RK NEWZ দেশে ফৌজদারি আইনে নিয়ম হলো, গ্রেপ্তারির ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কাউকে আদালতে হাজির করাতে হবে পুলিশকে। কিন্তু আটকের ক্ষেত্রে এ রকম নিয়ম কার্যকর ছিল না এত দিন। এ নিয়ে এ বার কড়া নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। স্পষ্ট জানিয়ে দিল, শুধু গ্রেপ্তারি নয়, কাউকে আটকের পরেও ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই আদালতে হাজির করাতে হবে। তা না পারলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে মুক্তি দিতে হবে। শীর্ষ আদালত বলেছে, যে মুহূর্তে কোনও ব্যক্তিকে আটক করা হচ্ছে, সেই মুহূর্ত থেকেই ২৪ ঘণ্টা সময়সীমার হিসেব করা হবে। প্রসঙ্গত, এত দিন আনুষ্ঠানিক ভাবে গ্রেপ্তারির সময় থেকে ২৪ ঘণ্টার হিসেব হতো। পুলিশের বিরুদ্ধে বেআইনি ভাবে আটকের অভিযোগ ওঠে বিভিন্ন সময়ে। তার প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে আইনমহল।শীর্ষ আদালত বলেছে, যে মুহূর্তে কোনও ব্যক্তিকে আটক করা হচ্ছে, সেই মুহূর্ত থেকেই ২৪ ঘণ্টা সময়সীমার হিসেব করা হবে। প্রসঙ্গত, এত দিন আনুষ্ঠানিক ভাবে গ্রেপ্তারির সময় থেকে ২৪ ঘণ্টার হিসেব হতো। পুলিশের বিরুদ্ধে বেআইনি ভাবে আটকের অভিযোগ ওঠে বিভিন্ন সময়ে। তার প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে আইনমহল। শীর্ষ আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে, সংবিধানের ২২(২) অনুচ্ছেদ মেনে ‘গ্রেপ্তার’ এবং ‘আটক’— এই দু’টি বিষয়ের মধ্যে কোনও কৃত্রিম ফারাক করা যাবে না। পুলিশ যদি কাউকে আনুষ্ঠানিক ভাবে গ্রেপ্তার দেখানোর আগে ‘আটক’ করে রাখে, তবে সেই সময়টা বাদ দেওয়া যাবে না। পুলিশ যদি এই ধরনের কোনও নিয়ম তৈরি করতে চায়, তবে তা সরাসরি সংবিধানের পরিপন্থী (অসাংবিধানিক) বলে গণ্য হবে। সুপ্রিম কোর্ট নিম্ন আদালতকেও নির্দেশ দিয়েছে, এখন থেকে কোনও অভিযুক্তকে রিমান্ডে পাঠানোর সময়ে আটকের প্রকৃত তারিখ এবং সময় খাতায়কলমে লিখে রাখতে হবে। এর পরে খতিয়ে দেখতে হবে যে, আটকের সময় থেকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা ঠিক মতো মানা হয়েছে কি না। যদি ম্যাজিস্ট্রেট দেখেন, অভিযুক্তকে প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি সময় ধরে আটকে রাখা হয়েছে এবং তা অযৌক্তিক, তবে তিনি পুলিশের রিমান্ডের আবেদন খারিজ করে দিতে পারেন। দেশে ফৌজদারি আইনে নিয়ম গ্রেপ্তারির ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কাউকে আদালতে হাজির করাতে হবে পুলিশকে। কিন্তু আটকের ক্ষেত্রে এ রকম নিয়ম কার্যকর ছিল না এত দিন। এ নিয়ে এ বার কড়া নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। স্পষ্ট জানিয়ে দিল, শুধু গ্রেপ্তারি নয়, কাউকে আটকের পরেও ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই আদালতে হাজির করাতে হবে। তা না পারলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে মুক্তি দিতে হবে।




