Sunday, May 31, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

‘ভোট নেই, নরম ডাল, কেটে দেওয়া সহজ’!‌ সৌরাশিসের পর বিস্ফোরক বাংলার ‘বিতাড়িত’ কোচ অরিন্দম

RK NEWZ বক্তা সাতানব্বইটা প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলেছেন। সওয়া পাঁচ হাজার রান রয়েছে। এক সময় বাংলা টিমের বিশ্বস্ত ওপেনার ছিলেন। ময়দান চেনে, ‘ডন’ নামে। সেই অরিন্দম দাস গত চার বছর ধরে অনূর্ধ্ব-১৬ বাংলার কোচিং করার পর এবার সিএবিতে ইন্টারভিউয়ের ডাক পর্যন্ত পাননি! যার পর মুখ খুললেন তিনি, মিডিয়ায় সৌরাশিস লাহিড়ীর বিস্ফোরণ প্রসঙ্গে অরিন্দম বলেন, সৌরাশিসকে ফুল সাপোর্ট করছি। দেখুন, আন্ডার নাইন্টিন টিম সিলেকশনে কী হয়েছে, বলতে পারব না। কিন্তু প্রায় দশ বছর ধরে কোচিং করাচ্ছে সৌরাশিস। বোর্ডের সেন্টার অফ এক্সেলেন্সের হাই পারফরম‌্যান্স ক‌্যাম্পে কোচিং করাতে যাচ্ছে। তার পর সিএবি ওকে কোচ রাখল না। এ তো ইচ্ছে করে চেপে দেওয়া হল সৌরাশিসকে! এখানে কেউ ভালো করলে, তাকেই চেপে দেওয়া হচ্ছে। আমি নিজে বহুবার সিএবিকে বলেছি যে, সেভেন্টি পার্সেন্ট নিয়ে লেভেল টু কোচিং পাশ করেছি। জাতীয় ক্রিকেট অ‌্যাকাডেমি অন্তর্ভুক্ত কোথাও কি আমার নামটা ‘প্লেস’ করা যায় না? কত তো ক‌্যাম্প হয়। সিএবি কিছুই করেনি। সৌরাশিস অনূর্ধ্ব-১৯ বাংলার কোচিংয়ের দায়িত্ব হারালেন। আমিও অনূর্ধ্ব-১৬ বাংলার কোচ আর থাকলাম না। আরে,আমাকে ইন্টারভিউয়ে পর্যন্ত ডাকেনি! ইন্টারভিউয়ে ডাকা হয়নি, আমি যে অনূর্ধ্ব-১৬ কোচ আর থাকছি না, সেটা ডেকে বলাও হয়নি। আমি তৈরি ছিলাম ইন্টারভিউয়ে গিয়ে নিজের বক্তব‌্য বলার জন‌্য। কিন্তু সুযোগটাই তো পেলাম না। পুরো ইন্টারভিউ প্রসেসটাই যদিও আইওয়াশ ছিল যদিও! আমার তাই মনে হয়। কোনও ক্রিকেট সংস্থার কোচ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে দেখেছেন, ‘প্রেফারেবলি’ শব্দটা লেখা থাকে? সিএবি কোচের যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল, তাতে লেখা কোচের পদে আবেদনকারীর বয়স ‘প্রেফারেবলি’ ষাট হতে হবে। আবেদনকারীর লেভেল টু পাশ করা ‘ডিজায়েরেবল’। কোথাও দেখেছেন এ জিনিস? বোর্ডে হয়? মনে তো হবেই যে, সবই আগে থেকে ঠিক করে রাখা হয়েছে। কিছু লোককে যাতে চাকরি করে দেওয়া যায়, সেই মতো তুমি ক্রাইটেরিয়া সেট করছ! স্রেফ অসহ‌্য! খারাপ লাগবে না? ক্রিকেটার হিসেবে, কোচ হিসেবে, বাংলার জন‌্য প্রাণপাত করেছি আমি। শুনুন, কোচিংয়ের দ্বিতীয় বছরে মাঠে মাঠে ঘুরে খেলা দেখতাম। কারণ, প্রথম বছর প্রসেসের মাঝপথে ঢুকেছিলাম। প্রথমবার আমার একটা ধারণা তৈরি হয়ে যায় মোটামুটি যে, বিজয় মার্চেন্ট ট্রফিটা কীভাবে খেলতে হয়? দ্বিতীয় বছর, পুরো মাঠে-মাঠে ঘুরলাম। জেলায়-জেলায় গেলাম। কলকাতায় সেকেন্ড ডিভিশনের ম‌্যাচ দেখলাম। মনে হত, সমস্ত ঘুরে না দেখলে কোনও প্রতিভা মিস হয়ে যাবে না তো? মাঠে গাছের নিচে দাঁড়িয়ে-দাঁড়িয়ে খেলা দেখতাম। যাতে আমার উপস্থিতিতে প্লেয়ারের খেলা না বদলে যায়। সেই বছর আমি বেস্ট প্লেয়ার পুল-টা পাই। অঙ্কিত চট্টোপাধ‌্যায়। আশুতোষ কুমার। শিবম ভারতী। শচীন যাদব। যাদের অনেকে পরে অনূর্ধ্ব-১৯ খেলে। আমাদের দুর্ভাগ‌্য যে, ভালো খেলেও আমরা অল্পের জন‌্য কোয়ার্টার ফাইনালে হেরে যাই। কিন্তু টিমের খেলা প্রবল প্রশংসিত হয়েছিল। মজা কী জানেন? এত কিছুর পর আমাকে কথা শুনতে হয়েছিল! সিএবি-র এক কর্তা বলেছিলেন, মাঠে ঘোরা কি কোচের কাজ? সেটা তো নির্বাচকদের কাজ। অথচ মাঠে-মাঠে ঘুরছি বলে বাড়তি একটা পয়সা নিইনি কারও থেকে। গর্বের সঙ্গে বলতে পারি, আমার কোচিংয়ে জেলার অনেক গরিব ছেলে খেলে গিয়েছে। যেমন শিলিগুড়ির আকাশ তরফদার। যার বাবা ভ‌্যান চালান। কে জানে, হয়তো কলকাতার বড়লোক ক‌্যাম্পের ছেলেরা তেমন সুযোগ পায়নি বলে ওদের হয়তো আমার উপর রাগ! আমাকে তো এক প্রভাবশালী কর্তা এও শুনিয়ে বলেছিলেন, ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের লাস্ট বয় গরিব স্কুলের ফার্স্ট বয়ের চেয়ে বেটার হয়! কিছু বলতে পারি নি। কী করে বলব? সিএবি-তে চাকরি করি তখন। মাথা নিচু করে সরে এসেছি। কবে বিজয় মার্চেন্ট ট্রফি জিতেছে বাংলা? কখনও না। এত দিন ধরে, এত সমস্ত কোচ এসেছেন। কেউ পারেননি। তা হলে সবার কোচিং ভুল? নাকি সিস্টেম কোথাও রেস্ট্রিক্ট করছে কোচকে কোচিং করা থেকে? আমি তো গত বার ট্রায়াল করতে চেয়েও ব‌্যর্থ হয়েছি। দেয়নি ওরা। ষাট-সত্তরটা ছেলের বেশি পাইনি। আমি ম‌্যাক্সিমাম ট্রায়াল নিয়েছি মেরেকেটে একশোটা বাচ্চার। অথচ আমরা যখন অনূর্ধ্ব-১৬ খেলেছি, তিন বার ট্রায়াল হত। আর এখন কী হয়? ঠান্ডা ঘরে বসে নানাদিক থেকে কিছু নাম জোগাড় করে টিম করে ফেলা হয়! নাম করে বলতে পারি। জুনিয়র নির্বাচকদের মধ‌্যে একমাত্র প্রবীর আচার্য ছাড়া বিজয় মার্চেন্ট ট্রফির কেউ খেলাই দেখেন না! কত শুনি ট‌্যালেন্ট রিসার্চ, অমুক-তমুক। যাদের পয়সা-টয়সা দিয়ে জামাইআদর করে রেখেছে সিএবি। কেউ একদিনও গিয়ে খেলা দেখে? নট আ সিঙ্গল ম‌্যাচ! আমি পার্টিকুলার কারও উপর দোষ চাপাতে চাইছি না। কিন্তু দিন শেষে তো আমার উপর জবাবদিহির দায় চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তা হলে কেন আমাকে দু’শোটা ছেলে দেখার সুযোগ করে দেওয়া হবে না? আমার তো মনে হয় না, সিএবি-র নাম ক্রিকেট অ‌্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল আর আছে বলে। পুরোপুরি ক্রিকেট অ‌্যাসোসিয়েশন অফ কলকাতা হয়ে গিয়েছে! কোথায় মালদা, জলপাইগুড়ি, দিনাজপুর, মুর্শিদাবাদের ছেলে? ভাবতে পারেন, আমাদের কোনও রিভিউ মিটিং হয়নি। ডাকেইনি সিএবি! জানেন, গত বছর অনূর্ধ্ব-১৬ বাংলা টিম তৈরি করার আগে ভিশনের অনূর্ধ্ব-১৬ টিম হয়ে গেল! কোনও প্রপার ট্রায়াল ছাড়াই! আমরা তখন বিপিএলে কোচিং করছি। ভিশনে পঁচিশটা ছেলেকে ঢুকিয়ে দিতে পারলে তাদের তো তুমি আর বাদ দিতে পারবে না। কারণ, কাগজে-কলমে তারাই সেরা। কোথায় কে পঞ্চাশ করেছে, কে একশো করছে, কে তিরিশ করেছে– তাই দেখে ভিশনের টিম হয়ে গেল! কতটা ট‌্যাক্টফুলি সমস্ত হয়েছে, একবার ভাবুন। অনূর্ধ্ব ১৬ টিমকে হেরে যাওয়ার পর তো আবার বাসে করে টিমকে ফেরানো হল। সিএবি অফিস থেকে আমাদের ইনস্ট্রাকশন দেওয়া হয়েছিল, বাসে করে ফিরতে হবে! কেন, কেউ বলেনি। সেই বাস আবার মাঝরাস্তায় খারাপ হয়ে গেল। হাস‌্যকর! সৌরাশিস অভিযোগ করেছেন, তাঁর কাছে নির্দিষ্ট প্লেয়ার খেলানোর অনুরোধ গিয়েছিল। সরাসরি বলত না। তবে দেখতাম, কয়েকজন প্লেয়ারকে নিয়ে অনেকে আগ্রহী। বারবার জানতে চাইত, তারা কেমন করছে! কিন্তু জেলার প্লেয়ারের ক্ষেত্রে সেটা হত না। কেউ জিজ্ঞাসাই করত না! সৌরাশিস মনে করেন, তিনি কম্প্রোমাইজ করেননি বলে আর বাংলা কোচ থাকতে পারলেন না। আর অরিন্দম দাস ইন্টারভিউয়ে পর্যন্ত ডাক পেল না? আমার তো মনে হয়, পারমুটেশন-কম্বিনেশনে ফিট করিনি বলে ডাকা হল না। ডাকবে কেন? অরিন্দম দাসের তো ভোট নেই! অরিন্দম দাসকে বাদ দিলে সিএবি-র কিছু যাবে-আসবে না। গদিতে চাপ পড়বে না। অরিন্দম নরম ডাল, কেটে দাও! আমাদের ভোট নেই তো, তাই পারফরম‌্যান্স দেখা হয়। ভোট থাকলে, দেখা হয় না। মনে রাখবেন, অনূর্ধ্ব-১৬-র মতো বাংলার অনূর্ধ্ব-২৩ টিমও কিন্তু নকআউটে কোয়ালিফাই করেনি। সিএবি কিন্তু তার কোচকে ঠিকই বহাল রেখেছে!

প্রসঙ্গ ছিল বাংলার কোচিং গ্রুপ থেকে ‘ব্রাত্য’ হওয়া সৌরাশিস লাহিড়ীর বিস্ফোরক সব অভিযোগের জবাব দেওয়া। সেই মতো সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিল সিএবি-র জুনিয়র নির্বাচক কমিটি। ছিলেন কমিটির প্রধান সুমিত্র মজুমদার এবং তিন সদস্য সত্যেন ভট্টাচার্য, শঙ্কর ভট্টাচার্য ও প্রবীর আচার্য। কিন্তু তাঁরা যা বললেন, তাতে উল্টে আরও বেকায়দায় পড়ল সিএবি। প্রকাশ্যে চলে এল বঙ্গ ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থার বিভিন্ন অনিয়ম। কোচ নিয়োগ থেকে দল নির্বাচন-একটার পর একটা বিষয়ে সিএবি-কে ‘আত্মঘাতী’ গোল খাওয়াল জুনিয়র নির্বাচক কমিটি। নিচে উল্লেখ করা হল তারমধ্যে প্রধান তিনটে ইস্যু।

১) কোচ নিয়োগে নির্বাচকদের মত
ভারতীয় ক্রিকেট বর্তমানে পরিচালিত হয় মূলত লোধা কমিটির করা বিভিন্ন নির্দেশিকার ভিত্তিতে। বিসিসিআই তো বটেই, বিভিন্ন রাজ্য সংস্থার কাজকর্মও নিয়ন্ত্রিত হয় সেসব নির্দেশিকা অনুযায়ী। যার মধ্যে রয়েছে সিএবিও। নির্দেশিকায় বলা রয়েছে, কোনও দলের কোচ নির্বাচনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হল সেই দলের নির্বাচক কমিটির মতামত। অর্থাৎ, কোচ নিয়োগের পদ্ধতিতে জড়িত থাকবেন নির্বাচকরাও। সিএবি-র জুনিয়র নির্বাচক কমিটি মূলত দু’টি দলের দায়িত্বে। অনুর্ধ্ব ১৬ এবং অনুর্ধ্ব ১৯। সম্প্রতি দুই দলের জন্যই নতুন হেড কোচ নিয়োগ করেছে সিএবি। অনূর্ধ্ব ১৬-তে অনুষ্টুপ মজুমদার এবং অনূর্ধ্ব ১৯-এ মনোজ তিওয়ারি। কোচ নির্বাচনের কাজটা করেছে সিএবি নিযুক্ত তিন সদস্যের কমিটি। যাতে ছিলেন অরুণ লাল, দেবাং গান্ধী এবং কল্যাণ চৌধুরি। তবে সেই কমিটি কথাই বলেনি সিএবি-র জুনিয়র নির্বাচকদের সঙ্গে। শুক্রবার ইডেনে বসে জুনিয়র নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান সুমিত্র মজুমদার স্বীকার করে নিয়েছেন সেকথা। তিনি সরাসরি বলেছেন, “কোচ নিয়োগ নিয়ে কেউ আমাদের সঙ্গে কথা বলেনি।” অন্যদিকে, সিএবি-র কমিটিতে থাকা দেবাং গান্ধীও বলছেন, “আমরা কেউই জুনিয়র নির্বচক কমিটির সঙ্গে কথা বলিনি।” অর্থাৎ, ফের একবার লোধা-সুপারিশের পাশাপাশি এবার সুপ্রিম কোর্ট-সম্মত নিজেদের সংবিধানকেই ‘বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ’ দেখাল বঙ্গ ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা। যার ফলে মনোজ-অনুষ্টুপদের নিয়োগের বৈধতা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।

২) অ্যাপেক্সের কাছে ইভ্যালুয়েশন রিপোর্ট পেশ
শুধু কোচ নিয়োগের ক্ষেত্রে সিএবি নিজের সংবিধান লঙ্ঘন করেছে, এমনটা নয়। আরও আছে। যেমন অ্যাপেক্স কাউন্সিলের কাছে ইভ্যালুয়েশন রিপোর্ট পেশ। সিএবি-র সংবিধান অনুযায়ী, প্রত্যেক তিনমাস অন্তর যে রিপোর্ট জমা পড়ার কথা। যেখানে অ্যাপেক্স কাউন্সিলের সঙ্গে বিভিন্ন দলের পারফরম্যান্স নিয়ে আলোচনায় বসবেন নির্বাচকরা। অথচ এমন কোনও বৈঠক হয় না সিএবি-তে। অন্তত সদ্য শেষ হওয়া ঘরোয়া ক্রিকেটের মরশুমে হয়নি। যে কথা স্বীকার করে নিয়েছেন জুনিয়র নির্বাচকরা। সুমিত্রদের সম্মিলিত বক্তব্য, “আমরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেছি। তবে সিএবি-র সঙ্গে নিয়মিতভাবে কোনও বৈঠক হয়নি। সিএবি থেকে কিছু জানতে চাওয়া হলে আমরা তার জবাব দিয়েছি।”

৩) ম্যাচ স্কোয়াডে বাড়তি প্লেয়ার
ভারতীয় বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী, ঘরোয়া ক্রিকেটে প্রতি ম্যাচের জন্য স্কোয়াডে রাখতে হয় ১৬ জন ক্রিকেটারকে। ম্যাচ প্রতি বিসিসিআই যে অর্থ বরাদ্দ করে রাজ্যগুলিকে, তা করা হয় ১৬ জন ক্রিকেটারের জন্যই। কিন্তু দেখা গিয়েছে, গত বছর নিয়মিতভাবে অতিরিক্ত ক্রিকেটার ছিল বাংলার অনুর্ধ্ব ১৯ দলের স্কোয়াডে। অধিকাংশ ম্যাচেই সেই সংখ্যাটা ১৮। কোনও ম্যাচে ১৭। যার কারণ হিসেবে প্রাথমিকভাবে নির্বাচকদের তরফে বলা হয়, তৎকালীন কোচ সৌরাশিস লাহিড়ীর কথামতো দল গড়া হয়েছে। যদিও পরবর্তীতে অবস্থান পরিবর্তন করেন তাঁরা। এবার বলা হয়, অনেক সময় বাড়তি নেট বোলার নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন কোচ। কিন্তু নেট বোলার হিসেবে গেলে সংশ্লিষ্ট ক্রিকেটারের নামের পাশে সেকথা লেখা নেই কেন? ১৬ জনের পরিবর্তে ১৮ জনের স্কোয়াড নিয়ে যাওয়ার ভাবনা কার মস্তিষ্কপ্রসূত? প্রশ্ন শুনে ‘নির্বাক’ নির্বাচকরা। বরং তাঁদের তরফে বার বার বলা হল, বৈঠকে থাকলেও আপত্তি জানাননি কোচ। যা শুনে সৌরাশিসের পাল্টা প্রশ্ন, “স্কোয়াডে কত জন থাকবে তা কি কোচ ঠিক করেন?”

এদিন সিএবি-র তরফে সৌরাশিসকে ‘স্বৈরাচারী’ প্রমাণ করতে নিয়ে আসা হয় অঞ্জুর চট্টোপাধ্যায় নামে এক স্ট্রেংথ অ্যান্ড কন্ডিশনিং কোচকে। যাঁর বক্তব্য, সৌরশিসের ‘দুর্ব্যবহারে’র জেরে গত মরশুমের শুরুতে অনুর্ধ্ব ১৯ দল থেকে সরে যেতে হয়েছে তাঁকে। অবশ্য বাংলর অনূর্ধ্ব ১৬ দলে কর্মরত অন্তর অনূর্ধ্ব ১৯ দলে আসেন সৌরাশিস কোচ হওয়ার পরই। দু’টো প্রতিযোগিতা খেলে শহরে ফিরে দেওয়া ‘পদত্যাগ পত্রে’ কোচের দুর্ব্যহার নিয়ে একটা শব্দও লেখেননি তিনি। সর্বোপরি, তারপরও নিয়মিতভাবে সৌরাশিসের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে গিয়েছেন অন্তর। হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজে, ভয়েস কলে। এটাও এক ‘আত্মঘাতী’ গোল নয় কি?

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles