Sunday, July 12, 2026

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

কলকাতা লিগ নিয়ে ফের সরব ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস!‌ ডুরান্ডে বিতর্ক থামছে না!‌ শহরের ‘‌‘‌ফোড়েদ্বয়ের’‌’‌ বদ আচরণে বারবার অপদস্থ ফোর্ট উইলিয়ম?‌

বুধ থেকে শুরু কলকাতা লিগ। নৈহাটি স্টেডিয়ামে জাঁকজমক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন। মাঠের বন্দ্যোবস্ত কিছুতেই হচ্ছিল না। অবশেষে নৈহাটিতেই নিয়ে যেতে বাধ্য হল আইএফএ। বিকেল সাড়ে পাঁচটায় অনুষ্ঠান শুরু। পারফর্ম করবে সম্ভলপুরের ড্রামাররা। গান গাইবেন পৌষালী ব্যানার্জি। থাকছে লেজার শো। সন্ধে‌ ৭.১৫ মিনিট থেকে শুরু ম্যাচ। সোমবার মধ্য কলকাতার একটি বিলাসবহুল হোটেলে কলকাতা লিগের ম্যাসকটের উন্মোচনয়। প্রকাশিত হয় পিকে ব্যানার্জির নামাঙ্কিত বিশেষ পোস্টাল স্ট্যাম্প। এবার কলকাতা লিগের ১৬২টি ম্যাচের সরাসরি সম্প্রচার হবে। আইএফএর এই অভিনব উদ্যোগের প্রশংসায় ক্রীড়ামন্ত্রী। লিগের উন্নতিতে বাংলার ফুটবল নিয়ামক সংস্থাকে কয়েকটি পরামর্শও দেন। ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের অনুরোধে পাঁচ থেকে বাড়িয়ে ভূমিপুত্রের সংখ্যা ছয় করা হয়েছে। ভবিষ্যতে সেই সংখ্যা আরও বাড়ানোর প্রস্তাব দেন ক্রীড়ামন্ত্রী। অরূপ বিশ্বাস বলেন, ‘‌আইএফএ কলকাতা ফুটবলকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রয়াস শুরু করেছে। সাধ্যমতো চেষ্টা করছে। বাংলার ছেলেদের এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। আমার অনুরোধে ভূমিপুত্রের সংখ্যা পাঁচ থেকে ছয় করা হয়েছে। আগামী বছর আরও বাড়বে। আমি চাই কলকাতা লিগ শুধুমাত্র বাংলার ছেলেদের নিয়ে হোক।’‌ প্রতিবার কলকাতা লিগে রেফারিং নিয়ে বিতর্ক প্রতি বছর। এবার প্রয়োজনে রেফারি অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে আলোচনার পরামর্শ নেওয়ার কথা বলে রেফারির মান উন্নয়নের দাবি ক্রীড়ামন্ত্রীর। অরূপ বিশ্বাস বলেন, ‘‌রেফারির মান উন্নত করতে হবে। কর্মকর্তারা কিভাবে দল করে, সেটা যারা মাঠে থাকে জানে। অনেকে স্ত্রীর গয়না বিক্রি করে ক্লাব চালায়। তাই রেফারির মান বাড়াতেই হবে। বড় দলের সঙ্গে ছোট দলের লড়াই হলে মনে হয় ১১ জনের সঙ্গে ১৪ জন খেলছে। সিআরএর সঙ্গে বসে আলোচনা করতে হবে। কলকাতা লিগ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করতে হবে।’‌ দমকল মন্ত্রী সুজিত বসুও বলেন, ‘‌কলকাতা লিগ নির্দিষ্ট সময় শুরু এবং শেষ হওয়া উচিত। অনন্তকাল ধরে চলতে পারে না।’‌

পিকে ব্যানার্জির নামে পোস্টাল স্ট্যাম্প। প্রকাশিত কলকাতা লিগের ম্যাসকট ‘‌গোপাল ভাঁড়’‌। অভিনব ভাবনায় শুরু হতে চলেছে কলকাতা লিগ। কয়েকদিন আগেই একটি জাঁকজমক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দক্ষিণ কলকাতার এক অভিজাত ক্লাবে কলকাতা লিগের ড্র অনুষ্ঠিত হয়। প্রকাশিত হল পিকে ব্যানার্জির নামে বিশেষ পোস্টাল স্ট্যাম্প। শহরের একটি পাঁচতারা হোটেলে এবারের লিগ আনুষ্ঠানিকভাবে কিংবদন্তি পিকে ব্যানার্জির নামে নামকরণ করা হল। ছিলেন তাঁর ছোট মেয়ে পিক্সি এবং ভাই প্রসূন ব্যানার্জি। ম্যাসকট এবং পিকে ব্যানার্জির নামাঙ্কিত পোস্টাল স্ট্যাম্পের উদ্বোধন করেন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। উপস্থিত ছিলেন পোস্টাল সার্ভিসেসের ডিরেক্টর হামাদ জাফর ও দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু।কলকাতা ময়দানে ম্যাসকটের ভাবনা প্রথম নিয়ে এসেছিল মোহনবাগান। ম্যাসকটের নাম রাখা হয়েছিল ‘‌বাগ্গু।’‌ কলকাতা লিগে এমন ঘটনা প্রথম। এবারের লিগের ম্যাসকট ‘‌গোপাল ভাঁড়।’‌ এমন ভাবনার সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই ফুটবলের। ব্যাখ্যা দিয়ে ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস বলেন, ‘‌গোপাল ভাঁড়ের বুদ্ধি ছিল। হার মানতেন না। ফুটবল এখন আর কেউ শুধু পা দিয়ে খেলে না। মাথা দিয়েও খেলে। যদি পা এবং মাথা দিয়ে কলকাতা লিগ খেলা যায়, তাহলে এই ম্যাসকটের সার্থকতা থাকবে।’‌ ম্যাসকট প্রসঙ্গে আইএফএর‌ সভাপতি বলেন, ‘‌গোপাল ভাঁড় নবরত্নের মধ্যমণি ছিলেন। কঠিন কাজকে সুষ্ঠুভাবে হাস্যরসের মাধ্যমে বার করে আনতেন। তাই ওনার উদ্দেশ্যে ম্যাসকট।’‌ কিংবদন্তি পিকে ব্যানার্জির জন্মদিন উপলক্ষে পরিবারের উপস্থিতিতে কেক কাটা হয়। অনুষ্ঠানে তারকার সমাবেশে ছিলেন প্রশান্ত ব্যানার্জি, অতনু ভট্টাচার্য, সুমিত মুখার্জি, মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য, দীপেন্দু বিশ্বাস, সন্দীপ নন্দী, লালকমল ভৌমিক, সোমা বিশ্বাস প্রমুখ। দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু জানান, লেকটাউনের মাঠকে পিকে ব্যানার্জির নামে নামাঙ্কিত করা হবে। সেখানে কিংবদন্তি ফুটবলারের মূর্তিও বসানো হবে।

সন্তোষ ট্রফি শুরু হতে এখনও দেরি আছে। কোচের নাম ঘোষণা হয়ে গেল। সোমবার আইএফএর অনুষ্ঠানে এসে সঞ্জয় সেনকে পরের সন্তোষ ট্রফির কোচ ঘোষণা করলেন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। আইএফএ সভাপতি অজিত ব্যানার্জি, সচিব অনির্বাণ দত্ত সহ সংস্থার অন্যান্য কর্তাদের উপস্থিতিতেই এই ঘোষণা করেন ক্রীড়ামন্ত্রী। ছিলেন খোদ সঞ্জয় সেন। প্রথমে সর্বসমক্ষে বাংলার সন্তোষ জয়ী কোচকে আগামী সন্তোষে কোচ করার প্রস্তাব দেন। তার কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই নিজেই সঞ্জয় সেনের নাম ঘোষণা করেন। কিন্তু আইএফএর নিয়ম অনুযায়ী, এই ঘোষণা শুধুমাত্র কোচেজ কমিটি করতে পারে। সেই কারণে ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের এই প্রস্তাব কোচেজ কমিটি থেকে পাস করিয়ে আনা হবে। আইএফএ সভাপতি অজিত ব্যানার্জি বলেন, ‘‌ক্রীড়ামন্ত্রী আচমকাই ঘোষণা করেছেন। আমরা তাঁর প্রস্তাব কোচেজ কমিটির কাছে রাখব। নিয়ম অনুযায়ী সেখান থেকে পাস করিয়ে আনা হবে।’‌ সঞ্জয় সেনের নাম ঘোষণা হয়ে গেলেও, সন্তোষ ট্রফিতে বাংলা দলের কোচের পদে যে তাঁকেই দেখা যাবে সেটা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। এই ঘটনায় অবাক তিনি। আগাম কোনও কথাবার্তা বা প্রস্তুতি ছিল না। মন্ত্রীর এই প্রস্তাবে খুশি হলেও, জানিয়ে দিলেন পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবেন। এখনই হলফ করে কিছু বলা যাচ্ছে না। সঞ্জয় সেন বলেন, ‘‌ক্রীড়ামন্ত্রী খেলা নিয়ে আগ্রহী। বাংলায় খেলাধুলোর সামগ্রিক উন্নয়নের চেষ্টা করছেন। আবেগ এবং ভালোবাসা থেকে উনি ঘোষণা করেছেন। কিন্তু এই মুহূর্তে আমার কাছে কোনও উত্তর নেই। আমারও একটু ভাবনা-চিন্তা করার বিষয়‌ আছে। ২৭ বছর কোচিং করানোর পর এবার প্রথমবার বাংলার সিনিয়র দলের দায়িত্ব নিয়েছিলাম। বাংলার কোচিং করা সবসময় গর্বের। সেই সময় ফাঁকা থাকলে অবশ্যই করব। এটা আমার কাছে পুরোপুরি চমক। আমাকে আইএফএ যখন বলবে, ওদের বলব, তোমাদের কমিটি আছে। আলোচনা করে জানাও। সময় আছে।’‌ কোচের দায়িত্ব গ্রহণ করলে কয়েকজনকে বাদ দিয়ে আগের বছরের সেট দলকেই পাবেন সঞ্জয় সেন।

বিধানসভায় বিশৃঙ্খলার মধ্যেও পাশ ক্রীড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল। অধিবেশন শুরু হতেই বিজেপি বিধায়করা বিশৃঙ্খলা শুরু করেন। রীতিমতো মার্শাল ডেকে তাঁদের অধিবেশন কক্ষের বাইরে বের করে দেওয়া হয়। তারপর অধিবেশনে নেতাজি সুভাষ ক্রীড়া বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত বিল নিয়ে আলোচনা শুরু হয় স্পিকারের নির্দেশে। যা ধ্বনি ভোটে পাশ হয়ে যায়। যার প্রথম ক্যাম্পাস হুগলির চুঁচুড়ায় হবে। বাংলার ক্রীড়াক্ষেত্রে নতুন পথ দেখাতে পারে এই বিশ্ববিদ্যালয়। অত্যাধুনিক ট্রেনিং ব্যবস্থা থেকে আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা, সব ব্যবস্থাই থাকবে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে। এদিন এই বিল পেশ হওয়ার আগে ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি অভিযোগ তোলেন খেলোয়াড়রা পর্যাপ্ত ভাতা পাচ্ছেন না। জবাবে স্পিকারের অনুমতি নিয়ে ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস বলেন, ‘‌আগে ২ শতাংশ চাকরি ছিল। এখন মুখ্যমন্ত্রী উদ্যোগে ফেডারেশনের টুর্নামেন্ট-সহ সব ধরনের খেলায় ভালো ফল করলে বা মেডেল পেলে খেলোয়াড়দের চাকরি দেওয়া হচ্ছে। বিদেশ বসুর মতো প্রাক্তন ফুটবলাররা এখন সম্মানিত হয়ে বিধানসভায়।’‌ শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু ‘দ্য নেতাজি সুভাষ ইউনিভার্সিটি অফ স্পোর্টস অ্যান্ড অন্ত্রপ্রনিরশিপ বিল–২০২৫’পেশ করেন। সেসময় বিজেপি অধিবেশন বয়কট করলেও বিরোধীদের মধ্যে নওশাদ ছিলেন। সেই নিয়ে আলোচনার পর ধ্বনি ভোটে বিলটি পাশ হয়। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, ‘‌সন্তোষ ট্রফিতে যারা পুরস্কার নিয়ে এল, তাদের শুধু চাকরি দেওয়া নয়। ভাতা, স্কলারশিপ দিয়ে সেই খেলোয়াড়দের উৎসাহ দিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। বাংলা খেলাধুলোয় এগিয়ে। মুখ্যমন্ত্রীর এই উদ্যোগ তার উন্নয়নের ইনডেক্স।’‌ দেশের প্রথম বেসরকারি ক্রীড়া বিশ্ববিদ্যালয় নেতাজি সুভাষ ক্রীড়া বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘‌ব্যক্তিগত বা বেসরকারি উদ্যোগে খেলোয়াড় তৈরি করা যায়। সরকার সেটাকে লালন করতে পারে। মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে ব্যক্তিগত উদ্যোগকে উৎসাহ দিয়েছেন, তা আর কেউ করেনি। ৭০-৮০ সালের সময় আমাদের ফুটবলাররা দেশ রাজ্য কাঁপিয়ে রেখেছিল। কিন্তু আন্তর্জাতিক ফুটবল যে জায়গায় চলে গেছে, আমাদের এখন সেই মাপের খেলোয়াড় তৈরি করতে হবে। সেই সঙ্গে খেলোয়াড়দের বিশ্বের ময়দানে ছড়িয়ে যাওয়ার জন্য দৃঢ় প্রতিজ্ঞা ও উৎসাহ চাই। বিজেপি এই খেলা নিয়ে আলোচনা করবেন না বলে তাদের ক্রীড়া দেখাল মার্শালকে। মার্শালও তাঁর ক্রীড়া দেখালেন বিজেপিকে। এর আগে ৩টে বিল রাজভবনের হিমঘরে পড়ে আছে। জানি না, এই বিলটার কী হবে? কারণ কেন্দ্রের সরকার তো চায় না এই দেশের খেলাধুলোর গোলাপ ছড়িয়ে পড়ুক গোটা বিশ্বে।’‌

এদিকে ডুরান্ড কাপ নিয়ে সমস্যা থামছেই না। সমস্যা আর সমস্যা। কলকাতা সেনা ফোর্ট উইলিয়মের তরফ থেকে সুচারুরূপে খেলা সম্পন্ন করার চেষ্টা করলেও, ব্যাগড়া দিচ্ছে স্থানীয় মিডিয়া কার্যনির্বাহী। প্রত্যক্ষ অভিযোগ, জনৈক দুজনের বিরুদ্ধে। একাধিক মিডিয়ার প্রতি খারাপ আচরণের অভিযোগ আনা হয়েছে। গত ডুরান্ড মরশুমেও একই অভিযোগে অভিযুক্ত হন এই দুই খারাপ আচরনে অভ্যস্থ কর্মী। এক সংবাদমাধ্যমের ক্রীড়া সম্পাদককে গালিগালাজ করার অপরাধে সাসপেন্ডও করা হয়েছিল সমিতকে বলে প্রমাণ সাপেক্ষ। চলতি বছরেও একই অভিযোগে অভিযুক্ত এই দুই কর্মী। এঁরা সেনা নিয়োজিত কোনও কর্মী নন বলে জানা যাচ্ছে। অথচ ভারতীয় সেনার মান মর্যাদা ধুলোয় মেশাতে জনৈক দুজনই আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন। সকল ক্রীড়া সাংবাদিকের কাছে সময়মতো অ্যাক্রিডিটেশন মেল পাঠাচ্ছেন না। উপরন্ত, জানতে চাওয়া হলে কড়া ভাষায় মন্তব্য, ‘‌ফোর্ট উইলিয়মের আই ডব্লিও ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে কথা বলতে যান, আমাদের সঙ্গে নয়।’‌ এরকম বিরুপ মন্তব্য করেছেন বলে অসংখ্য সংবাদমাধ্যমের অভিযোগ। অনেক সংবাদমাধ্যম এমতাবস্থায় কলকাতা ফোর্ট উইলিয়মের উচ্চপদস্থ আধিকারীকদের বিষয়টি জানিয়েছেন বলে শোনা যাচ্ছে।

অন্যদিতে,৬টি আইএসএল ক্লাব ডুরান্ড কাপে অংশ নিতে পারবে না। ক্লাবগুলোর প্রি সিজন প্রস্তুতি বিলম্বিত হওয়ার দরুণ ডুরান্ড কাপে অংশ নিতে পারবে না। ডুরান্ড কাপ খেলতে ছয় আইএসএল ক্লাব আগ্রহী নয়। আইএসএল নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় ছয় আইএসএল ক্লাব তাদের প্রাক মরশুম প্রস্তুতি বাতিল করে দিয়েছে। এখনও পর্যন্ত ডুরান্ড কাপের সূচিও প্রকাশ করতে পারেনি ডুরান্ড কমিটি। চেন্নাইয়িন এফসি, এফসি গোয়া, বেঙ্গালুরু এফসি, ওড়িশা এফসি, কেরালা ব্লাস্টার্স ও হায়দরাবাদ এফসির মতো ক্লাব প্রাক মরশুম প্রস্তুতি বাতিল করার পাশাপাশি ডুরান্ড খেলতেও আগ্রহী নয় বলে জানিয়ে দিয়েছে। আইএসএলে অংশ নেওয়া একাধিক ক্লাবের সঙ্গে ইতিমধ্যেই বৈঠক হয়ে গিয়েছে এফএসডিএল কর্তাদের। ইন্ডিয়ান সুপার লিগের আয়োজক ক্লাবগুলোকে এফএসডিএলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাস্টার রাইটস এগ্রিমেন্টের ব্যাপারে পুরোদস্তুর সিদ্ধান্ত না হলে এবার আইএসএলের বলই গড়াবে না।

আগামী ১০ বছর আইএসএলে কোনও অবনমন থাকবে না। আবার আই লিগ চ্যাম্পিয়ন হলেই প্রমোশন নেই। এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে ক্লাবগুলোকে। ২০১৪ সাল থেকে শুরু হয়েছে আইএসএল। অবনমন নেই আইএসএলে। এবার নতুন প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, পরের ১০ বছরেও আইএসএলে থাকবে না অবনমন। এআইএফএফ ও এফএসডিএলের মধ্যে যে চুক্তি তা মাস্টার রাইটস এগ্রিমেন্ট নামে পরিচিত। এই চুক্তি বাবদ এফএসডিএলের কাছ থেকে প্রতি বছর ৫০ কোটি টাকা পায় এআইএফএফ। এই চুক্তি শেষ হয়ে যাচ্ছে চলতি বছরের ডিসেম্বরে। আইএসএল বন্ধ হওয়ার জল্পনা চলছে ফুটবলমহলে। এই বছরের ডিসেম্বর মাসে শেষ হয়ে যাচ্ছে ফুটবল ফেডারেশনের সঙ্গে এফএসডিএলের চুক্তি। কিন্তু ডিসেম্বরের পরে কী হবে? চুক্তি বাড়বে না, শেষ হয়ে যাবে? সব কিছু ঠিক করার জন্য ফেডারেশন কর্তাদের সঙ্গে বেশ কয়েকটি মিটিং করেন এফএসডিএল কর্তারা। একটি মুম্বইয়ে। অন্যটি দিল্লিতে। জটিলতা মেটেনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles