Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

‘অখাদ্য’ বিকোনো আরসালান থেকে করিমস! লাইসেন্স সাময়িকভাবে সাসপেন্ড!‌ কলকাতার ৪০ রেস্তরাঁয় তালা

RK NEWZ ৫৯২ জায়গায় অভিযান। আরসালান থেকে করিমস, নিম্নমানের খাবার বিক্রি করার অভিযোগে কলকাতার ৪০ টি রেস্তরাঁর লাইসেন্স সাময়িকভাবে সাসপেন্ড করল খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর। মঙ্গলবার বিকেলে সাংবাদিক বৈঠক করে এই সিদ্ধান্তের কথা জানালেন কলকাতা পুরসভার প্রশাসন স্মিতা পান্ডে। জানালেন, ৫৯২ জায়গায় অভিযান চালানো হয়েছে। মাংস থেকে শুরু করে সন্দেশ, ছানা ফেলে দেওয়া হয়েছে ১২২৪ কেজি পচা খাবার। গত ৭ দিন ধরেই রাজ্যজুড়ে বহু ছোট-বড় রেস্তরাঁ, রাস্তার পাশের খাবারের দোকানে হানা দিয়েছেন খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিকরা। ডেকার্স লেন থেকে শুরু করে করিমস, আরসালান, শিমলা বিরিয়ানির মতো নামকরা রেস্তরাঁগুলোও বাদ যায়নি। কোথাও গুদামে রাখা ছানায় মিলেছে ছত্রাক। কোথাও আবার মিলেছে বিপুল পরিমাণ পচা মাংস। পরিস্থিতি বিবেচনা করে পুজোর মুখে বড় সিদ্ধান্ত কলকাতা পুরসভার। মঙ্গলবার বিকেলে সাংবাদিক বৈঠক করেন কলকাতা পুরসভার প্রশাসন স্মিতা পান্ডে। তিনি বলেন, “গত ৭ দিনে মোট ৫৯২ জায়গায় অভিযান চালানো হয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা হয় না। মজুত করা রয়েছে পচা সামগ্রী। প্রাথমিক রিপোর্টের ভিত্তিতে সাময়িকভাবে ৪০টি রেস্তরাঁর লাইসেন্স সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।” তার মধ্যে রয়েছে রিপন স্ট্রিটের করিমস, বাইপাসের শিমলা বিরিয়ানি, নাগেরবাজারের আরসালান, ডায়মন্ড হারবারে ডেনজং কিচেন, পার্ক স্ট্রিটের জন ডিওভানি। তালিকায় রয়েছে বলরাম মল্লিক-সহ একাধিক মিষ্টির দোকানও। প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুজোর আগে এই রেস্তরাঁগুলো পুনরায় চালু হবে কি না, তা এখনও জানা যায়নি। এ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় বলেন, “রাজবাসীকে সচেতন করা ভীষণ প্রয়োজন। খাবারের মান নিয়ে কোনওরকম আপোষ করা যাবে না।” রেস্তরাঁর খাবারের প্রতি সকলের আকর্ষণ থাকে। ভোজনরসিক বাঙালির তো বিরিয়ানি হলে কথাই নেই। বর্তমানে রাস্তার ধারে বহু দোকানে বিরিয়ানি বিক্রি হলেও সকলেই চান ভালো মানের খাবার। আসলে দুটো পয়সা বেশি খরচ হলেও মানের সঙ্গে আপোষ করতে চান না কেউ। ফলে ছুটে যান আরসালান, করিমসের মতো বড় রেস্তরাঁয়। কিন্তু খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের অভিযান শেষে সেই নামী রেস্তরাঁও প্রশ্নের মুখে। পরিস্থিতি এতটাই জটিল যে সাময়িকভাবে সাসপেন্ড করা হল লাইসেন্স। যা নিঃসন্দেহে খাদ্য রসিক বাঙালির মনে ভয় ধরিয়েছে। এ প্রসঙ্গে ভবানীপুরের বলরাম মল্লিকের মালিক সুদীপ্ত মল্লিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমাদের দোকানে সমস্ত নিয়ম মেনেই কাজ করা হয়। বিদেশেও যায় আমাদের মিষ্টি। টালিগঞ্জের যে বলরাম মল্লিকের লাইসেন্স সাসপেন্ড করা হয়েছে, তার সঙ্গে আমাদের ভবানীপুরের শাখার কোনও সম্পর্ক নেই।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles