RK NEWZ তিন বছর পর ফের দেশের মাটিতে হতে চলেছে আইপিএলের নিলাম। ডিসেম্বরের মিনি নিলামের জন্য গোয়াকে বেছে নিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। কিন্তু কবে হবে নিলাম? এবার সেটাও চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে দিনক্ষণ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এবার শুধু আনুষ্ঠানিক ঘোষণার বাকি। একটি ক্রীড়া বিষয়ক ওয়েবসাইটের খবর অনুযায়ী, আগামী ১৬ ডিসেম্বর আইটিসি গ্র্যান্ড গোয়ায় নিলাম হবে। তার আগের দিন, অর্থাৎ ১৫ ডিসেম্বর নিলামের ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হবে। সব ফ্র্যাঞ্চাইজিকে আপাতত হোয়াটসঅ্যাপে সমস্ত তথ্য পাঠিয়ে দিয়েছে বিসিসিআই। যাতে গোয়ায় যাতায়াত ও থাকার বন্দোবস্ত করতে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর সুবিধা হয়। তবে এখনও কাউকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। ফলে দিন পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যাচ্ছে। ১৬ ডিসেম্বর বেঙ্গালুরুতে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ওয়ানডে খেলবে ভারত। তাহলে কি ম্যাচের সূচি বদলাতে পারে? আপাতত সেরকম কিছু জানা যায়নি। তবে দিল্লির স্টেডিয়ামে সংস্কার কাজের জন্য ১৩ ডিসেম্বরের ম্যাচের ভেন্যু বদলাতে পারে। গত তিন বছর বিদেশের মাটিতে হয়েছে আইপিএলের নিলাম। ২০২৪ সালে দুবাই, ২০২৫ সালে জেড্ডা এবং ২০২৬ সালে আবু ধাবিতে বসেছিল আসর। এবার সেই ধারায় ছেদ পড়ছে। আসলে অক্টোবর ও ডিসেম্বর পর্যন্ত ভারতে বিয়ের মরশুম চলে। সেই সময় ভারতে পাঁচতারা হোটেল পাওয়া মুশকিলের। কারণ মিনি নিলামের জন্য দু’রাতে অন্তত ১০০টির বেশি ঘর প্রয়োজন হয়। নিলামের আগে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলির কাছ থেকে মতামতও চেয়েছে বিসিসিআই। আলোচনায় রয়েছে ‘ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার’-এর নিয়ম। এই নিয়ম নিয়ে ক্রিকেটমহলে অবশ্য বিতর্ক কম হয়নি। একাধিক ক্রিকেটার প্রকাশ্যে এর বিরোধিতা করেছেন। আইপিএলের গভর্নিং কাউন্সিলের বৈঠকেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
ব্রাত্যমহম্মদ শামি? নির্বাচক বদলে যায়, প্রতিপক্ষ বদলে যায়। তবু দলে ফেরা হয় না শামির। ঘরোয়া ক্রিকেটে আগুন ঝরানো পারফরম্যান্স। কিন্তু নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজের দলে জায়গা হল না বঙ্গ পেসারের। কেন? বোর্ডের নির্বাচক ও গৌতম গম্ভীরের টিম ম্যানেজমেন্ট সেই পুরনো যুক্তিই দিচ্ছেন। ১৯ নভেম্বর থেকে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুই টেস্টের সিরিজ শুরু। অনেকেই আশা করেছিলেন, শামিকে এই সিরিজে দেখা যাবে। অজিত আগরকর সরে যাওয়ার পর টি-টোয়েন্টি দলে ফিরেছেন ভুবনেশ্বর কুমার। কিন্তু শামির কামব্যাক হল না। কেন? এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের ক্রীড়া সাংবাদিক এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ‘নির্বাচক ও টিম ম্যানেজমেন্টের মহম্মদ শামির ফিটনেসের উপর কোনও ভরসা নেই। সে তিনি যতই তিনি রনজি ট্রফিতে খেলুন না কেন। তাঁদের মতে শামি দীর্ঘ স্পেলে বল করতে পারবেন না। সেই কারণে তাঁরা তরুণ পেস বিভাগ নিয়ে নিউজিল্যান্ডে যাচ্ছেন।’ কিউয়ি সিরিজে ভারতের পেস বিভাগে আছেন জশপ্রীত বুমরাহ, আকাশ দীপ, মহম্মদ সিরাজ ও অংশুল কাম্বোজ। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ খেলতে পারবেন কি না, তা ফিটনেসের উপর নির্ভর করবে। আকাশ দীপ বহুদিন মাঠের বাইরে ছিলেন। এখন রনজিতে খেলছেন। অংশুল কাম্বোজের পারফরম্যান্স খুব একটা আশাব্যঞ্জক ছিল না। সব মিলিয়ে সেই বুমরাহ-সিরাজই ভরসা। সেক্ষেত্রে কি শামি জায়গা পেতে পারতেন না। গতবার রনজি সেমিফাইনালে ৮ উইকেট তুলেছেন। মোট ৭ ম্যাচে তুলেছেন ৩৭টি উইকেট। বিজয় হাজারে ট্রফিতে তুলেছেন ১৫টি উইকেট। এবারও রনজিতে ৩৫ ওভার বল করে ৫ উইকেট তুলেছেন। তারপরও ফিটনেস নিয়ে প্রশ্ন কীভাবে ওঠে? কিছুদিন আগে শামি নিজেই বলেছিলেন, “লোকে নিজের মতো করে মন্তব্য করতে ভালোবাসে। কেউ বলে আমি ছন্দে নেই। কেউ বলে ফিট নই। কিন্তু এ সব নিয়ে আমি একেবারেই চিন্তিত নই। মাঠে নেমে সুযোগ পেলেই নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করি। বাকিটা আপনাদের ব্যাপার।”




