Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

ঘটা করে সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করেও সমস্যা মিটল না সিএবি’র!‌ স্বার্থ সংঘাত বিতর্ক যাচ্ছে আদালতে, ‘ভুল’ ধরিয়ে পালটা সৌরাশিসও

RK NEWZ সোশাল মিডিয়ায় বড় করে ‘মিডিয়া রিলিজ’। একটা স্বার্থের সংঘাত নিয়ে সুরজিৎ লাহিড়ীর বিরুদ্ধে সিএবি’র অ্যাপেক্স কাউন্সিলে অভিযোগমুক্তি। দ্বিতীয়টি সৌরাশিস লাহিড়ীর ‘অভিযোগ প্রত্যাহার’-এর। তবে ঘটা করে বার্তা দিয়েও সমস্যা মিটছে না। সুরজিৎ লাহিড়ীর বিষয়টি নিয়ে এবার হাই কোর্টে যাচ্ছেন অভিযোগকারী প্রাঞ্জল পাল। অন্যদিকে প্রাক্তন ক্রিকেটার সৌরাশিসও সিএবি’র দাবির ‘ভুল’ সংশোধন করে সোশাল মিডিয়া পোস্ট প্রত্যাহার করতে বলেছেন।

সোমবার দুপুরে সোশাল মিডিয়ায় বিজ্ঞপ্তি দেয় বঙ্গ ক্রিকেট সংস্থা। যেখানে দু’টি বিষয় ছিল। বেঙ্গল প্রো টি-টোয়েন্টি লিগের দল নোভাস পুরুলিয়া রয়্যালসের সঙ্গে যুক্ত সুরজিৎ। তিনি নিলাম টেবিলেও ছিলেন। তিনি আবার টাউন ক্লাবের কর্তা, সিএবি’র অ্যাপেক্স কাউন্সিলের সদস্য। তাহলে তো বিষয়টি স্বার্থের সংঘাত! এই অভিযোগ তুলে এথিক্স অফিসার, প্রাক্তন বিচারপতি জ্যোতির্ময় ভট্টাচার্যর কাছে চিঠি পাঠান আইনজীবী প্রাঞ্জল পাল। তাঁর দাবি ছিল সুরজিৎকে অ্যাপেক্স কাউন্সিল থেকে বরখাস্তের পাশাপাশি আইনি জরিমানা হোক।

এদিন সিএবি জানায়, প্রাঞ্জল এই অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেননি। বেঙ্গল প্রো টি-টোয়েন্টি লিগের সঙ্গে সুরজিৎ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত নন। বরং এথিক্স অফিসার মনে করছেন তাঁর নামে অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে হয়রানি করতেই অভিযোগ আনা হয়েছিল। তবে বিষয়টা এখানেই শেষ হচ্ছে না। এবার হাই কোর্টে আবেদন করতে চলেছেন প্রাঞ্জল। সিএবি’র রায় এসে যাওয়ায় এবার আদালতের দ্বারস্থ হতে বাধা নেই তাঁর। তিনি জানান, “দেখে আশ্চর্য লাগছে, অ্যাপেক্স কাউন্সিল সদস্যের সঙ্গে ফ্র্যাঞ্চাইজি যোগাযোগ থাকা সত্ত্বেও কোনও স্বার্থের সংঘাত পাওয়া গেল না। আমার মতে, এই রায় স্বচ্ছতার পরিপন্থী। মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট ক্রিকেট প্রশাসনকে যেভাবে স্বার্থের সংঘাত থেকে মুক্ত রাখতে চেয়েছিলেন, যেভাবে দায়বদ্ধতা এনেছিলেন, এই রায় তার বিপরীতধর্মী। তাই বিনয়ের সঙ্গেই বলছি, এই রায়ের বিরুদ্ধে আমি আদালতে যাব। রায়কে চ্যালেঞ্জ করতে।”

দ্বিতীয় বিষয়টি সৌরাশিস লাহিড়ীকে নিয়ে। বিজ্ঞপ্তিতে সিএবি জানিয়েছে, যাবতীয় অভিযোগ প্রাক্তন ক্রিকেটার প্রত্যাহার করে নিচ্ছেন। তিনি আগে বাংলার অনূর্ধ্ব-১৯ দলের কোচ ছিলেন। কিন্তু সিএবি’র নির্বাচক কমিটি তাঁকে আর ‘যোগ্য’ মনে করেনি। এর পালটা মুখ খুলেছিলেন তিনি। এবার সিএবি জানিয়েছে, ‘সৌরাশিসের সমস্ত অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। তিনি সিএবি-র ওম্বুডসম্যানকে বিষয়টি জানিয়েছেন। ফলে বিষয়টির নিষ্পত্তি হয়েছে।’

সত্যিই কি তাই? সিএবি’র বিজ্ঞপ্তির পর পালটা দিলেন সৌরাশিস। তাঁর বক্তব্য, প্রথমত তিনি ওম্বুডসম্যানের কাছে কোনও অভিযোগ দায়েরই করেননি। তাহলে ‘প্রত্যাহার’ করছেন কী করছেন? তাছাড়া ‘প্রাক্তন বিচারপতি জ্যোতির্ময় ভট্টাচার্য শুধুমাত্র ‘একক সদস্যের কমিটি’-র চেয়ারম্যান হিসেবেই দায়িত্ব পালন করছিলেন। সিএবি-র ওম্বুডসম্যান হিসেবে নয়। সেটা লিখিত কার্যবিবরণীতেও বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে। ফলে বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। তাই ওই বিজ্ঞপ্তিটি যেন অবিলম্বে প্রত্যাহার করা হয়।’ সব মিলিয়ে ঘটা করে সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করেও সমস্যা মিটল না সিএবি’র।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles