RK NEWZ গোটা বিশ্বে টি-টোয়েন্টি লিগের রমরমা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আইপিএলের আর্থিক মূল্যও পৌঁছেছে নতুন উচ্চতায়। আইপিএলের জনপ্রিয়তা যত বেড়েছে, ততই বেড়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলির বাজারদর। শুধু ভারতেই নয়, গোটা বিশ্বে টি-টোয়েন্টি লিগের রমরমা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আইপিএলের আর্থিক মূল্যও পৌঁছেছে নতুন উচ্চতায়। সম্প্রতি একটি সংস্থার (স্পোর্টিকো) প্রকাশিত তালিকায় উঠে এসেছে আইপিএলের সবচেয়ে দামি দলগুলির নাম। সেই তালিকার শীর্ষে রয়েছে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। প্রশ্ন হল, তালিকায় কোথায় কলকাতা নাইট রাইডার্স? প্রকাশিত হিসাব অনুযায়ী, মুম্বইয়ের বর্তমান বাজারদর ১৯,৯৮০ কোটি টাকা। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বিরাট কোহলির রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। টানা দু’বার আইপিএল জেতা এই দলের বাজারদর ১৭,৬১২ কোটি টাকা। পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন চেন্নাই সুপার কিংস রয়েছে তিন নম্বরে। তাদের বাজারমূল্য ১৬,৬৬০ কোটি টাকা। তিনবারের আইপিএল জয়ী কলকাতা নাইট রাইডার্স রয়েছে চতুর্থ স্থানে। কেকেআরের বাজারদর ১৬,৪৭০ কোটি টাকা। পাঁচ নম্বরে থাকা দিল্লি ক্যাপিটালসের মূল্য ১৬,১৮৪ কোটি টাকা। উল্লেখযোগ্য বিষয়, আইপিএলের দশটি দলের গড় বাজারমূল্যও প্রায় ১৬ কোটি টাকার উপর। তালিকার বাকি পাঁচটি দলের মধ্যে ছ’নম্বরে রয়েছে রাজস্থান রয়্যালস। তাদের বাজারদর ১৫,৭০৮ কোটি টাকা। সাত নম্বরে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ (১৫,৪২২ কোটি), আটে গুজরাট টাইটান্স (১৫,০৪২ কোটি), নবম স্থানে পাঞ্জাব কিংস (১৪,৫৫৬ কোটি) এবং দশে লখনউ সুপার জায়ান্টস (১৪,২৮০ কোটি)। শুধু দলের বাজারদরই নয়, আইপিএলের ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলির আয়ের অন্যতম বড় উৎস বিসিসিআইয়ের সেন্ট্রাল রেভিনিউ পুল। সম্প্রচারস্বত্ব ও ডিজিটাল স্বত্ব থেকে পাওয়া অর্থের একটি বড় অংশ ভাগ করে দেওয়া হয় দলগুলির মধ্যে। হিসাব অনুযায়ী, প্রতি বছর প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজি এই খাত থেকে আনুমানিক ৪৭৭ থেকে ৫২৩ কোটি টাকা পেয়ে থাকে। বোর্ডের রাজস্ব বণ্টনের নিয়ম অনুযায়ী, সম্প্রচারস্বত্ব থেকে পাওয়া অর্থের অর্ধেক নিজেদের কাছে রাখে বিসিসিআই। বাকি অর্ধেকের ৯০ শতাংশ দশটি ফ্র্যাঞ্চাইজির মধ্যে সমান ভাবে ভাগ করে দেওয়া হয়। অবশিষ্ট ১০ শতাংশ দেওয়া হয় দলগুলির পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে। ফলে মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি আইপিএলের আর্থিক কাঠামোও দলগুলির বাজারমূল্য বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে।





