Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

‌পশ্চিমবঙ্গ কী চায়? সাধারণ মানুষের প্রশ্নের বস্তুনিষ্ঠ নির্যাস নথিবদ্ধ বিশেষ ‘ওয়ার্কিং পেপার’

RK NEWZ পশ্চিমবঙ্গের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রত্যাশা, পরিকল্পনা এবং সম্ভাবনার কথা। কোথায় বাংলার সম্ভাবনা, কোথায় বাধা? শিল্প, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান থেকে স্টার্টআপ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নগর ও গ্রাম উন্নয়ন ও পর্যটন। আগামী দিনের বাংলার দিশা কী হবে? পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে সরকারের ভাবনা ও লক্ষ্য। নতুন সরকারের প্রথম ১০০ দিনের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপ। কেন্দ্র ও রাজ্যে একই দলের ‘ডাবল-ইঞ্জিন’ সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান নিয়ে রাজ্যবাসীর প্রত্যাশা এখন তুঙ্গে। ১৯০৫ সালের ৭ অগস্ট বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে বিদেশী পণ্য বর্জনের সংকল্প থেকে স্বদেশী আন্দোলনের ডাক, সবই শুরু হয়েছিল এই আঙিনা থেকে। পাশ্চাত্য জয়ের পর স্বামী বিবেকানন্দের প্রথম বক্তৃতা, আচার্য জগদীশচন্দ্র বসুর ওয়্যারলেস টেলিগ্রাফির বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা কিংবা কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপস্থিতিতে তাঁর ৫০ ও ১০০তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন। নতুন বাংলার প্রতিটি স্বপ্নের ঐতিহাসিক সাক্ষী এই ভবন। সেই গৌরবোজ্জ্বল স্থান থেকেই নতুন যুগের বাংলা গড়ার বার্তা দেওয়া হয়। বাহ্যিক জৌলুস নয়, গুণগত মান এবং ভাবনার গভীরতাই হবে মূল চালিকাশক্তি। একটি কেন্দ্রবিন্দুকে ঘিরে হাজারো জিজ্ঞাসা। রাজ্যে প্রশাসনিক পরিবর্তনের ৪-৫ বছর পর কেন্দ্র ও রাজ্যে একই রাজনৈতিক দলের সরকার থাকায় শিল্পায়ন, প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে সাধারণ মানুষ ও যুবসমাজের প্রত্যাশা এখন আকাশছোঁয়া। রাজ্যের শিল্পোদ্যোগীরা কী চাইছেন, নতুন প্রজন্মের স্টার্টআপগুলির ভবিষ্যৎ কী এবং ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলি কতটা সক্রিয় ভূমিকা নেবে। সরকারের রূপরেখা কী?‌ পরবর্তীতে নতুন যুগের দায়িত্বশীল মাধ্যম হিসেবে জনগণ, শিল্প জগত, নতুন প্রজন্ম এবং প্রশাসনের মধ্যে সেতুবন্ধন।

শিল্পের দিকে প্রথমে চোখ রাখলে দেখা যাচ্ছে, শিল্পপতি, ব্যবসায়ী ও নবীন উদ্যোক্তাদের সামনেই পূর্বতন সরকারের ব্যর্থতা প্রকট। রাজ্যের শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী তাপস রায় ‘স্টার্টআপ শিল্পমন্ত্রী’। বিগত জমানার অবহেলা ও প্রশাসনিক দিশাহীনতার কারণে আজ একেবারে শূন্য থেকে বাংলার শিল্পায়নের পথ নতুন করে তৈরি করতে হচ্ছে। তবে বর্তমান সরকার যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করছে জানিয়ে, আগামী প্রজন্মের স্বার্থে রাজ্যকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সরকার ও শিল্প জগতকে যৌথ ভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। পূর্বসূরিরা ব্যর্থ। রাজ্য তৈরি ছিল না কোনও সুনির্দিষ্ট শিল্পনীতি, ছিল না কোনও ল্যান্ড ব্যাঙ্ক বা জমি নীতি। ব্যবসা সহজীকরণের কোনও পরিবেশ ছিল না, বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল সমস্ত আর্থিক উৎসাহ বা ইনসেনটিভ। সঙ্গে ছিল আইনশৃঙ্খলার অবনতি ও উগ্র ট্রেড ইউনিয়নবাদ। সব মিলিয়ে পরিবেশটা শিল্প ও শিল্পোদ্যোগীদের জন্য একেবারেই অনুকূল ছিল না। অতীতের এই পরিকাঠামোগত শূন্যতা দূর করে নতুন সূচনা করাই বর্তমান সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ বলে জানান শিল্পমন্ত্রী। তবে এই বিপুল কাজ একা কোনও সরকার বা নির্দিষ্ট একটি দপ্তরের পক্ষে বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। পশ্চিমবঙ্গকে নতুন দিশা দেখানোর এই রূপান্তর আমাদের সবার দায়িত্ব। আমাদের রাজ্য এবং আগামী নতুন প্রজন্মের কথা ভেবেই আমাদের সবাইকে হাত মেলাতে হবে, না হলে আগামী দিনে আমাদের বিবেক দংশন হবে। রাজ্যে নতুন শিল্পবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে সাধারণ মানুষ ও শিল্পপতিদের কিছুটা ধৈর্য ধরতে হবে।

অর্থমন্ত্রকের ভাবনায় রাজ্যে অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি (এমএসএমই) শিল্পক্ষেত্রের বহর নিয়ে কেবল মেকি পরিসংখ্যানের ওপর ভরসা রাখা ভ্রান্তিকর। সেই সঙ্গে কর্পোরেট কাঠামোর অন্ধ অনুকরণ না করে ঐতিহ্যবাহী পারিবারিক ব্যবসাকেই ভারতীয় অর্থনীতির আসল ‘মেরুদণ্ড’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার সুচিন্তা রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্তের। শুধু তথ্য-পরিসংখ্যানের ভেল্কি নয়, বরং বিদ্যমান এবং নতুন সম্ভাবনাময় সব ধরনের পারিবারিক উদ্যোগকে সমান ভাবে উৎসাহিত করাই এ রাজ্যের শিল্প প্রসারের বাস্তবসম্মত পথ হতে পারে। রাজ্যে এমএসএমই ক্ষেত্রের বাস্তব চিত্র ব্যাখ্যা করতে গিয়ে অর্থমন্ত্রী জানান, বহু ক্ষেত্রে অতিক্ষুদ্র ও ক্ষুদ্র শিল্পের আকারকে বাস্তবে যা, তার থেকে অনেকটাই বাড়িয়ে দেখানোর এক কৃত্রিম প্রবণতা কাজ করে। এক সময় রাজ্যে প্রায় ৯০ হাজার এমএসএমই ইউনিট রয়েছে বলে এক অতিকায় চিত্র তুলে ধরা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি) প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের তালিকার সঙ্গে ওই তথ্যের তুলনা করতেই দেখা যায়, প্রকৃত করদাতার সংখ্যা এক ধাক্কায় নাটকীয় ভাবে কমে এসেছে। কেবল পরিসংখ্যান যে সর্বদা বাস্তব পরিস্থিতির সঠিক প্রতিফলক হতে পারে না, তা এতেই স্পষ্ট। এর পাশাপাশি ভারতের শিল্প ভাবনায় দীর্ঘ দিন ধরে চলে আসা তথাকথিত ‘কর্পোরেটাইজেশন’-এর ধারণাকেও সরাসরি চ্যালেঞ্জ অর্থমন্ত্রীর। দীর্ঘ দিন ধরে দেশে একটিই অন্ধ বিশ্বাস পোক্ত হয়েছিল যে, সমস্ত ব্যবসাকেই জোর করে কর্পোরেট রূপ দিতে হবে, আর পারিবারিক ব্যবসা হল সেকেলে বা অর্থনীতির বোঝা। এই চিন্তাভাবনা পুরোপুরি ‘ভ্রান্তি’। বড় শিল্পই হোক বা এমএসএমই খাত, পরিচ্ছন্ন পারিবারিক ব্যবসাই ভারতীয় অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি। ভারতে ব্যবসার মূল সংস্কৃতিটাই গড়ে উঠেছে পরিবার ও সামাজিক গোষ্ঠীকে কেন্দ্র করে। এই সামাজিক সত্যকে অস্বীকার করে মুখ ফিরিয়ে থাকার কোনও যুক্তি নেই। বরং নীতিমালার ঘেরাটোপের মধ্যেই একে স্বীকার করা, সম্মান জানানো এবং পুষ্ট করাই বুদ্ধিমানের কাজ। পশ্চিমবঙ্গে সমস্ত ধরনের পারিবারিক শিল্প ইউনিটকে উৎসাহিত করতে হবে। যে সব ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান সফল ভাবে চলছে, সেগুলির পাশাপাশি যে সব নতুন উদ্যোগ মাথা তুলে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে— তাদের প্রত্যেককেই রাজ্যকে সমান ভাবে সঙ্গে নিয়ে এগোতে হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রকের চিত্র একই। বাঙালির মধ্যে পরিযায়ী রোগী হওয়ার ব্যাপার চিরকাল আছে। আগে আমরা পশ্চিমে যেত, এখন দক্ষিণে যায়। ১৫ বছরে নিয়োগ হলেই দুর্নীতি। তারপর আসে কে যোগ্য আর কে নন। আমরা ক্ষমতায় আসার পর হেলথ রিক্রুমেন্ট বোর্ড ঢেলে সাজানোর কাজ শুরু। আইনের শাসন চাই, মন্ত্রী শাসন করলে আবার মনে লাগে। শাসন করতে গেলে সেই রকমই হবে। শাসন মানে শাসন। প্রশাসনের মধ্যে তাই শাসন থাকে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন বাংলাকে গুজরাট হতে দেবেন না। স্বীকার করতে হত যে বাংলাকে গুজরাত করতে পারবেন না। স্বাস্থ্য থেকে শিল্প – এক একটা দফতরের যা বাজেট তা পশ্চিমবঙ্গের সার্বিক বাজেট থেকে বেশি। হেলথ রিক্রুটমেন্ট বোর্ড এবার রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব শূন্য। ফলে প্রলোভনের কোনও জায়গা নেই। রাজনীতির কোনও কেষ্ট-বিষ্টু সুযোগ পাবে না। আর এই সরকারের মাত্র ১০০ দিন হয়েছে। নিয়োগ প্রক্রিয়া হতে এক থেকে দেড় বছর সময় লাগবে। বর্তমানে প্রশাসনের সবাই যে ধোয়া তুলসি পাতা, এমনটাও নয়। কিন্তু রাজনীতি যাঁরা করে তাঁদের দিকে সহজেই আঙুল ওঠে। আগে কেন সাফল্য আসেনি সেটা ভেবে দেখা দরকার। মানুষকে সচেতন হতে হবে। যে কারণে আমরা সারাক্ষণ পুলিশ প্রশাসনকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রীর স্বচ্ছ ভারত অভিযানের লক্ষ্য সফল করাই লক্ষ্য। একা সরকারের পক্ষে সবকিছু করা সম্ভব নয়। সাধারণ মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। শহরকে সুন্দর করে তুলতে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। স্বপ্ন এটাই, ৩০-৫০ বছর পর বাংলার জনসংখ্যা কত হবে, কত ফ্লাইওভার দরকার, কত গাড়ি হবে – সেটা ভেবে কাজটাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। স্বপ্ন এবং বাস্তবের মধ্যে ভারসাম্য রাখা – আমাদের প্রত্যেকের কাজ করতে করতে অভিজ্ঞতা তৈরি হয়। আর্বানাইজেশন কতগুলি পিলারের ওপর দাঁড়িয়ে – জনগণ, ব্যুরোক্রেসি, পাবলিক রিপ্রেজেন্টেটিভ। এদের ওপর ভরসা করেই কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছনোর তাগিদ। রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের সময় বলেছিলাম, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা পাবে। সেই শাসন প্রণয়ন করার ক্ষেত্রে সমাজের একটা বড় ভূমিকা রয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গের পর্যটনের আলাদা একটা চরিত্র আছে। এখানে পাহাড়, সমুদ্র, জঙ্গল সব আছে। এটাকে কোনও সিঙ্গল ব্র্যান্ডিংয়ে আটকানো যাবে না। এর জন্য প্যাটার্ন আলাদা হবে। পশ্চিমবঙ্গের পর্যটনকে দেশ বা বিশ্বের মানুষ শুধু দার্জিলিং দিয়ে চিনবে না। বিগত কয়েক বছরে তৎকালীন রাজ্য সরকারের জন্য কেন্দ্রীয় প্রকল্প থেকে বঞ্চিত হয়েছে রাজ্য। এখন লক্ষ্য পর্যটনবান্ধব পরিবেশ তৈরি করা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছেন, ভারতের পর্যটন বিশ্বকে পথ দেখাবে। প্রধানমন্ত্রী এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্ব বাংলার পর্যটন দফতর এমনভাবে কাজ করবে যাতে পশ্চিমবঙ্গের পর্যটন সারা পৃথিবীতে ছাপ ফেলতে পারে। বিজেপি শাসিত দেশের সব রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রীদের নিয়ে এসে সামিট করো তুলনামূলক আলোচনা। বিগত সরকার পর্যটন দফতরের বাজেটের ২০ শতাংশ খরচ করতে পারেনি। পর্যটনের সম্ভাবনাকে নষ্ট করার চেষ্টা হয়েছে। বিপণন। পশ্চিমবঙ্গ মানেই শুধু দার্জিলিং নয়। অন্যান্য দেশের প্রতিনিধিরা এখন বাংলায় আসছেন। এই সম্ভাবনাগুলিকে নিয়ে পুরোদমে কাজ করতে হবে। পরিবারচালিত ব্যবসাই দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড! পাহাড়, সমুদ্র ও জঙ্গল ঘেরা পশ্চিমবঙ্গের বৈচিত্র্যময় ভূপ্রকৃতিকে আন্তর্জাতিক দরবারে তুলে ধরার অঙ্গীকার। নগরায়ণ ও প্রশাসনিক সংস্কার। সুনির্দিষ্ট পদ্ধতির (সিস্টেম) মাধ্যমে কাজই প্রশাসনিক ধারা। নগরায়ণ মূলত তিনটি স্তম্ভের ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে – সাধারণ জনগণ, আমলাতন্ত্র এবং জনপ্রতিনিধি। এদের ওপর আস্থা রেখেই কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছতে হবে। রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের সময় যে আইনি শাসন প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা বাস্তবায়নে সমাজের প্রতিটি স্তরের বড় ভূমিকা রয়েছে। অতীতে কেন সাফল্য আসেনি তা অনুধাবন করে নির্দিষ্ট নিয়ম ও পদ্ধতি মেনে পর্যটন দফতরকে সাফল্যমণ্ডিত করতে উদ্যোগী সরকার।

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মতে, বিধান রায় যা করে গিয়েছিলেন তার পুরোটা লক অ্যান্ড কি করা হয়েছিল। বুদ্ধবাবু বলেছিলেন এই পলিসি থেকে বেরিয়ে আসব। উগ্র ট্রেড ইউনিয়ন রাজনীতি করা হয়েছে জ্যোতি বসুর সময়ে। আইনশৃঙ্খলা, জমি-নীতি, পরিবেশ বান্ধব ও নিয়োগ-বান্ধব শিল্প করতে চাইলে পাশে থাকার আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর। বুদ্ধবাবু নন্দীগ্রামে যা করতে গিয়েছিলেন, সেটা সম্পূর্ণ বেআইনি ছিল। ২০০৭ সালে উনি রাইটার্স বিল্ডিংয়ে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, ‘এটা করা যায় না। এই অধিগ্রহণের চিঠি ছিঁড়ে ফেলে দেওয়া উচিত। কম্পিউটার, প্রাইমারিতে ইংরেজি, ৫৪ হাজার কারখানা বন্ধ করেছে। ২৪ ঘণ্টায় ১৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকত না। বাচ্চারা বলত, জ্যোতি চলে গেছে! এদের থেকে সাবধান থাকতে হবে। এতদিন গর্ত থেকে বেরতে পারেনি। জমি সরকারকে দিতে হবে। এর জন্য ১৪ মার্চ – নন্দীগ্রাম করার দরকার নেই। কৃষকরা প্রতিবাদ করছে বলে গুলি করছে, এসবের দরকার পড়ে না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles