RK NEWZ ৩১ আগস্ট। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা কোটি-কোটি সমর্থককে কাঁদিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নেন লিওনেল মেসি। তবে আরও একবার নীল-সাদা জার্সিতে জাদু ছড়াতে দেখা যাবে তাঁকে। আগামী ৬ অক্টোবর শেষবারের মতো আর্জেন্টিনার জার্সিতে মাঠে নামবেন মেসি। সেদিনই আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসের এক সোনালি অধ্যায় শেষ হতে চলেছে। বিশ্বকাপ ফাইনালে হারের যন্ত্রণা, তারপর বাবার মৃত্যু। আগস্টে আর্জেন্টিনাকে বিদায় জানান মেসি। তখনই শোনা গিয়েছিল, কিংবদন্তিকে যথাযথ সম্মান দিয়ে বিদায় জানাতে চায় আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ)। যে কোনও ফুটবলারই চাইবেন দেশের মাটিতে, ঘরের দর্শকের সামনে অবসর নিতে। যে কারণে বুয়নেস আইরেসে প্রীতি ম্যাচের আয়োজন করছে এএফএ। আগামী ৬ অক্টোবর, ৮৫ হাজার আসনের মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে বেনিনের মুখোমুখি হবে লিওনেল স্কালোনির দল। সেই দলে রাখা হয়েছে মেসিকে। জাতীয় দলের জার্সিতে সেটাই হবে তাঁর বিদায়ী ম্যাচ। এএফএ সভাপতি জানিয়েছেন, মেসির বিদায়কে স্মরণীয় করে রাখতে ২০২২-র বিশ্বজয়ী দলের সব সদস্যদের আমন্ত্রণ জানানো হবে। আরও পরিকল্পনা রয়েছে তাঁদের। তবে সবটা প্রকাশ করেননি। বিশ্বকাপের পর ঘরের মাঠে তিনটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে আর্জেন্টিনা। যার প্রথমটি ৩০ সেপ্টেম্বর বলিভিয়ার বিরুদ্ধে। কেন সেই ম্যাচে খেলানো হচ্ছে না মেসিকে? বিশ্বকাপে শৃঙ্খলাভঙ্গের জন্য আগামী ম্যাচে দর্শকাসন ৫০ শতাংশ কমাতে বলেছে ফিফা। অর্থাৎ ওই ম্যাচে চাইলেও অনেক দর্শক মেসিকে বিদায় জানাতে পারবেন না। ২০০৫ সালে নীল-সাদা জার্সিতে অভিষেক হয় মেসির। ২০৭ ম্যাচে ১২৫টি গোল করেছেন। দেশের হয়ে একটি বিশ্বকাপ ও দু’বার কোপা আমেরিকা জিতেছেন।




