RK NEWZ কর্তব্যে গাফিলতি? সাসপেন্ড প্রগতি ময়দান দমকলকেন্দ্রের আধিকারিক! রাজ্যের দমকল এবং জরুরি বিভাগের ডিজি-র তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানানো হয়, কর্তব্যে গাফিলতির জন্য প্রগতি ময়দান দমকলকেন্দ্রের স্টেশন অফিসার তথা ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক গৌতম দাসকে সাসপেন্ড করা হচ্ছে। তপসিয়ায় অগ্নিকাণ্ডের পর সাসপেন্ড (নিলম্বিত) করা হল প্রগতি ময়দান দমকলকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিককে। বুধবার রাজ্যের দমকল এবং জরুরি বিভাগের ডিজি-র তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানানো হয়, কর্তব্যে গাফিলতির জন্য প্রগতি ময়দান দমকলকেন্দ্রের স্টেশন অফিসার তথা ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক গৌতম দাসকে সাসপেন্ড করা হচ্ছে। বিজ্ঞপ্তিতে এ-ও বলা হয়েছে যে, প্রগতি ময়দান দমকলকেন্দ্রে নজরদারি, পরিদর্শন এবং অগ্নি-নিরাপত্তা আইন কার্যকর করার ক্ষেত্রে গুরুতর গাফিলতি ছিল। দমকল কর্তৃপক্ষের তরফে গৌতমকে অবিলম্বে সাসপেন্ড করে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করতে বলা হয়েছে। এই তদন্ত এক মাসের মধ্যে শেষ করতে হবে। নিলম্বিত থাকার সময় গৌতম দমকলের সদর দফতর বা হেডকোয়ার্টারে থাকবেন। কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া সদর দফতর ছাড়তে পারবেন না। দুপুরে তপসিয়ার ৫০/১ জিজে খান রোডের ঠিকানায় এক বহুতলের দোতলায় চামড়ার কারখানায় আগুন লাগে। দ্রুত সেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। আগুনে আটকে পড়েন পাঁচ-ছ’জন। সকলেই ওখানে কাজ করছিলেন। আগুন লাগার বিষয়টি নজরে আসতেই স্থানীয়েরা খবর দেন দমকলে। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার পৌনে ২টো নাগাদ দমকলকে আগুন লাগার খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় দমকলের একাধিক ইঞ্জিন। আগুনের তীব্রতার কারণে আটকে থাকা ব্যক্তিরা বাইরে বার হতে গিয়ে সমস্যায় পড়েন। দমকলকর্মীরা তাঁদের উদ্ধারের চেষ্টা করেন। কিন্তু আগুনের তেজ বেশি থাকায় তাঁদের বেগ পেতে হয়। পরে সকলকে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে ক্যালকাটা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হয়। চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করে দু’জনকে মৃত ঘোষণা করেন। আরও তিন জন গুরুতর অবস্থায় চিকিৎসাধীন। তাঁদের চিকিৎসা চলছে। তপসিয়ার চামড়ার কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের পর বুধবার কলকাতায় বুলডোজ়ার চলেছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ওই কারখানার সামনে পৌঁছে যায় জেসিবি। সমগ্র বহুতলটি ভেঙে ফেলার কাজ শুরু হয়। শুভেন্দু জানান, বহুতলটি অবৈধ ভাবে নির্মিত। তাই তা ভেঙে ফেলা হবে। সেই সঙ্গে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে এই ধরনের অবৈধ নির্মাণ চিহ্নিত করার নির্দেশও দেন তিনি। আলাদা করে উল্লেখ করেন কসবা, তিলজলা, মোমিনপুর, একবালপুরের মতো এলাকার কথা। অবৈধ নির্মাণগুলিতে বিদ্যুৎ সংযোগ এবং জলের লাইন কেটে দিতে বলেন তিনি। শুভেন্দু জানান, অবৈধ নির্মাণ নিয়ে তাঁর সরকার ‘জ়িরো টলারেন্স’ নীতি নিচ্ছে। যাঁদের সতর্ক হওয়া প্রয়োজন, তাঁরা যেন এখনই সতর্ক হয়ে যান।





