ফিরলেন নেইমার! ম্যাচের সবচেয়ে বড় হাততালি অবশ্য গোলের জন্য নয়। পেলেন নেইমার জুনিয়র৷ বদলি হিসেবে মাঠে নামার সময় তাঁর নাম ঘোষণা হতেই গোটা স্টেডিয়াম দাঁড়িয়ে স্বাগত জানায়। মাঠে নেমে স্কটল্যান্ডকে ছিন্নভিন্ন করল ব্রাজিল। জোড়া গোলে নায়ক সেই ভিনিসিয়াস জুনিয়র। একটি গোল যোগ করলেন মাতেউস কুনহা। ৩-০ ব্যবধানে জিতে গ্রুপের শীর্ষে থেকেই শেষ বত্রিশে উঠল কার্লো অ্যান্সেলোত্তির দল। দিনের বড় খবর: দীর্ঘ তিন বছর পর ব্রাজিলের জার্সিতে বিশ্বকাপে ফিরলেন নেইমার। মায়ামি স্টেডিয়ামে ৬৪,৪৭৮ দর্শকের সামনে শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় ব্রাজিল। সাত পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে উঠল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। অন্য ম্যাচে হাইতিকে ৪-২ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয় দল হিসেবে শেষ বত্রিশে মরক্কোও। যার মানে: স্কটল্যান্ডের বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হল গ্রুপ পর্বেই। ম্যাচের প্রথম দশ মিনিটেই স্কটল্যান্ডকে চাপে ফেলে দেয় ব্রাজিল। নবম মিনিটে স্কট ম্যাককেনার ভুল কাজে লাগান রায়ান। বল কেড়ে ভিনি জুনিয়রের সামনে বাড়িয়ে দেন তিনি। গোলরক্ষক অ্যাঙ্গাস গান এগিয়ে এলেও তাঁকে কাটিয়ে সহজেই বল জালে পাঠান রিয়াল মাদ্রিদ তারকা৷ এটি চলতি বিশ্বকাপে তাঁর চতুর্থ গোল। টানা তিনটি গ্রুপ ম্যাচেই গোল করলেন তিনি। গোল্ডেন বুটের দৌড়ে কিলিয়ান এমবাপে ও আর্লিং হালান্ডের সমতায় পৌঁছে গেলেন৷ সবার উপরে অবশ্য পাঁচ গোল করা লিওনেল মেসি। প্রথম গোলের কিছুক্ষণ পর আবারও বল জালে জড়ান ভিনি। তবে ভিডিও সহকারী রেফারির পর্যবেক্ষণে আক্রমণ গড়ার সময় ফাউলের প্রমাণ মেলায় গোল বাতিল হয়। তাতেও ব্রাজিলের দাপট কমেনি। কোণঠাসা স্কটল্যান্ড প্রথমার্ধে একটি শটও লক্ষ্যে রাখতে ব্যর্থ৷ প্রথমার্ধের শেষ দিকে ব্যবধান দ্বিগুণ করে ব্রাজিল। মাঝমাঠ থেকে বল কেড়ে আক্রমণ গড়ে তোলেন ব্রুনো গিমারায়েস। তাঁর নিখুঁত ক্রস থেকে হেডে দ্বিতীয় গোল জুনিয়রের। দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচ পুরোপুরি একতরফা। আবারও আক্রমণ সাজান গিমারায়েস। তাঁর পাস থেকে গোল করেন মাতেউস কুনহা। বিশ্বকাপে তিন নম্বর৷ স্কটল্যান্ড কিছু সেট-পিস পেলেও অ্যালিসনের গোলে কার্যত কোনও চাপ তৈরি করতে পারেনি। ব্রাজিল বলের দখল, গতি এবং আক্রমণ—তিন বিভাগেই স্পষ্টভাবে এগিয়ে। ম্যাচের সবচেয়ে বড় হাততালি অবশ্য গোলের জন্য নয়। পেলেন নেইমার জুনিয়র৷ বদলি হিসেবে মাঠে নামার সময় তাঁর নাম ঘোষণা হতেই গোটা স্টেডিয়াম দাঁড়িয়ে স্বাগত জানায়। প্রায় তিন বছর পর বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরলেন ব্রাজিলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা। চোট কাটিয়ে অল্প সময় খেললেও কয়েকটি ইতিবাচক আক্রমণ গড়ে তোলেন। দিনের শেষে এই ম্যাচ আরেকটি বার্তা দিয়ে গেল। ব্রাজিল আর শুধু নেইমারের উপর নির্ভরশীল নয়। দলের নতুন মুখ হয়ে উঠেছেন ভিনি জুনিয়র। তিনটি গ্রুপ ম্যাচেই সাফল্য, আক্রমণে ধার, প্রতিপক্ষের উপর চাপ সৃষ্টি এবং গোল করার দক্ষতা—সব মিলিয়ে ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় ভরসা। গ্রুপ পর্ব শেষ করল ব্রাজিল অপরাজিত থেকে। সাত পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থেকে নকআউটে উঠল তারা। মরক্কো দ্বিতীয় স্থানে। আর লড়াই করেও বিদায় নিতে হল স্কটল্যান্ডকে।

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে কানাডাকে ২-১ গোলে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন সুইৎজারল্যান্ড। তবে পরাজয় সত্ত্বেও প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে উঠে ইতিহাস গড়ল কানাডা। ভ্যাঙ্কুভারের বিসি প্লেসে ২-১ গোলে জিতে গ্রুপ ‘বি’-র শীর্ষস্থান দখল করল সুইৎজারল্যান্ড। সাত পয়েন্ট নিয়ে তারা গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন। সমান সাত পয়েন্ট থাকলেও গোল পার্থক্যে পিছিয়ে দ্বিতীয় স্থানে কানাডা। নকআউটে উঠলেও গ্রুপ সেরা হওয়া হল না আয়োজকদের। শেষ বত্রিশে লস অ্যাঞ্জেলেসে খেলবে কানাডা। আর সুইৎজারল্যান্ড নিজেদের পরের ম্যাচে নামবে ভ্যাঙ্কুভারেই। গ্রুপের শীর্ষস্থান নির্ধারণের ম্যাচ। তাই শুরু থেকে দুই দলই ঝুঁকি নিতে চায়নি। প্রথমার্ধে গোলের সুযোগ ছিল হাতেগোনা। মাঝমাঠেই বেশি লড়াই। দুই টিম মিলিয়ে লক্ষ্যে মাত্র তিনটি শট। যদিও তাতে উত্তেজনার ঘাটতি ছিল না। দ্রুত ফ্রি-কিক নেওয়াকে কেন্দ্র করে সুইৎজারল্যান্ডের অধিনায়ক গ্রানিত জাকা ও কানাডার স্ট্রাইকার সাইল লারিনের মধ্যে বচসা বাধে। পরিস্থিতি সামাল দিতে দু’জনকেই হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। প্রথম ৪৫ মিনিটে গোল না হলেও বোঝা যাচ্ছিল, দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের গতি বদলাতে পারে। দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হতেই বদলে যায় খেলার চেহারা। ৪৬ মিনিটে জোহান মানজাম্বির পাস থেকে বক্সের বাইরে বল পেয়ে নিচু শটে গোল করেন রুবিন ভার্গাস। গোলরক্ষককে পরাস্ত করে সুইৎজারল্যান্ডকে এগিয়ে দেন তিনি। এর ১১ মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ। ব্রিল এম্বোলো বক্সের মধ্যে বল ধরে রেখে মানজাম্বির সামনে বাড়াতেই ২০ বছরের তরুণ কোনও ভুল না করে জোরালো শটে বল জালে পাঠান। আকস্মিক আঘাতে দুই গোলে পিছিয়ে পড়ার পর কিছু সময় দিশাহীন দেখায় কানাডাকে। সুইৎজারল্যান্ডের হাতে তখন ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ!৭৬ মিনিটে পরিস্থিতি বদল৷ বদলি নেমেই ব্যবধান কমান প্রমিস ডেভিড। নাথান সালিবার নিখুঁত পাস থেকে নিজের ফার্স্ট টাচেই বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি। সঙ্গে সঙ্গে গর্জে ওঠে বিসি প্লেস। শেষ কয়েক মিনিটে সমতায় ফেরার মরিয়া চেষ্টা চালায় কানাডা। কিন্তু সুইৎজারল্যান্ডের গোলরক্ষক গ্রেগর কোবেল একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে দলের জয় নিশ্চিত করেন। শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে জিতে গ্রুপের শীর্ষস্থান ধরে রাখে সুইসরা। পরাজয় সত্ত্বেও কানাডার সাফল্য চাপা পড়েনি। ভাঙা পায়ের চোটে ছিটকে যাওয়া ইসমাইল কোনে ডাগআউটে বসে সতিনির্ধদের উৎসাহ জোগান। ম্যাচ দেখতে উপস্থিত ছিলেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নিও। শেষ পর্যন্ত হেরে গিয়েও স্কোরলাইন নয়, ইতিহাসই চর্চায় উঠে এল। বিশ্বকাপের মঞ্চে এই প্রথম নকআউট পর্বে জায়গা ছিনিয়ে নিল কানাডা। ঘরের মাঠে স্বপ্নের দৌড় এখনও বেঁচে রইল।

রেফারি শেষ বাঁশি বাজাতেই হাঁটু মুড়ে দু’হাতে মুখ ঢেকে কাঁদতে শুরু করলেন হুগো ব্রুস। দক্ষিণ আফ্রিকার ফুটবলারদের মধ্যে কেউ কেউ হাত পা ছুড়ে উল্লাস করছেন। কেউ কাঁদছেন। দু’জনকে দেখা গেল মাঠে একে অপরকে জড়িয়ে ধরে গড়াগড়ি খাচ্ছেন। সমর্থকদেরও একই হাল। কারও চোখ শুকনো নেই। থাকবে কী করে? চলতি বিশ্বকাপে বড় অঘটন করেছে তারা। দক্ষিণ কোরিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের নকআউটে প্রথম বার জায়গা করে নিয়েছে আফ্রিকার দেশ। ফিফা ক্রমতালিকায় ২৮ নম্বরে থাকা সন হিউ মিনের দক্ষিণ কোরিয়াকে ৫৪ নম্বরে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকার থেকে অনেকটা এগিয়ে রেখেছিলেন তাঁরা। কিন্তু মাঠে দেখা গেল অন্য ছবি। প্রথম দু’ম্যাচ থেকে ১ পয়েন্ট পেয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। কিন্তু অভিজ্ঞ কোচ ব্রুস জানতেন, তাঁদের সুযোগ রয়েছে। সেই শিক্ষায় ফুটবলারদের দিয়েছিলেন ৭৪ বছর বয়সি পোড়খাওয়া কোচ। মাঠে সেটাই দেখা গেল। দক্ষিণ কোরিয়া গোলের জন্য যাঁর উপর ভরসা করে সেই সনকেই বোতলবন্দি করে দিল দক্ষিণ আফ্রিকা। ফলে গোল করতে পারল না এশিয়ার দেশ। শারীরিক লড়াইয়েও হার মানল দক্ষিণ কোরিয়া। তাদের কাছে স্কিল আছে। কিন্তু দৈহিক উচ্চতা ও ক্ষমতায় অনেকটা পিছিয়ে তারা। ফলে একের বিরুদ্ধে একের লড়াই জিতল দক্ষিণ আফ্রিকা। রক্ষণ মজবুত থাকায় দক্ষিণ কোরিয়া আক্রমণের ফসল তুলতে পারল না। কিন্তু ম্যাচের ৬৩ মিনিটের মাথায় গুরুত্বপূর্ণ গোলটি করে ফেললেন থাপেলো মাসেকো। এর পর যদি দক্ষিণ আফ্রিকায় তাঁর মূর্তি বসে, তাতে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। দেশের ফুটবল ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সাফল্য এল তাঁর পা থেকেই। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরে নকআউটে যাওয়ার স্বপ্ন ধাক্কা খেল দক্ষিণ কোরিয়ার। তারা তিন নম্বরে রয়েছে। এখনও নকআউটে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এশিয়ার দেশের। তবে তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে বাকি গ্রুপের ফলের উপর।

আয়োজক দেশ মেক্সিকোকে এ বারের বিশ্বকাপে অপ্রতিরোধ্য দেখাচ্ছে। হতে পারে সব ম্যাচ নিজেদের দেশে তারা খেলেছে। গ্যালারি ভর্তি সমর্থকদের সামনে খেলেছে। কিন্তু যে খেলাটা তারা দেখাচ্ছে তা অন্য দলগুলিকে চিন্তায় রাখবে। গ্রুপের শেষ ম্যাচে চেকিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে মেক্সিকো। তিনটি গোলই হয়েছে দ্বিতীয়ার্ধে। ৫৫ মিনিটে মাতেও শাভেজ ও ৬১ মিনিটে জুলিয়ান কুইনোনেস গোল করেন। ছ’মিনিটের ঝড়ে চেকিয়ার সব স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়। কুইনোনেস এ বারের বিশ্বকাপে মেক্সিকোর চমক। ভাল খেলছেন তিনি। ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে গোল করেন আলভারো ফিদালগো। চলতি বিশ্বকাপে প্রথম দেশ হিসাবে গ্রুপের তিনটি ম্যাচই জিতল মেক্সিকো।

শেষ পর্যন্ত লড়ল হাইতি! ৬ গোলের থ্রিলার জিতে নকআউটে মরক্কো। রোমাঞ্চকর ম্যাচে হাইতিকে ৪-২ গোলে হারিয়ে শেষ বত্রিশে জায়গা করে নিল মরক্কো। তবে গ্রুপ রানার্স-আপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হলো তাদের। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল। দাপট হাইতির। ১০ মিনিটেই এগিয়ে যায় তারা। জোসুয়ে কাসিমির বল ধরে রেখে ডান দিকে বাড়িয়ে দেন জ্যঁ-কেভিন দুভের্নেকে। তাঁর ক্রস থেকে লেনি জোসেফের ব্যাকহিল ইয়াসিন বোনোর গায়ে লেগে জালে ঢুকে যায়। পিছিয়ে পড়ে বলের দখল পুরোপুরি ছিনিয়ে নেয় মরক্কো। একের পর এক সুযোগ তৈরি হলেও ১৫ বছরের আন্তর্জাতিক কেরিয়ারের শেষ ম্যাচ খেলতে নামা গোলরক্ষক জনি প্লাসিদ দুরন্ত সব সেভ করে দলকে ম্যাচে রাখেন। অবশেষে ৩৯ মিনিটে ফেরে সমতা। বিলাল এল খান্নুসের ক্রস প্লাসিদ ঠেকালেও ফিরতি বলে সবার আগে পৌঁছে গোল করেন অধিনায়ক আশরফ হাকিমি। সমতা ফিরলেও তার আয়ু খানিক্ষণ৷ প্রথমার্ধের সংযুক্ত সময়ে আবারও এগিয়ে যায় হাইতি। জ্যঁ-কেভিন দুভের্নের পাস থেকে দূরপাল্লার জোরালো শটে গোল করেন উইলসন ইসিদর। কিন্তু নাটক এখনও বাকি! ফার্স্ট হাফ শেষের আগেই ফের সমতা ফেরায় মরক্কো। মাঝমাঠ থেকে সোফিয়ান আমরাবাত বল বাড়ান হাকিমিকে। ডান দিক থেকে তাঁর কাট-ব্যাক কাজে লাগিয়ে সহজেই গোল করেন ইসমাইল সাইবারি। চলতি বিশ্বকাপে টানা তিন ম্যাচেই সফল মরক্কোর এই স্ট্রাইকার।দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের গতি কিছুটা কমলেও আক্রমণ শানাতে থাকেন হাকিমিরা। হাইতির রক্ষণও শেষ পর্যন্ত চাপ সামলাতে পারেনি। ৭৮ মিনিটে প্রথমবারের মতো এগিয়ে যায় মরক্কো। কর্নার থেকে ক্লিয়ার করা বল বক্সের মধ্যে পেয়ে কাছ থেকে জালে জড়ান বদলি হিসেবে নামা সোফিয়ান রাহিমি। সংযুক্ত সময়ে আসে ম্যাচের শেষ গোল। হাইতির ফুটবলাররা ভেবেছিলেন বল গোললাইন পেরিয়ে গিয়েছে। খেলা থামিয়ে দেন তাঁরা। কিন্তু রাহিমি ভুলের ফায়দা নিয়ে ফাইনাল পাস বাড়ান। ফাঁকা জালে বল জড়াতে ভুল করেননি ২০ বছরের গেসিম ইয়াসিন। এই বিশেষ গোলটি নিয়ে দীর্ঘক্ষণ ভিডিও সহকারী রেফারির পরীক্ষা চলে। শেষ পর্যন্ত দেখা যায়, পুরো বল গোললাইন পার হয়নি। ফলে গোল বৈধ ঘোষণা। দুই ম্যাচে কোনও পয়েন্ট না পেলেও শেষ লড়াইয়ে মরক্কোকে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চাপে রাখে হাইতি। পাঁচ দশকেরও বেশি সময় পর বিশ্বকাপে ফিরে তারা বিদায় নিল ঠিকই, কিন্তু লড়াই করার মানসিকতা দেখিয়ে আলাদা ছাপ রেখে গেল। অন্যদিকে সাত পয়েন্ট নিয়ে নকআউটে উঠলেও মরক্কোর গ্রুপের শীর্ষস্থান দখল করা হল না।





