Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

বাংলা রনজি টিমের সঙ্গে ‘‌অবৈধ’ মহা বিতর্কিত সদস্য কে‌? সুরজিতের নাম প্রথম তিনটি ম্যাচে সংস্থার ওয়েবসাইট টিম লিস্টে নেই!

RK NEWZ মনে পড়ছে লালমোহন গাঙ্গুলির এর সেই বিখ্যাত “সাস্‌পিশাস্‌ ” শব্দটি! বাংলা রনজি টিমের সঙ্গে ‘‌অবৈধ’ বিতর্কিত সদস্য!‌ এই সদস্য বেঙ্গল প্রো টি২০ লিগে এর এক ম্যাচে ইডেনে ড্রেসিংরুমের ভেতরের বাথরুমে লুকিয়ে মোবাইল ফোনে কথা বলার সময় ধরা পড়েছিল। বিসিসিআই এসিইউ টিম এক লাখ টাকা জরিমানা করেছিল। সেটা দিতেও হয়েছিল। সিএবি এটা করে নি কিন্তু, ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড করেছিল বলেই সূত্রের দাবি! এমন বিতর্কিত সদস্যকে দলের সঙ্গে ম্যাচের পর ম্যাচ কেন ঘোরাচ্ছে রাজ্য ক্রিকেট সংস্থা?


এবার বাংলা রনজি দলের টিম লিস্টের কথায় আসা যাক। প্রথম ম্যাচ কল্যাণীতে। প্রতিপক্ষ দিল্লি। দল দারুণ খেলে জেতে। কিন্তু ম্যাচ রেফারি কেন এই বিতর্কিত সদস্যকে কড়া কথা শুনিয়েছিলেন? বিশেষ সূত্রে জানা গেছে, সেই ম্যাচের সিএবির পক্ষ থেকে আন্টি করাপশন ইউনিট এর দায়িত্বে থাকা রাজ্যের এক প্রাক্তন ক্রিকেটার স্বয়ং সিএবি সভাপতিকে দুই পাতার গোপন রিপোর্ট দিয়েছেন। তিনি ঠিক কি লিখেছেন?‌ এই সাপোর্ট স্টাফ মোবাইল ফোন মাঠের মালিদের হাতে দিয়ে ছবি তুলিয়ে ছিলেন নামজাদা ক্রিকেটারদের নিয়ে কাজ করছিলেন — সেইসব ছবি?

কে এই বিতর্কিত সদস্যটি?‌ শাসক গোষ্ঠীর কারা এইসব ” মহা বিতর্কিত ” সাপোর্ট স্টাফকে পিছনের দরজা দিয়ে দলের সঙ্গে রাখছে। কে এই সুরজিৎ দাস? শোনা যাচ্ছে কোনও প্রাক্তন ক্রিকেটারের গা-‌হাত-‌পা টিপে দিয়ে সুযোগের সদ্ব্যবহার। বঙ্গ ক্রিকেট মহলে এও শোনা যাচ্ছে যে, কোনও প্রাক্ত ক্রিকেটারের বাড়ির বাজার দোকান কারার কাজেও দক্ষ এই সুরজিৎ। আসন্ন মহারাষ্ট্র ম্যাচে ইডেনে তিনি দলের সঙ্গে আছেন। সহকারী S&C হয়ে! স্বয়ং প্রাক্তন বোর্ড সভাপতি বর্তমানে সিএবি সভাপতি দ্বিতীয় দফায়, সংস্থার স্বচ্ছতা আনতে নয়া উদ্যোগ নিচ্ছেন। সেখানে এটা কোন নমুনা? দক্ষ প্রশাসক তারাই, যারা ভবিষ্যতের ভাবনায় এগিয়ে চলেন। কিংবা ” বিতর্ক ” থেকে সংস্থাকে বাঁচায়। S&C জুনিয়র যোগ্য কাউকে রাখা যেত না? এমন একজন – অতি সন্দেহজনক কারনে ভারতীয় বোর্ডের থেকে শাস্তি পাওয়া কাউকে কেন বয়ে বেড়াচ্ছে দল? প্রশ্ন বঙ্গ ক্রিকেট মহলে।

প্রাক্তন ক্রিকেটারদের উৎকণ্ঠা —এরপর যদি কোনও বড় ঘটনা সামনে আসে,সংস্থা দায় নেবে তো? বেঙ্গল প্রো টি টুয়েন্টি টুর্নামেন্টের ঘটনা কেন সিএবি কর্তারা লুকিয়ে গেছে? কারণ কি এটাই, নুতন যে দলটি নেওয়া হয় এবার তার “বিশেষ ” দায়িত্বে ছিলেন সংস্থার এই এপেক্স কমিটির সদস্য বলে ? এই সুরজিতের সুযোগ পাওয়ার ক্ষেত্রে এই বিশেষ কারোর ভূমিকাই কারণ? কেন দরকার দলে এই সুরজিৎ এর? তাহলে কেন যোগ্যতা অনুযায়ী তাঁকে ইন্টারভিউ দিয়ে মরশুমের শুরু থেকে রাখা হয়নি? কিসের এই লুকোচুরি খেলা? সংস্থার সম্মান মারাত্মক ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছেন কারা? শাসক গোষ্ঠীর বাকি লোকজন কেন নীরব? দলটি এখনও পর্যন্ত দারুণ খেলে চলেছে মাঠে। আমাদের বড় স্বপ্ন দেখাচ্ছে। ক্রিকেটারদের এমন প্রচেষ্টা কি হঠাৎ ” বিতর্কিত ” কিছু ঘটনায় কালিমালিপ্ত হবে? হেড কোচ বুঝেছিলেন, তাই নাকি গত মরশুমে হোম ম্যাচে এই সুরজিৎকে তখনকার S&C হেড এর সঙ্গে রেখেছিলেন। তখন কেউ এই সংযুক্তি নিয়ে প্রশ্ন করেন নি। যোগ্যতার মাপকাঠি এবার বানিয়ে সঞ্জীব চৌধুরীকে নেওয়া হয়েছে, যিনি বিহার থেকে এসে বাংলায় ক্লাব পর্যায়ে একসময় নাকি খেলেছেন। বাংলার এক প্রাক্তন রঞ্জি ক্রিকেটার ও দক্ষ ফিজিওর জিমে যুক্ত ছিলেন। পরে দিল্লির বয়সভিত্তিক দলের সঙ্গে কাজ ছিলেন। যে কোনও কারণেই হোক তিনি দিল্লি থেকে এবার বাংলায়। তাঁরও কি দক্ষতায় খামতি? তাই সহকারী?

তথ্যসূত্র — ডিজিটক

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles