্টেম্বর, রেলওয়েজের বিরুদ্ধে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles