সর্বজন প্রশংসিত অধিনায়ক শুভমন গিল। লর্ডসে ভারতের চতুর্থ জয়ের জন্য ঝাঁপাবেন। এজবাস্টনে বিশাল জয় তুলে নিয়ে ভারত পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। সকলের নজর এখন লর্ডসের দিকে। ভারত ও ইংল্যান্ডের মধ্যে পাঁচ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ বর্তমানে ১-১। তৃতীয় টেস্ট ঐতিহাসিক লর্ডসে। ম্যাচের ফলাফল পুরো সিরিজের গতিপথ নির্ধারণ করতে পারে। প্রথম টেস্টে ইংল্যান্ড ৫ উইকেটে জয় পেলেও, দ্বিতীয় টেস্টে ভারত দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে ৩৩৬ রানে ম্যাচ জিতে সমতা ফেরায়। শুভমন গিল ব্যাট হাতে জ্বলে ওঠেন। জসপ্রীত বুমরার পরিবর্তে দলে আসা আকাশ দীপও অনবদ্য। অধিনায়ক হওয়ার পর থেকে অসাধারণ ছন্দে শুভমান গিল। পরপর দু’টি টেস্টে সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন। এজবাস্টন টেস্টে প্রথম ইনিংসে দুর্দান্ত ২৬৯ রানের পর, দ্বিতীয় ইনিংসে করেছেন ১৬১। প্রথমবার টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ ১০-এ উঠে এসেছেন টিম ইন্ডিয়ার টেস্ট অধিনায়ক। ক্রমতালিকায় অনেকটা এগিয়েছেন আকাশ দীপও। ২৫ বছর বয়সি এই ক্রিকেটার ১৫ ধাপ এগিয়ে এখন ষষ্ঠ স্থানে। আগে ছিলেন ২১ নম্বরে। পয়েন্ট ৮০৭। যশস্বী জয়সওয়াল চতুর্থ স্থানে। পয়েন্ট ৮৫৮। ঋষভ পন্থ আট নম্বরে, পয়েন্ট ৭৯০। ক্রমতালিকায় সপ্তম স্থানে ছিলেন পন্থ। হেডিংলি টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে একটি অর্ধশতরান করলেও দু’টি টেস্টে বড় ইনিংস গড়তে ব্যর্থ জো রুট। শীর্ষস্থান খোয়াতে হয়েছে। রুটকে টপকে শীর্ষে উঠে এসেছেন তাঁরই সতীর্থ হ্যারি ব্রুক। বার্মিংহামে একটি সেঞ্চুরি-সহ দু’টি টেস্ট মিলিয়ে ২৮০ রান। জেমি স্মিথের ১৬ ধাপ উঠে এসে আইসিসি’র ক্রমতালিকায় ১০ নম্বরে। জশপ্রীত বুমরাহ বোলারদের তালিকায় শীর্ষস্থানে, রেটিং পয়েন্ট ৮৯৮। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছেন কাগিসো রাবাডা এবং প্যাট কামিন্স। এজবাস্টনে দুই ইনিংস মিলিয়ে ১০ উইকেট নিয়ে ৮৪ থেকে ৪৫ নম্বরে উঠে এসেছেন আকাশ দীপ। দ্বিতীয় টেস্টে ৭ উইকেট নিয়ে ক্রমতালিকায় ২৮ থেকে ২২ নম্বরে উঠে এসেছেন মহম্মদ সিরাজ। অলরাউন্ডারদের তালিকায় এক ধাপ এগিয়ে উইয়ান মুল্ডার। টেম্বা বাভুমার অনুপস্থিতিতে বুলাওয়েতে জিম্বাবোয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার নেতৃত্ব দিয়েছেন উইয়ান মুল্ডার। এক ইনিংসে ৩৬৭ রানের ইনিংস অপরাজিত ইনিংস খেলার পর ৫৬ থেকে ২২ নম্বরে উঠেছেন তিনি। অলরাউন্ডারদের তালিকায় শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন রবীন্দ্র জাদেজা। মেহেদি হাসান মিরাজ রয়েছেন দ্বিতীয় স্থানে।
ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তৃতীয় টেস্টে নামার আগে শুভমন আরও পাঁচ কীর্তির সামনে। গড়তে পারেন লর্ডসেই। অধিনায়ক হিসাবে এক টেস্ট সিরিজ়ে সর্বাধিক রানের রেকর্ড গড়তে পারেন শুভমন। ভাঙতে পারেন স্যর ডন ব্র্যাডম্যানের নজির। ১৯৩৬-৩৭ অ্যাশেজ় সিরিজ়ে অধিনায়ক হিসাবে ৮১০ রান করেছিলেন ব্র্যাডম্যান। শুভমন দুই টেস্টেই করেছেন ৫৮৫ রান। ব্র্যাডম্যানের রেকর্ড ভাঙতে দরকার ২২৫ রান। প্রথম দুই টেস্টে তিনটে শতরান করেছেন শুভমন। তার মধ্যে একটা দ্বিশতরান। ১৯৫৫ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ়ে পাঁচটা শতরান করেছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের প্রাক্তন ক্রিকেটার ক্লাইড ওয়ালকট। সেটাই এক টেস্ট সিরিজ়ে কোনও ক্রিকেটারের করা সর্বাধিক শতরান। রেকর্ড ভাঙতে তিনটে শতরান দরকার শুভমনের। লর্ডসে জোড়া শতরান করলেই ওয়ালকটকে ছুঁয়ে ফেলবেন। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে এক টেস্ট সিরিজ়ে সর্বাধিক রান করার রেকর্ড রয়েছে শুভমনেরই সতীর্থ যশস্বী জয়সওয়ালের দখলে। গত বছর দেশের মাটিতে পাঁচ টেস্টের সিরিজ়ে ৭১২ রান করেছিলেন তিনি। শুভমন দুই টেস্টেই করেছেন ৫৮৫ রান। অর্থাৎ, আর ১২৮ রান করলেই ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে এক টেস্ট সিরিজ়ে সর্বাধিক রানের রেকর্ড গড়বেন তিনি। লর্ডসেই তা হতে পারে। অধিনায়ক হিসাবে টেস্টে দ্রুততম ১০০০ রানের কীর্তি গড়তে পারেন শুভমন। এই রেকর্ড রয়েছে ব্র্যাডম্যানের দখলে। ১০০০ রান করতে তাঁর লেগেছিল ১১ ইনিংস। শুভমন যদি ইংল্যান্ড সিরিজ়ের বাকি ছ’টা ইনিংসে ৪১৫ রান করতে পারেন তা হলেই রেকর্ড গড়বেন। ১৯৭১, ১৯৮৬ ও ২০০৭ সালে ইংল্যান্ডের মাটিতে ভারত টেস্ট সিরিজ জিতেছে। কিন্তু সেগুলো সব তিন টেস্টের সিরিজ় ছিল। চার বা পাঁচ টেস্টের সিরিজ় শুরু হওয়ার পর ইংল্যান্ডের মাটিতে ভারত সিরিজ় জিততে পারেনি। গত বার পাঁচ টেস্টের সিরিজ় ২-২ ড্র হয়েছিল। এ বার শুভমনের কাছে সুযোগ রয়েছে পাঁচ টেস্টের সিরিজ় জেতার। লর্ডসে ম্যাচ জিতলে সেই পথে একধাপ এগিয়ে যাবেন।
লর্ডসে অধিনায়ক শুভমন ও সহ-অধিনায়ক ঋষভ পন্থ মঙ্গলবার অনুশীলন করেননি। ছিলেন না ওয়াশিংটন সুন্দর, মহম্মদ সিরাজ, আকাশদীপ, লোকেশ রাহুল এবং যশস্বী জয়সওয়ালও। তৃতীয় টেস্টে ভারতের প্রথম একাদশে যাঁদের খেলার সম্ভাবনা, তাঁদের মধ্যে করুণ নায়ার, জসপ্রীত বুমরাহ, নীতীশ রেড্ডি ও রবীন্দ্র জাডেজাকে অনুশীলন করতে দেখা গিয়েছে। ভারতের প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর ও সহকারী কোচদের নজরদারিতে অনুশীলন সারেন শার্দূল ঠাকুর, কুলদীপ যাদব ও অর্শদীপ সিংহও। লর্ডসে বুমরাহ খেলবেন। বসবেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। লর্ডসের নেটে অনেক ক্ষণ ব্যাটিং অনুশীলন করতে দেখা যায় প্রসিদ্ধকে। বোলিং কোচ মর্নি মর্কেলের সামনে বলও করেন। মঙ্গলে হালকা অনুশীলন করেন ভারতীয় ক্রিকেটারেরা। সকলের নজর ছিল বুমরাহের দিকে। হেডিংলেতে খেলার পর এজবাস্টনে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল। বুমরাহ পুরোদমে বল করেছেন। তাঁর বলের সামনে সমস্যায় পড়তে দেখা যায় করুণ, সাই সুদর্শনকে। মাঝেমধ্যে সতীর্থ ও কোচিং স্টাফদের সঙ্গে মজাও করছিলেন। শুভমনের প্রশংসা করতে গিয়ে শাস্ত্রী-কার্তিকের মধ্যে উঠল কেকেআর থেকে গিলকে ছাঁটাইয়ের প্রসঙ্গ। লর্ডসে নামার আগে অনেক ক্ষণ ব্যাটিং অনুশীলন করতে দেখা যায় জাদেজাকে। এজবাস্টনে দুই ইনিংসেই অর্ধশতরান করেছেন। লর্ডসের উইকেটে ঘাস বেশি থাকায় সেখানেও জাদেজাকে প্রয়োজন ভারতের। তাই ব্যাটিংয়ের দিকে নজর দেন। গম্ভীরের সঙ্গে অনেক ক্ষণ কথাও বলতে দেখা যায়। দীর্ঘ স্পেল করেন নীতীশও। সবুজ উইকেটে চতুর্থ পেসারের দায়িত্ব সামলাবেন। হেডিংলে ও এজবাস্টনে যে উইকেটে খেলা হয়েছে, লর্ডসে তা পাবে না ভারত। এই মাঠে সাধারণত বোলারদের দাপট দেখা যায়। সে কথা মাথায় রেখেই দল নির্বাচন করতে চাইবেন গম্ভীর।
১০ জুলাই, বৃহস্পতিবার থেকে লর্ডসে শুরু তৃতীয় টেস্ট। মাঠে নামার আগে ইংরেজ অধিনায়ক জানিয়ে দেন শুভমানকে থামানোর জন্য বিশেষ পরিকল্পনা সেরে রেখেছেন। প্রশ্ন করা হয়, শুভমান গিলকে কি লর্ডসে থামাতে পারবে ইংল্যান্ড? উত্তরে স্কোকস বলেন, “হ্যাঁ, কেন নয়? দেখুন, প্রত্যেক ভারতীয় ব্যাটারের জন্য আমাদের নির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। তবে, ভালো খেলোয়াড়রা ভালো খেলবেই। ও (গিল) প্রথম দু’টো ম্যাচে দুর্দান্ত খেলেছে।” তৃতীয় টেস্টের একদিন আগে দল ঘোষণা করেছে ইংল্যান্ড। প্রত্যাশামতোই দলে সুযোগ পেয়েছেন তারকা পেসার জোফ্রা আর্চার। ইংরেজ অধিনায়কের মন্তব্য,“ও (আর্চার) যেভাবে ইনজুরির ধাক্কা সামলেছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। যেভাবে ও মাঠে ফিরেছে, তা তারিফযোগ্য। দ্বিতীয় টেস্টের ওকে স্কোয়াডে রাখা হয়েছিল। আর্চার লর্ডসে প্রথম এগারোয় থাকবে। দু’টো বড় বড় চোটের ধাক্কা সামলে এভাবে ফিরে আসায় ও নিশ্চয়ই খুব গর্বিত হবে। ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে ওর জুড়ি মেলা ভার। ইংল্যান্ডের হয়ে যখনই খেলেছে, উজাড় করে দিয়েছে। সবাই জানে, বল হাতে ও কী করতে পারে।”
লর্ডসে ভারতের সাম্প্রতিক তিন সফরের মধ্যে দুটি জয় এসেছে। একটি ২০১৪ সালে এমএস ধোনির অধিনায়কত্বে এবং আরেকটি ২০২১-২২ সালে বিরাট কোহলির নেতৃত্বে। লর্ডসে ভারতের পরিসংখ্যান হল ১৯টি টেস্ট ৩টি জয়, ১২টি হার, ৪টি ড্র। ভারত প্রথমবার লর্ডসে জেতে ১৯৮৬ সালের সফরে। ম্যাচে ভারত টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। গ্রাহাম গুচ করেন ১১৪ রান, ইংল্যান্ড তোলে ২৯৪। চেতন শর্মা নেন ৫ উইকেট (৫/৬৪)। দিলীপ বেঙ্গসরকারের অপরাজিত ১২৬ রান ভারতকে পৌঁছে দেয় ৩৪১-এ এবং ৪৭ রানের লিড পায়। দ্বিতীয় ইনিংসে কপিল দেব ৪/৫২ নিয়ে ইংল্যান্ডকে ৩৫/৩-এ নামিয়ে দেন। তারপর মানিন্দর সিং ৩/৯ নিয়ে নীচের দিকটা ভেঙে দেন। ইংল্যান্ড অলআউট হয় ১৮০ রানে। ভারত ১৩৪ রানের টার্গেট পেরিয়ে ১-০ এগিয়ে যায়। ২০১৪ সালে ভারতের লর্ডস জয় আসে ধোনির নেতৃত্বে। ইংল্যান্ড প্রথমে ফিল্ডিং নেয়। অজিঙ্ক রাহানের দুর্দান্ত ১০৩ রান ভারতকে নিয়ে যায় ২৯৫-এ। জবাবে গ্যারি ব্যালেন্সের ১১০ রানে ইংল্যান্ড তোলে ৩১৯। ভুবনেশ্বর কুমার ৬/৮২ পান। পরের ইনিংসে মুরলি বিজয়ের ৯৫, জাদেজার ৬৮ ও ভুবনেশ্বরের ৫২ রানে ভারত করে ৩৪২। ইংল্যান্ডের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ৩১৯। ইশান্ত শর্মা ৭/৭৪ নিয়ে মধ্যক্রম ধ্বংস করেন। জো রুট ৬৬ ছাড়া কেউই ৪০-র বেশি করতে পারেননি। ইংল্যান্ড অলআউট হয় ২২৩ রানে, ভারত জয় পায় ৯৫ রানে। বিরাট কোহলির নেতৃত্বে ভারত তৃতীয়বার লর্ডসে জেতে ২০২১-২২ সিরিজে। ইংল্যান্ড ফিল্ডিং নেয়। রোহিত শর্মা (৮৩) ও কেএল রাহুলের ১২৬ রানের উদ্বোধনী জুটি দারুণ শুরু দেয়। রাহুল ২৫০ বলে ১২৯ রানের এক অনবদ্য ইনিংস খেলেন। ভারত তোলে ৩৬৪, জেমস অ্যান্ডারসন পান পাঁচ উইকেট।ইংল্যান্ডের জো রুট ১৮০* রানে অপরাজিত থাকেন, দল তোলে ৩৯১ ও ২৭ রানের লিড নেয়। এরপর ভারতের টপ অর্ডার ভেঙে পড়ে, তবে রাহানের ৬১ ও বুমরাহ অবরাজিত ৩৪ ও সামি ৫৬ অবরাজিত। এই জুটি নবম উইকেটে ৮৯ রান যোগ করে। ভারত তোলে ২৯৮/৮ ডিক্লেয়ার করে, ইংল্যান্ডকে দেয় ২৭২ রানের লক্ষ্য। শেষ দিনে কোহলি বলেছিলেন, ‘ওদের যেন নরক দেখাও’ । ইংল্যান্ডকে মাত্র ১২০ রানে অলআউট করে দেয়। সিরাজ নেন ৪ উইকেট, বুমরাহ নেন ৩টি।
এজবাস্টনে ৬৩ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার টেস্ট জিতেছে ভারতীয় দল। ৩৩৬ রানে ইংল্যান্ডকে হারিয়েছে শুভমান বাহিনী। টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে এটাই ভারতের সবচেয়ে বড় জয়। ইংরেজ বোলারদের রেয়াত না করে ভারত দুই ইনিংস মিলিয়ে ১০১৪ রানের পাহাড় গড়েছে। এমন পরিসংখ্যান লর্ডসে তৃতীয় টেস্টে নামার আগে তাদের যথেষ্ট চিন্তায় রাখছে। এই আবহে তৃতীয় টেস্টের একদিন আগে প্রথম একাদশ ঘোষণা করে ফেলল ইংল্যান্ড। প্রত্যাশামতোই দলে সুযোগ পেয়েছেন তারকা পেসার জোফ্রা আর্চার। দ্বিতীয় টেস্টের আগে তারা দলে নিয়েছিল আর্চারকে। এবার ১৫৯৬ দিন পর শুভমান-পন্থদের জব্দ করতে তৃতীয় টেস্টে ফিরছেন ৩০ বছর বয়সি এই পেসার। ঘণ্টায় ১৫০ কিমি বেগে বল করতে পারেন তিনি। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারির পর থেকে আর কোনও আন্তর্জাতিক টেস্ট খেলেননি আর্চার। ঘটনাচক্রে সেই ম্যাচটিও ছিল ভারতের বিপক্ষে। সেই ভারতের বিরুদ্ধেই প্রত্যাবর্তন ঘটতে চলেছে। সাসেক্সের হয়ে কাউন্টি ম্যাচে নামা আর্চার ১৮ ওভার বল করে ৩২ রানে পেয়েছিলেন ১ উইকেট। কোনও বোলারের পক্ষে ফিট না হয়ে ১৮ ওভার বল করা সম্ভব নয়। তাই দুশ্চিন্তামুক্ত হয়ে আর্চারকে দলে নেওয়ার ব্যাপারে কোনও দ্বিধা করেনি ইংল্যান্ড। আর্চারকে দলে নেওয়া হলেও দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম একাদশে ছিলেন না। আর্চার সুযোগ পেলেও চোট সারিয়ে স্কোয়াডে ফেরা গাস অ্যাটকিনসনকে রাখা হয়নি প্রথম একাদশে। শেষ বার খেলেছিলেন জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে চলতি বছর মে মাসে। ওই ম্যাচেই হ্যামস্ট্রিংয়ে চোটের কবলে। ভারতের বিরুদ্ধে প্রথম দুই টেস্টে খেলতে পারেননি।
লর্ডস টেস্টে ইংল্যান্ডের প্রথম একাদশ: বেন ডাকেট, জ্যাক ক্রাউলি, অলি পোপ, জো রুট, হ্যারি ব্রুক, বেন স্টোকস (অধিনায়ক), জেমি স্মিথ (উইকেটরক্ষক), ক্রিস ওকস, ব্রাইডন কার্স, জোফ্রা আর্চার, শোয়েব বশির।




