Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

বারাসতে কালীপুজোর উদ্বোধনে শমীক শুভেন্দু!‌ ‘পুলিশের জিপে আর মূর্তি যাবে না’,শুভেন্দুকে বললেন শমীক

RK NEWZ ধর্মীয় স্বাধীনতার পরিবেশে সনাতন সংস্কৃতিকে প্রাধান্য দিয়ে এবার রাজ্যজুড়ে পালিত হচ্ছে কালীপুজো। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বারাসতে কালীপুজো উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এমনই বার্তা দিলেন। এদিন চোরবাগানের দুর্ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে কালীপুজোয় নিরাপত্তা নিশ্ছিদ্র করার বার্তা দিলেন দু’জন। পুজো কমিটি, স্বেচ্ছাসেবক এবং পুলিশ-প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয়ের উপর জোর দিলেন তাঁরা। মুখ্যমন্ত্রীর আবেদন, উৎসবের আনন্দে নিরাপত্তার সঙ্গে কোনও আপস নয়। শমীকের বক্তব্য, কোথাও অব্যবস্থা হলে তার দায় একা পুলিশের নয়। দর্শনার্থীদের প্রবেশ ও বেরনোর পথ নির্বিঘ্ন রাখার দায়িত্ব পুজো উদ্যোক্তাদেরও নিতে হবে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বারাসতের শিমুলতলা শ্রীকৃষ্ণপুর সাংস্কৃতিক চক্রের কালীপুজোর উদ্বোধনী মঞ্চ থেকে চোরবাগানের ঘটনার প্রেক্ষিতে এই সতর্কবার্তা দেন। কালীপুজোর উদ্বোধনে ধর্মীয় ঐতিহ্য ও সনাতনী পরম্পরা রক্ষার প্রসঙ্গে পূর্ববর্তী বাম ও তৃণমূল সরকারকে নিশানা করেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ, ৩৪ বছরের বাম শাসন এবং পরবর্তী ১৫ বছরের তৃণমূল জমানায় বাংলার ধর্মীয় সংস্কৃতি ও আচার-অনুষ্ঠান বাধার মুখে পড়েছিল। সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে দাবি করে তাঁর বক্তব্য, “৮৬ শতাংশ সনাতনী ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল বলেই বারাসতের বিধায়কের নাম শংকর চট্টোপাধ্যায় আর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর নাম শুভেন্দু অধিকারী।” নাম না করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি রাজনৈতিক লড়াইয়ে নামার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন শমীক ভট্টাচার্য। ১৫০০ কিলোমিটার দূরে গিয়ে প্রতিবাদ না করে নিজের ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আহ্বান জানান তিনি। ভবানীপুর থেকে টালা-টালিগঞ্জ পর্যন্ত মিছিল করার চ্যালেঞ্জও দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

ধর্মীয় স্বাধীনতার পরিবেশে সনাতন সংস্কৃতিকে প্রাধান্য দিয়ে এবার রাজ্যজুড়ে পালিত হচ্ছে কালীপুজো। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বারাসতে কালীপুজো উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এমনই বার্তা দিলেন। এদিন চোরবাগানের দুর্ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে কালীপুজোয় নিরাপত্তা নিশ্ছিদ্র করার বার্তা দিলেন দু’জন। পুজো কমিটি, স্বেচ্ছাসেবক এবং পুলিশ-প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয়ের উপর জোর দিলেন তাঁরা। মুখ্যমন্ত্রীর আবেদন, উৎসবের আনন্দে নিরাপত্তার সঙ্গে কোনও আপস নয়। শমীকের বক্তব্য, কোথাও অব্যবস্থা হলে তার দায় একা পুলিশের নয়। দর্শনার্থীদের প্রবেশ ও বেরনোর পথ নির্বিঘ্ন রাখার দায়িত্ব পুজো উদ্যোক্তাদেরও নিতে হবে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বারাসতের শিমুলতলা শ্রীকৃষ্ণপুর সাংস্কৃতিক চক্রের কালীপুজোর উদ্বোধনী মঞ্চ থেকে চোরবাগানের ঘটনার প্রেক্ষিতে এই সতর্কবার্তা দেন তাঁরা।

মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, “৮৬ শতাংশ সনাতনী ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল বলেই বারাসতের বিধায়কের নাম শংকর চট্টোপাধ্যায় আর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর নাম শুভেন্দু অধিকারী।” পুলিশের উদ্দেশে শমীকের বার্তা, রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হয়ে কাজ করতে হবে। বললেন, “কালীপুজোর বিসর্জনে পুলিশের উপর আর বোমা পড়বে না, পুলিশের জিপে কালীমূর্তিও যাবে না। কালীপুজোর উদ্বোধনে ধর্মীয় ঐতিহ্য ও সনাতনী পরম্পরা রক্ষার প্রসঙ্গে পূর্ববর্তী বাম ও তৃণমূল সরকারকে নিশানা করেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ, ৩৪ বছরের বাম শাসন এবং পরবর্তী ১৫ বছরের তৃণমূল জমানায় বাংলার ধর্মীয় সংস্কৃতি ও আচার-অনুষ্ঠান বাধার মুখে পড়েছিল। সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে দাবি করে তাঁর বক্তব্য, “৮৬ শতাংশ সনাতনী ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল বলেই বারাসতের বিধায়কের নাম শংকর চট্টোপাধ্যায় আর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর নাম শুভেন্দু অধিকারী।” নাম না করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি রাজনৈতিক লড়াইয়ে নামার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন শমীক ভট্টাচার্য। ১৫০০ কিলোমিটার দূরে গিয়ে প্রতিবাদ না করে নিজের ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আহ্বান জানান তিনি। ভবানীপুর থেকে টালা-টালিগঞ্জ পর্যন্ত মিছিল করার চ্যালেঞ্জও দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। শমীকের কটাক্ষ, “বাঘিনী খেলা করছেন আরশোলার সঙ্গে। বাঘিনী খেলা করছেন কাকড়া-ছারপোকার সঙ্গে।” রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলে গিয়েছে এবং আগামী ২৫ বছরেও তার পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই বলে দাবি করেন তিনি। ধর্মীয় স্বাধীনতা ও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বিগত সরকারকে নিশানা করে শমীকের দাবি, এখন আর শাঁখ বাজানো বা হরিনাম সংকীর্তনে বাধা দেওয়ার পরিস্থিতি নেই। পুলিশের উদ্দেশে তাঁর বার্তা, রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হয়ে কাজ করতে হবে। বললেন, “কালীপুজোর বিসর্জনে পুলিশের উপর আর বোমা পড়বে না, পুলিশের জিপে কালীমূর্তিও যাবে না।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles