RK NEWZ ১৮টি গ্র্যান্ড স্ল্যামজয়ী লিয়েন্ডারের এই সিদ্ধান্তে নির্বাচনী লড়াইয়ে নতুন সমীকরণ তৈরি হল। সর্বভারতীয় টেনিস সংস্থার নির্বাচনে চিন্তন পারিখের পাশেই দাঁড়ালেন লিয়েন্ডার পেজ। বর্তমান সভাপতির প্যানেলে যোগ দিয়ে সহ-সভাপতি পদে লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ভারতের প্রাক্তন টেনিস তারকা। সভাপতি পদে ফের লড়বেন পারিখ। একটি প্যানেল তৈরি করে সর্বভারতীয় টেনিস সংস্থার (এআইটিএ) নির্বাচনী ময়দানে নামছেন তাঁরা। পুরুষদের ডাবলস ও মিক্সড ডাবলস মিলিয়ে ১৮টি গ্র্যান্ড স্ল্যামজয়ী লিয়েন্ডারের এই সিদ্ধান্তে নির্বাচনী লড়াইয়ে নতুন সমীকরণ তৈরি হল। পারিখ ও লিয়েন্ডারের নির্বাচনী প্যানেলের নাম ‘টেনিস ফার্স্ট’। তাঁদের মূল লক্ষ্য, ভারতীয় টেনিস সংস্থায় স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনা এবং দেশের টেনিসের উন্নতি। সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, প্রথমে পারিখের বিরুদ্ধে নির্বাচনে লড়ার কথা ভেবেছিলেন লিয়েন্ডার। খেলোয়াড়দের জন্য নির্দিষ্ট ‘স্পোর্টসপার্সনস অফ আউটস্ট্যান্ডিং মেরিট’ (এসওএম) কোটাতেও তাঁর নির্বাচনে লড়ার সুযোগ ছিল। সেই কোটার টায়ার ১-এ একমাত্র নাম ছিল লিয়েন্ডারের। যদিও শেষ পর্যন্ত সেই পথে হাঁটেননি তিনি।পশ্চিমবঙ্গ টেনিস সংস্থার সভাপতি হিসাবেও এবার নির্বাচনে লড়তে পারতেন না লিয়েন্ডার। কারণ, ওই পদে তাঁর এক বছর এখনও পূর্ণ হয়নি। এর পরেই পরিস্থিতি বদলায়। গত সপ্তাহে কলকাতায় পারিখের সঙ্গে বৈঠকে বসেন লিয়েন্ডার। সেখানেই একসঙ্গে নির্বাচনে লড়ার সিদ্ধান্ত নেন দু’জনে। ভবিষ্যতে ভারতীয় অলিম্পিক সংস্থাতেও ভূমিকা নেওয়ার ইচ্ছা রয়েছে লিয়েন্ডারের। তবে তার আগে সর্বভারতীয় টেনিস সংস্থায় নিজের জায়গা পাকা করতে চান তিনি। বৈঠকের কথা জানিয়ে পিটিআই-কে পারিখ বলেন, “লিয়েন্ডারকে আমাদের প্যানেলে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলাম। ও সেই প্রস্তাবে রাজি হয়েছে। বৈঠকে বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। স্বচ্ছ টেনিস সংস্থা গড়ে তোলাই আমাদের দু’জনের লক্ষ্য। ভারতীয় টেনিসের উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করতে চাই আমরা।” বর্তমানে সর্বভারতীয় টেনিস সংস্থার ট্রাস্টে রয়েছেন প্রাক্তন সচিব অনিল ধুপর, প্রাক্তন সভাপতি অনিল জৈন, অনিল খান্না, অশোক কুমার, রক্তিম সাইকিয়া এবং ভরত ওঝা। ট্রাস্টের কোষাধ্যক্ষের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন রোহিত রাজপাল। পারিখের দাবি, টেনিস সংস্থার ছাতার তলায় ট্রাস্টকে নিয়ে আসতে চান লিয়েন্ডার। অতীতে এই ট্রাস্টের সঙ্গে সর্বভারতীয় টেনিস সংস্থার সংঘাত প্রকাশ্যে এসেছিল। সেই জট কাটানোর আশ্বাসও দিয়েছেন লিয়েন্ডার। এখন দেখার, নির্বাচনে তাঁদের ‘টেনিস ফার্স্ট’ প্যানেল কতটা সাফল্য পায়।





