Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

‌পদপিষ্ট হয়ে মৃত ১৮, আশঙ্কাজনক অনেকেই!‌ সপ্তমীর সন্ধেয় চোরবাগানে বিপর্যয়! আটক ১০, তদন্তে সিট গঠন?‌

RK NEWZ সপ্তমীর সন্ধ্যা। ঘড়ির কাঁটায় তখন ৭টা ৪০ মিনিট। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, মাইকে কিছু ঘোষণার পর হুড়োহুড়ি শুরু হয়। মণ্ডপ থেকে বেরতে গিয়ে পড়ে যান বেশ কয়েকজন। তারপর মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। জখম অনেকেই। এই ঘটনার খবর পাওয়ামাত্রই মুখ্যমন্ত্রী কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে যান। মৃতের পরিবারের এবং আহতদের সঙ্গে দেখা করেন। নিহতদের পরিবার পিছু ২৫ লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তা ঘোষণা করা হয়েছে। চোরবাগান সর্বজনীনে বিপর্যয়! শনিবার, সপ্তমীর সন্ধ্যায় প্রবল ভিড়ের চাপে ভেঙে পড়ে মণ্ডপের একাংশ। মুহূর্তের মধ্যে সেখানে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে পদপিষ্ট হওয়ার মতো অবস্থা তৈরি হয়। ভিড়ের চাপে বেশ কয়েকজন অসুস্থ হয়ে পড়েন, অনেকেরই আঘাত লাগে বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে তড়িঘড়ি পুজোমণ্ডপে পৌঁছয় পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের কর্মীরা। দর্শনার্থীদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে আপাতত মণ্ডপে প্রবেশ বন্ধ করা হয়েছে। সপ্তমীর দিন সকাল থেকেই কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় বৃষ্টি হচ্ছিল। দুপুরের দিকে বৃষ্টির দাপট বাড়লেও প্যান্ডেল হপিংয়ে ভাটা পড়েনি। ছাতা মাথায় নিয়েই বিভিন্ন মণ্ডপে ভিড় জমিয়েছিলেন দর্শনার্থীরা। বিকেলের দিকে বৃষ্টি কিছুটা কমলেও সন্ধ্যায় ফের বৃষ্টি শুরু হয়। সেই বৃষ্টি উপেক্ষা করেই চোরবাগান সর্বজনীনে ভিড় বাড়তে থাকে। সেই সময়েই ঘটে বিপত্তি। অন্তত ৩৫ জনের আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তাঁদের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, এখনও অবধি ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “এই ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক। থিমের চেয়ে প্রাণ অনেক গুরুত্বপূর্ণ। তাই দমকল, প্রশাসনের পরামর্শমতো মণ্ডপসজ্জা করুন।” এই ঘটনার তদন্ত প্রসঙ্গে বলেন, “কালকেই আমরা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে চিঠি লিখব, তিনি যাতে একজন বর্তমান বিচারপতিকে নিয়োগ করেন। তাঁর তদারকিতেই বিশেষ তদন্তকারী দল গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখা হবে।” মৃতদের পরিবারের সদস্যদের জন্য ২৫ লক্ষ টাকা এবং একটি সরকারি চাকরির কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। আহতদের চিকিৎসার ভার নিয়েছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী জানান, রবিবার কলকাতার নামী পুজো মণ্ডপ ঘুরে দেখবে একটি বিশেষ দল। এদিকে, আপাতত চোরবাগানের মণ্ডপ ঘিরে রেখেছে পুলিশ।

প্রত্যক্ষদর্শীরা আরও জানিয়েছেন, চোরবাগানের মণ্ডপে ঢোকার পরেই রয়েছে বৃত্তাকার একটি ‘এলিভেটেড করিডোর’। সেই পথ ধরে ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে আসতে হয় দর্শনার্থীদের। প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, এই করিডোরেই দুর্ঘটনা ঘটেছে। প্রবল ভিড়ের চাপে সেখানেই মণ্ডপের একাংশ ভেঙে পড়ে বলে খবর। ৯১তম বর্ষে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির এ বছরের ভাবনা ‘অরব’, যার অর্থ ‘বিয়ন্ড সাউন্ড’। শব্দের চেনা গণ্ডি পেরিয়ে নীরবতার গভীরে পৌঁছনোর ভাবনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে এই মণ্ডপ। মণ্ডপের নকশাতে রাখা হয়েছে ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে দেখার বিশেষ ব্যবস্থা। সেই বৃত্তাকার করিডোরের কারণেই এই বিপর্যয় ঘটল কিনা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। সরকারের পক্ষ থেকে একটি টোল ফ্রি হেল্পলাইন চালু করা হয়েছে। তৎপর রয়েছে নবান্ন। দুর্ঘটনা সংক্রান্ত তথ্য পাওয়ার জন্য ফোন করতে হবে 18003455678 এই নম্বরে। চোরবাগানের পাশাপাশি এদিন বিশৃঙ্খলা তৈরি হয় চেতলা অগ্রণীতে। পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার আগে সেখানে আপাতত মণ্ডপে দর্শন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কখন খোলা হবে, সেবিষয়ে কিছু জানা যায়নি। চোরবাগান পুজো মণ্ডপে পদপিষ্ট হওয়ার ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে তিনি তাঁদের পরিবারকে এই কঠিন সময়ে শক্তি ও সাহস জোগানোর জন্য মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করেছেন।

পুজোর শহরে প্রাণহানি! মৃতদের মধ্যে ৫ বছরের এক শিশুও রয়েছে বলে খবর। আহত অবস্থায় ১৫ জন চিকিৎসাধীন কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে। আতঙ্কিত গোটা শহর। দর্শনার্থীদের নিরাপত্তায় কলকাতার প্রচুর নামী পুজোমণ্ডপের দরজা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাস, আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। পুলিশ আমজনতার নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। শহরে এসেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। চোরবাগানের দুর্ঘটনার খবর পেয়ে এক্স হ্যান্ডেল পোস্টে তিনি দুঃখপ্রকাশ করেছেন। রবিবার দ্বিতীয় সপ্তমীতে দিনভর একাধিক কর্মসূচি ছিল শাহর। চোরবাগানের দুর্ঘটনার পর সমস্ত কর্মসূচি বাতিল করা হয়েছে। শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। তিনি প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে মৃতদের পরিবার পিছু ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করেছেন। এই ঘটনার জেরে কলকাতার বেশ কয়েকটি নামী পুজোমণ্ডপ আপাতত বন্ধ। চেতলা অগ্রণী, আলিপুর সর্বজনীন, অ্যালেন পার্ক, ত্রিধারা সম্মিলনী, টালা প্রত্যয়ের মতো মণ্ডপে আপাতত প্রবেশ নিষেধ।

ঠাকুর দেখতে গিয়ে মৃত্যু-মিছিল!

ঘটনার পর মণ্ডপের নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দর্শনার্থীদের একাংশ। এক মহিলা অভিযোগ করেন, মণ্ডপে পুলিশ ছিল না। তাঁর দাবি, এলাকায় গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকলেও জরুরি পরিস্থিতিতে অ্যাম্বুল্যান্সের দেখা মেলেনি। স্থানীয় বাসিন্দারাই আহতদের উদ্ধার করে অ্যাপ গাড়িতে তুলে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন বলে জানান তিনি। ভিড় সামলানোর জন্য মাইকে যে ঘোষণা করা হচ্ছিল, তাতেও বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল বলে অভিযোগ ওই মহিলার। আর এক দর্শনার্থী জানান, বৃষ্টির কারণে অনেকেই সামনে দাঁড়িয়েছিলেন। আচমকা পিছন দিক থেকে ধাক্কা আসতেই একের পর এক মানুষ পড়ে যেতে থাকেন। তাঁর সঙ্গে থাকা তিন বান্ধবীও ভিড়ের নীচে চাপা পড়ে যান। প্রায় ৪০-৪৫ মিনিট শ্বাস নেওয়া যায়নি বলে দাবি করেন তিনি। নিজের চেষ্টায় তাঁদের উদ্ধার করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত স্থানীয়দের সাহায্য নিতে হয়। মণ্ডপের একাংশ ভেঙে তাঁদের বের করা হয়েছিল বলেও জানান ওই দর্শনার্থী। একাংশের অভিযোগ, পুলিশ ঘটনাস্থলের কাছাকাছিই ছিল। কিন্তু দুর্ঘটনার পরই কাউকে পাওয়া যায়নি। বরং তাঁদের অন্যদিকে পালিয়ে যেতে দেখা হয় বলে অভিযোগ। এদিকে আহতদের অনেকের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে খবর। পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনায় শোকপ্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শোকাহত পরিবারগুলির প্রতি সমবেদনা জানিয়ে আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন তিনি। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর দফতর। এই দুর্ঘটনার জেরে বাতিল করা হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের রবিবারের সমস্ত কর্মসূচি। হাসপাতালে যেতে পারেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী টুইট করে লিখেছেন, ‘কলকাতায় পদপিষ্টের ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। যাঁরা প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, তাঁদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই। আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি। ক্ষতিগ্রস্তদের সম্ভাব্য সব রকম সাহায্য করছে স্থানীয় প্রশাসন।’

‘তিন ঘণ্টা ভিড়ের ঠেলা খেয়ে এই দর্শন!’ ‘‘A Big NO for চোরবাগান সার্বজনীন।’’ দর্শনার্থীদের সেখানে যাওয়া নিয়ে সতর্কতাও

মণ্ডপের শিল্পভাবনা নিয়ে হতাশা ছিল না। ভিড়ের মধ্যে দর্শনার্থীদের শারীরিক কষ্টের কথাও তুলে ধরেছিলেন তিনি। তাঁর বর্ণনায় রয়েছে যে, কেউ কেউ তিন ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে, ভিড়ের ধাক্কা সহ্য করে, গরম ও ঘামের মধ্যে অসুস্থ বোধ করেও প্রতিমা দর্শনের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। গোটা লেখাটিকে একটি সচেতনতামূলক পোস্ট বলেই উল্লেখ করেছিলেন ইপ্সিতা। তাঁর নিজের ক্ষেত্রে অবশ্য অপেক্ষার অভিজ্ঞতা ছিল আলাদা। পোস্ট অনুযায়ী, সঙ্গীকে নিয়ে মণ্ডপের রাস্তা খুঁজতে গিয়ে আশপাশের গলিতে পথ হারিয়ে ফেলেন তিনি। এক ব্যক্তির কাছে দিগনির্দেশ চাইলে তিনি তাঁদের হাতে একটি ভিআইপি পাস তুলে দেন। সেই পাস ব্যবহার করে প্রায় ১৫ মিনিটের মধ্যেই তাঁদের প্রতিমা দর্শন হয়ে যায় বলে জানিয়েছেন ইপ্সিতা। অন্য দর্শনার্থীদের দীর্ঘ অপেক্ষার পাশে নিজের এই দ্রুত প্রবেশের অভিজ্ঞতাও বিস্ময়ের সঙ্গে লিখেছেন তিনি। তাঁর বিবরণে তাই একই মণ্ডপে সাধারণ দর্শনার্থী ও পাস-ধারীদের প্রবেশের অভিজ্ঞতার ফারাকটিও উঠে এসেছে। সন্ধ্যার বিপর্যয়ের পরে সকালের এই পোস্টটি নতুন তাৎপর্য পেয়েছে। ভিড়, দীর্ঘ অপেক্ষা এবং প্রবেশ ও প্রস্থানের ব্যবস্থা নিয়ে একজন দর্শনার্থীর অসন্তোষ যে আগেই ছিল, তার একটি বিবরণ পাওয়া যাচ্ছে এতে। তবে তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাকে দুর্ঘটনার কারণের প্রমাণ হিসেবে দেখা যায় না। পোস্টে উল্লিখিত অভিযোগগুলিরও স্বাধীনভাবে যাচাই প্রয়োজন। কোন পথে কত মানুষ ঢুকছিলেন, বেরোনোর ব্যবস্থা কেমন ছিল এবং ভিড় নিয়ন্ত্রণে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল—তদন্তে সেই প্রশ্নগুলির উত্তর জরুরি। ইপ্সিতার অভিজ্ঞতা সেই আলোচনায় দর্শনার্থীদের অসুবিধার দিকটিই সামনে আনছে।

১০ বছর আগে দেশপ্রিয় পার্কের ৮৮ ফুট দুর্গা দেখতে ভিড়ে পদপিষ্ট হন ১১ জন, এড়ানো গিয়েছিল মৃত্যু

১০ বছর আগে দেশপ্রিয় পার্কের ঘটনা সব দুর্গাপুজোর ভিড় নিয়ে পুলিশ প্রশাসন এবং পুজোকর্তাদের বড় শিক্ষা দিয়েছিল। সেবার দক্ষিণ কলকাতার ওই পার্কের পুজোয় ৮৮ ফুটের প্রতিমা নিয়ে মাস ছয়েক আগে থেকেই উৎসাহ উন্মাদনা চড়তে শুরু করে। মহালয়ার দিন থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছিল পৃথিবীর দীর্ঘতম দুর্গা মূর্তি দেখার ভিড়। পরদিন সন্ধ্যায় ভিড়ের চাপে বহু মানুষ পদপিষ্ট হন। ১১ জন‌ আহত হলেও মৃত্যু এড়ানো গিয়েছিল সেবার। তবে পুলিশ প্রশাসন আর ঝুঁকি নেয়নি। ওই ঘটনার পর সেখানকার প্রতিমা দর্শন বন্ধ করে দিয়েছিল লালবাজার কর্তৃপক্ষ। মাত্রাতিরিক্ত ভিড়ের কারণে মধ্য কলকাতার সন্তোষ মিত্র স্কয়্যার তথা লেবুতলা পার্কের পুজোয় অনেক বছরই পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। ২০২২ সালে ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’ এবং দিল্লির লালকেল্লার আদলে তৈরি মণ্ডপ দেখতে এতটাই মানুষের ঢল নেমেছিল যে, ভিড় অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়ায় কলকাতা পুলিশকে মণ্ডপের অন্যতম মূল আকর্ষণ লেজার শো সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিতে হয়। গত বছর সেখানকার পুজোর থিম ছিল ‘অপারেশন সিন্দুর’।‌ বিগত বহু বছরের মতো গতবারও ভিড় উপড়ে পড়েছিল ওই পুজোয়। ওই পুজো কমিটির প্রধান উদ্যোক্তা বিজেপি নেতা তথা বিধায়ক সজল ঘোষ চোরবাগানের ঘটনার পর বলেছেন তারা ভিড় নিয়ন্ত্রণে আগে থেকেই উপযুক্ত ব্যবস্থা নিয়েছেন‌। কলকাতার উত্তর প্রান্তে লেবুতলা পার্ক এবং লেকটাউন সর্বজনীন এর পুজোর ভিড় নিয়ে প্রতিবারই অলিখিত প্রতিযোগিতা চলে। ২০১৫ সালে দেশপ্রিয় পার্কের পুজোয় বিশ্বের দীর্ঘতম দুর্গা প্রতিমা দর্শনের ভিড় সব রেকর্ড ছাপিয়ে গিয়েছিল। পার্ক ছাপিয়ে আশপাশের রাস্তাও দর্শনার্থীর ভিড়ে ঢাকা পড়ে গিয়েছিল। পরিস্থিতি এমন ছিল যে পদপিষ্ট হওয়ার ঘটনার পর কলকাতার তৎকালীন পুলিশ কমিশনারসহ পদস্থ পুলিশ কর্তাদের মেট্রোরেলে কালীঘাট স্টেশনে নেমে হেঁটে দেশপ্রিয় পার্কে যেতে হয়।‌ আবার ভিড় সামাল দিতে কালীঘাট মেট্রোর গেট দফায় দফায় বন্ধ রাখতে হয়েছিল পুলিশকে। কলকাতা পুলিশের এক অবসরপ্রাপ্ত আধিকারিকের বক্তব্য মহালয়ার পর থেকে একাদশী পর্যন্ত পুজো প্যান্ডেল এবং মেট্রো রেলের ভিড়ে কোন ফারাক থাকে না। মেট্রো স্টেশনেও মাঝেমধ্যেই পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles