Thursday, April 23, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

১০ দিনের জন্য ইডি হেফাজতে বিনেশ চান্দেল। আইপ্যাকের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা প্রতীক জৈনের স্ত্রী এবং ভাইকে তলব ইডি-র!

RK NEWZ ভোটকুশলী সংস্থা ইন্ডিয়ান পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি (আইপ্যাক)-এর অন্যতম কর্তা বিনেশ চান্দেলকে ১০ দিনের জন্য হেফাজতে নিয়েছে ইডি। অর্থ পাচার মামলায় এ বার প্রতীক জৈনের স্ত্রী এবং ভাইকে তলব করল কেন্দ্রীয় সংস্থা। সংস্থার অন্যতম কর্ণধার বিনেশ চান্দেলকে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আইপ্যাক মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত হাওয়ালা লেনদেনের অভিযোগের তদন্তে নেমে ইডি প্রতীকের ভাই পুলকিত জৈন এবং স্ত্রী বার্বি জৈনকে ১৫ এপ্রিল অর্থাৎ, বুধবার ডেকে পাঠিয়েছে ইডি। দিল্লিতে সংস্থার সদর দফতরে যেতে বলা হয়েছে আইপ্যাক কর্তার স্ত্রী এবং ভাইকে। উল্লেখ্য, পুলকিতও আইপ্যাকের সঙ্গে যুক্ত। ওই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম সহ-প্রতিষ্ঠাতা তিনি। ইডি-র সূত্র উদ্ধৃত করে সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, বুধবার অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইন (পিএমএলএ)-এর মামলায় তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্তে আইপ্যাক-কর্তার ঠিকানায় হানা দিয়েছিল কেন্দ্রীয় সংস্থা। রাতেই তৃণমূলের ভোটকুশলী সংস্থাটির অন্যতম পরিচালক ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিনেশকে তারা গ্রেফতার করে। মঙ্গলবার ভোরে পটীয়ালা হাউস কোর্টের অতিরিক্ত দায়রা বিচারক (এএসজে) শেফালি বার্নালা ট্যান্ডন বিনেশের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেন। আদালতে ইডি জানিয়েছে, আইপ্যাকের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা বিনেশ সংশ্লিষ্ট সংস্থার ৩৩ শতাংশের অংশীদার। অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইন (পিএমএলএ)-এর অধীনে একটি মামলায় তিনি তদন্তাধীন রয়েছেন। দিল্লি পুলিশের দায়ের করা একটি এফআইআর থেকে এই মামলার সূত্রপাত। ৮ জানুয়ারি এই মামলায় আইপ্যাকের দফতর এবং সংস্থার আর এক প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক প্রতীক জৈনের কলকাতার বাসভবনে তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। সেই অভিযানের সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্য সরকারের আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে প্রতীকের বাড়ি এবং দফতরে যান। অভিযোগ, ইডির তল্লাশির সময় মুখ্যমন্ত্রী আইপ্যাক-কর্তা প্রতীকের বাড়িতে ঢুকে নথিপত্র, ফাইল এবং ল্যাপটপ বার করে এনেছিলেন। তার পরে সল্টলেকে সংস্থার দফতরে গিয়েও একই কাজ করেন। তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় ইডি। মঙ্গলবারই সুপ্রিম কোর্টে ইডির সেই আবেদনের শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অনির্দিষ্ট কালের জন্য তা পিছিয়ে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে শীর্ষ আদালত। বিনেশের গ্রেফতারি নিয়ে ইডি-র দাবি, ওই সংস্থায় একাধিক আর্থিক অনিয়মের ঘটনা উদ্‌ঘাটিত হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে হিসাবভুক্ত এবং হিসাববহির্ভূত উভয় প্রকার তহবিল গ্রহণ, জামানতবিহীন ঋণ, ভুয়ো চালান প্রদান, তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে তহবিল স্থানান্তর ইত্যাদি। তা ছাড়াও নগদ অর্থ স্থানান্তরের জন্য দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক হাওয়ালা চ্যানেল ব্যবহারের অভিযোগও করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি। আদালতে ইডির আইনজীবী বলেন, ‘‘তদন্তে উঠে এসেছে আইপ্যাক— কনসাল্টিং প্রাইভেট সংস্থা বহু কোটি টাকার অপরাধলব্ধ অর্থ পাচারে জড়িত ছিল। এখনও পর্যন্ত প্রায় ৫০ কোটি টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।’’ সওয়াল-জবাবের পর আইপ্যাকের অন্যতম কর্তা বিনেশকে ইডি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles