Tuesday, May 19, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

প্লে-অফে হায়দরাবাদ, শেষ চারে গুজরাত!‌ সুবিধা হল কলকাতা নাইট রাইডার্সের?‌ একটি জায়গার লড়াইয়ে পাঁচ দল

RK NEWZ ঘরের মাঠে শেষ ম্যাচটা সুখকর হল না চেন্নাইয়ের। চিপকে জিতে প্লে-অফের দিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল হায়দরাবাদ। অন্য দিকে, চেন্নাইয়ের প্লে-অফ স্বপ্ন আরও ধাক্কা খেল। শেষ ম্যাচ জিতলেও তাকিয়ে থাকতে হবে বাকিদের দিকে। ঘরের মাঠে শেষ ম্যাচটা সুখকর হল না চেন্নাইয়ের। দর্শকেরা দীর্ঘ দিন পর মহেন্দ্র সিংহ ধোনিকে সামনে থেকে দেখতে পেলেন ঠিকই। কিন্তু হারতে হল দলকেই। চিপকে জিতে প্লে-অফ নিশ্চিত করে ফেলল হায়দরাবাদ। ১৬ পয়েন্ট নিয়ে গুজরাত টাইটান্সও প্লে-অফ নিশ্চিত করে ফেলল। ফলে আইপিএলে এখন একটি জায়গার জন্য লড়াই পাঁচটি দলের মধ্যে। অন্য দিকে, চেন্নাইয়ের প্লে-অফ স্বপ্ন আরও ধাক্কা খেল। শেষ ম্যাচ জিতলেও তাকিয়ে থাকতে হবে বাকিদের দিকে। চেন্নাইয়ের হারায় প্লে-অফের দৌড়ে সুবিধা হল কলকাতা নাইট রাইডার্সের।প্রথমে ব্যাট করে চেন্নাই ১৮০/৭ তুলেছিল। তবে বড় রান কেউই পাননি। সর্বোচ্চ ডেওয়াল্ড ব্রেভিসের ৪৪। ২৮ রানে ৩ উইকেট নেন প্যাট কামিন্স। জবাবে ঈশান কিশনের অর্ধশতরান এবং হাইনরিখ ক্লাসেনের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ভর করে ৫উইকেট হারিয়ে সেই রান তুলে নেয় হায়দরাবাদ। টসে জিতে ব্যাট করতে নেমেছিল চেন্নাই। শুরুটা ভালই করেছিলেন সঞ্জু স্যামসন। নীতীশ রেড্ডিকে প্রথম বলেই ছয় মারেন তিনি। এর পর দু’টি চারও মারেন। সেই ওভার থেকে আসে ১৭ রান। দ্বিতীয় ওভারে প্রফুল্ল হিঙ্গেকে টানা তিনটি চার মারেন সঞ্জু। কিন্তু তৃতীয় ওভারে কামিন্স আসতেই খেলা ঘুরে যায়। কামিন্সের বলে ড্রাইভ করতে গিয়ে উইকেটকিপার ঈশান কিশনের হাতে খোঁচা দেন সঞ্জু। তিনে নেমে উর্বিল পটেলও আগ্রাসী মেজাজেই খেলছিলেন। তিনি কামিন্সকে পর পর দু’টি ছয় মারেন। কিন্তু সাকিব হুসেনের স্লোয়ার বলে বোল্ড হয়ে যান। বিরক্তি জোগাচ্ছিল রুতুরাজ গায়কোয়াড়ের খেলা। চাপের মুখেও তিনি ধীরগতিতে খেলে যাচ্ছিলেন। স্ট্রাইক রেট বাড়ানোর চেষ্টাই করছিলেন না। তৃতীয় উইকেটে কার্তিক শর্মার (৩২) সঙ্গে তাঁর ৪২ রানের জুটি চেন্নাইয়ের পরিস্থিতি কিছুটা সামাল দেয়। কার্তিক ক্রমশ আইপিএলে মানিয়ে নিচ্ছেন নিজেকে। এ দিন প্রফুল্লের বলে একটি দর্শনীয় চার এবং স্পিনার শিবং কুমারের বলে একটি ছয় মারেন। কামিন্স ফিরে এসে তুলে নেন কার্তিককে। এর পর রুতুরাজও (১৫) ফেরেন কামিন্সের বলে। সেখান থেকে চেন্নাইকে ভদ্রস্থ স্কোরে পৌঁছে দেন ডেওয়াল্ড ব্রেভিস এবং শিবম দুবে। দু’জনে পঞ্চম উইকেটে ৫৯ রান যোগ করেন। এখনও পর্যন্ত আইপিএলটা খুব একটা ভাল যায়নি ব্রেভিসের কাছে। তবে এ দিন দু’টি চার এবং চারটি ছয় মেরে দ্রুতগতিতে রান তুলেছেন। শিবম (২৬) বরং কিছুটা ধীরে খেলেছেন। শেষ দিকে চেন্নাই রানের গতি বাড়াতে পারেনি। হায়দরাবাদ বরাবরই শুরুটা ভাল করে। এ দিন তারাও সে কাজে ব্যর্থ। তৃতীয় ওভারেই ট্রেভিস হেডকে (৬) ফেরান মুকেশ চৌধরি। অভিষেক শর্মা এবং ঈশান কিশন কিছু ক্ষণ দলকে টানলেও আকিল হোসেনের বুদ্ধিদীপ্ত বলে স্পেন্সার জনসনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন অভিষেক (২৬)। মন্থর গতির পিচ হওয়ায় রান তুলতে সমস্যা হচ্ছিল হায়দরাবাদেরও। চারে নেমে হাইনরিখ ক্লাসেন চালিয়ে খেলার চেষ্টা করছিলেন। বস্তুত, তৃতীয় উইকেটে কিশানের সঙ্গে তাঁর ৪১ বলে ৭৫ রানের জুটি অনেকটাই সুবিধাজনক জায়গায় পৌঁছে যায় হায়দরাবাদ। যে পিচে আগের ব্যাটারদের খেলতে অসুবিধা হচ্ছিল, সেখানেই অবলীলায় বড় শট খেলতে থাকেন ঈশান এবং ক্লাসেন। ১৩১ রানের মাথায় ছন্দপতন। নূর আহমেদের বল এগিয়ে খেলতে গিয়ে ফস্কান ক্লাসেন। পা ক্রিজ়ের ভিতরে থাকলেও সঞ্জু স্টাম্প ভেঙে দেওয়ার সময় তা হাওয়ায় ভেসে ছিল। ফলে স্টাম্পড হন ক্লাসেন। ছ’টি চার এবং দু’টি ছয়ের সাহায্যে তিনি ২৬ বলে ৪৭ করেন। ক্লাসেন ফেরার পর হায়দরাবাদের রানের গতি কিছুটা থমকে গিয়েছিল। এক সময় হারের আশঙ্কাও তৈরি হয়েছিল। তবে চালিয়ে খেলে চাপ কাটিয়ে দেন ঈশান। তিনি শেষ দিকে ৭০ রানে ফিরে গেলেও বাকিরা ম্যাচ শেষ করে আসেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles