Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

২০ জনের মৃত্যু?‌ ৩৫ জন আশঙ্কাজনক?‌ চোরবাগান সর্বজনীনে বিপর্যয়! ভিড়ের চাপে পদপিষ্ট

RK NEWZ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে একটি টোল ফ্রি হেল্পলাইন চালু করা হয়েছে, যার নম্বর ১৮০০৩৪৫৫৬৭৮। চোরবাগানে সপ্তমীর সন্ধ্যায় ঠাকুর দেখতে উপচে পড়ে ভিড়। বাইরে সে সময় ঝেঁপে বৃষ্টি চলছে। আর তাতেই মণ্ডপের ভিতরে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হল। আহতদের মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। হাসপাতালের একটি সূত্র বলছে ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। মেডিক্যাল কলেজের একটি সূত্র বলছে, মৃত ১৭ জনের মধ্যে তিন জন পুরুষ, এক জন শিশু এবং ১৩ জন মহিলা। সরকারের তরফে এ বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি। কয়েক জন গুরুতর জখম। লালবাজার সূত্রে জানা গিয়েছে, ৩৫ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। হাসপাতালে পৌঁছে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একটি সূত্র বলছে, কাঠামো ভেঙে এই বিপত্তি ঘটতে পারে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে পুজোর আলো। বাহিরপথও বন্ধ। সপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর এবং মধ্য কলকাতায় ঝেঁপে বৃষ্টি শুরু হয়। রাস্তায় তৈরি হয় তীব্র যানজট। সে সময় চোরবাগানে মণ্ডপের ভিতরে হুড়োহুড়ি শুরু হয় বলে খবর। এক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, বৃষ্টি থেকে বাঁচতে মণ্ডপের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহু মানুষ। তারা পরস্পরকে ঠেলাঠেলি করতে থাকেন। তাতেই কয়েক জন মণ্ডপের ভিতরে বৃত্তাকার পথে পড়ে যান। পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়।

সূত্রের খবর, চোরবাগানের মণ্ডপে প্রবেশ করার পরে একটি বৃত্তের মতো ‘এলিভেটেড করিডোর’ রয়েছে। সেখান দিয়ে ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে মণ্ডপ থেকে বেরতে হবে। সেই করিডোরেই বিপত্তি ঘটেছে বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে। উদ্ধার করে যাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, তাঁদের মধ্যে কয়েক জন সংজ্ঞাহীন। এমনটাই জানিয়েছেন উদ্ধারকারীরা। প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের অভিযোগ, সময় মতো পুলিশ বা রক্ষীরা হাজির হননি। চেয়েও সাহায্য মেলেনি। উদ্যোক্তা বিকাশ দাস জানিয়েছেন, কী ভাবে এই কাণ্ড তা বোঝা যাচ্ছে না। আপাতত উদ্ধারকাজে জোর দেওয়া হয়েছে। তাঁর কথায়, ‘‘আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়াই আমাদের প্রাথমিক কাজ। পুলিশ, দমকল ঘটনাস্থলে যাচ্ছে। ভিড়ের চাপে পদপিষ্ট কি না, স্পষ্ট নয়।’’

চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ২০২৬ সালের ভাবনা ‘অরব’। ইংরেজি তর্জমায় ‘বিয়ন্ড সাউন্ড’। সেরার সের পুজোর তালিকায় তিন নম্বরে রয়েছে এই পুজো। শব্দের পরিচিত গণ্ডি পেরিয়ে নীরবতার গভীরে পৌঁছোনোর এক বিশেষ বার্তা তুলে ধরেছে এই পুজো। তবে মণ্ডপ দেখতে কেবল শব্দের ভাবনা নিয়ে গেলে, ভুল হবে। কারণ ৩৬০ ডিগ্রির ভাবনা নিয়ে এই মণ্ডপটি তৈরি করা হয়েছে। সেখানেই ঘটেছে বিপত্তি বলে খবর। এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন দেবদীপ অধিকারী। তিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো। জোড়াসাঁকোর বিজেপি বিধায়ক বিজয় ওঝা এই পুজো কমিটির চেয়ারম্যান। উত্তর কলকাতা জেলা বিজেপির সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষও এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles