Thursday, April 23, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

‘লঙ্কা-পেঁয়াজ খান?’ ‘খাই, শুধু মাথা খাই না’! ঝাড়গ্রামে ১০ টাকার ঝালমুড়ি কিনে খেয়ে ও খাইয়ে জনসংযোগ প্রধানমন্ত্রীর

RK NEWZ বিরল দৃশ্য দেখে অনেকেই প্রথমে চমকে যান। পরে অবশ্য সবটা ধাতস্থ হতেই মোবাইল বের করে মোদির ঝালমুড়ি খাওয়া ক্যামেরাবন্দি করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন তাঁরা। স্বাভাবিকভাবেই এই দৃ্শ্য ভাইরাল হতে বেশি সময় নেয়নি। সকলে ‘মোদি জিন্দাবাদ’ স্লোগানও তুললেন। মোদি নিজেই শুধু ঝালমুড়ির স্বাদগ্রহণ করেননি, উপস্থিত সকলকে ঝালমুড়ি কিনে খাইয়েছেন। এমনকী বিক্রম সাউ নামে মালিকের হাতে মুড়ির দামও তিনি দিয়েছেন জোর করেই। চবনলাল স্পেশাল ঝালমুড়ির দোকান আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠল মোদির আগমনে। এরপর মোদির সভা ছিল পশ্চিম মেদিনীপুরের নারায়ণগড়ে। সেই সভা সেরে নিজেই ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করলেন ঝালমুড়ি খাওয়ার ছবি। বাংলার ‘সুস্বাদু পদ’ বলে উল্লেখ করলেন ঝালমুড়িকে। ঝাড়গ্রামে সভা শেষ। হেলিপ্যাডের দিকে এগোনোর সময় আচমকা থমকে গেল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কনভয়। পড়ন্ত দুপুরে গাড়ি থেকে নেমে প্রধানমন্ত্রী ধীর পায়ে এগিয়ে গেলেন কলেজ মোড় এলাকার একচিলতে ছোট্ট একটি ঝালমুড়ির দোকানের দিকে। ‘ভাই, ঝালমুড়ি খাওয়ান তো।’ প্রধানমন্ত্রী মুড়ি খাবেন শুনে খানিক বিহ্বল চোখে তাকিয়ে রইলেন ঝালমুড়ি বিক্রেতা বিক্রম সাউ। প্রধানমন্ত্রী ১০ টাকার ঝালমুড়ি কিনলেন। বিক্রম টাকা নিতে দ্বিধা করছিলেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী বললেন, ‘‘এ সব হয় না।’’ পকেট থেকে টাকা বার করে ঝালমুড়ি বিক্রেতার হাতে ধরিয়ে দিলেন তিনি।

মুড়ি বানানোর আগে প্রধানমন্ত্রীকে বিক্রমের প্রথম প্রশ্ন, ‘ঝাল খাবেন?’ জবাব এল, ‘হ্যাঁ।’ মুড়ি মাখতে মাখতে বিক্রম বললেন, ‘পেঁয়াজ?’ মোদী হিন্দিতে বললেন, ‘পেঁয়াজও খাই।’ পর ক্ষণেই তাঁর মন্তব্য, ‘স্রেফ দিমাগ নহি খাতে হ্যায়’ (শুধু মাথা খাই না)। স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে হাসলেন মোদী। তার পরে ঝালমুড়ির ঠোঙা নিয়ে নিজে খেলেন, পাশে দাঁড়ানো অন্যদের হাতেও দিলেন। রবিবার চারটি কর্মসূচির মাঝে ঝালমুড়ি সহযোগে ছোট্ট করে জনসংযোগ করলেন প্রধানমন্ত্রী— ‘মুড়ি পে চর্চা।’ পরে সেই ঝালমুড়ি খাওয়ার ছবি সমাজমাধ্যমেও পোস্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

মোদী যখন ঝালমুড়ি কিনছেন, ওই দোকানের সামনে ছিলেন কণিকা মাহাতো, কল্যাণী মাহাতোরা। তাঁরা বলেন, ‘‘এমন ঘটনা চোখের সামনে দেখব, ভাবতেই পারিনি। দেশের প্রধানমন্ত্রী কী সহজ ভাবে নিজে ঝালমুড়ি খেলেন। যাঁরা সামনে ছিলেন, তাঁদের হাতেও দিলেন।’’ মুগ্ধতা আর মুগ্ধতা। আর ঝালমুড়ি দোকানদার বিক্রম জানান, তিনি আদতে বিহারের গয়ার বাসিন্দা। ঝাড়গ্রামের কলেজ মোড়ে এই দোকানটি অনেক দিনের। প্রধানমন্ত্রীকে মুড়ি খাওয়ানোর অভিজ্ঞতা কেমন? বিক্রম বলেন, ‘‘উনি এসে প্রথমে আমার সঙ্গে আলাপ করেন। আমার নাম, বাবার নাম, ঠিকানা জানতে চান। তার পর বলেন ঝালমুড়ি বানাতে। ঝালমুড়ির ঠোঙা হাতে নিয়ে নিজে খেলেন এবং অন্যদেরও খাওয়ালেন।’’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles