RK NEWZ রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদলের পর ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশে খুলেছে ‘আর জি কর ফাইলস’। তিন পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড করে ফের তদন্ত শুরু হয়েছে। তারই মাঝে ফের বিস্ফোরক দাবি অভয়ার বাবার। সিবিআইয়ের আইনজীবীর বিরুদ্ধে আরও একবার ক্ষোভ উগরে দিলেন আর জি করের নির্যাতিতার বাবা। যা শিখিয়ে দিতেন সিবিআই আইনজীবী তাই নাকি আদালতে বলতে হত তাঁকে। শুক্রবার শিয়ালদহ আদালতে দাঁড়িয়ে এমন বিস্ফোরক দাবি করেন তিনি। এদিকে, এদিনই আদালতে স্টেটাস রিপোর্ট জমা দিয়েছে সিবিআই। ওই রিপোর্টে পুলিশ এবং হাসপাতালের কলরেকর্ড দেখা হয়েছে বলেই খবর। নির্যাতিতার বাবা এদিন আদালতের বাইরে দাঁড়িয়েও একই দাবি করেন। তিনি বলেন, “গত ১১ জানুয়ারি প্রথম আদালত কক্ষে ঢুকি। তার আগে কখনও আদালত কক্ষে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। সিবিআই আইনজীবী অনুরাগী মোদিকে নির্মল ঘোষের আইনজীবীর পিঠ চাপড়াতে দেখেছি। বলেন, কিছু হবে না। এই তো সিবিআইয়ের আইনজীবীর চরিত্র।” সরাসরি আরও একবার সিবিআইয়ের তদন্তকারী আধিকারিক সীমা পাহুজার বিরুদ্ধে আক্রমণের সুর চড়ান অভয়ার বাবা। তিনি বলেন, “আমাদের শিখিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তদন্তকারী অফিসার সীমা পাহুজা বাড়িতে গিয়ে বলেছিলেন, এর বাইরে কিছু বললে সঞ্জয়কে আটকে রাখতে পারব না। ভয় দেখানো হয়েছে। আজ বলছে লিখিত অভিযোগ দিইনি।” সিবিআইয়ের আইনজীবী পার্থ দত্তর বিরুদ্ধেও তোপ দেগেছেন নির্যাতিতার বাবা। তিনিও নাকি শিখিয়েছিলেন অভয়ার বাবা-মা কী বলবেন আর কী বলতে পারবেন না।
এদিন নির্যাতিতার আইনজীবী আরও একবার আদালতে প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষ, প্রতিবেশী সঞ্জীব মুখোপাধ্যায় এবং সোমনাথ দে-কে তদন্তের আওতায় আনার দাবি করেন। যদিও আদালতে দাঁড়িয়ে এদিন সিবিআই স্পষ্ট জানায়, এই তিনজনের বিরুদ্ধে এখনও পর্যন্ত কোনও লিখিত অভিযোগ নেই। সেই প্রসঙ্গেই উষ্মাপ্রকাশ করেন নির্যাতিতার বাবা। পানিহাটির বিজেপি বিধায়ক তথা নির্যাতিতার মা বলেন, “ঘটনার দিনে ১০টা ৫৩ মিনিটে একটা ফোন পাই। বলা হয় আমার মেয়ে অসুস্থ। গাড়িচালককে ডেকে নিচে নামার সময় শুনি মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। তাড়াতাড়ি আসুন। আমরা আর জি করে গিয়ে ৩ ঘণ্টা বসেছিলাম। মেয়েকে একবারও দেখতে দেওয়া হয়নি। সেখানে আইপিএস অফিসারের ভিড়। অকুস্থলে আরও অনেকে ছিলেন। আমার মনে হয় যাঁরা অকুস্থলে ছিলেন তাঁরাই অপরাধী।” বলে রাখা ভালো, রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদলের পর ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশে খুলেছে ‘আর জি কর ফাইলস’। তিন পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড করে ফের তদন্ত শুরু হয়েছে।





