RK NEWZ বিরোধীদের দাবি, ১০ লক্ষ মানুষের জমায়েত রবিবার। রবিবারের কর্মসূচির জন্য দিল্লির একাধিক রাস্তায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। রামলীলা ময়দানে সর্বোচ্চ ৫০ থেকে ৫৫ হাজার মানুষের জমায়েত সম্ভব। পুলিশ জানিয়েছে, তার বেশি জমায়েতের সম্ভাবনা তৈরি হলে গন্তব্যে পৌঁছোনোর আগেই ভিড় আটকে দেওয়া হতে পারে। ‘ইন্ডিয়া’র কর্মসূচির পাল্টা হিসেবে রবিবারই দিল্লিতে মিছিল করে বিজেপি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিংহ পুরী, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তদের নেতৃত্বে ওই মিছিল হয় ১৯৮৪ সালের শিখবিরোধী অশান্তির ঘটনায় নিহতদের স্মৃতিকে শ্রদ্ধা জানাতে। অভিযোগ, জেনেশুনে ওই ঘটনার বর্ষপূর্তিতেই কংগ্রেস বর্তমান কর্মসূচির আয়োজন করেছে। দিল্লির অপর প্রান্তে বিজেপির এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করেও তাই পুলিশকে নিরাপত্তা বাড়াতে হয়েছে। রামলীলা ময়দানে গিয়েছে সিপিএমের ছাত্র সংগঠন এসএফআই-এর মিছিল। সিপিএম-সহ বাম শরিকদলগুলির নেতারাও রয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গ থেকে গিয়েছেন সুজন চক্রবর্তীরা। দিল্লি পুলিশের ডিসিপি (সেন্ট্রাল) রোহিত রাজবীর জানিয়েছেন, ভোর সাড়ে ৫টা থেকে রামলীলা ময়দানে জমায়েত শুরু হয়েছে। সেখানে কর্মসূচির জন্য আগেই কংগ্রেসের তরফে পুলিশের অনুমতি নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কনট প্লেস থেকে কোনও মিছিলের কথা পুলিশকে আগে জানানো হয়নি। তবে সুষ্ঠু ভাবে বিষয়টি সম্পন্ন করার চেষ্টা করেছেন নিরাপত্তা আধিকারিকেরা। হুডখোলা গাড়িতে চেপে একসঙ্গেই রামলীলা ময়দানে পৌঁছেছেন বিরোধী নেতৃত্ব। রাস্তায় তাঁদের মিছিলকে কেন্দ্র করে বিপুল জনসমাগম হয়। মিছিল শুরুর আগে বিরোধী নেতারা খড়্গের বাসভবনে জড়ো হয়েছিলেন। মিছিলের গাড়িতে পাশাপাশি বসেন অখিলেশ, মমতা, বেবি। একই গাড়িতে পিছনে ছিলেন অভিষেক। মিছিল শেষ হয় রামলীলা ময়দানে পৌঁছে। দিল্লির রাস্তায় রাস্তায় পুলিশ ব্যারিকেড করে রেখেছে। ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য সবরকম প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। ২৫০টির বেশি সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে শহর জুড়ে। দিল্লির রামলীলা ময়দানে পৌঁছে গিয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গাঁধী। সঙ্গে রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তাঁর দলের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদব, সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবি। কনট প্লেস-মিন্টো রোডের সংযোগস্থল থেকে বেলার দিকে মিছিল শুরু করেন তাঁরা। হুডখোলা গাড়িতে রামলীলা ময়দানে পৌঁছোন বিকেল ৩টের কিছু আগে। পুলিশ আধিকারিকেরাও তৈরি। রবিবার ভোর থেকে সেখানে জমায়েত শুরু করেছেন বিজেপিবিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র সমর্থকেরা। বিরোধীদের এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজধানীর নিরাপত্তা আঁটোসাঁটো করা হয়েছে। শুধু প্রতিবাদস্থলেই মোতায়েন করা হয়েছে প্রায় ১০ হাজার পুলিশ ও আধাসেনা। ভোটে অনিয়মের অভিযোগ তুলে সরব বিরোধীরা। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে রবিবার দিল্লির রামলীলা ময়দানে বড় জমায়েতের ডাক দিয়েছে বিরোধী জোট ইন্ডিয়া। ‘ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’ নামের এই কর্মসূচিতে যোগ দিতে বিভিন্ন রাজ্য থেকে বিরোধী নেতা ও সমর্থকেরা রাজধানীতে আসছেন। সকাল সাড়ে ১১টার মধ্যে রামলীলা ময়দানে পৌঁছনোর কথা রাহুল গান্ধী-সহ অনেকের। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ১ নভেম্বর দুপুর ১২টায় মিন্টো রোড ও কনট প্লেসের সংযোগস্থল থেকে মিছিল শুরু হবে। সেখান থেকে মিছিল গিয়ে পৌঁছবে রামলীলা ময়দানে। সভার জন্য সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সময় নির্ধারিত হয়েছে।





