Tuesday, June 23, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

রুদ্রনীলকে নিয়ে শমীকের দরবারে প্রসেনজিৎ!‌ শিক্ষা সংস্থার অনুষ্ঠানেও বিস্ফোরক রাজ্যসভার সাংসদ

RK NEWZ সোমদুপুরে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের শমীক-সাক্ষাতের খবর প্রকাশ্যে আসতেই কৌতূহল তুঙ্গে! আচমকাই কেন রাজ্য বিজেপি সভাপতির বাসভবনে অভিনেতা? কৌতূহল অমূলক নয়। ছাব্বিশের ভোটবঙ্গে একাধিকবার চর্চার শিরোনামে ঠাঁই পেয়েছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। কখনও পদ্মশ্রীপ্রাপ্তির পর ফেব্রুয়ারি মাসে তাঁর বাড়িতে সুকান্ত মজুমদারের পদাপর্ণ নিয়ে খোঁচা দেওয়া হয়েছে, তো কখনও বা আবার পুত্র মিশুকের ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনির জন্য ‘ইন্ডাস্ট্রি’র রাজনৈতিক দর্শন নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে। এবার রুদ্রনীল ঘোষকে নিয়ে রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের দরবারে গিয়ে ফের চর্চায় প্রসেনজিৎ। ৪ মে ভোটের রেজাল্ট বেরতেই ভাতৃসম রুদ্রনীল ঘোষকে ফোন করে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন ‘বুম্বাদা’। ‘ইন্ডাস্ট্রি’র এহেন সমীকরণ নিয়ে সেসময়ে সিনেপাড়ার অন্দরে কম ফিসফাস হয়নি। নিন্দুকদের একাংশ দাবি করেছিলেন, রাজ্যে পালাবদলের আবহে গেরুয়া শিবিরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়াচ্ছেন সিনিয়র অভিনেতা! এবার সোমদুপুরে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের শমীক-সাক্ষাতের খবর প্রকাশ্যে আসতেই কৌতূহল তুঙ্গে! আচমকাই কেন রাজ্য বিজেপি সভাপতির বাসভবনে অভিনেতা? কৌতূহল অমূলক নয়। ৬ জুন মুক্তি পাচ্ছে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় প্রযোজিত ‘অনেকদিন পর’। যে সিনেমা পরিচালনা করেছেন সৌরভ পালোধী। যিনি বরাবর দৃঢ় চিত্তে নিজেকে বাম সমর্থক হিসেবে আওয়াজ তুলে এসেছেন। খবর, সেই সিনেমার বিশেষ প্রদর্শনীতে আমন্ত্রণের জন্যেই শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে দেখা করেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। প্রযোজক হিসেবে নিজে সশরীরে হাজির হয়ে ছবিটি দেখার জন্য রাজনীতিবিদকে আমন্ত্রণ জানান তিনি। সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সৌরভ নিজেও। আসলে ‘অনেকদিন পর’ সিনেমাটি দেখার জন্য বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-মন্ত্রীদেরই আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে প্রযোজনা সংস্থার তরফে। প্রসেনজিৎ বলছেন, “‘অনেকদিন পর’ দেখার জন্য রুদ্র এবং শমীক ভট্টাচার্যকে আমন্ত্রণ জানিয়ে এলাম।” রবিবারই আলিমুদ্দিনে গিয়ে বিমান বসুর সঙ্গে করেন অভিনেতা-প্রযোজক। চব্বিশ ঘণ্টা পেরতেই রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে দেখা করলেন ‘ইন্ডাস্ট্রি’। শোনা যাচ্ছে, আমন্ত্রিত অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্তও। আগামী ২৬ জুন রিলিজের প্রাক্কালে সিনেমার এহেন প্রচার কৌশলী যে সাড়া ফেলে দিয়েছে, তা বলাই বাহুল্য। প্রসেনজিতের প্রযোজনায় যে ‘অনেকদিন পর’ নামে একটি নতুন সিনেমা আসছে, সেখবর নির্বাচনী রেজাল্টের আবহে ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্টেই জানিয়েছিলেন তিনি। যে ছবির জন্যে অপেক্ষা করছেন অভিনেতা নিজেও। আর সেই প্রেক্ষিতেই অভিনব কায়দায় সিনেমার পোস্টার এবং ট্যাগলাইন প্রকাশ্যে আনেন তিনি। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় প্রযোজিত এই সিনেমা পরিচালনার দায়িত্বে সৌরভ পালোধী। যিনি সাম্প্রতিক অতীতে ‘অঙ্ক কী কঠিন’ সিনেমার জন্য সিনেসমালোচক থেকে দর্শকমহলের প্রশংসা অর্জন করেছেন। এবার আসতে চলেছে তাঁর নতুন ছবি ‘অনেকদিন পর’। এই প্রথমবার ‘এনআইডিয়াস’-এর ব্যানারে কাজ করছেন সৌরভ। এই সিনেমার জন্যে অমিতাভ বচ্চনও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে। পালটা শাহেনশাকে ধন্যবাদ জানান তাঁর ‘বুম্বা’ও।

সরকারি কর্মসূচির সঙ্গে দলীয় কর্মীদের সমন্বয় ও সম্পর্ক আরও নিবিড় করতে এবার জেলা সফরে যাচ্ছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি তথা রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। আগামী ২৪ জুনের পর থেকেই দক্ষিণবঙ্গের জেলা দিয়ে এই সফর শুরু হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে উত্তরবঙ্গেরও একাধিক জেলাতেও যাবেন তিনি। অংশ নেবেন ‘পণ্ডিত দীনদয়াল দাস উপাধ্যায় প্রশিক্ষণ মহাঅভিযান’-এর অধীনে একাধিক বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণ শিবিরেও। বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক সল্টলেকের বাসভবনে বসে জানিয়েছেন, “দল প্রতিষ্ঠার পর থেকেই তো বাংলায় আমরা বিরোধী দলে। দলীয় কর্মীরা তো প্রথম দিন থেকেই সরকারের বিরোধিতা করছেন। কিন্তু এবার জনতার ঐতিহাসিক রায়ে বাংলায় আমরা ক্ষমতায় এসেছি, রাজ্য সরকারে-প্রশাসনে এই প্রথম দায়িত্বে বিজেপি। স্বভাবতই দীর্ঘদিনের বিরোধিতার রাজনীতির অভ্যাস বদলে কীভাবে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় ও সম্পর্ক গড়ে তুলবে তা দলের তরফে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।” দলের সংগঠনই যে ধ্যান-জ্ঞান সেটা চিকিৎসাধীন অবস্থায় শমীকের জেলা সফরের ভাবনাতেই স্পষ্ট। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে রাজ্যের মন্ত্রিদেরও দু’দফায় বিশেষ প্রশিক্ষণ শিবির হয়ে গিয়েছে। বৃহস্পতিবার এমন শিবিরে মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও ছিলেন দলের তিন শীর্ষনেতা বিএল সন্তোষ, মঙ্গল পাণ্ডে, অমিত মালব্য ছাড়াও স্বয়ং শমীক। মোদির দু’দিনের সফর ও শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে চলা সরকারের প্রথম বাজেট পর্ব কাটলেই কেন্দ্র ও রাজ্যের জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলি সাধারণ মানুষের কাছে আরও দ্রুত পৌঁছে দিতে বিশেষ কর্মসূচি নিচ্ছে রাজ্য বিজেপি। বস্তুত সেই কারণে ‘এতদিন ধরে রাজ্য সরকার ও প্রশাসনের বিরোধিতা’ করা কর্মীদের মানসিকতা ও অভ্যাস বদলের লক্ষ্যে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে পদ্ম-শিবির। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, “দলে এমন অনেক কর্মী আছেন যাঁদের বয়স ৮০, তাঁরা এত বছর ধরে শুধুই রাজ্য সরকারের নানা অনৈতিক ও জনবিরোধী নীতির বিরোধিতা করে গিয়েছেন। আমিই তো টানা ৪২ বছর ধরে রাজ্যে সরকার-বিরোধী হিসাবে বাংলার মাঠে-ময়দানে মানুষের সঙ্গে ঘুরে বেড়াচ্ছি। কিন্তু এখন পুরনো দৃষ্টিভঙ্গি ও অভ্যাস বদলে রাজ্যে ডবল ইঞ্জিন সরকারের সুবিধা এবং পরিষেবা প্রতিটি পরিবারে পৌঁছে দিতেই কর্মীদের প্রস্তুত করতে জেলায় জেলায় দলের নেতৃত্ব যাবেন।” বিজেপিতে যোগদান বন্ধ জানিয়ে দিয়ে এদিন ফের শমীক জানান, “রাজ্যের মানুষ যাঁদের বিরুদ্ধে রায় দিয়েছে, যাঁরা সাধারণ মানুষের সম্পদ-সরকারি অর্থ লুঠ করেছে, জমি দখল করেছে, আর্থিক প্রতারণা থেকে নারী নির্যাতন করেছে, জনবিচ্ছিন্ন-দুর্নীতিগ্রস্ত এমন কাউকে বিজেপিতে নয়।”

জেআইএস এডুকেশন এক্সপো ২০২৬ – ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অসীম সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচন. দুই দিনের এই শিক্ষা মহোৎসবে ৩৯টি প্রতিষ্ঠান, ১৮৫টি শিক্ষাক্রম এবং সমন্বিত ক্যারিয়ার পরামর্শের সুযোগ,বহু প্রতীক্ষিত জেআইএস এডুকেশন এক্সপো ২০২৬ আজ আনুষ্ঠানিকভাবে সূচনা হলো। পূর্ব ভারতের অন্যতম বৃহত্তম শিক্ষা-সমাবেশ হিসেবে এই দুই দিনের আয়োজনে এক ছাদের নিচে সমবেত হয়েছেন হাজার হাজার ছাত্রছাত্রী, অভিভাবক, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং শিক্ষাজগতের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা। শিক্ষার্থীদের সঠিক শিক্ষাগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করা, উচ্চশিক্ষা ও পেশাগত সম্ভাবনা সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা প্রদান এবং ভবিষ্যতমুখী শিক্ষার পথনির্দেশ করাই এই এক্সপোর মূল লক্ষ্য। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির সভাপতি শ্রী শমীক ভট্টাচার্য, বিশিষ্ট ভারতীয় অভিনেতা শ্রী সব্যসাচী চক্রবর্তী, প্রাক্তন ব্রাজিলীয় ফুটবলার হোসে রামিরেজ বারেটো, জেআইএস গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সর্দার তরণজিৎ সিং, জয়েন্ট ম্যানেজিং ডিরেক্টর সর্দার হরনজিৎ সিং, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর সর্দার অমরিক সিং, স্বামী সুপর্ণানন্দজি মহারাজ এবং জেআইএস গ্রুপের ডিরেক্টর সর্দার হারজোত সিং। এবারের এক্সপোতে অংশগ্রহণ করেছে ৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যারা সম্মিলিতভাবে ১৮৫টি শিক্ষাক্রম উপস্থাপন করছে। ডিপ্লোমা, স্নাতক, স্নাতকোত্তর, ডক্টরাল ও বিভিন্ন পেশাদার কোর্সসহ শিক্ষার নানা ক্ষেত্র সম্পর্কে একটি বিস্তৃত ধারণা লাভের সুযোগ পাচ্ছেন আগ্রহীরা। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের জন্য পৃথক প্যাভিলিয়নের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যেখানে ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকরা সরাসরি শিক্ষাবিদ, ক্যারিয়ার কাউন্সেলর, অধ্যাপক এবং ভর্তি-সংক্রান্ত প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করে কোর্স, কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা, শিল্পক্ষেত্রে চাহিদা এবং শিক্ষার নতুন প্রবণতা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে পারছেন।উদ্বোধনী দিনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন বিদ্যালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় কৃতী ছাত্রছাত্রীদের সংবর্ধনা প্রদান। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাঁদের অসামান্য সাফল্য, অধ্যবসায় এবং কঠোর পরিশ্রমকে সম্মান জানানো হয়। একই সঙ্গে এটি আগামী প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে ওঠে এবং শিক্ষার প্রতি নিষ্ঠা ও একাগ্রতার গুরুত্বকে আরও দৃঢ়ভাবে তুলে ধরে। এক্সপোর আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক ছিল বিনামূল্যে ব্যক্তিগত ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং সেশন। এই বিশেষ উদ্যোগের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকরা ক্যারিয়ার পরিকল্পনা, শিক্ষাক্রম নির্বাচন, ভর্তি প্রক্রিয়া, বৃত্তি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে সরাসরি পরামর্শ গ্রহণের সুযোগ পান। দ্রুত পরিবর্তনশীল ও প্রতিযোগিতামূলক শিক্ষাব্যবস্থার মধ্যে সঠিক পথ বেছে নিতে এই উদ্যোগ বিশেষ সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। শিক্ষা-সংক্রান্ত পরামর্শ ও সম্ভাবনার অনুসন্ধানের জন্য এক অনন্য প্ল্যাটফর্ম হিসেবে জেআইএস এডুকেশন এক্সপো ২০২৬ জেআইএস গ্রুপের সেই দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকারকেই প্রতিফলিত করে, যার লক্ষ্য প্রতিভার বিকাশ, উদ্ভাবনের প্রসার এবং শিক্ষার্থীদের জন্য সাফল্যের নতুন দিগন্ত উন্মোচন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জেআইএস গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সর্দার তরণজিৎ সিং বলেন—জেআইএস গ্রুপে আমরা বিশ্বাস করি, শিক্ষা শুধুমাত্র ডিগ্রি অর্জনের মাধ্যম নয়; এটি একজন মানুষের সুপ্ত সম্ভাবনাকে আবিষ্কার করার এবং আগামী দিনের সুযোগগুলোর জন্য নিজেকে প্রস্তুত করার এক গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। জেআইএস এডুকেশন এক্সপো ২০২৬-এর মাধ্যমে আমরা এমন একটি মঞ্চ তৈরি করতে চাই, যেখানে শিক্ষার্থীরা নতুন সম্ভাবনার সন্ধান পাবে, সঠিক দিকনির্দেশনা লাভ করবে এবং নিজেদের ভবিষ্যৎ গঠনের জন্য সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। আমাদের লক্ষ্য প্রতিটি শিক্ষার্থীকে জ্ঞান, আত্মবিশ্বাস এবং সঠিক পথনির্দেশের মাধ্যমে সাফল্যের শিখরে পৌঁছাতে সহায়তা করা।”»জিস এর অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য অভিযোগ করেন যে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মূল এজেন্ডা ছিল রাজ্যের ইতিহাস মুছে ফেলা এবং বিভাজনের রাজনীতির মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গকে “পশ্চিম বাংলাদেশে” পরিণত করা। তবে বাংলার মানুষ তাঁর এই তুষ্টিকরণ ও বিভাজনের রাজনীতি প্রত্যাখ্যান করেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। শমীক অভিযোগ করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কট্টরপন্থার এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চেয়েছিলেন। তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে বিভাজন ও তুষ্টিকরণের রাজনীতির অভিযোগ তুলে তিনি বলেন যে, রাজ্যের মানুষ এসব উদ্দেশ্য সঠিকভাবে বুঝে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles