RK NEWZ এই যুবভারতী মূলত ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগানের দ্বৈরথের জন্যই বিশ্বে অধিক প্রচারিত। তাই ঠিক হয়েছে, যুবভারতীর সামনে কোনও নির্দিষ্ট মুখের মূর্তি বসবে না। বসবে সাধারণ দুটি মূর্তি। যাদের গায়ে থাকবে ইস্টবেঙ্গল আর মোহনবাগানের জার্সি। যে মূর্তি দেখলে যুবভারতীর আসল মেজাজটা ধরা পড়ে। পাশাপাশি এদিন ঠিক হয়েছে, নিরাপত্তার জন্য লেকটাউন থেকে সরিয়ে নেওয়া মেসির মূর্তি বসানো হবে ইকো পার্কে। যুবভারতীর সামনে থেকে অদ্ভুত মূর্তি বিদায়ের সঙ্গে সঙ্গে সকলের মনে একটাই প্রশ্ন, রাজ্যের নতুন সরকার কোন মূর্তি বসাবে যুবভারতীর সামনে? নতুন মূর্তির সঙ্গে কি আদৌ ফুটবলের কোনও সম্পর্ক থাকবে? রাজ্যের নতুন ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক দায়িত্ব নেওয়ার পরেই ঠিক করেন, যুবভারতীর সামনে থেকে সেই অদ্ভুত দর্শনের মূর্তির বিদায় ঘটাবেন। ক্রীড়ামন্ত্রী হিসেবে চেয়ারে বসার পর থেকেই মূর্তি সরানোর জন্য নানা দিক থেকে এত আবেদন, অনুরোধ আসে যে নিশীথ প্রামাণিক দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে নেন, যুবভারতীর সামনে থেকে অদ্ভুত মূর্তিটি সরিয়ে ফেলবেন। যেমন ভাবনা, তেমন কাজ। যুবভারতীর সামনে থেকে বিদায় নিয়েছে সেই অদ্ভুত মূর্তি। স্বাভাবিক ভাবেই সকলের মনে প্রশ্ন, তাহলে এবার কার অথবা কীরকম মূর্তি দেখা যাবে যুবভারতীর সামনে? কীরকম মূর্তি বসালে সকলের দিক থেকে গ্রহণযোগ্য হবে, তা নিয়ে ক্রীড়া দপ্তরের কর্তাদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেন ক্রীড়ামন্ত্রী। প্রস্তাব আসে ক্রীড়াভারতীর তরফেও। প্রথমে প্রাক্তন ফুটবলার-পিকে, চুনী এরকম নানা ফুটবলারের নাম প্রস্তাব আসে মূর্তি হিসেবে যুবভারতীর সামনে রাখার জন্য। কিন্তু পাশাপাশি আলোচনা হয়, কোনও একজন বা দু’জনের নাম নিয়ে মূর্তি তৈরি হলে, নানা দিক থেকে সমালোচনা শুরু হতে পারে। কারণ, বাংলার বুকে এত বরেণ্য ফুটবলার আছেন, যাঁর নাম বাদ যাবে, সেই নাম নিয়েই সমালোচনার ঝড় উঠবে।





