RK NEWZ ওয়াই চ্যানেলে ধর্নায় মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। সঙ্গে রয়েছেন হাতেগোনা কয়েকজন বিধায়ক ও সাংসদ। উঠছে জয় বাংলা স্লোগান। মঞ্চ বাঁধার অনুমতি না মেলায় রেলিংয়ের পাশে দাঁড়িয়ে বক্তব্য রাখছেন মমতা। কিন্তু নেতাদের সংখ্যাই বলে দিচ্ছে, তৃণমূল ভেঙে পড়েছে তাসের ঘরের মতো। গান্ধী মূর্তির পাদদেশে মাল্যদান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ওয়াই চ্যানেলে মমতা। সঙ্গী মদন মিত্র, কুণাল, কল্যাণ, দোলা সেন। ওয়াই চ্যানেলে মালা রায়. নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, অশোক দেব, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, অখিল গিরি। পাশে নেই অধিকাংশ বিধায়ক তথা সাংসদ। কলকাতাতেই রয়েছেন বিধায়ক শিউলি সাহা, তবে সম্ভবত যোগ দিচ্ছেন না কর্মসূচিতে। সূত্রের খবর, বহিষ্কৃত নেতা ঋতব্রতর সঙ্গে বৈঠকের পর যে ধরণের চর্চা চলছে সর্বত্র তাতে কর্মসূচিতে যোগ দেওয়া ঠিক হবে কি না, তা নিয়ে সংশয়ে বিধায়ক। যদিও তিনি বলেছেন, ‘আমাকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা দলের তরফে কেউ ফোন করেননি। তবে মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় আমার নেত্রী।’ ফেসবুক পোস্টে কর্মীদের Y চ্যানেলে সমবেত হওয়ার বার্তা তৃণমূলের। দলের তরফে কর্মীদের আশ্বস্ত করে লেখা হয়েছে, ‘শ্রীমতী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আহ্বানে রানি রাসমণি রোডের প্রতিবাদী সমাবেশে যাঁরা যোগ দিচ্ছেন- তাঁদের যদি পুলিশ ও প্রশাসন কোনও ধরনের প্রতিবন্ধকতা বা বাধা সৃষ্টি করে, বিচলিত হবেন না। সকলে ধর্মতলার ‘ওয়াই চ্যানেল’-এ সমবেত হোন।’ ছাব্বিশে ভরাডুবির পর একমাসও পেরোয়নি। তবে এই কয়েকদিনেই তৃণমূল কার্যত ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গিয়েছে। কালীঘাটের বৈঠকে দেখা মিলছে না অধিকাংশ বিধায়কের। প্রকাশ্যে দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন একাধিক নেতা। সোনারপুরে গিয়ে হামলার মুখে পড়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়। তারপরই হামলা, রিগিং, ভোট পরবর্তী হিংসা, এসআইআর-সহ একাধিক ইস্যুর প্রতিবাদে রানি রাসমণি রোডে ধর্নার ডাক দিয়েছিলেন মমতা।





