Friday, May 15, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

‘তৃণমূলের মূল উড়ে গিয়েছে’!‌ তৃণমূল জমানায় রমরমা! বাংলায় এসে বিস্ফোরক মিঠুন!‌ ‘অনুব্রত গড়ে’ বন্ধ সব বেআইনি টোলপ্লাজা

RK NEWZ তৃণমূলের ভবিষ্যদ্বাণী করে মিঠুন বলেন, “তৃণমূলের মূল উড়ে গিয়েছে। এখন ঘাস পড়ে আছে। হাওয়াতে উড়ে যাবে।” ফলাফল পরবর্তী সময়ে কলকাতায় ছেলে নমশী চক্রবর্তীর ‘আখরি সওয়াল’ ছবির প্রচারে এসে ঘাসফুল শিবিরকে তোপ দাগেন বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী। ছাব্বিশের ভোট ‘ডু অর ডাই’ ম্যাচের মতো বলে দাবি করেছিলেন। বারবার পরিবর্তনের ডাক দিয়েছিলেন। ভোটের ফলেও সেই দাবির বাস্তবায়ন। বিজেপির দাপটে বাংলায় পর্যুদস্ত তৃণমূল। ফলাফল পরবর্তী সময়ে কলকাতায় ছেলে নমশী চক্রবর্তীর ‘আখরি সওয়াল’ ছবির প্রচারে এসে ঘাসফুল শিবিরকে তোপ দাগেন বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী। তৃণমূলের ভবিষ্যদ্বাণী করে মিঠুন বলেন, “তৃণমূলের মূল উড়ে গিয়েছে। এখন ঘাস পড়ে আছে। হাওয়াতে উড়ে যাবে।” মিঠুন নিজের রাজনৈতিক লড়াইয়ের কথা উল্লেখ করে আরও বলেন, “আমি পাঁচ বছর ধরে সওয়াল করেছি, পাঁচ বছর ধরে লড়েছে। সেই লড়াইয়ের পর আজ এই জায়গায় এসেছি। এখন সবাই আনন্দ করুন। এটা একটা মুক্ত বাংলা।” নতুন সরকারের প্রশংসা করেন মিঠুন। তাঁর কথায়, “নতুন কলকাতা দারুণ লাগছে। এবার সোনার বাংলা গড়ে তুলতে হবে। তার জন্য কাজে লেগে পড়েছি।” মমতাকে আক্রমণ করে আরও বলেন, “উনি হাই কোর্টে যান, যেখানে খুশি যান। কিচ্ছু হবে না।” বলে রাখা ভালো, বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল স্পষ্ট হওয়ার পরই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, তিনি ফের আদালতে প্র্যাকটিস করবেন। বৃহস্পতিবার কলকাতা হাই কোর্টে প্রধান বিচারপতির এজলাসে ভোট পরবর্তী মামলায় সওয়াল করতে দেখা যায় তাঁকে। সে প্রসঙ্গে খোঁচা দেন মিঠুন। এদিকে, একসময় তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ছিলেন মিঠুন। পরে সেই পদে ইস্তফা দেন। ২০২১ সালের আগে যোগ দেন বিজেপিতে। গেরুয়া শিবিরে যোগ দেওয়ার পরই তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভপ্রকাশ করেন মিঠুন। সেই সময় ইঙ্গিতে বুঝিয়েছিলেন মমতার আচরণে অসন্তুষ্ট তিনি। সেই কারণেই দলের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি। এবং পরবর্তীতে দলত্যাগের সিদ্ধান্ত। রাজ্যে পালাবদলের পর এবার বিস্ফোরক বিজেপির তারকা নেতা মিঠুন।

মুখ্যমন্ত্রী হয়েই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গড়, ডায়মন্ড হারবার থেকে জেলা সফর শুরু করছেন শুভেন্দু অধিকারী। ফলতায় ভোটের আগে সেখানে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। সূত্রের খবর, শনিবার ডায়মন্ড হারবারে গিয়ে সেখানকার পুলিশ ও প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন তিনি। একইসঙ্গে কর্মিসভাও করবেন অর্থাৎ ভোটের প্রচার কর্মসূচি রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী দলীয় কর্মিসভা ও প্রশাসনিক বৈঠক – জোড়া কর্মসূচিতে প্রস্তুতিতে স্বভাবতই বাড়তি নজর। ২৯ এপ্রিল, রাজ্যে দ্বিতীয় দফা ভোটের দিন ইভিএম কারচুপি-সহ একাধিক অভিযোগ ওঠায় ওইদিন ফলতার ভোট বাতিল হয়। ২১ মে সেখানে ফের ভোটের দিন ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। ২৪ মে সেখানে ফলপ্রকাশ। ফলতার ভোটকে সামনে রেখেই জেলা সফর শুরু করছেন শুভেন্দু অধিকারী।মনে করা হচ্ছে, ফলতার নির্বাচন যাতে সুষ্ঠুভাবে হয়, সেই কারণেই মুখ্যমন্ত্রীর এত তৎপরতা। ফলতার নির্বাচন কমিশনের কাছে রীতিমতো চ্যালেঞ্জের বিষয়। ছাব্বিশের ভোটে এখানকার ভোটের জন্য বিশেষভাবে পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসেবে আনা হয়েছিল উত্তরপ্রদেশের এনকাউন্টার স্পেশালিস্ট আইপিএস অজয় পাল শর্মাকে। তিনি ভোটে দিনভর ঘুরে বেড়িয়েছেন এলাকায়। কিন্তু তা সত্ত্বেও দুটি বুথে ইভিএম কারচুপির অভিযোগ ওঠায় ভোট বাতিল করতে হয়। শোনা যাচ্ছে, আগামী ২১ মে’র ভোটেও দায়িত্বে থাকতে পারেন অজয় পাল শর্মা।শনিবার শুভেন্দু অধিকারীর বৈঠকে কি এসব প্রসঙ্গ উঠবে? তা নিয়ে থাকছে প্রশ্ন। সূত্রের আরও খবর, শনিবার প্রশাসনিক বৈঠক শেষে একটি কর্মিসভাও করবেন শুভেন্দু। তবে কোথায় হবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি।

১৫ বছরের তৃণমূল জমানার রমরমা এক মুহূর্তে শেষ! গত ৪ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই বীরভূম জেলা জুড়ে একাধিক টোল আদায় বন্ধ। একপ্রকার ঝাঁপ বন্ধ করে গা ঢাকা দিয়েছেন দীর্ঘদিন অভিযোগ থাকা টোল আদায়কারীরা। জেলা জুড়ে পুরসভা, গ্রাম পঞ্চায়েত, জেলা পরিষদের অধীনে থাকা সমস্ত টোল আদায় বন্ধ। যদিও টোলগুলির বৈধতা নিয়ে রয়েছে একাধিক বিতর্ক। কিন্তু টোল বন্ধে খুশি জেলার পরিবহণ ব্যবসায়ীরা। ইতিমধ্যে সমস্ত বেআইনি টোল বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু একমাত্র এই জেলায় রাজনৈতিক পাশাবদলাতেই বদলে যায় ছবিটা!

জেলার পরিবহন ব্যবসায়ীদের দাবি, বোলপুর থেকে সিউড়ি, দুবরাজপুর থেকে রামপুরহাট গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা সেতু পুরসভার সংযোগস্থলে একাধিক টোলে দিতে হত চাঁদা। কোথাও ট্রাক পিছু ৫০ টাকা, আবার কোথাও ১০০ টাকা পর্যন্ত দিতে হতো টাকা। এছাড়াও বিভিন্ন গাড়ির জন্য ছিল আলাদা আলাদা রেট! তবে দীর্ঘ কয়েক বছর কোন খাতে এই টাকাগুলি জমা হত, কীভাবেই বা পঞ্চায়েত, পুরসভা এবং জেলা পরিষদ তহবিল থেকে খরচা করা হতো তা স্পষ্ট ছিল না বলে অভিযোগ। যদিও বিজেপির দাবি, এক প্রকার জোড় জুলুম করেই তৃণমূলের একাংশ কর্মী সমর্থকরা এই চাঁদা আদায় করত। স্থানীয় নেতৃত্বের অভিযোগ, এই টোল থেকে প্রতিদিন প্রায় কয়েক লাখ টাকা চাঁদা জমা হত তৃণমূলের তহবিলে। টোল আদায় সম্পূর্ণ অনুব্রত মণ্ডল দেখভাল করতেন বলেও অভিযোগ বিজেপির। বিজেপির বোলপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি শ্যামাপদ মন্ডল বলেন, ”সরকারিভাবে টোল আদায় হলে আপত্তি নেই। কারণ সেই টাকা জমা পড়বে সরকারি কোষাগারে। তবে রাজনৈতিক প্রভাব দেখিয়ে অর্থ আদায় কিংবা জোরপূর্বক চাঁদা তোলার সংস্কৃতি যেন ফিরে না আসে।” ব্যবসায়ীরা বলেন, ”সরকারি টোলের পাশাপাশি বিভিন্নভাবে টাকা আদায় করা হতো। সেই কারণেই হাজার হাজার টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত পরিবহণ খরচ হত। আর তার প্রভাব পড়ত সাধারণ মানুষের উপর। এই অবস্থায় পরিবহনের খরচ কমলে বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দামও কম হবে।” বছরের পর বছর বোলপুর পুরসভার অধীনে শহরের বিভিন্ন প্রবেশপথে ছ’টি টোল কাউন্টার চালু ছিল। বাইরে থেকে শহরে প্রবেশ কিংবা শহর ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়া গাড়ির কাছ থেকে নির্দিষ্ট হারে টাকা নেওয়া হত। ছোট গাড়ি থেকে পণ্যবাহী যান সবক্ষেত্রেই আলাদা হারে টোল আদায় চলত। দিন-রাত মিলে কয়েক লক্ষ টাকা আদায় হত। আর এই টোল ব্যবস্থাকে ঘিরে অতীতে একাধিকবার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে। পর্যটক থেকে স্থানীয় বাসিন্দারা অনেকেই জোরপূর্বক টাকা আদায়ের অভিযোগ তুলেছিলেন। এমনকী অনেক ক্ষেত্রে রসিদও দেওয়া হত না বলে অভিযোগ। এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সময়ে বচসা, মারপিট থেকে শুরু করে থানায় অভিযোগ পর্যন্ত দায়ের হয়েছে। অভিযোগ ওঠে, বোলপুর পুরসভার নামে রশিদ ছাপিয়ে সংশ্লিষ্ট এজেন্ট নাসির শেখ দীর্ঘদিন ধরে নাকি টোল আদায় পরিচালনা করতেন। তবে নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই তিনি বোলপুরে বাসভবন ছেড়ে উধাও বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। টোল আদায় বন্ধ হওয়ায় বর্তমানে জেলা জুড়ে প্রবেশ করছে লরি ও ডাম্পার-সহ বিভিন্ন পণ্যবাহী যান। গাড়ি থামিয়ে টাকা আদায় না হওয়ায় যানজটও অনেকটাই কমেছে বলে দাবি স্থানীয়দের।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles