RK NEWZ ৮০ তম স্বাধীনতা দিবসে সম্মানিত হচ্ছেন ১৪ জন আইপিএস আধিকারিক। এর মধ্যে ছয় জন সম্মানিত হবেন অসামান্য অবদানের জন্য। বাকি সাত জনকে সম্মান জানানো হবে প্রশংসনীয় অবদানের জন্য। কর্মক্ষেত্রে অসাধারণ অবদানের জন্য তাঁদের ‘মুখ্যমন্ত্রী মেডেল সম্মান’ প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। স্বাধীনতা দিবসে দময়ন্তীদের হাতে সম্মান তুলে দেবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বাকি ৫ জন আইপিএস, যাঁদের সেদিন সম্মান জানানো হবে, তাঁরা হলেন – অজয় কুমার, নীরজ কুমার সিং, দময়ন্তী সেন, জয়রামন, প্রনব কুমার, কুনাল আগরওয়াল। ২০১২ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি। রাতের পার্ক স্ট্রিটে নাইটক্লাব থেকে বেরিয়ে চলন্ত গাড়িতে গণধর্ষণের শিকার হন সুজেট জর্ডন। সেই মামলার তদন্ত করেন দময়ন্তী সেন। দুঁদে আধিকারিক হওয়া সত্ত্বেও তারপর থেকে আর সেভাবে কোনও বড়সড় মামলার তদন্তভার পাননি তিনি। মমতা সরকারের আমলে বরং খানিকটা ‘কোণঠাসা’ই ছিলেন। বাংলায় পালাবদল হতেই সেই দময়ন্তী সেনকেই ফেরিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী । রাজ্যের নারী নির্যাতনের তদন্তে মুখ্যমন্ত্রীর গঠিত নয়া কমিটিতে দুঁদে আধিকারিকের দায়িত্ব পান তিনি। এবার স্বাধীনতা দিবসের মঞ্চে তাঁকে সম্মান জানাবেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। প্রশংসনীয় অবদানের জন্য মুখ্যমন্ত্রী-পদকে সম্মানিত হচ্ছেন প্রেসিডেন্সি বিভাগের আইজি কঙ্কর প্রসাদ বারুই, চন্দননগরের পুলিশ কমিশনার সুনীল কুমার যাদব, বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার রাঠোর অমিত কুমার ভরত, কলকাতার যুগ্ম কমিশনার (ট্রাফিক) সূর্য প্রতাপ যাদব। এ ছাড়াও এই পদক পাচ্ছেন পূর্ব মেদিনীপুরের এসপি অংশুমান সাহা, পূর্ব বর্ধমানের এসপি মিস পুষ্পা ও মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলার সুপার শচীন মক্কর, বারুইপুর পুলিশ জেলার সুপার অরবিন্দ কুমার আনন্দ। রাজনীতির অঙ্গুলিহেলন উপেক্ষা করে যাঁরা নিজেদের কর্তব্যে অবিচল থেকেছেন চিরকাল। কর্মক্ষেত্রের পরিস্থিতি প্রতিকূলে গেলেও, যাঁরা ন্যায়ের পথ ছাড়েননি, এবার তাঁদের সম্মান জানাতেই উদ্যোগী রাজ্য সরকার। মূলত, তৃণমূল জমানায় যাঁদের দক্ষতাকে ধামাচাপা দিয়ে রাখার চেষ্টা হয়েছে অনেকাংশে, এবার স্বাধীনতা দিবসে তাঁদের হাতে ‘দক্ষতা’র সম্মান তুলে নজির গড়বে শুভেন্দুর সরকার। শুভেন্দু সরকারের আমলে কোনও পক্ষপাতিত্ব নয়, কাজের ভিত্তিতেই সার্টিফিকেট তুলে দেবেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী।




