Thursday, July 16, 2026

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

শুভমনদের ভোগাচ্ছে বোলিং ব্যর্থতা!‌ ভরসা বাংলার আকাশদীপ, দুশ্চিন্তার কারণ প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ, ওয়াশিংটনরা

বড় রান করেও বিপাকে ভারতীয় দল। প্রথম ম্যাচের মতো এই ম্যাচেও ভোগাচ্ছে বোলিং ব্যর্থতা। মহম্মদ সিরাজ, আকাশ দীপরা যে আক্রমণটা শুরু করেছিলেন, তা পরে আর ধরতে রাখতে পারেননি। দুশ্চিন্তা প্রসিদ্ধ কৃষ্ণকে নিয়ে। উইকেট তুলতে যেমন তিনি বেকায়দায় পড়েছেন, তেমনই টেস্ট ক্রিকেটের ১৪৮ বছরের ইতিহাসে লজ্জার রেকর্ডও গড়েছেন। এজবাস্টনে প্রথম ইনিংসে ভারত করে ৫৮৭ রান। একাই ২৬৯ রান করেন অধিনায়ক শুভমান গিল। যশস্বী জয়সওয়াল ৮৭ ও রবীন্দ্র জাদেজা ৮৯ রান করেন। ভারতের বোলিংয়ের শুরুটাও খারাপ হয়নি। দ্বিতীয় দিনের শেষেই সিরাজ-আকাশ দীপরা ইংল্যান্ডের তিন উইকেট ফেলে দিয়েছিলেন। এমনকী তৃতীয় দিনেই এক ওভারে জো রুট ও বেন স্টোকসকে ফেরান সিরাজ। ভারতের বোলিংয়ের রাশ আলগা হয়ে যায়। জেমি স্মিথ ও হ্যারি ব্রুক দুজনেই সেঞ্চুরি করেন। দুই পেসার উইকেট পেলেও ব্যর্থ প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। ১৩ ওভার করে ৭২ রান দিয়ে কোনও উইকেট পাননি। ইকোনমি রেট ৫.৫৪। তার মধ্যে একটি ওভারে ২৩ রানও দিয়েছেন। সব মিলিয়ে গোটা টেস্ট কেরিয়ারে ওভার প্রতি ৫-র বেশি রান দিয়েছেন। টেস্টে অন্তত পাঁচশো বল করেছেন, এমন বোলারদের মধ্যে প্রসিদ্ধর ইকোনমিই সবচেয়ে খারাপ। ইকোনমি রেট ৫.০৭। ১৪৮ বছরের টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে এত খারাপ ইকোনমি আর কারও নেই। লজ্জার রেকর্ড ছিল বাংলাদেশের শাহাদাত হোসেনের নামে। তিনি ৩৮ ম্যাচে দিয়েছিলেন ৩৭৩১ রান। ইকোনমি রেট ছিল ৪.১৬। প্রসিদ্ধ এই টেস্ট নিয়ে পাঁচটি টেস্ট খেলেছেন, তুলেছেন ১৩টি উইকেট। অ্যাডভান্টেজ নিতে ব্যর্থ টিম ইন্ডিয়া। ভারতের ৫৮৭ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় দিনের শেষে ইংল্যান্ডের রান ছিল ৩ উইকেটে ৭৭। শুক্র শুরুতেই ইংরেজদের ঝটকা দেন মহম্মদ সিরাজ। ২২তম ওভারে তিনি পরপর ফেরান জো রুট (২২) এবং বেন স্টোকস (০)-কে। বাজবলের সার্থক নিদর্শন রেখে ইংল্যান্ড লাঞ্চের আগে ৫ উইকেটে ২৪৯ রান। ৮৪ রানে ৫ উইকেট পড়ে গেলেও ইংল্যান্ড হাল ছাড়েনি। হ্যারি ব্রুক এবং জেমি স্মিথ মিলে বাজবলের মেজাজে রীতিমতো তাণ্ডব চালান ভারতীয় বোলারদের উপর। বিশেষ করে বলে হয় স্মিথের কথা। টি-টোয়েন্টি খেলে মেজাজে ৮০ বলে সেঞ্চুরি করেন। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ ছিলেন তথৈবচ। গত ম্যাচের ভুল থেকে তিনি যে শিক্ষা নেননি। ওভারপিছু দিলেন প্রায় ৮ করে রান। প্রথম টেস্টে খারাপ পারফরম্যান্স করেও তাঁর দলে সুযোগ পাওয়া নিয়ে তাই প্রশ্ন রয়েই গেল। গত ম্যাচে ভারতের স্লিপ ক্যাচিং নিয়ে প্রচুর সমালোচনা হয়েছিল। স্লিপে ক্যাচ ফসকান শুভমান গিল। জাদেজা ফ্লাইট বুঝতে না পেরে হ্যারি ব্রুকের ব্যাটের কানায় লেগে বল চলে যায় স্লিপে দাঁড়ানো শুভমান গিলের কাছে। একটু বেশিই ঝুঁকে দাঁড়ানোয় ক্যাচ তালুবন্দি করতে ব্যর্থ হন গিল। ব্রুক তখন ৬৩ রানে। সেই ব্রুক ১৫৮ রান করে। প্রথম ২ ঘণ্টায় ২৭ ওভারে ১৭২ রান তোলে ইংল্যান্ড। ওভার প্রতি ৬.৩৭ রান তুলেছেন ইংরেজ ব্যাটাররা। বাংলার আকাশদীপের সুইংয়ে পরাস্ত হয়ে বোল্ড ব্রুক ১৫৮ রানে ফিরতেই স্বস্তি ফিরল ভারতীয় শিবিরে। ইংল্যান্ড ৪০৭/৮।

ইংল্যান্ডে ভারতের দ্বিতীয় টেস্টে শুভমানদের ইনিংসের দর্শক পরবর্তী প্রজন্ম। দ্বিতীয় দিনের ম্যাচ দেখে বৈভব সূর্যবংশী-সহ ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ দল। অধিনায়ক শুভমান গিল দ্বিশতরান করেন। ‘রোল মডেলে’র ইনিংস দেখে মুগ্ধ ১৪ বছরের ‘বিস্ময় প্রতিভা’ বৈভব। মুহূর্তে ইংল্যান্ডেই আছে ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ দল। ইংল্যান্ডের তরুণদের সঙ্গে সিরিজ চলছে। সেই ম্যাচ খেলে এজবাস্টনে চলে আসে বৈভবরা। যা সম্ভব হয়েছিল জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমির প্রধান ভিভিএস লক্ষ্মণের জন্য। সেই কথা ফাঁস করে অনূর্ধ্ব-১৯ দলের কোচ হৃষিকেশ কানিতকার বলেন, “ভিভিএস লক্ষ্মণের মনে হয়েছিল, স্টেডিয়ামে বসে ভারতের ম্যাচ দেখা, ছোটদের অনুপ্রাণিত করবে। যে কোনও উঠতি প্রতিভার কাছেই এই দিনটা স্পেশাল।” দ্বিতীয় দিনে শুভমন ৩৮৭ রানে ২৬৯ রান করেন। যার সাক্ষী থাকে বৈভবরা। গিলের ডবল সেঞ্চুরি দেখে উঠে দাঁড়িয়ে হাততালিও দেয় তারা। এছাড়া রবীন্দ্র জাদেজা করেন ৮৯ রান। হৃষিকেশ বলেন, “মূল উদ্দেশ্য ছিল, কীভাবে ইনিংস তৈরি করতে হয়, সেটা শেখা। সব বলেই ছয়-চার মারতে নেই। সঠিক গতিতে রান তুলতে পারলেও কাজ হয়। ঠিক যেভাবে শুভমান করেছে। পরে অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সঙ্গে এই নিয়ে আলোচনায় বসব। জানতে চাইব, ওরা কী শিখেছে। আমার খুব ভালো লাগছে। এটা আমার ইংল্যান্ডে বসে প্রথম টেস্ট দেখা। কীভাবে ম্যাচ খেলতে হয় দেখলাম। অনেক কিছুর অনুপ্রেরণা পেয়েছি। শুভমান গিল আমাদের জন্য রোল মডেল। সবারই স্বপ্ন থাকে, দেশের হয়ে লাল বলে খেলা।” ইংল্যান্ডে অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে ভালো ফর্মে আছে বৈভব। তিন ম্যাচে করেছে ১৭৯ রান, যথাক্রমে ৪৮, ৪৫ ও ৮৬।

পাঁচ উইকেটে ৮৪ রান থেকে পাঁচ উইকেটে ৩৮৭ রান। ষষ্ঠ উইকেটে হ্যারি ব্রুক এবং জেমি স্মিথের ৩৬৮ বলে ৩০৩ রানের অবিশ্বাস্য জুটির সুবাদে এজবাস্টন টেস্টে নিজেদের আশা জিইয়ে রাখল ইংল্যান্ড। একটা সময় মনে হয়েছিল যে প্রথম ইনিংসে বড় লিড পাবে ভারত। কিন্তু ২৩৪ বলে ব্রুকের ১৫৮ রান এবং ২০৭ বলে স্মিথের অপরাজিত ১৮৪ রানের সুবাদে বিশাল চাপে পড়ে যান শুভমন গিলরা। কিন্তু দ্বিতীয় নয়া বলেই ভাগ্য ফেরে ভারতের। নয়া বলে মাত্র ৩১ রান খরচ করে শেষ পাঁচ উইকেট তুলে নেয়। ২০ রানে শেষ পাঁচ উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। অল-আউট হয়ে যায় ৪০৭ রানে। ১৮০ রানের লিড নিয়ে ব্যাটিং করতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে ভারতের স্কোর এক উইকেটে ৬৪ রান। ২৪৪ রানে এগিয়ে ভারত। ক্রিজে আছেন কেএল রাহুল ২৮ রান এবং করুণ নায়ার ৭। নেপথ্যে মহম্মদ সিরাজ এবং আকাশদীপ। ১৯.৩ ওভারে ৭০ রান দিয়ে ছয় উইকেট নেন সিরাজ। জসপ্রীত বুমরাহ না থাকলে জ্বলে ওঠেন। টেস্টে সিরাজ যে চারবার পাঁচ বা তার বেশি উইকেট নিয়েছেন, তিনটিই এসেছে বুমরাহের অনুস্থিতিতে। অন্যদিকে ৮৮ রানে চারটি উইকেট নিয়েছেন আকাশদীপ। ব্রুক এবং স্মিথের ৩০৩ রানের জুটি ভাঙেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ১ উইকেট হারিয়ে ভারত করেছে ৬৪ রান। এগিয়ে ২৪৪ রানে। ক্রিজে কেএল রাহুল ও করুণ নায়ার হাতে দু’দিনের বেশি সময়। এজবাস্টনে জয়ের গন্ধ পাচ্ছে টিম ইন্ডিয়া।

২০ রানের মধ্যে শেষ পাঁচ উইকেট পড়েছে। ম্যাচ হাতের বাইরে বেরিয়ে যাচ্ছে ইংল্যান্ডের। ভারতের ব্যাটিংয়ের সময় কার্যত ‘অনৈতিকভাবে’ রিভিউ নিলেন যশস্বী জয়সওয়াল। ইংরেজ অধিনায়ক বেন স্টোকসের গর্জনকে পাত্তাই দিলেন না বাংলাদেশের আম্পায়ার শরফুদ্দৌল্লা সৈকত। ঘটনাটি ঘটে দ্বিতীয় ইনিংসে ভারতের ব্যাটিংয়ের সময়। ১৮০ রানের বিরাট লিড হাতে নিয়ে নেমেছে টিম ইন্ডিয়া। যশস্বীও শুরু করেছিলেন আক্রমণাত্মক মেজাজে। অষ্টম ওভারে ব্রাইডন কার্সের বল আছড়ে পড়ে তাঁর প্যাডে। আম্পায়ার শরফুদ্দৌল্লা এলবিডব্লু দেন। যদিও রিভিউ নেবেন কি না, সেই বিষয়ে নিশ্চিত ছিলেন না যশস্বী। শেষ পর্যন্ত সতীর্থ কেএল রাহুলের সঙ্গে কথা বলার পর ডিআরএস নেন। ঘড়ির কাঁটা ১৫ সেকেন্ড পেরিয়ে গিয়েছে। অর্থাৎ হিসেবমতো আর রিভিউ নেওয়ার অধিকার নেই যশস্বীর। কিন্তু তারপরও আম্পায়ার রিভিউ দেওয়ায় চটে যান ইংল্যান্ডের অধিনায়ক বেন স্টোকস। চিৎকার করে এগিয়ে যান শরফুদ্দৌল্লার দিকে। তাতে অবশ্য আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত বদলায়নি। স্পষ্টতই বিরক্তি প্রকাশ করতে থাকেন স্টোকস। ২৮ রানে আউট হন যশস্বী। প্রথম ইনিংসেও শরফুদ্দৌল্লার একাধিক সিদ্ধান্তে হতাশ হয়েছিল ইংল্যান্ড। যেগুলো আউট দিলে, ডিআরএসেও ‘আম্পায়ারস কলে’র সুবিধা পেত ইংল্যান্ড। কিন্তু সেটা হয়নি। মজার বিষয়, অস্ট্রেলিয়া সফরে এই যশস্বীকেই বিতর্কিত আউট দিয়েছিলেন শরফুদ্দৌল্লা।

তৃতীয় দিনে এজবাস্টনে কী কী রেকর্ড তৈরি হল?
১) এই প্রথমবার ইংল্যান্ডে টেস্টের এক ইনিংসে পাঁচ উইকেট নিলেন সিরাজ। সার্বিকভাবে সিরাজের টেস্ট কেরিয়ারের দ্বিতীয় সেরা বোলিং ফিগার।
২) টেস্টে সেরা বোলিং ফিগার হয়ে গেল আকাশদীপের। এতদিন তাঁর সেরা বোলিং ফিগার ছিল – ৮৩ রানে তিন উইকেট।
৩) ছয়জন ব্যাটার শূন্য রান করেননি, তারপরও ৪০০ রানের বেশি তোলার নজির গড়ল ইংল্যান্ড। ইতিহাসে প্রথম দল হিসেবে সেই নজির গড়েছে। শূন্য রানে আউট হয়েছেন বেন ডাকেট, ওলি পোপ, বেন স্টোকস, ব্রাইডস কার্স, জোশ টাঙ্গ এবং শোয়েব বশির।
৪) ষষ্ঠ উইকেটে ইংল্যান্ডের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জুটি গড়লেন ব্রুক ও স্মিথ।
৫) ভারতের বিরুদ্ধে তৃতীয়বার যে কোনও উইকেটে ৩০০ রানের বেশি জুটি হল। ২০১১ সালে ওভালে ৩৫০ রানের জুটি গড়েছিলেন ইয়ান বেল এবং কেভিন পিটারসেন। আর ১৯৯০ সালে লর্ডসে ৩০৩ রান যোগ করেছিলেন গ্রাহাম গুচ এবং অ্যালান ল্যাম্ব।
৬) ইংল্যান্ডের হয়ে ষষ্ঠ বা তার পরের উইকেটে তৃতীয়বার ৩০০ বা তার বেশি রানের জুটি গড়লেন ব্রুক এবং স্মিথ। প্রথমেই আছেন বেন স্টোকস এবং জনি বেয়ারস্টো। ২০১৬ সালে কেপ টাউনে ৩৯৯ রান করেছিলেন তাঁরা। ২০১০ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৩৩২ রান যোগ করেছিলেন জোনাথন ট্রট এবং স্টুয়ার্ট ব্রড।
৭) ইংল্যান্ডের টেস্টে ১০০ রান থেকে ১৫০ রানের ইনিংসে পরিণত করার হার (ন্যূনতম ৯টি শতরান): তৃতীয় স্থানে উঠে এলেন ব্রুক। ন’টি শতরানের ক্ষেত্রে পাঁচবার পেরিয়েছেন ১৫০ রানের গণ্ডি।
৮) ১০০ রানের নীচে প্রথম পাঁচটি উইকেট হারানোর পরে দ্বিতীয়বার টেস্টে ৪০০ রানের গণ্ডি পার করল ইংল্যান্ড। ২০১০ সালে লর্ডসে পাকিস্তানের বিরদ্ধে পাকিস্তানের স্কোর ছিল পাঁচ উইকেটে ৪৭ রান। সেখান থেকে ৪৪৬ রান তুলেছিল ইংল্যান্ড।
৯) এই প্রথমবার টেস্টে ‘গোল্ডেন ডাক’-র মুখে পড়লেন স্টোকস। অর্থাৎ প্রথম বলেই আউট হয়ে গিয়েছেন।

একই টেস্ট ইনিংসে ৩টি ‘ডাক’ ও ২টি ১৫০-র বেশি রান
১) ইংল্যান্ড বনাম অস্ট্রেলিয়া, মেলবোর্ন, ১৯১১-১২ সাল।
২) ইংল্যান্ড বনাম পাকিস্তান, লর্ডস, ২০১০ সাল।
৩) দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম অস্ট্রেলিয়া, পার্থ, ২০১২-১৩ সাল।
৪) আফগানিস্তান বনাম জিম্বাবোয়ে, বুলাওয়া, ২০২৪ সাল।
৫) ইংল্যান্ড বনাম ভারত, এজবাস্টন, ২০২৫ সাল।

জেমি স্মিথের একগুচ্ছ নজিরের তালিকা
১) ইংরেজ উইকেটকিপারদের মধ্যে টেস্ট সর্বোচ্চ রান করলেন স্মিথ। এজবাস্টনে ১৮৪ রানে অপরাজিত থাকেন। ছাপিয়ে গেলেন অ্যালেক্স স্টুয়ার্টকে। যিনি ১৯৯৭ সালে কিউয়িদের বিরুদ্ধে ১৭৩ রান করেছিলেন।
২) টেস্টের ইতিহাসে প্রথম ইংরেজ ব্যাটার হিসেবে মধ্যাহ্নভোজের আগেই একটি সেশনে শতরান হাঁকানোর নজির গড়লেন স্মিথ।
৩) ইংল্যান্ডের হয়ে টেস্টে তৃতীয় দ্রুততম শতরান করলেন। ৮০ বলে শতরান পূরণ করেন।

৪) ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সাত নম্বর বা তার নীচে নেমে সর্বোচ্চ স্কোরের নজির গড়লেন স্মিথ। এতদিন সেই নজির ছিল কেএস রঞ্জিতসিংজির দখলে। ১৮৯৭ সালে সিডনিতে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ১৭৫ রান করেছিলেন।
৫) প্রথম ইংরেজ উইকেটকিপার হিসেবে ভারতের বিরুদ্ধে টেস্টে ১৫০ বা তার বেশি রান করলেন স্মিথ।
৬) ১৪ বছরে প্রথম ইংরেজ উইকেটকিপার হিসেবে টেস্টে ভারতের বিরুদ্ধে শতরান করলেন স্মিথ।

ভারতীয়দের মধ্যে টেস্টে দ্রুততম ২,০০০ রানের রেকর্ড
১) ৪০ ইনিংস: রাহুল দ্রাবিড়, বীরেন্দ্র সেহওয়াগ এবং যশস্বী জয়সওয়াল।
২) ৪৩ ইনিংস: বিজয় হাজারে এবং গৌতম গম্ভীর।
৩) ৪৪ ইনিংস: সুনীল গাভাসকর এবং সচিন তেন্ডুলকর।
৪) ৪৫ ইনিংস: সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়।
৫) ৪৬ ইনিংস: চেতেশ্বর পূজারা।
কনিষ্ঠতম ভারতীয় হিসেবে টেস্টে ২,০০০ রানের রেকর্ড
১) শচীন তেন্ডুলকর: ২০ বছর ৩৩০ দিন।
২) যশস্বী জয়সওয়াল: ২৩ বছর ১৮৮ দিন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles