RK NEWZ অন্নপূর্ণা যোজানার আবেদনের স্টেটাস। সরকারি ওয়েবসাইটেই গিয়েই জানা যাচ্ছে আবেদনের অবস্থা। সেখানে দেখিয়ে দেওয়া হচ্ছে আবেদন গৃহীত নাকি বাতিল। অবস্থা পেমেন্ট আটকে গেলেও সেটিও দেখিয়ে দেওয়া হচ্ছে। প্রথমে https://socialregistry.wb.gov.in/ ওয়েবসাইটে যান। সেখানস থেকে সিটিজেন/ ফ্যামিল লগইন সেকশনে ক্লিক করুন। তারপর আপনার জেলা ও আবেদনের সময় দেওয়া মোবাইল দিন। ক্যাপচা পূরণের পর মোবাইলে যাওয়া ওটিপি দিয়ে লগইন করুন। তারপরই জানা যাবে স্টেটাস। যাঁর বা যাঁদের (পরিবারের একাধিক মহিলা থাকলে) নামে আবেদন করা হয়েছে তাঁর পাশে আবেদনের অবস্থা দেখিয়ে দেবে। আবেদন গৃহীত হলে তা লেখা থাকবে। বাতিল হলেও বলা থাকবে। টাকা পাঠানোর প্রক্রিয়া ব্যর্থ হলে তাও লেখা থাকবে। তবে এখনও আবেদনপত্র এডিট করা বা পুনরায় আবেদনের কোনও অপশন দেওয়া হয়নি। এ দিকে অনেকের আবেদন বাতিল হয়েছে। অনেকের আবার টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে আসেনি। তা নিয়ে জেলায় জেলায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। পঞ্চায়েত বা পুরসভায় বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন মহিলারা। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ১ জুলাই অন্নপূর্ণা যোজনার অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে জানিয়ে দিয়েছেন ২৭ লক্ষ আবেদন বাতিল করা হয়েছে। যাঁরা যোগ্য তাঁরাই কেবল এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। সরকারি টাকা যাতে অপচয় করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। এদিকে এখনও যাঁরা আবেদন করেননি। তাঁরাও আবেদন করতে পারছেন। মনে করা হচ্ছে আগামীমাসে তাঁদের টাকা ঢুকবে।
১ জুলাই নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে অন্নপূর্ণা যোজনার অন্তর্গত ১ কোটির বেশি উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠান। তারপর থেকেই যোগ্য মহিলাদের অ্যাকাউন্টে ৩০০০ হাজার টাকা অনুদান আসছে। তবে ধূপগুড়ি পুর এলাকার বহু মহিলা সরকারি প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন বলে অভিযোগ ওঠে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে ৩ জুলাই শুক্রবার সন্ধ্যায় পুরসভায় ৩২ জন কর্মীকে শোকজ করেন মহকুমা শাসক। কেন গাফিলতি তাঁর ব্যাখা লিখিত আকারে চেয়েছেন মহকুমা শাসক। নির্ধারিত সময়ে অনলাইনে আপডেট ও যাচাই হয়নি অন্নপূর্ণার ফর্ম। তার জেরে ধূপগুড়ি পুরসভার বহু ‘যোগ্য’ আবেদনকারী চলতি মাসের অনুদান পাননি। স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলিয়ে পুরসভার ৩২ জন কর্মীকে শোকজ করলেন মহকুমা শাসক। শোকজের জবাব দিতে মহকুমা শাসকের দপ্তরে হাজিরা দিয়েছেন পুরসভার কর্মীরা। তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কর্মীরা। তাঁদের দাবি, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাঁরা নিজেদের দায়িত্ব পালন করেছেন। কিন্তু কেন তাঁদের শোকজ করা হয়েছে সেই বিষয়ে তাঁরা জানেন না। তবে নিয়ম মেনে শোকজরে জবাব তাঁরা দিচ্ছেন। হাজিরা দিয়েছেন মহকুমা শাসকের দপ্তরে। মহকুমা শাসকের সঙ্গে কথা না বলে তাঁরা এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করবেন না বলে জানিয়েছেন।




