RK NEWZ মিলল আরও একটি মর্টার শেল। বাঁকুড়া খ্রিস্টান কলেজের এনসিসি-র দায়িত্বে থাকা অধ্যাপক অরুণাভ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বাঁকুড়ার পিয়ারডোবা সংলগ্ন এলাকায় ব্রিটিশ ও মার্কিন বায়ুসেনার একটি ঘাঁটি ছিল। কৌশলগত সুবিধার কারণে ওই ঘাঁটি থেকে জাপান-সহ দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলিতে হামলা চালানো হত। সেই ঘাঁটিতেই মজুত থাকা কিছু অস্ত্রশস্ত্র পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন জায়গায় মাটি বা বালির নীচে চাপা পড়ে যায়। বিভিন্ন সময়ে মর্টার শেল উদ্ধারের ঘটনা আজও সেই ইতিহাসের সাক্ষ্য বহন করছে।’’ স্থানীয় সূত্রে খবর, সোমবার সন্ধ্যায় সোনামুখীতে দামোদরের চরে শেলটিকে মাটিতে কিছুটা গেঁথে থাকা অবস্থায় দেখতে পান কয়েক জন। আগে কখনও নজরে পড়েনি সেটা। পাঁচকান হতেই ভিড় জমে যায় দামোদরের চরে। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর যায় সোনামুখী থানার পুলিশের কাছে। তারা মর্টার শেলটিকে ঘিরে রেখে সেনাবাহিনীকে খবর দেয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্যবহৃত মর্টার শেল উদ্ধারের ঘটনা বাঁকুড়ায় নতুন নয়। আগেও দ্বারকেশ্বর, দামোদরে বিস্ফোরক ঠাসা এমন ধাতব বস্তু উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে। কয়েক মাস আগে সোনামুখী থানার ডিহিপাড়া এলাকায় এমন তিনটি মর্টার শেল পাওয়া গিয়েছিল। সেনাবাহিনী গিয়ে সেগুলো নিষ্ক্রিয় করে। বাঁকুড়ার সোনামুখীতে দামোদর নদের চরে মিলল বহু পুরনো একটি মর্টার শেল। বিশেষজ্ঞদের অনুমান, সেটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার। সেনাবাহিনীকে খবর দিয়েছে স্থানীয় পুলিশ। নিরাপত্তার স্বার্থে ওই জায়গাটি ঘিরে রাখা হয়েছে।




