Thursday, May 21, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

মুখ্যমন্ত্রী হয়েই বেলুড় মঠে শুভেন্দু!‌ এই বছরেই হাওড়ার পুরভোট!  নমোর পথেই ‘অধ্যাত্মচর্চা’ শুভেন্দুর, প্রেসিডেন্ট মহারাজের পা ছুঁয়ে প্রণাম

RK NEWZ মুখ্যমন্ত্রী হয়ে প্রথম বার বেলুড় মঠে গিয়ে নতমস্তক শুভেন্দু! স্বামীজির আদর্শে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সেবা ও আধ্যাত্মিকতার প্রসারের বার্তা। বৃহস্পতিবার বেলুড় মঠে গিয়ে মূল মন্দির এবং অন্য মন্দিরগুলি দর্শন করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে পুজোও দেন তিনি। দেখা করেন বেলুড় মঠের অধ্যক্ষ গৌতমানন্দজি মহারাজের সঙ্গে। অন্য মহারাজদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন প্রায় ঘণ্টাখানেক সেখানে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বেলুড় মঠ থেকে তাঁকে স্বামী বিবেকানন্দের বই এবং ফুলের তোড়া উপহার দেওয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রীও স্বামীজির আদর্শের কথা তুলে ধরেন। জানান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সেবা এবং আধ্যাত্মিকতার প্রসার হওয়া দরকার। হাওড়ায় প্রশাসনিক বৈঠকের আগেই মঠ পরিদর্শনে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী, সঙ্গী বিশিষ্ট চিকিৎসক নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে রামকৃষ্ণ মিশনের যোগ বহুদিনের, তাঁর কৈশোরবেলা থেকে। কলকাতায় এলে তিনি সময় করে একবার বেলুড় মঠ ঘুরে যান। সন্ন্যাসী থেকে প্রেসিডেন্ট মহারাজদের আশীর্বাদ গ্রহণ করেন। এবার সেই পথেই ‘অধ্যাত্মচর্চা’য় মন দিলেন রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী হয়ে বৃহস্পতিবার প্রথমবার তিনি গেলেন বেলুড় মঠে। শুভেন্দুর বেলুড় সফরে তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিশিষ্ট চিকিৎসক নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীকে সেখানে স্বাগত জানান সন্ন্যাসীরা। এরপর ভিতরে গিয়ে শুভেন্দু রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রেসিডেন্ট মহারাজ গৌতমানন্দজির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। অশীতিপর মহারাজের পা ছুঁয়ে প্রণাম করে আশীর্বাদ গ্রহণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে রীতিমতো জেট-গতিতে প্রশাসনিক কাজকর্ম করছেন শুভেন্দু অধিকারী। তারই অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার হাওড়া ও দুর্গাপুরে প্রশাসনিক বৈঠকের সূচি রয়েছে তাঁর। এদিন হাওড়ায় প্রশাসনিক বৈঠকের আগে প্রথমে মুখ্যমন্ত্রী যান বেলুড় মঠে। তাঁকে ঘিরে সন্ন্যাসী থেকে সাধারণ দর্শনার্থীদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। মুখ্যমন্ত্রীও পালটা অভিবাদন গ্রহণ করে জোড় হাতে তাঁদের প্রণাম জানান। মঠে পা রেখে শুভেন্দু প্রথমে যান মূল শ্রীরামকৃষ্ণ মন্দিরে। সেখানে আরতি দেখেন, পুজো দেন। এরপর স্বামী বিবেকানন্দের স্মৃতিবিজড়িত পবিত্র ঘরে গিয়ে প্রণাম জানান তিনি। একে একে স্বামী ব্রহ্মানন্দ মন্দির, শ্রী শ্রী মা সারদাদেবীর মন্দিরে গিয়ে পুষ্পাঞ্জলি দেওয়ার পর প্রণাম করেন। সবশেষে তিনি মঠের প্রেসিডেন্টের ঘরে গিয়ে তাঁর সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ একান্তে সময় কাটান এবং আশীর্বাদ গ্রহণ করেন। বেলুড় মঠে গিয়ে মূল মন্দির এবং অন্য মন্দিরগুলি দর্শন করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে পুজোও দেন তিনি। দেখা করেন বেলুড় মঠের অধ্যক্ষ গৌতমানন্দজি মহারাজের সঙ্গে। অন্য মহারাজদের সঙ্গেও দেখা করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীকে বেলুড় মঠে স্বাগত জানানোর জন্য অপেক্ষা করছিলেন মহারাজেরা। শুভেন্দু সেখানে পৌঁছে প্রথমেই নতমস্তক হয়ে প্রণাম করেন তাঁদের। তাঁকে ফুলের মালা পরিয়ে স্বাগত জানান মহারাজেরা। এর পরে মঠ দর্শন করতে করতে অন্য মহারাজদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁদের সকলকেই নতমস্তকে প্রণাম করেন তিনি। তাঁদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন মুখ্যমন্ত্রী। বেলুড় মঠ দর্শনের একটি ভিডিয়োও সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেন শুভেন্দু। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, ‘‘আজ বীর সন্ন্যাসী স্বামী বিবেকানন্দ প্রতিষ্ঠিত রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনে শ্রীশ্রী ঠাকুর রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব, জগজ্জননী মা সারদা ও বীর সন্ন্যাসী স্বামী জীর চরণে প্রণাম নিবেদন করলাম। বেলুড় মঠ-এর সাধারণ সম্পাদক শ্রীমৎ স্বামী সুবীরানন্দজী মহারাজ, ও সহকারী সাধারণ সম্পাদক স্বামী বলভদ্রনন্দজী মহারাজের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে ওঁদের আশীর্বাদ লাভ করার সৌভাগ্য হল। তাঁদের আশীর্বাদ ও সান্নিধ্য লাভ করে আমি ধন্য।’’ প্রেসিডেন্ট মহারাজের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। বেলুড় মঠ পরিদর্শন সেরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী রওনা দেন হাওড়া শরৎ সদনের উদ্দেশে। সেখানেই আজ জেলা স্তরের পুলিশ ও প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের নিয়ে প্রশাসনিক পর্যালোচনা বৈঠকে যোগ দেন। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কুশল বিনিময়ের সময়ে মহারাজেরা তাঁকে মঠের প্রসাদ দেন। শুভেন্দুও জানান, স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সেবা এবং আধ্যাত্মিকতার প্রসার হওয়া দরকার। মুখ্যমন্ত্রীর সফরের জন্য প্রত্যাশিত ভাবেই বেলুড় মঠ এবং আশপাশের চত্বরে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই পুলিশি নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল চোখে পড়ার মতো। বেলুড় মঠ থেকে বেরিয়ে নিউ কালেক্টরেট বিল্ডিঙে হাওড়া জেলা পুলিশ প্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দেন। এরপর দুর্গাপুরে প্রশাসনিক বৈঠকে।

সব ঠিক থাকলে জট কাটিয়ে এই বছরেই হয়ে যাবে হাওড়ার পুরভোট! প্রশাসনিক বৈঠকের পর ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর। রাজ্যে পালাবদলের পরে নতুন মন্ত্রিসভা গঠিত হতেই পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে। সেখানেই হাওড়ার ভোট নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছিল। গত ১৩ বছরে কোনও ভোট হয়নি। শেষ হয়েছিল ২০১৩ সালে। হাওড়া পুরসভার দীর্ঘ দিনের জটিলতা শীঘ্রই কাটতে চলেছে। বৃহস্পতিবার হাওড়ায় প্রশাসনিক বৈঠক শেষে তা স্পষ্ট করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জানালেন, সব ঠিক থাকলে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই হাওড়া এবং বালি পুরসভায় নির্বাচিত পুরবোর্ড গঠিত হয়ে যাবে। হাওড়ার ভোট নিয়ে জোট কাটার কোনও বার্তা আসে কি না, বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠকের আগে পুর পরিষেবার পাশাপাশি নজর ছিল সে দিকেও। হাওড়া পুরনিগমের সঙ্গে বালি পুরসভার সংযুক্তিকরণ এবং পৃথকীকরণ ঘিরে আইনি জট এবং ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জটের কারণে বার বার থমকে যায় হাওড়ার ভোট। রাজ্যে পালাবদলের পরে নতুন মন্ত্রিসভা গঠিত হতেই পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে। সেখানেই হাওড়ার ভোট নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছিল। এ বার মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করে দিলেন, এ বছরের মধ্যেই হাওড়ার পুরভোট হয়ে যাবে। প্রশাসনিক বৈঠক শেষে মু্খ্যমন্ত্রী জানান, তাঁর সরকারের লক্ষ্য হল হাওড়া শহরের প্রাথমিক চাহিদাগুলি পূরণ করে দীর্ঘমেয়াদে এটিকে আরও ‘বিকশিত নগরী’ হিসাবে গড়ে তোলা। তিনি বলেন, “ওয়ার্ড বিন্যাসের কাজ সম্পূর্ণ করে এই বছরের মধ্যেই নির্বাচিত কর্পোরেশন বা পুরসভার হাতে দায়িত্বভার হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য আমরা আজকের বৈঠকে সিদ্ধান্ত নিয়েছি।” তিনি আরও জানান, ইতিমধ্যে পুরসভায় আসনবিন্যাসের কাজ শুরু করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে নির্বাচন ছাড়া প্রকৃত পরিষেবার স্বাদ মানু‌ষ পেতে পারে না। তাই সব ঠিকঠাক থাকলে আমরা ডিসেম্বরের মধ্যে গণতান্ত্রিক পৌরবোর্ডের হাতে হাওড়া পুরনিগম এবং বালি তুলে দিতে পারব বলে আমাদের বিশ্বাস।”

হাওড়ার পুরপরিষেবাকে আরও উন্নত করার বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। হাওড়াবাসীর জন্য পরিস্রুত পানীয় জল, সাফাইয়ের ব্যবস্থা, নিকাশি ব্যবস্থা এবং পার্ক, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, পুরসভা পরিচালিত শিক্ষাকেন্দ্র-সহ অন্য নাগরিক পরিষেবার মানোন্নয়নের কথা বলেন তিনি। শুভেন্দু জানান, এই সংক্রান্ত কাজকর্মের জন্য একটি কো-অর্ডিনেশন (সমন্বয়) কমিটি গঠিত হয়েছে। ওই কমিটির সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকবেন জেলাশাসক এবং কমিটির উপর নজরদারি চালাবেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের সচিব। নতুন সরকারের আমলে রেলের সঙ্গেও যাতে রাজ্য প্রশাসনের সঠিক সমন্বয় থাকে, তা-ও স্পষ্ট করে দেন মুখ্যমন্ত্রী। পূর্বতন সরকারের কাছে রেল ছিল ‘শত্রু’, অথচ রেল ছাড়া হাওড়া হয় না— এই বার্তাও স্পষ্ট করে দেন শুভেন্দু। উল্লেখ্য, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ)-র আওতায় পড়েন না, এমন অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের জন্য বুধবারই নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। হাওড়ার বৈঠক শেষে পুলিশ এবং আরপিএফ-এর কাছে আবার সেই বার্তাই পৌঁছে দেন তিনি। শুভেন্দু বলেন,“গতকাল থেকে অনুপ্রবেশকারীদের কোর্টে না পাঠিয়ে বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফ-এর কাছে পাঠানোর আইন কার্যকর হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। পুলিশ কমিশনার এবং আরপিএফ-কে বলে দেওয়া হয়েছে, সিএএ-র আওতায় পড়েন না এমন বাংলাদেশি অবৈধ অনুপ্রবেশকারী হাওড়া স্টেশনে ধরা পড়লে, তাঁকে কোর্টে পাঠাবেন না। তাঁকে ভাল করে খাওয়াদাওয়া করিয়ে সোজা বনগাঁ পেট্রাপোল সীমান্তে, নইলে বসিরহাটে বিওপি (সীমান্ত চৌকি)-র কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করবেন।” এমন কত জন অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়ছেন, সেই সংখ্যা প্রতি সপ্তাহে ডিজিপি মারফত মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে পাঠানোর জন্যও বলেছেন। পূর্বতন সরকারের আমলে যত রাজনৈতিক হিংসার অভিযোগ বা মহিলাদের উপর অত্যাচারের অভিযোগ উঠেছিল, সেই সব ঘটনায় পুলিশকে পদক্ষেপ করতে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “পুলিশকে স্পষ্ট বলা হয়েছে— নতুন করে এফআইআর করতে, অ্যাকশন নিতে।” একই সঙ্গে অবৈধ নির্মাণের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে একটি তথ্যানুসন্ধান দল গঠিত হবে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী। জানিয়েছেন, যে নির্মাতারা দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাঁদের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় তদন্ত করা হবে।

রাজ্যের সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রার্থনার সময় ‘বন্দে মাতরম’ বাধ্যতামূলক করেছে শুভেন্দু সরকার। এবার রাজ্যের সমস্ত মাদ্রাসাতেও ক্লাস শুরুর আগে প্রার্থনায় গাইতে হবে এই রাষ্ট্রগীত। ইতিমধ্যে মাদ্রাসা শিক্ষাদপ্তরের তরফে এই মর্মে নতুন একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। যেখানে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের পরেই এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। সে মতো রাজ্যের সমস্ত সরকারি, সরকারপোষিত ও স্বীকৃত মাদ্রাসায় সকালবেলার প্রার্থনা সভায় ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পুরানো সমস্ত সিদ্ধান্ত বাতিল করে এহেন নির্দেশিকা দ্রুত কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘আগামী সোমবার থেকেই সমস্ত স্কুলে বন্দে মাতরম বাধ্যতামূলক করা হবে।’ এরপরেই শিক্ষাদপ্তরের তরফে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়ে সরকারি বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। আর এই বিজ্ঞপ্তির পরেই সমস্ত সরকারি এবং সরকারপোষিত স্কুলে এই রাষ্ট্রগীত বাধ্যতামূলক করা হয়। সেই মতো পঠনপাঠন শুরুর আগে প্রার্থনা সভায় গাওয়া হচ্ছে বন্দে মাতরম। এবার মাদ্রাসাতেও গাইতে হবে এই রাষ্ট্রগীত। যদিও এহেন নির্দেশিকা নিয়ে বেশ কিছুটা বিতর্ক হয়। বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য জানান, ”বিকৃত ইতিহাসকে বদলের এটাই সঠিক সময়।” এহেন পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে বিজেপি নেতা জানান, কেন্দ্রের তরফে এই বিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তৎকালীন সরকার তা কার্যকর করতে দেয়নি। এখন সঠিক তথ্য তুলে ধরা হবে। তবে মাদ্রাসায় প্রার্থনার সময় বন্দে মাতরম গাওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানো হয়েছে বঙ্গ বিজেপির তরফে। একইসঙ্গে সরকারের তরফে জারি করা বিজ্ঞপ্তি পোস্ট করে অফিসিয়াল সমাজমাধ্যমে বিজেপি লিখছে, ”এই সিদ্ধান্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এক ও অভিন্ন নিয়ম প্রতিষ্ঠার বার্তা দিচ্ছে। আর তুষ্টিকরণ নয় বরং সবার জন্য সমান নীতি প্রযোজ্য।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles