RK NEWZ ভোটের শেষ দফার আগে ধরপাকড় চলছে। কমিশনের তরফে মঙ্গলবার বিকেলে জানানো হয়েছে, গত ৬০ ঘণ্টায় রাজ্যের ভোটমুখী সাত জেলায় ২,৪৭৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অর্থাৎ, গড়ে ৪১ জন করে প্রতি ঘণ্টায় গ্রেফতার হয়েছেন। আদালত জানাল, অযথা কাউকে গ্রেফতার করতে পারবে না কমিশন। সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসাবেও আটক করা যাবে না কোনও কারণ ছাড়া। ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, ব্যক্তিস্বাধীনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই আইন মেনেই পদক্ষেপ করতে হবে। প্রথম দফা ভোটের আগে এই সংক্রান্ত মামলায় হাই কোর্ট জানিয়েছিল গোলমাল সৃষ্টি করতে পারে (ট্রাবল মেকার) বলে দাগিয়ে দিয়ে ঢালাও গ্রেফতারি চলবে না। সতর্কতামূলক ভাবে কাউকে আটক করতে গেলেও তা আইনের নির্দিষ্ট বিধি মেনেই করতে হবে। একই সঙ্গে জানিয়েছিল, কমিশন যদি ঢালাও গ্রেফতারি সংক্রান্ত এমন কোনও সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে, তার উপরেও স্থগিতাদেশ জারি হচ্ছে। কারণ, সংবিধানের ৩২৪ অনুচ্ছেদের ক্ষমতা সীমাহীন নয়। আদালতের এই নির্দেশের পরেও কমিশন সাড়ে তিন হাজার জনের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে চলেছে বলে তৃণমূল দাবি করেছিল। সেই মামলায় কমিশনকে নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হল। অযথা কাউকে গ্রেফতার করা যাবে না। যে কোনও পদক্ষেপের আগে ব্যক্তিস্বাধীনতার বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। তৃণমূলের মামলায় মঙ্গলবার এমনটাই জানাল কলকাতা হাই কোর্ট। বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, কমিশনকে নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করতে হবে। ভোট যাতে শান্তিপূর্ণ ও স্বচ্ছ হয়, নির্ভয়ে যাতে সকলে ভোট দিতে পারেন, তা কমিশনকে নিশ্চিত করতে হবে। ভয়মুক্ত পরিবেশে ভোট করানোর জন্য কমিশনকে পদক্ষেপ করতে বলেছে হাই কোর্ট। কমিশন আদালতে জানায়, সম্ভাব্য সমস্যাসৃষ্টিকারীদের নামের যে তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছিল, তা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।





